বিএনপির দাবি উপেক্ষা করে ইউনূসের পাশে বিতর্কিত উপদেষ্টা, প্রশ্ন উঠছে নিরপেক্ষতা নিয়ে

‘তোদের চাওয়া নয়, আমারই পছন্দে খেলাটা চলবে’—ড. ইউনূসের উপদেষ্টা নির্বাচনে বিএনপিকে অবজ্ঞা?
“তোদের চাওয়া নয়, আমারই পছন্দে খেলাটা চলবে”—এই বার্তাই কি এখন প্রকাশ্যে দিচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও উপদেষ্টা নির্বাচনের ধরন ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে উঠেছে নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস ঘিরে বিতর্ক আরও উসকে উঠেছে, যেখানে তিনি সরাসরি ইউনূসের উপদেষ্টা নির্বাচনের ভেতরের বার্তা বিশ্লেষণ করেছেন।
সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আনিস আলমগীর লিখেছেন, “বিএনপি দুই উপদেষ্টার (আসিফ মাহমুদ ও খলিলুর রহমান) পদত্যাগ চেয়ে গলা ফাটালেও ড. ইউনূস কানেই তুললেন না। বরং ঢাকায় বৈঠকে পাশে রাখলেন আসিফ মাহমুদ, আর লন্ডনে তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনায় পাশে বসালেন খলিলুর রহমান।” তার ভাষায়, “এ যেন স্পষ্ট বার্তা—তোদের চাওয়া নয়, আমারই পছন্দে খেলাটা চলবে!”
এই বক্তব্যের মাধ্যমে আনিস আলমগীর মূলত প্রশ্ন তুলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার এই একচেটিয়া সিদ্ধান্ত বিএনপিকে উপেক্ষার বার্তা দিচ্ছে কি না। তিনি লেখেন, “একবার আসিফ চাল, পরেরবার খলিল চাল—এই চালের মাধ্যমে বদ্দা (ড. ইউনূস) বিএনপিকে কী বোঝাতে চাইছেন?”

বিএনপি ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, তারা দুই উপদেষ্টার নিরপেক্ষতা নিয়ে বহু আগে থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। তবে ইউনূস তাদের বদলানোর কোনো ইঙ্গিত দেননি, বরং প্রকাশ্যে তাদেরকেই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় সামনে রাখছেন। এতে বিএনপির নেতৃত্বে অসন্তোষ ও অস্পষ্টতা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সাধারণ জনগণের প্রতিক্রিয়াও মিশ্র। কেউ বলছেন, ড. ইউনূস ‘নিজস্ব বলয়ে খেলা’ চালাচ্ছেন, আবার কেউ মনে করছেন, এটা তার কৌশলগত দৃঢ়তা। তবে বিষয়টি পরিষ্কার—“তোদের চাওয়া নয়, আমারই পছন্দে খেলাটা চলবে”—এই বার্তাটিই এখন জনমনে গেঁথে যাচ্ছে।
সর্ডববোপরি ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্টত বুঝিয়ে দিলেন—এটা কোনও সমঝোতার সরকার না, এটা ‘গডফাদার মডেল’। বিএনপি গলা ফাটিয়ে যে কোন আবদার কিংবা যা-ই চায়, তিনি তা দিবেন তার মনমতো। আজ আসিফ, কাল খলিল—এই চালগুলো যেন দাবার মুভ, যেখানে বাকি সবাই বোর্ডের বাহিরে। ড. ইউনূস সাহেব খলিলুরকে সাথে করে নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বুঝিয়ে দিলেন, আসল খেলোয়াড় তিনি, বাকিরা শুধু গ্যালারির দর্শক!
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
কুমিল্লা মহাসড়কে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, চান্দিনায় আটক ৩

আদালতের রায়ের প্রতিবাদে মিছিল; ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ, বাকিরা পালিয়ে যায়
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা অংশে ঝটিকা মিছিল করার সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের তিন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চান্দিনা, দাউদকান্দি ও মুরাদনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী তীরচর-লাজৈর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটের দিকে মুরাদনগরের লাজৈর এলাকা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি চান্দিনার তীরচরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় পুলিশ ধাওয়া দিলে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তিনজনকে আটক করা হয়। অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, সাবেক সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদের ছোট ভাই ও দেবীদ্বার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুনের নেতৃত্বে মিছিলটি বের হয়। মিছিলে শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। এ সময় ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয় বলেও জানা গেছে।
পুলিশের হাতে আটক তিনজন হলেন—কুমিল্লার বাঙ্গরা থানার হাটাশ গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মো. সারোয়ার (১৬), একই থানার দৌলবাড়ি গ্রামের মৃত শিশু মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেন (২৭) এবং দেবীদ্বার উপজেলার ছেচরাপুকুরিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে সারোয়ার হোসেন রাকিব (৩০)।
আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ‘কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগ’ লেখা একটি ব্যানার ও কয়েকটি বাংলাদেশের পতাকা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, মহাসড়কে টহল দেওয়ার সময় মিছিলকারীদের আটক করা হয়েছে। তবে আটকের স্থানটি মুরাদনগর থানা এলাকার মধ্যে পড়ায় আটক ব্যক্তিদের মুরাদনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আমরা মহাসড়কে টহলরত অবস্থায় তাদের আটক করি। যে স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়েছে, সেটি থানার সীমানার দিক থেকে মুরাদনগর থানা এলাকার মধ্যে পড়ে। সে কারণে তাদের মুরাদনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশের এই আটকের ঘটনায় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া নেওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ দেখছে।
এদিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে মহাসড়কে ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মহাসড়কে পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জিন্নাহর বাপ হিন্দু, বাড়ি ভারতে—এমপি ফজলুরের দাবি

জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন এবং তার নাম ছিল ‘জিন্নাহ পুঞ্জা’—নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্যে ফজলুর রহমান
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন এবং তার প্রকৃত নাম ছিল ‘জিন্নাহ পুঞ্জা’; তিনি হিন্দু ছিলেন—এমন দাবি করেছেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরামের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।
ফজলুর রহমান বলেন, জিন্নাহর বাড়ি ছিল গুজরাটে। সেখানে একটি মাছ বিক্রেতা পরিবারে তার জন্ম। জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন এবং মাছ বিক্রেতাদের ‘পুঞ্জা’ বলা হতো বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জিন্নাহর প্রকৃত নাম ছিল ‘জিন্নাহ পুঞ্জা’ এবং তিনি হিন্দু ছিলেন।

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাড়ি ছিল গুজরাটে। গুজরাটের একটি মাছ বিক্রেতা পরিবারে তার জন্ম। জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রি করতেন। সেখানে যারা মাছ বিক্রি করতেন, তাদের ‘পুঞ্জা’ বলা হতো। তার প্রকৃত নাম ছিল জিন্নাহ পুঞ্জা। তিনি হিন্দু ছিলেন।
তিনি আরও দাবি করেন, মাছ বিক্রি করার কারণে উচ্চবর্ণের হিন্দু সমাজে ওই পরিবারকে অবজ্ঞার শিকার হতে হতো। পরবর্তী সময়ে তারা ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নাম পরিবর্তন করে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাখা হয় বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে জিন্নাহর পারিবারিক পরিচয় নিয়ে প্রচলিত ঐতিহাসিক সূত্রগুলোতে ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। পাকিস্তানের সরকারি কায়েদ-ই-আজম একাডেমির তথ্য অনুযায়ী, জিন্নাহর বাবা জিন্নাহভাই পুঞ্জা ছিলেন তাঁর পিতা এবং জিন্নাহর জন্মের সময় পরিবারটি মুসলিম ছিল। অন্যান্য জীবনীমূলক সূত্রেও জিন্নাহভাই পুঞ্জাকে ব্যবসায়ী এবং গুজরাটি খোজা মুসলিম পরিবারের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে গবেষণামূলক কিছু সূত্রে জিন্নাহ পরিবারের পূর্বপুরুষদের হিন্দু সম্প্রদায় থেকে ইসলাম গ্রহণের ইতিহাসের উল্লেখ রয়েছে। ফলে ফজলুর রহমানের বক্তব্যে ‘জিন্নাহর বাবা হিন্দু ছিলেন’—এই দাবিটি এবং জিন্নাহ পরিবারের পূর্বপুরুষদের হিন্দু শিকড়—দুটি বিষয়কে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে ফজলুর রহমান জিন্নাহর রাজনৈতিক জীবন নিয়েও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, জিন্নাহ প্রথমে কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরে ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন। ১৯১৬ সালের লখনৌ চুক্তিতে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে সমঝোতায়ও জিন্নাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে ফজলুর রহমান বলেন, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় বাঙালি নেতারাও ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে পাকিস্তানের রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে হতাশা থেকেই ভাষা আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির স্বাধীনতার সংগ্রাম এগিয়ে যায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, ১১ দফা ও ১৯৭০ সালের নির্বাচন হয়ে মুক্তিযুদ্ধের দিকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রার বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন তিনি। নিজের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে ফজলুর রহমান বলেন, তিনি ২৩ বছর বয়সে যুদ্ধে অংশ নেন এবং যুদ্ধ সংগঠিত করার কাজেও যুক্ত ছিলেন।
তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সত্যের পথে চলতে হবে এবং সত্য কথা বলতে হবে। অন্ধকার দূর করতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আলো জ্বালানোর চেষ্টা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাতেই সড়কে মেয়র, অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের কার্পেটিং কাজের তদারকি

অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের কাজ পরিদর্শন করে সময়মতো শেষ ও মান নিশ্চিতের নির্দেশ
চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে রাতেও সরেজমিনে তদারকি চালিয়ে যাচ্ছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরের অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং চলমান কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে খোঁজ নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজের গুণগতমান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগতমান নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে মাঠপর্যায়ে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটিতে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

























