1. nagorikit@gmail.com : Mohammad Shariful Alam Chowdhury :
  2. sharifulchowdhury81@gmail.com : administrator :
  3. : Temp User : Temp User
ব্রি ধান-১০৩ মাতাচ্ছে কুমিল্লার আমনের মাঠ, কৃষকদের মাঝে বীজের হাহাকার  
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
  •                      
ব্রেকিং নিউজ:
নিষিদ্ধের দিনেই উল্টো স্রোত,ফেসবুকে বিক্ষোভের ঝড়, আ’লীগে যোগ দিয়ে শক্ত বার্তা হারুন আল রশিদের! কুমিল্লা মেডিকেলে শিশুদের ‘গাদাগাদি’—দেড় বছর ধরে তালাবদ্ধ পড়ে ১০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল! নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনা: মুরাদনগরের বাবা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যু ভুয়া ওয়ারেন্টে সাংবাদিক আটক—১৮ ঘণ্টা পর আদালতে মুক্তি, দেবীদ্বারে তোলপাড়! ৪৫ হাজার টাকার চাকরি, ৫৯ কোটির সাম্রাজ্য—পাসপোর্ট কর্মকর্তার সম্পদে চাঞ্চল্য! ৩ মাসে ২৫০ আগুন: কুমিল্লায় ফায়ার স্টেশন সংকটে বাড়ছে কোটি টাকার ক্ষতি ইউনূস ও আসিফ নজরুল ইস্যুতে তোলপাড়—নাঈম নিজামের পোস্টে উত্তপ্ত সোশ্যাল মিডিয়া ১০ বছরেও বিচারহীন তনু হত্যা—অবশেষে ৩ সন্দেহভাজনের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ আদালতের সুদখোর ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলো ইতালির উপকূলে ভয়াবহ নৌকাডুবি, ১০৫ আরোহীর মধ্যে নিখোঁজ অন্তত ৭১

ব্রি ধান-১০৩ নিয়ে কুমিল্লায় কৃষি বিপ্লব, মাঠে মাঠে বীজের হাহাকার

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী
  • আপডেট করা হয়েছে সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

ব্রি ধান-১০৩, দেবীদ্বারেই ৬০০ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে উচ্চফলনশীল ব্রি ধান-১০৩, কৃষকরা বলছেন—“ভাত ঝরঝরে, খড়ও বেশি”

ব্রি ধান-১০৩ কুমিল্লার আমনের মাঠ মাতিয়ে তুলেছে। তুলনামূলকভাবে বেশি ফলন, সুস্বাদু ও ঝরঝরে ভাত এবং লম্বা খড়—এই তিনটি বৈশিষ্ট্যের কারণে কৃষকদের মধ্যে এই ধানের প্রতি আগ্রহ বেড়েই চলেছে। গত বছর পুরো জেলায় যেখানে মাত্র ১১১ হেক্টর জমিতে এই ধান চাষ হয়েছিল, চলতি বছর তা হাজার হেক্টর ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে। শুধু দেবীদ্বার উপজেলাতেই চাষ হচ্ছে প্রায় ৬০০ হেক্টরে।

কৃষি কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, যেখানে অন্যান্য জাতের ধানে হেক্টরপ্রতি ফলন হয় ৬ টন, সেখানে এ আমনের ফলন দিচ্ছে ৮ টনেরও বেশি। চাল চিকন, ঝরঝরে ভাত এবং খড়ের পরিমাণ বেশি হওয়ায় এই জাতটি কৃষকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

দেবীদ্বারের বাগমারা গ্রামের কৃষক আবদুল কাদের ৬০ শতক জমিতে এই জাতের ধান চাষ করে সফল হয়েছেন। এখন স্থানীয় কৃষকরা বীজের জন্য তার বাড়িতে ভিড় করছেন। পর্যাপ্ত বীজ না থাকায় ১০ কেজির স্থলে তিনি ৫ কেজি করে বিতরণ করছেন।

অন্যদিকে, কাবিলপুর গ্রামের রফিক আহমেদ বলেন, তিনি এক একর জমিতে চাষ করে পেয়েছেন দুই টনের বেশি ধান। মাত্র ১২৫ থেকে ১৩০ দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলতে পারায় তিনি ধান কাটার পর অন্য ফসলও চাষ করছেন।

ব্রি ধান-১০৩

দেবীদ্বারে ৬০০ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে উচ্চফলনশীল ব্রি ধান-১০৩, কৃষকরা বলছেন—“ভাত ঝরঝরে, খড়ও বেশি”

দেবীদ্বার উপজেলা কৃষি অফিসার বানিন রায় জানান, ২ বছর আগে মাত্র ১০ কেজি বীজ নিয়ে পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয়েছিল। এখন তা রূপ নিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং আঞ্চলিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে কৃষকদের মাঝে এই জাতটি ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করছে।

কুমিল্লা আঞ্চলিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান ড. মোহাম্মদ এখলাছুর রহমান বলেন, “কৃষকরা এখন আর শুধু ফলন নয়, চালের গুণমান, খড়ের পরিমাণ এবং চাষকাল বিবেচনায় নিচ্ছেন। এই বিবেচনায় তারা ব্রি জাতের এ আমন ধানকে বেছে নিচ্ছেন।”

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক আইউব মাহমুদ বলেন, “ধানের ভালো ফলনের পাশাপাশি খড়ের চাহিদাও রয়েছে কৃষকদের মধ্যে। এ শস্য সব দিক থেকেই লাভজনক হওয়ায় কৃষকেরা এটিকে গ্রহণ করছেন।”

ব্রি ধান-১০৩ এখন কুমিল্লার কৃষকদের স্বপ্নের ফসলে পরিণত হয়েছে। এর মাধ্যমে কুমিল্লার কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন
আরো সংবাদ পড়ুন
 

কপিরাইট © [২০২৫] দৈনিক আজকের কথা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

এই ওয়েবসাইটের সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত। প্রকাশকের ছাড়া কোনো অংশ পুনঃপ্রকাশ, বিতরণ বা সংরক্ষণ করা আইনত দণ্ডনীয়।

যোগাযোগ   আমাদের সম্পর্কে   শর্তাবলি ও নীতিমালা