বিটিআরসির সিদ্ধান্ত স্থগিত, আপিল বিভাগের আদেশে স্বস্তি

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার বন্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে চ্যানেলটির সম্প্রচারে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
সোমবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি দীর্ঘ ১৬ বছর পর চ্যানেল ওয়ানকে আপিল দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালত এ আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ান ২০১০ সালের ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যার কিছু পর বন্ধ হয়ে যায়, যখন তৎকালীন সরকার এর ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ স্থগিত করে। এ নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয় এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষ হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে। তবে সে সময় আবেদন খারিজ হয়ে যায়।
চ্যানেল ওয়ানের লিগ্যাল অফিসার মিজান-উল হক জানান, ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুনরায় বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করা হলে চেম্বার জজ আপিল করার অনুমতি দেন।
আদালতের এ আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন চ্যানেল ওয়ানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। তিনি বলেন, অন্যায়ভাবে চ্যানেলটির সম্প্রচার বন্ধ করা হয়েছিল এবং আদালতের এ সিদ্ধান্ত ন্যায়বিচারের প্রতিফলন।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার
দেবীদ্বারে ফরিদা হত্যা: ৩ দিনের রিমান্ড শেষে লাইলী কারাগারে

কুমিল্লার দেবীদ্বারে চাঞ্চল্যকর ফরিদা ইয়াসমিন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার লাইলী আক্তারকে (৩৭) তিন দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন তিনি। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, গত কয়েকদিন ধরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং লাইলী আক্তারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুরে ফরিদা ইয়াসমিনের বাসা ও আশপাশের বিভিন্ন স্থান থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, হত্যার পর মরদেহটি ৫০টিরও বেশি খণ্ডে বিভক্ত করে ১৪টি পলিথিনের ব্যাগে ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। মাথা ও পা-সহ মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ছাড়া গত সোমবার ও মঙ্গলবার (১০ ও ১১ আগস্ট) পৃথক অভিযানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা, মরদেহ কাটার কাজে ব্যবহৃত কাঠের গুঁড়ি, নিহতের ব্যবহৃত স্বর্ণালংকার এবং নগদ ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে লাইলী আক্তার একাধিক ব্যক্তির নাম বলেছিলেন। তবে তদন্তে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাদের মধ্যে একজন প্রবাসে রয়েছেন, আরেকজন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তদন্তকারীদের ধারণা, নিজের দায় কমানোর কৌশল হিসেবেই লাইলী অন্যদের নাম বলে থাকতে পারেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় একাই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন লাইলী। ফরিদা ইয়াসমিন ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ বাথরুমে নিয়ে দা ও কাঠের গুঁড়ি ব্যবহার করে খণ্ডিত করা হয়। এরপর খণ্ডিত অংশগুলো পলিথিনের ব্যাগে ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
সিসিটিভি ফুটেজে হত্যাকাণ্ডের পর সকালে লাইলীকে স্বাভাবিকভাবে একটি ব্যাগ হাতে বাসা থেকে বের হতে দেখা যায়। পরে ওই ব্যাগে থাকা মরদেহের একটি অংশ বাসার অদূরে ফেলে যাওয়ার তথ্যও পেয়েছে পুলিশ।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, স্বর্ণালংকার ও অর্থ লুটের উদ্দেশ্যেই লাইলী হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তিনি বলেন, অন্য কেউ জড়িত থাকলে আলমারিতে থাকা প্রায় ৭ লাখ টাকা ও ১০ ভরির বেশি স্বর্ণ ফেলে যাওয়ার কথা নয়। একইভাবে মরদেহের খণ্ডিত অংশ সরাতেও সহযোগিতার প্রয়োজন হতো। তবে এখন পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া আলামত ও লাইলীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একাই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, লাইলী আক্তার চাপানগর গ্রামের ট্রাক্টরচালক আবুল কালামের স্ত্রী। পারিবারিক বিরোধের কারণে তিনি ফরিদা ইয়াসমিনের বাসার একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, ২০২১ সালে পরকীয়া-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি শিশু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় সাড়ে চার বছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান লাইলী। ওই মামলার সঙ্গে বর্তমান হত্যাকাণ্ডের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট রাতে দেবীদ্বারে ফরিদা ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরদিন ৮ আগস্ট বিকেলে ছোট আলমপুর মোহনা আবাসিক এলাকার মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়ার বাসা থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধারের পর ঘটনাটি সামনে আসে। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং একপর্যায়ে লাইলী আক্তারকে গ্রেপ্তার করে।
মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে প্রযুক্তির ব্যবহার
ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পে ৩২১ কোটি টাকার ট্যাব কিনছে সরকার

সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও ব্যবস্থাপনার জন্য ৩২০ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয়ে অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব ট্যাব সরবরাহ করবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীন ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড।
বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ‘স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল প্রটেকশন ফর ইমপ্রুভড রেজিলিয়েন্স, ইনক্লুশন অ্যান্ড টার্গেটিং’ প্রকল্পের আওতায় এসব ট্যাব কেনা হবে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় ট্যাবগুলো ব্যবহার করা হবে।
সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও কার্যকর, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মাঠপর্যায়ে সম্ভাব্য উপকারভোগীদের তথ্য সংগ্রহ, যাচাই এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার হবে অ্যান্ড্রয়েড ট্যাব
ক্রয় প্রস্তাবে ট্যাব সরবরাহের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীন ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডকে। প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান নারায়ণগঞ্জের সোনাকান্দা, বন্দরে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকার অতিরিক্ত ব্যয়
একই বৈঠকে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের বিদ্যমান মডুলার ডেটা সেন্টার, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (ল্যান), নেটওয়ার্ক অবকাঠামোসহ সংশ্লিষ্ট তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো স্থানান্তর, পুনঃস্থাপন, কমিশনিং এবং সেবা সচল রাখার কাজের জন্য অতিরিক্ত সরবরাহের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্যাকেজ-৬ (লট-১)-এর আওতায় এ কাজ করা হবে। কাজটির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম লিমিটেডকে।
এ কাজের মূল চুক্তিমূল্য ছিল ৮ কোটি ৬৮ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। এর বিপরীতে ২ কোটি ২৩ লাখ ৭৩ হাজার ৫৮৮ টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। ফলে সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৯২ লাখ ২০ হাজার ৫৮৮ টাকা।
তিন জেলার সংযোগ সড়কের পুনঃদরপত্র অনুমোদন
এদিকে বৈঠকে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও ফেনী জেলার সংযোগকারী সড়ক উন্নীতকরণ প্রকল্পের একটি প্যাকেজে পুনঃদরপত্র আহ্বানের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উদ্যোগে কুমিল্লা সড়ক জোনের অধীন ফেনী সড়ক বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
প্রকল্পের প্যাকেজ নম্বর ডব্লিউপি-০৬ এবং দরপত্র প্যাকেজ নম্বর এডিপি/এনএসইজেড/ওএসটিইটিএম/এফআরডি/ডব্লিউপি-০৬/২০২৫-২০২৬-এর আওতায় পুনঃদরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ দরপত্রের আইডি ১২৪৫৬৬৮।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাবটির সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে।
৮ শিক্ষকের ‘নজরকাড়া’ অবদান: ৫ পরীক্ষার্থীর একজনও পাস করেনি, পাসের হার শূন্য!

শিক্ষক আছেন ৮ জন, অথচ মোট এসএসসি পরীক্ষার্থী মাত্র ৫ জন! অঙ্কের হিসাবে প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য গড়ে দেড়জনেরও বেশি শিক্ষক। এত অঢেল শিক্ষকমণ্ডলী থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর পাওয়া গেল শুধুই বিশাল এক ‘গোল্লা’। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটেছে এমনই এক নজিরবিহীন ও চরম লজ্জাজনক ঘটনা।
চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে যে পাঁচজন ছাত্রী অংশ নিয়েছিলেন, তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। ফলে বিদ্যালয়টির সার্বিক ফলাফল দাঁড়িয়েছে শতভাগ ফেল—পাসের হার একদম শূন্য।
শিক্ষক ৮, পাস ০: ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকা পাঁচজন শিক্ষার্থীকে পাস করানোর জন্য যেখানে আটজন শিক্ষক নিয়োজিত, সেখানে এমন অমানবিক ফল বিপর্যয়ে চরম ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকেরা। এটি নিছক কোনো রেজাল্ট নয়, বরং বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের চরম গাফিলতি ও কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতার নগ্ন ছবি উন্মোচন করেছে। স্থানীয়দের স্পষ্ট অভিযোগ—শ্রেণিকক্ষে সঠিক তদারকি ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি ন্যূনতম মনোযোগ না দেওয়ার কারণেই এই চরম বিপর্যয়।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জাকির পাঠদানের অনুমতির কথা নিশ্চিত করলেও ফল বিপর্যয়ের কারণ নিয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
প্রশাসনের কড়া চাবুক: শোকজের সিদ্ধান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এমন চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। পাকুন্দিয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওমর ফারুক ভূঁইয়া এই নজিরবিহীন ফলকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও লজ্জাজনক’ আখ্যা দিয়েছেন।





























