মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

সিলেট সফরে সহজ-সাবলীল মুহূর্তে মুগ্ধ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

বৃষ্টিতে স্ত্রীর হাত ধরে হাঁটা—তারেক রহমানের ভাইরাল ছবি নিয়ে আলোচনা

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ১:১৯ এএম
বৃষ্টিতে স্ত্রীর হাত ধরে হাঁটা—তারেক রহমানের ভাইরাল ছবি নিয়ে আলোচনা
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

তারেক রহমানের ভাইরাল ছবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সিলেট সফরকালে বৃষ্টিভেজা এক মুহূর্তে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের হাত ধরে হাঁটার একটি ছবি ইতোমধ্যেই নেটিজেনদের দৃষ্টি কেড়েছে।

শনিবার ২ মে সিলেট সফরের অংশ হিসেবে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে বের হওয়ার সময় এই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি হয়। ছবিতে দেখা যায়, বৃষ্টির মধ্যে এক হাতে ছাতা ধরে অন্য হাতে স্ত্রীর হাত ধরে হাঁটছেন তিনি।

এই সাধারণ অথচ হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্যটি খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ছবিটিকে একটি মানবিক ও পারিবারিক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন, যেখানে জনজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে।

তারেক রহমানের ভাইরাল এই ছবি নিয়ে ফেসবুক, এক্সসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। কেউ এটিকে দাম্পত্য জীবনের একটি সুন্দর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করছেন, আবার কেউ বলছেন—এ ধরনের সাধারণ আচরণই মানুষকে বেশি কাছাকাছি নিয়ে আসে।

ছবিতে দেখা যায়, কোনো আনুষ্ঠানিকতা বা প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে তিনি নিজেই ছাতা বহন করছেন এবং স্ত্রীর পাশে থেকে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন। অনেকের মতে, এই সহজ-সরল আচরণই ছবিটিকে আলাদা করে তুলেছে।

এদিকে, তারেক রহমানের ভাইরাল ওই ছবি শেয়ার করে অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী বিভিন্ন মন্তব্য করছেন। বিশেষ করে নারী ব্যবহারকারীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। কেউ কেউ মজার ছলে নিজেদের পরিচিতদের ট্যাগ করে একই ধরনের আচরণের প্রত্যাশা প্রকাশ করছেন।

আবার অনেকেই বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে বলছেন, একজন ব্যস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যেও পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি যত্ন ও সম্মানবোধ থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এই ছবি সেই দিকটিকেই সামনে নিয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করেন তারা।

কিছু ব্যবহারকারী হাস্যরসের মাধ্যমে বলছেন, এই একটি ছবিই নাকি অনেকের জন্য নতুন ধরনের ‘স্ট্যান্ডার্ড’ তৈরি করে দিয়েছে। বৃষ্টির দিনে ছাতা ধরা কিংবা সঙ্গীর পাশে থাকা নিয়ে মজার আলোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

তবে সমালোচনামূলক মন্তব্যও একেবারে অনুপস্থিত নয়। কেউ কেউ বিষয়টিকে শুধুই একটি সাধারণ মুহূর্ত হিসেবে দেখার আহ্ববান করে  প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের ভাইরাল এ ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যক্তিগত একটি মুহূর্ত কীভাবে জনআলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে, এই ঘটনাটি তারই একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

📊 অনলাইন জরিপ
আপনার মতামত দিন

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পর চাঁদাবাজি ও দখল অনেকাংশে কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted

অর্থপাচার নাকি বাণিজ্যিক লেনদেন?

সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

বিশ্ব বাটপার ইউনূসের অর্থ ফেরতের বুলি, আড়ালে ১৩ হাজার কোটি টাকা পাচারের রেকর্ড! : সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরে অর্থপাচার বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম মাওলা রনি। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, ওই আমানতের বড় অংশই অবৈধ বাণিজ্যিক লেনদেন সংশ্লিষ্ট এবং তা সরাসরি অর্থপাচারের সামিল, তারা মনে করেন বিশ্ব বাটপার ইউনুসের শাস্তি হওয়া দরকার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবৈদ প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ব বাটপার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমলে দেশ থেকে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পাচার হচ্ছে এবং এর জন্য তিনি আরেকটি নোবেল বা ‘ডাবল নোবেল’ পাওয়ার দাবিদার—সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনির এমন একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ঝড় তুলেছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে দেওয়া তার এই ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্যটি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও ফ্যাক্ট-চেকাররা বলছেন, সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (সুইস ব্যাংক) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

গোলাম মাওলা রনির বক্তব্যে যা বলা হয়েছে

টকশোতে গোলাম মাওলা রনি অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বলেন, শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামলে দেশ থেকে প্রায় ১৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছিল। তবে সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্যের বরাতে তিনি দাবি করেন, বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক বছরেই সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ জমা রাখার পরিমাণ ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে।
শেখ হাসিনা সরকারের চেয়েও বর্তমান সরকারের আমলে অর্থপাচারের গতি বেশি উল্লেখ করে রনি রসাত্মকভাবে বলেন, “এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য ড. ইউনূসকে আরও একটি নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত।” তিনি আরও যোগ করেন, এই বিষয়ে দেশে একটি গণভোট হওয়া দরকার, যেখানে ১৮ কোটি মানুষ নোবেল কমিটিকে ভোট দিয়ে ড. ইউনূসকে আরেকটি নোবেল দেওয়ার সুপারিশ করবে।

প্রকৃত সত্য: সুইস ব্যাংকের টাকা মানেই কি পাচার?

গোলাম মাওলা রনির এই দাবিকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ ও আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের যে অর্থ জমা থাকে, তার বড় অংশই ব্যক্তিগত অর্থপাচার নয়, বরং বৈধ বাণিজ্যিক লেনদেনের অংশ।
  • বাণিজ্যিক আমানত: সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (SNB) বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের মোট জমার সিংহভাগই থাকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের নামে (যা প্রধানত এলসি বা আমদানির বিপরীতে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে গ্যারান্টি বা আমানত হিসেবে রাখা হয়)।
  • ব্যক্তিগত আমানতের চিত্র ভিন্ন: গত কয়েক বছরের ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের ব্যক্তিগত বা গোপন অ্যাকাউন্টের আমানত সুইস ব্যাংকে ক্রমাগত কমছে।
  • ভুল পরিসংখ্যানের ব্যবহার: বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উত্থান-পতনের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ডলারের পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারে, যা কোনোভাবেই ব্যক্তিগত অর্থপাচারের প্রমাণ নয়।

সরকারের প্রতিক্রিয়া

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিগত সরকারের আমলে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সুইস ব্যাংকের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিসংখ্যানকে “অর্থপাচার” হিসেবে প্রচার করাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর বলে মনে করছে সরকার।
এই খবরের গভীর বিশ্লেষণ এবং গোলাম মাওলা রনির পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন বাংলাদেশ টাইমস এবং কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

চিনাডুলী ইউনিয়নে চাঞ্চল্য

জামালপুরে উড়ো চিঠিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যার হুমকি

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
জামালপুরে উড়ো চিঠিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যার হুমকি
ফোকাস: জামালপুরের ইসলামপুরে ডাকযোগে পাঠানো একটি উড়ো চিঠিতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ সবুজকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মুজিব শতবর্ষের লোগো সংবলিত খামে পাঠানো ওই চিঠিকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ডাকযোগে পাঠানো একটি উড়ো চিঠিতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ সবুজকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সবুজ চিঠিটি হাতে পান।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুজিব শতবর্ষের লোগো সংবলিত একটি খামের ওপর প্রাপক হিসেবে মোহাম্মদ সবুজ ও তার বাবা জাহাঙ্গীর আলমের নাম-ঠিকানা উল্লেখ ছিল। খামের ভেতরে থাকা হলুদ রঙের একটি কাগজে হাতে লেখা বার্তায় অশালীন ভাষা ব্যবহার করে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। চিঠিতে তাকে প্রকাশ্যে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে চিঠিতে প্রেরকের কোনো নাম বা পরিচয় উল্লেখ ছিল না।

মোহাম্মদ সবুজ বলেন, “আমি বাড়িতে না থাকায় পরে জানতে পারি, আবু তালেব নামে একজন ব্যক্তি আমাদের বাড়ির সামনে এসে চিঠিটি রেখে যান। বিষয়টি জানার পর ডাকঘরে খোঁজ নিয়েছি। সেখান থেকে আমাকে জানানো হয়েছে, চিঠিটি ইসলামপুর উপজেলা ডাকঘরের মাধ্যমে এসেছে।”

তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিকভাবে আমার সঙ্গে কারও এমন কোনো বিরোধ নেই, যার কারণে এ ধরনের হুমকি আসতে পারে। কে বা কারা এর পেছনে রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এমনটি করেছে, তা বুঝতে পারছি না। চিঠিটি পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।”

তিনি জানান, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। তবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

এ বিষয়ে জামালপুরের ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জীবিকায়নের সুযোগ পেল কিশোরীরা

দেবীদ্বারে ব্র্যাকের উদ্যোগে স্বপ্নসারথী কিশোরীদের মাঝে হাঁস-মুরগির ছানা বিতরণ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
দেবীদ্বারে ব্র্যাকের উদ্যোগে স্বপ্নসারথী কিশোরীদের মাঝে হাঁস-মুরগির ছানা বিতরণ

কিশোরীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, আত্মনির্ভরশীলতা এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কুমিল্লার দেবীদ্বারে ব্র্যাকের উদ্যোগে ২৬ জন স্বপ্নসারথী কিশোরীর মাঝে হাঁস ও মুরগির ছানা বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে দেবীদ্বার উপজেলা ব্র্যাক এরিয়া কার্যালয়ে ব্র্যাকের মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি এবং সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা (সেলপ) কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ফোকাস: কিশোরীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, আত্মনির্ভরশীলতা এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ব্র্যাকের উদ্যোগে দেবীদ্বারে ২৬ জন স্বপ্নসারথী কিশোরীর মাঝে হাঁস ও মুরগির ছানা বিতরণ করা হয়েছে। আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে তাদের স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর জিয়া উদ্দিন আহম্মদ, এরিয়া ম্যানেজার (মাইক্রোফাইন্যান্স) ফাতেমা আক্তার, শাখা ব্যবস্থাপক (মাইক্রোফাইন্যান্স) তোবারক হোসেন এবং সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা (সেলপ) কর্মসূচির কর্মকর্তা শারমিন আক্তার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, হাঁস ও মুরগি পালন কিশোরীদের জন্য একটি কার্যকর আয়বর্ধক উদ্যোগ। সঠিক পরিচর্যা, খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও নিয়মিত টিকাদানের মাধ্যমে এটি অতিরিক্ত আয়ের উৎস তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি পারিবারিক পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি উপস্থিত কিশোরীদের বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানের আগে অংশগ্রহণকারী কিশোরীদের হাঁস ও মুরগি পালন, রোগ প্রতিরোধ, টিকাদান এবং পরিচর্যা বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। আয়বর্ধক সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ভবিষ্যতেও কিশোরীদের স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে ব্র্যাকের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x