শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

যুদ্ধের মাঠে যেমন ছিলেন নির্ভীক, জীবনভর ছিলেন খালি গায়ে—আলফু ফকিরকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায়

Mohammad Shariful Alam Chowdhury প্রকাশিত: বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫, ৬:১৯ পিএম
যুদ্ধের মাঠে যেমন ছিলেন নির্ভীক, জীবনভর ছিলেন খালি গায়ে—আলফু ফকিরকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বিদায়
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলফু ফকির ছিলেন এক ব্যতিক্রমী চরিত্র। শীত, ঝড়, বৃষ্টি—প্রকৃতির কোনো প্রতিকূলতাই তাকে দমাতে পারেনি। জীবনভর লাল সালু পরে, খালি গায়ে, নেড়া মাথায় কাটিয়ে দিয়েছেন দিন। একদিকে যেমন ছিলেন আধ্যাত্মিক সাধক, অন্যদিকে ছিলেন এক অবিস্মরণীয় বীর। আজ তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরবিদায় জানালো তার প্রাণের ভূমি দেবীদ্বার।

বুধবার (২ জুলাই) সকাল ১১টায় দেবীদ্বার উপজেলায় তার মরদেহে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল বিউগলের করুণ সুরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। রাষ্ট্রের পক্ষে সালাম গ্রহণ করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, গণমানুষের প্রতিনিধি এবং এলাকাবাসী পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলফু ফকির ছিলেন এক ব্যতিক্রমী চরিত্র। শীত, ঝড়, বৃষ্টি—প্রকৃতির কোনো প্রতিকূলতাই তাকে দমাতে পারেনি। ছবি : সংগৃহিত।

মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয় নিজের হাতে তৈরি দরগাহ প্রাঙ্গণে।

🔹 যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলফু ফকিরের ছিলো আলাদা এক চরিত্র

আলফু ফকির (৭৮) ছিলেন কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বাজেবাকর গ্রামের প্রয়াত চান মিয়ার সন্তান। তিনি ছিলেন সাধক এলাহী শাহ-এর মুরিদ। মাত্র ১২ বছর বয়স থেকেই তিনি লাল সালু পরে খালি গায়ে জীবনযাপন শুরু করেন। মৃত্যুর আগদিন পর্যন্ত কোনোদিন কাপড় গায়ে জড়াননি। শীতে, বর্ষায় কিংবা রোদে—সবসময় নেড়া মাথা, খালি গায়ে চলতেন।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ছিলেন অনুপস্থিত, কিন্তু ধর্মতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিক জ্ঞানে ছিলেন অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী।

🔹 স্বাধীনতার যুদ্ধেই জীবন বাজি

১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ—স্বাধীনতা ঘোষণার মাত্র ৫ দিন পরেই, তিনি অংশ নেন ঐতিহাসিক ভিংলাবাড়ি-জাফরগঞ্জ শ্রীপুকুরপাড় জামে মসজিদ যুদ্ধ-এ। সেখানে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত ১৫ জন পাক সেনাকে পরাজিত করে বাঙালিরা গৌরবময় বিজয় অর্জন করে।

সেই যুদ্ধে বাঙালির হাতে অস্ত্র বলতে ছিল মরিচের গুড়া ও থানার অস্ত্রাগার থেকে লুট করা কিছু রাইফেল। তবুও অদম্য সাহসে তাঁরা প্রাণপণ লড়াই করে শহীদ হন ৩৩ জন, আহত হন অর্ধশতাধিক। গুলিবিদ্ধ হন আলফু ফকির নিজেও—ডান হাতে।

এই যুদ্ধ ছিল দেবীদ্বারের মাটিতে বাঙালির প্রথম বিজয়। আর যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলফু ফকির ছিলেন সেই বিজয়ের জীবন্ত কিংবদন্তি।

🔹 জানাজার পূর্বে শ্রদ্ধা ও স্মৃতিচারণ

মরহুমের জীবন ও কর্ম নিয়ে বক্তব্য রাখেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আব্দুস সামাদ, গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাকুর রহমান ফুল মিয়া মাস্টার, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, ‘আমাদের দেবীদ্বার’ পত্রিকার সম্পাদক এটিএম সাইফুল ইসলাম মাসুম, সমাজসেবক মো. আনোয়ার হোসেন এবং মো. ছোবহান চৌধুরী প্রমুখ।

যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আলফু ফকির ছিলেন সেই বিজয়ের জীবন্ত কিংবদন্তি, যিনি অস্ত্রহীন জাতিকে প্রথম জয়ের স্বাদ এনে দিয়েছিলেন। দেবীদ্বারের মানুষ আজ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় তাকে শেষ বিদায় জানাল।

এলাকার খবর

বন্যপ্রাণী সেবার উদ্ধার অভিযান

চা পাতা তুলতে গিয়ে অজগর, শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আতঙ্ক

জালালুর রহমান | মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
চা পাতা তুলতে গিয়ে অজগর, শ্রীমঙ্গলের চা বাগানে আতঙ্ক

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার একটি চা বাগানে চা পাতা সংগ্রহের সময় একটি অজগর সাপ দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। নিরাপত্তার স্বার্থে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান। পরে বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি উদ্ধার করেন।

চা পাতা তুলতে গিয়ে শ্রমিকদের সামনে অজগর সাপ।
আতঙ্কে কাজ বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে সরে যান শ্রমিকরা।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায় বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।
উদ্ধারের পর অজগরটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) সংলগ্ন ভুরভুরিয়া চা বাগানের সেক্টর-৯ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রমিকরা নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে চা পাতা সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় ঝোপের মধ্যে একটি বড় আকৃতির অজগর সাপ দেখতে পেয়ে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তারা দ্রুত কাজ বন্ধ করে বাগান কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে চা বাগানের ব্যবস্থাপক সিদ্দিকুর রহমান বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে অজগর সাপটি উদ্ধার করেন।

উদ্ধারকৃত অজগরটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা জানান, বন্যপ্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।

কৃষিজমি রক্ষায় কঠোর অভিযান

দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযানে ২টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম
দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে অভিযানে ২টি ড্রেজার ধ্বংস, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

কৃষিজমি, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় কুমিল্লার দেবীদ্বারে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে দুটি অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও প্রায় ২ হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সল উদ্দিনের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথমে উপজেলার তুলাগাঁও গ্রামে অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়। পরে রামের দিঘিরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ড্রেজার পরিচালনার দায়ে মো. আব্দুস ছামাদকে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর ব্যবহৃত আরও একটি ড্রেজার এবং প্রায় এক হাজার ৫০০ ফুট পাইপ ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ড্রেজারের মাধ্যমে কৃষিজমির মাটি কাটার কারণে ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়ছিল। নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে অবৈধ ড্রেজার ব্যবহার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, কৃষিজমি ধ্বংস, খাল-বিল ও জলাশয়ের ক্ষতি এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এমন কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

গোরস্তানে প্রতিবাদে হামলা

দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে হামলার শিকার বৃদ্ধ, কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে হামলার শিকার বৃদ্ধ, কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে কবর খুঁড়তে গিয়ে গোরস্তানে এক কিশোরী ও দুই কিশোরকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে প্রতিবাদ করার জেরে এক বৃদ্ধকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে দেবীদ্বার পৌর এলাকার ভূষণা গ্রামের মজিব কমিশনার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে কর্মরত শহিদুর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি চলছিল। সেই উদ্দেশ্যে স্বজন সফিকুল ইসলাম (৭০) কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরস্থানের এক পাশে এক কিশোরী ও দুই কিশোরকে দেখতে পান। তিনি তাদের সেখান থেকে সরে যেতে বললে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, ওই সময় দেবীদ্বারের কথিত ‘রেড ৯৯৯’ কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে পরিচিত রামিম (১৭) সফিকুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। এতে তাঁর বাম হাতে গুরুতর জখম হয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে আহত সফিকুল ইসলামকে উদ্ধার করে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক তাঁর হাতে ছয়টি সেলাই দিয়েছেন।

আহত সফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি কবর খুঁড়তে গিয়ে কয়েকজনকে কবরস্থানে অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থায় দেখে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। এর কিছুক্ষণ পর এক কিশোর তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে থাকা কিশোরীকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় দেয়।

দেবীদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তানভির জানান, অভিযুক্ত রামিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। সাম্প্রতিক অভিযানেও তাঁর এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আহত ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ বা মামলা করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

×
CLOSE X