বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে বললেন, ষড়যন্ত্রের শিকার

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫, ৬:২২ পিএম
ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে বললেন, ষড়যন্ত্রের শিকার
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ, সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর অন্যায় আবদারে না করায় তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মামলা হয়েছে

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে আদালতে স্পষ্ট করে বলেন, তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠা বজায় রেখেছেন এবং ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থে সরকারি অর্থ ব্যবহার করেননি।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালতে হাজির হয়ে ড. কলিমুল্লাহ বলেন, “আমি ২০১৭ সাল থেকে রংপুরেই ছিলাম এবং দায়িত্ব পালন করেছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে থাকাকালে দীপু মনির বিভিন্ন অন্যায় আবদারে বাধ্য করা হতো। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে।”

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ
ড. কলিমুল্লাহ

বিচারক জিজ্ঞাসা করেন, তিনি কি নিয়োগ বোর্ডে ছিলেন? জবাবে কলিমুল্লাহ বলেন, “সব নিয়োগ সরকারিভাবে হয়েছে, আমি কাউকে নিজের মতো করে নিয়োগ দিইনি।”

বিচারক মন্তব্য করেন, “আপনি একইসঙ্গে ভিসি, বিভাগীয় প্রধান ও ডিন ছিলেন—এটা অস্বাভাবিক।” জবাবে ড. কলিমুল্লাহ বলেন, “রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তবতা ভিন্ন। আগের ভিসিরাও একইভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।”

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মন্তব্য করেন, “উনি টিভিতে নিয়মিত টকশো করতেন, অথচ দাবি করেন ১৭ ঘণ্টা অফিস করতেন।” এর জবাবে কলিমুল্লাহ বলেন, “আমি সব সময় কাজ করেছি, টকশো ছিল বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের ভাবমূর্তি রক্ষার অংশ।”

আদালত শেষ পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিলেও বলেন, “আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ কীভাবে এসেছে, তা একমাত্র আপনি, আল্লাহ এবং পরে দুদক জানবে। যতদিন জেলে থাকবেন, ভালো থাকবেন।”

উল্লেখ্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক ১৮ জুন কলিমুল্লাহসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলায় যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে: অনুমোদিত ডিজাইন উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন, চুক্তি ছাড়াই টাকা দেওয়া, নিরাপত্তা জামানতের টাকা অন্যভাবে ব্যবহার, দ্বিতীয় পরামর্শক নিয়োগে অনিয়ম ইত্যাদি।

তবে ড. কলিমুল্লাহ জোর দিয়ে বলেন, “আমি সব সময় নিয়ম মেনে চলেছি, আর এ কারণেই কিছু প্রভাবশালী মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। আমি নিয়োগ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ছিলাম, কোনো দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলাম না।”

মোহাম্মদপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ আসামির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আদালত।

ড. কলিমুল্লাহ দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে এই মামলাকে তিনি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রতিশোধমূলক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে—এটি কেবল তাঁকে হেয় করার অপচেষ্টা, প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন সৎ ও জনদরদি শিক্ষাপ্রশাসক।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

সারা দিন অপেক্ষায় কাটল বাজার

মুরাদনগরের হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরু, ক্রেতা না পেয়ে ফিরল খামারি হতাশায়

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৯:৪২ এএম
মুরাদনগরের হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরু, ক্রেতা না পেয়ে ফিরল খামারি হতাশায়

মুরাদনগরের ৭ লাখ টাকার গরু এক বুক আশা আর দুশ্চিন্তার দোলাচল নিয়ে সোমবার সকালে কুমিল্লার এক পশুর হাটে হাজির হন এক সাধারণ খামারি। সঙ্গে ছিল তাঁর অতি আদরের, নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করা ১৭ থেকে ১৮ মণের বিশাল আকৃতির একটি গরু। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরুটির দাম তিনি হাঁকান ৭ লাখ টাকা।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাচকিত্তা এলাকার বাহেরচর গ্রাম থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে গরুটি স্থানীয় বাজারে আনা হয়। সকাল থেকেই এটি হাটুরেদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বাজারের অন্য সব গরুর তুলনায় এর আকার, উচ্চতা এবং রাজকীয় শারীরিক গঠন ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।

হাটে আসা শত শত মানুষ গরুটিকে একনজর দেখতে ভিড় জমায়। কেউ কেউ পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করে, কেউ আবার বিস্ময়ভরা চোখে মোবাইলে ছবি তোলে। কিন্তু সেই ভিড়ের মাঝেও গরুর মালিক হৃদয় খান খুঁজছিলেন এমন একজন ক্রেতাকে, যিনি তাঁর যত্নে বড় করা প্রাণীটির প্রকৃত কদর বুঝবেন।

দিন গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। হাটের কোলাহল বাড়লেও খামারির মনে আশা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে থাকে। ভিড় থাকলেও ৭ লাখ টাকার বিশাল অঙ্ক শুনে কেউই কেনার সাহস দেখাননি, এমনকি দরদাম করতেও এগিয়ে আসেননি কেউ।

বাহেরচর গ্রামের খামারি হৃদয় খান আক্ষেপ করে বলেন, “সকাল থেকে একটা আশায় বসে ছিলাম। কত মানুষ আসলো, দেখলো, ছবি তুললো। কিন্তু কেউ একটা বারের জন্যও দামাদামি করতে এগিয়ে আসলো না। এতো সাধের গরুটা কেউ নিতে পারলো না, এই কষ্ট বোঝানো যাবে না।”

বিকেলের সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়ছিল, তখন হাটের ছোট ও মাঝারি গরুগুলো বিক্রি হয়ে একে একে খালি হয়ে যায়। অথচ সবার নজর কাড়া সেই বিশাল গরুটি এক কোণে দাঁড়িয়ে শান্ত চোখে তার মালিকের দিকে তাকিয়ে থাকে। দিনশেষে কোনো ক্রেতা না পেয়ে, এক বুক হতাশা আর ক্লান্ত শরীর নিয়ে গরুটি আবারও বাড়ির চেনা গোয়ালে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, বড় গরুর প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ সবসময়ই থাকে। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং মানুষের সীমিত ক্রয়ক্ষমতার কারণে শখ আর সাধ্যের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। মধ্যবিত্ত বা উচ্চ-মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের পক্ষে এককভাবে এত বড় অঙ্কের টাকা খরচ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

অন্যদিকে বড় গরু হাটে নিয়ে আসার পেছনে খামারিদের যেমন বড় বিনিয়োগ থাকে, তেমনি বিক্রি না হলে লোকসানের ঝুঁকিও বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু একটি গরু বিক্রি না হওয়ার গল্প নয়, বরং বর্তমান বাজার বাস্তবতার এক নির্মম চিত্র। খামারিদের পরিশ্রম ও ভালোবাসার আর্থিক মূল্য থাকলেও ক্রেতার সামর্থ্যের সঙ্গে সমন্বয় না হলে এমন দৃশ্য আরও বাড়তে পারে। হৃদয় খানের মতো অনেক খামারি এখন তাকিয়ে আছেন ঈদের শেষ মুহূর্তের বাজারের দিকে, কোনো ক্রেতার সঙ্গে তাদের স্বপ্নের মিলনের আশায়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বড় ব্যবধানে সহজ জয় নিশ্চিত

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ এএম
গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ফাইনালে উঠেছে রজত পাতিদার ও বিরাট কোহলির দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

ধর্মশালায় টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বেঙ্গালুরু। ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ব্যাটাররা। বিরাট কোহলি ২৫ বলে ৪৩ রান করে দলকে ভালো ভিত গড়ে দেন।

দেবদূত পাডিক্কেল ও কোহলি ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন। এরপর রজত পাতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়া ৪৭ বলে ৯৫ রানের ঝড়ো জুটি উপহার দেন।

ক্রুনাল পান্ডিয়া ২৮ বলে ৪৩ রান করেন। তবে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। তিনি ৩৩ বলে ৫ চার ও ৯ ছক্কায় ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে গুজরাট টাইটান্স। ২৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ফিরে যান। দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে দলটি।

জস বাটলার ২৯ রানের ইনিংস খেললেও তা যথেষ্ট হয়নি। ৩৭ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় ধস নামে গুজরাটের ইনিংসে।

রাহুল তেয়াতিয়া ৩৩ বলে ফিফটি তুলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে ১৯ ওভার ৩ বলে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় গুজরাট।

শেষ পর্যন্ত গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু দাপুটে পারফরম্যান্সে ৯২ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে জায়গা করে নেয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ধানখেতে নির্মম হত্যাকাণ্ডে ধরা

বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৭ এএম
বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় রাজমিস্ত্রী শাহ আলম (৩৫) হত্যার ঘটনায় তাঁর ভাবি আরিফা বেগম (৩২) ও একই গ্রামের শাহিন শেখ ওরফে সায়েম (৩২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার সংসারদীঘি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আরিফা বেগম নিহত শাহ আলমের বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী।

গত ১৬ মে সকালে সংসারদীঘি গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে শাহ আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ মে নিহতের মামা হারুন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আবু বক্কর কাজের কারণে বাড়ির বাইরে থাকতেন। এ সময় আরিফা বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের শাহিন শেখের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে শাহ আলম তাঁদের সম্পর্কের বিরোধিতা করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন জানান, ১৫ মে রাতে শাহিন আরিফার সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান। বিষয়টি টের পেয়ে শাহ আলম হাসুয়া হাতে উঠানে অবস্থান নেন। পরে আরিফা অন্য দরজা দিয়ে শাহিনকে পালাতে সহায়তা করেন।

এরপর শাহ আলম ধাওয়া করলে তিনি ধানখেতে পড়ে যান। এ সময় শাহিন তাঁর কাছ থেকে হাসুয়া কেড়ে নিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের মৃত্যু হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরও অভিযুক্তরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×