শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা: বিনা পুঁজিতে ভাগ্য বদলের গল্প

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৫৭ এএম
কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা: বিনা পুঁজিতে ভাগ্য বদলের গল্প

কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা করে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার পথে পিরোজপুরের গ্রামবাসী। প্রাকৃতিক কচুরিপানা রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের ২৫টি দেশে।

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা, সোনাপুরের নারীদের হাত ধরে বিশ্ববাজারে কচুরিপানার হস্তশিল্প কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা—এক সময়ের অবহেলিত জলজ উদ্ভিদ এখন পিরোজপুরের মানুষের ভাগ্য বদলের হাতিয়ার।
  • জেলার নাজিরপুর উপজেলার গাওখালী ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের শত শত পরিবার এখন কচুরিপানার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
  • এলাকাবাসীর ভাষায়, এটা এক ধরনের বিনা পুঁজিতে ব্যবসা।

কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা, সোনাপুরের নারীদের হাত ধরে বিশ্ববাজারে কচুরিপানার হস্তশিল্প

কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা—এক সময়ের অবহেলিত জলজ উদ্ভিদ এখন পিরোজপুরের মানুষের ভাগ্য বদলের হাতিয়ার। জেলার নাজিরপুর উপজেলার গাওখালী ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের শত শত পরিবার এখন কচুরিপানার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

এলাকাবাসীর ভাষায়, এটা এক ধরনের বিনা পুঁজিতে ব্যবসা। কারণ কচুরিপানার জন্য বাড়তি কেনার খরচ নেই। শুধু প্রয়োজন একটু শ্রম, শুকানো আর পরিবহন। নারী, পুরুষ এমনকি শিক্ষার্থীরাও এই কাজে যুক্ত হয়েছেন। বিলের কচুরিপানা সংগ্রহ করে শুকিয়ে প্রতি কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি মাসে প্রায় ১০ টন কচুরিপানা কেনাবেচা হয়।

কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা
অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার পথে পিরোজপুরের গ্রামবাসী। প্রাকৃতিক কচুরিপানা রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের ২৫টি দেশে।

এই কাঁচামাল উত্তরবঙ্গের কুটির শিল্পে ব্যবহৃত হয়। সেখান থেকে তৈরি হয় পাটি, হাতব্যাগ, জায়নামাজ, ঝাড়সহ নানা হস্তশিল্প। এরপর এসব পণ্য রপ্তানি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপানসহ বিশ্বের ২৫টির বেশি দেশে।

স্থানীয় চাষি মোকছেদ মিয়া বলেন, ‘জমি চাষ না করেও আয় হচ্ছে। তবে রাস্তাঘাট ভালো হলে আরও সুবিধা হতো।’ উদ্যোক্তা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমরা শুকনা কচুরিপানা কিনে রংপুরে পাঠাই, সেখান থেকে বিদেশে যায়।’

জেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাকৃতিক এ জলজ উদ্ভিদ দিয়ে ব্যবসা হচ্ছে জেনে আমরা খতিয়ে দেখছি কীভাবে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো যায়।’

কচুরিপানা দিয়ে ব্যবসা এখন আর কল্পনা নয়, বরং একটি নতুন সম্ভাবনার দিক। যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হলে এই অঞ্চল হয়ে উঠতে পারে গ্রামীণ শিল্পবিপ্লবের নতুন কেন্দ্র।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

দেবীদ্বারে মাদক বিক্রির সময় ‘হানিট্র্যাপ’খ্যাত লেডি ডন লাইলি গ্রেপ্তার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৮ পিএম
দেবীদ্বারে মাদক বিক্রির সময় ‘হানিট্র্যাপ’খ্যাত লেডি ডন লাইলি গ্রেপ্তার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মাদক বিক্রির সময় কথিত ‘হানিট্র্যাপ’ ও ‘লেডি ডন’ হিসেবে পরিচিত লাইলি আক্তার (৩৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় তাঁর কাছ থেকে ১৫ পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রির টাকা ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাগর বড়ুয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দেবীদ্বার নিউমার্কেট এলাকার রহমানিয়া সুপার মার্কেটের পেছনে ‘আহসান মঞ্জিল’ নামের একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই লাইলি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসআই সাগর বড়ুয়া বলেন, “অভিযানকালে লাইলি আক্তারের দখল থেকে ১৫ পিস ইয়াবা, ইয়াবা বিক্রির টাকা ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়েছে।”

সাগর বড়ুয়া, উপপরিদর্শক (এসআই), দেবীদ্বার থানা

গ্রেপ্তার লাইলি আক্তার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ঘোষঘর গ্রামের আবদুর রশিদ মিয়ার মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেবীদ্বার এলাকায় অবস্থান করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচিত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নারীকে ব্যবহার করে প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলা, আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং পরে সেগুলো প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের একটি চক্রের সঙ্গে লাইলির সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে চলতি বছরের ৭ এপ্রিল একই ‘আহসান মঞ্জিল’ থেকে পর্নোগ্রাফি মামলায় লাইলি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। ওই মামলায় আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হলেও পরে জামিনে বেরিয়ে আসেন তিনি।

গত ৭ এপ্রিল জাফরগঞ্জ মাজেদার আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোকবল হোসেন বাদী হয়ে লাইলি আক্তারকে এজাহারভুক্ত করে এবং অজ্ঞাতনামা তিন নারী ও পাঁচ পুরুষের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই মামলার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাসা থেকে শিক্ষক মোকবল হোসেনকে উদ্ধার করা হয়েছিল এবং তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, লাইলি আক্তাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। চক্রটি প্রভাবশালী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে টার্গেট করত বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী অভিযোগ করে বলেন, “লাইলি দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে এলাকায় আলোচনা রয়েছে। বিত্তশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও পরে অর্থ আদায়ের অভিযোগও শোনা যায়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততার কথা স্থানীয়রা বলে থাকেন।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, স্থানীয় বাসিন্দা

তবে গ্রেপ্তার লাইলি আক্তার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি ভালো হয়ে গেছি। আমার ছেলে মাদক ব্যবসা করে। ছেলে রাতে ঘুমিয়েছিল। তখন তার বন্ধুরা এসে ইয়াবা চাইলে আমি জানালা দিয়ে ইয়াবা দেওয়ার সময় পুলিশ আমাকে ধরে।”

দৈনিক আজকের কথা
লাইলি আক্তার খুবই ধুরন্দর। তিনি জামিনে এসে আবারও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে। আগের পর্নোগ্রাফি মামলাটিও চলমান রয়েছে। এবার এই মামলার সূত্র ধরে তাঁর সহযোগীদেরও শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হবে।
— মো. মনিরুজ্জামান
প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব।

পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযানের পাশাপাশি লাইলি আক্তারকে ঘিরে থাকা কথিত অপরাধচক্রের অন্য সদস্যদের বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বাস্তবে ১০১, সরকারি নথিতে ৯০ : দারোরার সাবেক চেয়ারম্যানের বয়সে ১১ বছরের গরমিল!

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫৩ এএম
বাস্তবে ১০১, সরকারি নথিতে ৯০ : দারোরার সাবেক চেয়ারম্যানের বয়সে ১১ বছরের গরমিল!

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১৯ নম্বর দারোরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কাজী আবদুল লতিফের বয়স নিয়ে সরকারি নথি ও পারিবারিক দাবির মধ্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি সামনে এসেছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য অনুযায়ী তাঁর জন্মসাল ১৯৩৭; সে হিসাবে ২০২৬ সালে তাঁর বয়স ৯০ বছর। তবে তাঁর ছেলে মিজান কাজির দাবি, তাঁর বাবার প্রকৃত জন্মসাল ১৯২৫। সে হিসাবে চলতি বছরে তাঁর বয়স ১০১ বছর।

ফলে সরকারি নথির বয়সের সঙ্গে পারিবারিকভাবে জানানো বয়সের ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১১ বছর। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং বিষয়টি সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

কাজী আবদুল লতিফ কাজী রহিম উদ্দিন ও ফাতেমা বেগমের ছেলে। দীর্ঘদিন তিনি দারোরা ইউনিয়নের সামাজিক ও স্থানীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৩ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি ১৯ নম্বর দারোরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দৈনিক আজকের কথা
আমার বাবার জন্মসাল ১৯২৫। কিন্তু সরকারি নথিতে ১৯৩৭ সাল উল্লেখ রয়েছে। ফলে বয়সের হিসাবে ১১ বছরের একটি বড় গরমিল তৈরি হয়েছে।
— মিজান কাজি
সাবেক চেয়ারম্যান কাজী আবদুল লতিফের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাজী আবদুল লতিফ দীর্ঘ সময় ধরে এলাকায় পরিচিত ও প্রবীণ ব্যক্তি হিসেবে অবস্থান করছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন তথ্যের সঙ্গে সরকারি নথিতে থাকা বয়সের তথ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটিও যাচাইয়ের দাবি রাখে।

দৈনিক আজকের কথা
কাজী আবদুল লতিফ আমাদের এলাকার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তাঁর সময়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও মানুষ মনে রেখেছে। তাঁর বয়সের তথ্যের মধ্যে যে অসঙ্গতির কথা বলা হচ্ছে, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
— কামাল উদ্দিন খন্দকার
চেয়ারম্যান, ১৯ নং দারোরা ইউনিয়ন পরিষদ

সরকারি নথি, এনআইডি এবং জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত বয়সের পার্থক্য থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তাই কাজী আবদুল লতিফের জন্মসাল ও বয়সের বিষয়টিও যথাযথ নথিপত্র যাচাই করে নির্ধারণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেবীদ্বারে বিএনপিতে যোগ দিয়েও গ্রেফতার এড়াতে পারেননি স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইউপি সদস্য আলম হাজারী

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৯ পিএম
দেবীদ্বারে বিএনপিতে যোগ দিয়েও গ্রেফতার এড়াতে পারেননি স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ইউপি সদস্য আলম হাজারী

কুমিল্লার দেবীদ্বারে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য মো. আলম হাজারী (৪৫)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে দেবীদ্বার থানা পুলিশের একটি দল উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার মো. আলম হাজারী বড়শালঘর গ্রামের আবুল হাসেম হাজারীর ছেলে। তিনি বড়শালঘর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ছিলেন। এছাড়া তিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মুকবল হাজারীর দাবি, শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এবং যুবলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার গাজী রাসেল বিন ছালামের নেতৃত্বে দাউদকান্দি এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মিছিলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আলম হাজারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দৈনিক আজকের কথা
শুক্রবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিলে আলম হাজারী অর্থের জোগানদাতা ছিলেন। এ কারণে তাকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
— মো. মনিরুজ্জামান
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), দেবীদ্বার থানা।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ মিছিলের অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে আলম হাজারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দা মো. মুকবল হাজারী দাবি করেছেন, মিছিলের দায় তার ওপর চাপিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আলম হাজারীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান।

×
ENG