ধরলার স্রোতে নিভল প্রাণ
ধরলায় নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর দুই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার
লালমনিরহাটের ধরলা নদীতে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয় দুই স্কুলছাত্র ভাই শাওন ও সাব্বিরের মরদেহ। ছবি : আজকের কথা
ধরলা নদীর স্রোতে তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইকে জীবিত ফেরানো গেল না, শোকে স্তব্ধ পরিবার
লালমনিরহাটের মোগলহাট সীমান্তসংলগ্ন জিরো পয়েন্ট এলাকায় ধরলা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া আপন দুই ভাইয়ের মরদেহ প্রায় ৩০ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ডুবুরি দল। হৃদয়বিদারক এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতরা হলেন মোগলহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শাওন (১৪) এবং নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাব্বির (১৬)। তারা মোগলহাট বাজার এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (৭ জুন) দুপুরে দুই ভাই তাদের এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ধরলা নদীতে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে নদীর প্রবল স্রোতে তারা ভেসে যেতে শুরু করে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তাদের সঙ্গে থাকা বন্ধু প্রাণপণে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও শাওন ও সাব্বির স্রোতের টানে নদীর গভীরে তলিয়ে যায়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোঁজ দুই ভাইকে উদ্ধারে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালায়।
টানা প্রায় ৩০ ঘণ্টা অনুসন্ধানের পর সোমবার দুই ভাইয়ের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ সময়ের উদ্ধার অভিযানের পর মরদেহ উদ্ধারের খবরে স্বজনদের মধ্যে নেমে আসে শোকের মাতম।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদ আহমেদ দুই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
দুই সন্তানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। প্রতিবেশী ও সহপাঠীরাও শাওন ও সাব্বিরের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, ধরলা নদীর তীব্র স্রোত ও গভীরতার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বর্ষা মৌসুমে নদীতে গোসল বা সাঁতার কাটার ক্ষেত্রে সবাইকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
কৃষি উন্নয়নে অংশীদারত্বের আহ্বান
বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর বিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তরের মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে আয়োজিত এ কংগ্রেসে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অংশীজন অংশগ্রহণ করেন।
বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাজিতপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ী, কিশোরগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সাদিকুর রহমান বলেন, দেশের কৃষি খাতকে আধুনিক, লাভজনক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে হলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, কৃষিকে টেকসই উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নিতে মাঠপর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাজিতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম। সভা পরিচালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম।
এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাসির উদ্দিন মুন্সী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।
আলোচনা সভায় কৃষির আধুনিকায়ন, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, যুব উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রকল্পের সম্ভাবনা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, কৃষি উন্নয়নকে আরও বেগবান করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বিত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা সময়ের দাবি। কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও পুষ্টি সংবেদনশীল কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
কংগ্রেসে অংশগ্রহণকারী বক্তারা প্রকল্পের কার্যক্রম সফল বাস্তবায়নে সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে কৃষি উন্নয়ন ও গ্রামীণ রূপান্তর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানানো হয়।
উন্নয়ন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা
সদরপুরে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা, উন্নয়ন ও জনসেবায় গুরুত্বারোপ
ফরিদপুরের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলামের সঙ্গে সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার উন্নয়ন, জনসেবার মানোন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৪টায় সদরপুর উপজেলা পরিষদের দরবার হলে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়া, সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন শাহ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাজী শামীম আহমেদসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আলেম-ওলামা, ইমাম, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এর আগে দিনব্যাপী সফরে জেলা প্রশাসক উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি কুমার নদের ভাঙনপ্রবণ এলাকা ও নদী পুনর্খনন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরে তিনি উপজেলা ভূমি অফিস, নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং নারিকেলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় এবং শিক্ষা কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন তিনি।
সফরের অংশ হিসেবে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য অনুদানের চেক প্রদান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে স্মার্ট নাগরিক কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক।
এছাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সেবামূলক কার্যক্রমের প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন তিনি। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সুধীজন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সভায় বক্তারা উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন চাহিদার বিষয়গুলো জেলা প্রশাসকের সামনে তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক মনোযোগ সহকারে সবার বক্তব্য শোনেন এবং জনসেবাকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনকে আরও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক হতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি সেবা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
মতবিনিময় সভা শেষে জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় পরিদর্শন করেন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
৩ জেলার যোগাযোগ বন্ধ
পিরোজপুরে বেইলি ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ল আলুভর্তি ট্রাক, ৩ জেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
পিরোজপুরে বেইলি ব্রিজ ভেঙে খালে আলুভর্তি ট্রাক পড়ে যাওয়ার ঘটনায় পিরোজপুর, মঠবাড়িয়া ও বরগুনার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার (১০ জুন) ভোররাতে পিরোজপুর-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা-বরগুনা মহাসড়কের দেবীপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং হাজারো যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঠবাড়িয়ার তুষখালী এলাকার ব্যবসায়ী জাকির হোসেনের একটি আলুভর্তি ট্রাক ভোররাতে দেবীপুর বেইলি ব্রিজ অতিক্রম করার সময় হঠাৎ ব্রিজটি ধসে পড়ে। এতে ট্রাকটি সরাসরি খালে পড়ে যায়। তবে চালক ও হেলপারের কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। অতিরিক্ত ওজনের পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে ব্রিজটির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সেই চাপ সহ্য করতে না পেরে বেইলি ব্রিজটি ভেঙে পড়ে।
এই দুর্ঘটনার পর পিরোজপুর-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা-বরগুনা সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের দুই পাশে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। জরুরি কাজে যাতায়াতকারী যাত্রীদের অনেককে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কপথ দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। বেইলি ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় শুধু পিরোজপুর নয়, মঠবাড়িয়া ও বরগুনার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পিরোজপুর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। খালে পড়ে থাকা ট্রাক উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পিরোজপুর সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাসেল বলেন, “বেইলি ব্রিজ ভেঙে পড়ার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত ট্রাক উদ্ধার ও ব্রিজ সংস্কারের কাজ শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।”
তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানাননি।
এদিকে বেইলি ব্রিজ ধসের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত স্থায়ী ও টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
















