1. nagorikit@gmail.com : Mohammad Shariful Alam Chowdhury :
  2. sharifulchowdhury81@gmail.com : administrator :
  3. : Temp User : Temp User
ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ, জবাব দিলেন আদালতে  
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
  •                      
ব্রেকিং নিউজ:
নিষিদ্ধের দিনেই উল্টো স্রোত,ফেসবুকে বিক্ষোভের ঝড়, আ’লীগে যোগ দিয়ে শক্ত বার্তা হারুন আল রশিদের! কুমিল্লা মেডিকেলে শিশুদের ‘গাদাগাদি’—দেড় বছর ধরে তালাবদ্ধ পড়ে ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল! নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনা: মুরাদনগরের বাবা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু ভুয়া ওয়ারেন্টে সাংবাদিক আটক—১৮ ঘণ্টা পর আদালতে মুক্তি, দেবীদ্বারে তোলপাড়! ৪৫ হাজার টাকার চাকরি, ৫৯ কোটির সাম্রাজ্য—পাসপোর্ট কর্মকর্তার সম্পদে চাঞ্চল্য! ৩ মাসে ২৫০ আগুন: কুমিল্লায় ফায়ার স্টেশন সংকটে বাড়ছে কোটি টাকার ক্ষতি ইউনূস ও আসিফ নজরুল ইস্যুতে তোলপাড়—নাঈম নিজামের পোস্টে উত্তপ্ত সোশ্যাল মিডিয়া ১০ বছরেও বিচারহীন তনু হত্যা—অবশেষে ৩ সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ আদালতের সুদখোর ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলো ইতালির উপকূলে ভয়াবহ নৌকাডুবি, ১০৫ আরোহীর মধ্যে নিখোঁজ অন্তত ৭১

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে বললেন, ষড়যন্ত্রের শিকার

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী
  • আপডেট করা হয়েছে বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ, সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর অন্যায় আবদারে না করায় তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মামলা হয়েছে

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে আদালতে স্পষ্ট করে বলেন, তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠা বজায় রেখেছেন এবং ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থে সরকারি অর্থ ব্যবহার করেননি।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালতে হাজির হয়ে ড. কলিমুল্লাহ বলেন, “আমি ২০১৭ সাল থেকে রংপুরেই ছিলাম এবং দায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে থাকাকালে দীপু মনির বিভিন্ন অন্যায় আবদারে বাধ্য করা হতো। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে।”

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ

ড. কলিমুল্লাহ

বিচারক জিজ্ঞাসা করেন, তিনি কি নিয়োগ বোর্ডে ছিলেন? জবাবে কলিমুল্লাহ বলেন, “সব নিয়োগ সরকারিভাবে হয়েছে, আমি কাউকে নিজের মতো করে নিয়োগ দিইনি।”

বিচারক মন্তব্য করেন, “আপনি একইসঙ্গে ভিসি, বিভাগীয় প্রধান ও ডিন ছিলেন—এটা অস্বাভাবিক।” জবাবে ড. কলিমুল্লাহ বলেন, “রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবতা ভিন্ন। আগের ভিসিরাও একইভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।”

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মন্তব্য করেন, “উনি টিভিতে নিয়মিত টকশো করতেন, অথচ দাবি করেন ১৭ ঘণ্টা অফিস করতেন।” এর জবাবে কলিমুল্লাহ বলেন, “আমি সব সময় কাজ করেছি, টকশো ছিল বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার অংশ।”

আদালত শেষ পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিলেও বলেন, “আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ কীভাবে এসেছে, তা একমাত্র আপনি, আল্লাহ এবং পরে দুদক জানবে। যতদিন জেলে থাকবেন, ভালো থাকবেন।”

উল্লেখ্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক ১৮ জুন কলিমুল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলায় যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে: অনুমোদিত ডিজাইন উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন, চুক্তি ছাড়াই টাকা দেওয়া, নিরাপত্তা জামানতের টাকা অন্যভাবে ব্যবহার, দ্বিতীয় পরামর্শক নিয়োগে অনিয়ম ইত্যাদি।

তবে ড. কলিমুল্লাহ জোর দিয়ে বলেন, “আমি সব সময় নিয়ম মেনে চলেছি, আর এ কারণেই কিছু প্রভাবশালী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমি নিয়োগ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ছিলাম, কোনো দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলাম না।”

মোহাম্মদপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ আসামির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আদালত।

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে এই মামলাকে তিনি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রতিশোধমূলক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে—এটি কেবল তাঁকে হেয় করার অপচেষ্টা, প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন সৎ ও জনদরদি শিক্ষাপ্রশাসক।

শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন
 

কপিরাইট © [২০২৫] দৈনিক আজকের কথা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত। প্রকাশকের ছাড়া কোনো অংশ পুনঃপ্রকাশ, বিতরণ বা সংরক্ষণ করা আইনত দণ্ডনীয়।

যোগাযোগ   আমাদের সম্পর্কে   শর্তাবলি ও নীতিমালা