শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

খোশগল্পের অঙ্গীকারে বাস্তবের আলো, তিনজন পেলেন সেলাই মেশিন, একজন পাচ্ছেন দৃষ্টিনন্দন ঘর

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:৪৩ পিএম
খোশগল্পের অঙ্গীকারে বাস্তবের আলো, তিনজন পেলেন সেলাই মেশিন, একজন পাচ্ছেন দৃষ্টিনন্দন ঘর

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • 🌸 অসহায় তিন নারীর মুখে ফুটল আশার হাসি — প্রতিশ্রুতি রাখলেন কায়কোবাদ খোশগল্পের অঙ্গীকারে বাস্তবের আলো, তিনজন পেলেন সেলাই মেশিন, একজন পাচ্ছেন দৃষ্টিনন্দন ঘর অসহায় তিন নারীর জীবনে আশার আলো জ্বেলে দিলেন কুমিল্লা–৩ (মুরাদনগর) আসনের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ।
  • নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন কর্মে, নয় কথায়—আজ মঙ্গলবার তার পক্ষ থেকে ওই তিন নারীর হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন সেলাই মেশিন।
  • সেলাই মেশিন হাতে পেয়ে আবেগে চোখে জল আসে তাছলিমা আক্তার, সুমি আক্তার ও লিপি আক্তারের।

🌸 অসহায় তিন নারীর মুখে ফুটল আশার হাসি — প্রতিশ্রুতি রাখলেন কায়কোবাদ

খোশগল্পের অঙ্গীকারে বাস্তবের আলো, তিনজন পেলেন সেলাই মেশিন, একজন পাচ্ছেন দৃষ্টিনন্দন ঘর

অসহায় তিন নারীর জীবনে আশার আলো জ্বেলে দিলেন কুমিল্লা–৩ (মুরাদনগর) আসনের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। নিজের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন কর্মে, নয় কথায়—আজ মঙ্গলবার তার পক্ষ থেকে ওই তিন নারীর হাতে তুলে দেওয়া হয় নতুন সেলাই মেশিন। আরেকজন গৃহহীন নারী পাচ্ছেন দৃষ্টিনন্দন ঘর।

IMG 20251015 WA0007

সেলাই মেশিন হাতে পেয়ে আবেগে চোখে জল আসে তাছলিমা আক্তার, সুমি আক্তার ও লিপি আক্তারের। জীবনের নানা অভাব-অসহায়তা সত্ত্বেও আজ তারা পেলেন নিজের পরিশ্রমে বাঁচার নতুন পথ।

তাছলিমা কণ্ঠ ভার করে বলেন,

“আমরা ভাবিনি কেউ আমাদের খবর নেবে। আজ মনে হচ্ছে, নতুন করে বাঁচার সাহস পেলাম।”

এদিকে গৃহহীন হাসিনা বেগমের জন্য শুরু হয়েছে ঘর নির্মাণের কাজ, যেখানে তিনি অবশেষে পাবেন নিরাপদ আশ্রয়।

অসহায় চার নারী হলেন—সুমি আক্তার (পায়ব পশ্চিমপাড়া, ১৭ নং জাহাপুর), তাছলিমা আক্তার (দারোরা, ১৯ নং ইউনিয়ন), গৃহহীন হাসিনা বেগম (কাজিয়াতল মুন্সী বাড়ির পাশে, ১৯ নং দারোরা) এবং লিপি আক্তার (লক্ষ্মীপুর গ্রামের মান্নানের বাড়ি, ১৬ নং ধামঘর)।

এই নারীদের জীবনসংগ্রামের গল্প প্রথম প্রকাশ করেন স্থানীয় সাংবাদিক মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী। তার প্রতিবেদনের সূত্র ধরে কায়কোবাদ সাহেব ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করে প্রতিশ্রুতি দেন সহায়তার।

IMG 20251015 WA0012

এই প্রতিশ্রুতির জন্ম ‘জনতার খোশগল্প’ নামের এক মানবিক আড্ডা থেকে। গত সোমবার মুরাদনগরে অনুষ্ঠিত সেই আড্ডায় রাজনীতি, উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়। সেখানে কায়কোবাদ সাহেব বলেন,

“রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতা নয়—এটি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়বদ্ধতা ও পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি।”

তার সেই কথার বাস্তব প্রমাণ মিলল আজ—তিন নারীর হাতে সেলাই মেশিন আর এক নারীর জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের ঘর।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ দুলাল সরকার (যুগ্ম আহ্বায়ক, মুরাদনগর উপজেলা বিএনপি), মোঃ মাসুদ রানা (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, মুরাদনগর উপজেলা যুবদল), সৈয়দ হাসান আহম্মেদ (সদস্য সচিব, মুরাদনগর উপজেলা যুবদল), মোঃ ফারুক আহমেদ বাদশা (সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, মুরাদনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল), মোঃ আলমগীর হোসেন (সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদল), মোঃ মাসুম মুন্সী (আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য, মুরাদনগর উপজেলা যুবদল), মোঃ রমিজ উদ্দিন মেম্বার (আহ্বায়ক, ১৯ নং দারোরা ইউনিয়ন যুবদল), কবির হোসেন, মোঃ সুমন ও নাহিদুল নাঈম (ছাত্র আন্দোলন নেতা, মুরাদনগর উপজেলা)।

মানুষের জীবনে আশার আলো জ্বেলে কায়কোবাদের এই উদ্যোগ মুরাদনগরে এনে দিয়েছে নতুন অনুপ্রেরণা। স্থানীয়দের ভাষায়,

“কায়কোবাদ সাহেব দেখিয়েছেন—জনতার গল্প থেকেও জন্ম নিতে পারে পরিবর্তনের গল্প।”


সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

হোমনার একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, মেঘনায় এখনো নিখোঁজ বাবা

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২০ পিএম
হোমনার একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, মেঘনায় এখনো নিখোঁজ বাবা

নারায়ণগঞ্জের মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন।

ট্রলারডুবির দুই দিন পর শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এবং শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বৈদ্যেরবাজার এলাকার আল-মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন—হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজীব, শামীম এবং মেয়ে সামিয়া।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার যাওয়ার পথে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা পাঁচজন পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন।

দুর্ঘটনার পরপরই রায়েসা বেগম নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের চারজনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই দিন ধরে নদীতে উদ্ধার অভিযান চালানোর পর শনিবার ভোরে মেঘনায় সামিয়ার মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে সোনারগাঁ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর সজীব ও শামীমের মরদেহও উদ্ধার করা হয়। পরিবারের একমাত্র নিখোঁজ সদস্য হেলাল উদ্দিনের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অপ্রতিমের বাবা-মাকে ফোনে হয়রানি ও অপপ্রচারের অভিযোগ, থানায় জিডি

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০১ এএম
অপ্রতিমের বাবা-মাকে ফোনে হয়রানি ও অপপ্রচারের অভিযোগ, থানায় জিডি

কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর এবার তার বাবা-মাকে বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে হয়রানি ও অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রতিম ও তার পরিবারকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও করেছেন স্বজনরা।

এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে অপ্রতিমের মা ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগম তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

দৈনিক আজকের কথা
ফেসবুকে বিভিন্ন নামে আইডি খুলে অপ্রতিম ও আমাদের পরিবারকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নম্বর থেকে আমাদের দুজনের মোবাইলে ফোন করে অশোভন আচরণ করা হচ্ছে। এসব কারণে আতঙ্কে অপ্রতিমের মা তার মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।
— কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার
অপ্রতিমের বাবা

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এসব ঘটনায় অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

সদর দক্ষিণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবং অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাইবার বুলিং এবং বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে অশোভন আচরণের অভিযোগে অপ্রতিমের বাবা থানায় জিডি করেছেন। অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে।

অপ্রতিমের বাবা শাহরিয়ার বলেন, ফেসবুকে বিভিন্ন নামে আইডি খুলে অপ্রতিম ও তাদের পরিবারকে জড়িয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নম্বর থেকে তার ও তার স্ত্রীর মোবাইলে ফোন করে অশোভন আচরণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে অপ্রতিমের মা তার মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন। তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। পরদিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বাবা সদর দক্ষিণ থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সম্প্রতি পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব আহমেদ মামলাটি তদন্ত করছেন।

অপ্রতিম হত্যা মামলায় বদল তদন্ত কর্মকর্তা, নতুন দায়িত্বে পরিদর্শক রাজিব

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৩ পিএম
অপ্রতিম হত্যা মামলায় বদল তদন্ত কর্মকর্তা, নতুন দায়িত্বে পরিদর্শক রাজিব

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সদর দক্ষিণ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব আহমেদ। এতদিন মামলাটি তদন্ত করছিলেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফুর রহমান তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ জানান, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের আদেশে তাকে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাতে পাওয়ার পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু করবেন। দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, তদন্তের দায়িত্ব এখন পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব আহমেদকে দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, এখন থেকে মামলাটির তদন্ত করবেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত)। অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়ে তিনজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পাওয়া গেছে। তবে ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান। সে বর্ডার গার্ড হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। ওই দিন বাসায় না ফেরায় তার বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সদর দক্ষিণ থানায় হত্যা মামলা করেন তার বাবা।

পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজ ও অপ্রতিমের মুঠোফোনের সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও মো. কামরুল হাসান (১৬) এবং জড়িত থাকার সন্দেহে মো. সিয়ামকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে অপ্রতিমকে বাঁশ ও লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। পরে তার মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায় তিনজন।

ওই দিন সিয়াম ছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া অপর তিনজন কুমিল্লার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আদালতের নির্দেশে ফাহাদ ও কামরুলকে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। অপর দুই আসামি বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে।

×
ENG