ছাত্রীদের জন্য আধুনিক সুবিধা
দেবীদ্বারের বড়শালঘর উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য আধুনিক কমফোর্ট জোন নির্মাণ

দেবীদ্বারের মফিজ উদ্দিন আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য নির্মিত আধুনিক কমফোর্ট জোন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রধান অতিথি প্রাইম গ্রুপের সিএফও রফিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার নেতৃবৃন্দ, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। ছবি আজকের কথা
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও মানসম্মত একটি কমফোর্ট জোন নির্মাণ করেছে রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকা।
রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার অর্থায়নে এবং বড়শালঘরের কৃতী সন্তান রোটারিয়ান মো. আনোয়ার হোসেনের উদ্যোগে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।
শনিবার (২০ জুন) কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের মফিজ উদ্দিন আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক আলোচনা সভা শেষে নবনির্মিত কমফোর্ট জোনটি আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
প্রকল্পের বিশেষ দিকগুলো
- ✅ ছাত্রীদের জন্য আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত কমফোর্ট জোন নির্মাণ।
- ✅ রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার অর্থায়নে পুরোনো শৌচাগারের সংস্কার, সম্প্রসারণ ও পুনর্নির্মাণ।
- ✅ নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
- ✅ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
- ✅ এক বছরের জন্য পরিচ্ছন্নতাকর্মী (ক্লিনার) নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- ✅ ক্লিনারের বেতন-ভাতা ও রক্ষণাবেক্ষণের সম্পূর্ণ ব্যয় ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন রোটারিয়ান মো. আনোয়ার হোসেন।
- ✅ সামাজিক দায়বদ্ধতা ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে প্রকল্পটি।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার প্রজেক্ট ডিরেক্টর মো. আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাইম গ্রুপের সিএফও রফিকুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান, সাবেক ব্যাংকার আব্দুল বারী সরকার, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। রোটারি ক্লাব অব আলোকিত ঢাকার সহযোগিতায় পুরোনো শৌচাগারটি সংস্কার, পুনর্নির্মাণ ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে আধুনিক কমফোর্ট জোনে রূপান্তর করা হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা এখন পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।
অনুষ্ঠানে রোটারিয়ান মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এলাকার শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। শুধু নির্মাণ কাজেই সীমাবদ্ধ না থেকে কমফোর্ট জোনটির সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে আগামী এক বছরের জন্য একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী (ক্লিনার) নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি জানান, ওই কর্মীর বেতন-ভাতা ও সংশ্লিষ্ট সব ব্যয় তিনি ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন।
স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
মুরাদনগরে ঘুস-চাঁদা চলবে না, চাইলে থানায় সোপর্দ: ধর্মমন্ত্রী

‘চাঁদাবিহীন, ঘুষবিহীন ও দুর্নীতিমুক্ত’ মুরাদনগর গড়ার ঘোষণা
মুরাদনগরে চাঁদাবাজি, ঘুস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, মুরাদনগরে কাউকে চাঁদা বা ঘুস দিতে হবে না। কেউ চাঁদা বা ঘুস দাবি করলে তাকে থানায় সোপর্দ করতে হবে, অথবা সরাসরি তাকে জানাতে হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর-বাঞ্ছারামপুর সড়কের মুরাদনগর-রামচন্দ্রপুর অংশের উন্নয়নকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে।

মুরাদনগরে কেউ চাঁদা বা ঘুস চাইলে তাকে থানায় সোপর্দ করবেন, না হয় আমাকে জানাবেন।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘যে ভাই ঠিকাদারের কাজ পেয়েছেন, তাঁকে অনুরোধ করব, সড়কের কাজটা সঠিকভাবে করবেন। মুরাদনগরের কাউকে চাঁদা দিতে হবে না, কাউকে ঘুস দিতে হবে না। যদি কেউ চাঁদা চায়, ঘুস চায়, তাকে থানায় সোপর্দ করবেন। না হয় আমাকে জানাবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘মুরাদনগর হবে চাঁদাবিহীন, ঘুষবিহীন ও দুর্নীতিমুক্ত।’
সড়কের নির্মাণকাজের মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কায়কোবাদ বলেন, ঠিকাদারকে ভালোভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে হবে। সড়কটি মানসম্মতভাবে নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবেন। পাশাপাশি উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম হচ্ছে কি না, সেদিকেও সবাইকে নজর রাখার আহ্বান জানান তিনি।
মুরাদনগরের বিভিন্ন সড়ক সংস্কার ও প্রশস্ত করার উদ্যোগের কথা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে আমাদের তারেক রহমান সাহেব প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বলেই আজ এ সড়কটির সংস্কারকাজ হচ্ছে।’ গত কয়েক মাসে মুরাদনগরে বেশ কয়েকটি সড়ক সংস্কার ও প্রশস্ত করার সুযোগ হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে কায়কোবাদ বলেন, ‘আপনারা আবার আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। আল্লাহ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। আপনারা আমাকে মাননীয় মন্ত্রী বলবেন না, আমি আপনাদের কামলা। ছয়বার আমাকে নির্বাচিত করেছেন আপনাদের কাজ করার জন্য। আমি আপনাদের কাজ করে যাচ্ছি, কাজ করে যাব যতদিন পর্যন্ত আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রাখেন।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা।
উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য মোল্লা গোলাম মহিউদ্দিন, বিএনপি নেতা শরীফ আহমেদ মীর, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভুঁইয়া, সদস্য সচিব মোল্লা মজিবুল হক, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব সৈয়দ হাসান আহমেদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ বাদশা, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খায়রুল হাছান প্রমুখ।
এ সময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সদস্য সোহেল আহমেদ বাবু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সোহেল সামাদ, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি চৌধুরী রকিবুল হক শিপন, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি নায়েব আলী, বিএনপি নেতা মো. মাহমুদ, মারফত আলী, ওমর ফারুক সোহাগ, মো. আলী, ইকবাল হোসেন, ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আমপাল গ্রামের সোনিয়া সরকার নিপা কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬-এর জেলা পর্যায়ের বাছাইয়ে কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন মুরাদনগর উপজেলার আমপাল গ্রামের সোনিয়া সরকার নিপা। তিনি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার বাগিচাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনছুর আলী চৌধুরীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে সোনিয়া সরকার নিপাকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে মনোনীত করা হয়। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বর তিনি আদর্শ সদর উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন তাকে উপজেলা পর্যায়ে মনোনীত করেন।
সোনিয়া সরকার নিপার বাড়ি মুরাদনগর উপজেলার আমপাল গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের বীর মুক্তিযুদ্ধা মরহুম দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। ২০১৩ সালে আমপাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। পরে ২০১৯ সালে স্বামীর ঠিকানার সূত্রে কুমিল্লা নগরের বাগিচাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি সামাজিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সক্রিয় সোনিয়া সরকার নিপা। তিনি জেলা পর্যায়ে ওয়ারেন্ট গাইডার এবং বিভাগীয় পর্যায়ে হলদে পাখি গার্লস গাইডের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে সোনিয়া সরকার নিপা বলেন, “শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হতে পেরে মহান রবের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। যেকোনো কাজের স্বীকৃতি ও সম্মাননা কাজের গতি আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আমি আরও বেশি পেশাদারির সঙ্গে শিক্ষকতাকে উপভোগ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হতে পেরে সত্যিই খুব সম্মানিত ও গর্বিত অনুভব করছি। আমার এ প্রতিযোগিতা বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত। এখন আমার লক্ষ্য কুমিল্লা জেলার প্রতিনিধিত্ব করা। জেলার একজন প্রতিযোগী হিসেবে জেলাকে সম্মানসূচক কিছু এনে দিতে পারি—এ জন্য সবার দোয়া চাই।”
নিজের এ অর্জনের পেছনে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। সোনিয়া সরকার নিপার ভাষ্য, তার প্রিয় কর্মস্থল ও শিক্ষার্থীরাই তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত করেছে।
এ অর্জনের জন্য বাগিচাগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সোনিয়া সরকার নিপা।
হোমনার একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার, মেঘনায় এখনো নিখোঁজ বাবা

নারায়ণগঞ্জের মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন।
ট্রলারডুবির দুই দিন পর শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এবং শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বৈদ্যেরবাজার এলাকার আল-মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ।
উদ্ধার হওয়া তিনজন হলেন—হেলাল উদ্দিনের ছেলে সজীব, শামীম এবং মেয়ে সামিয়া।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার যাওয়ার পথে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা পাঁচজন পানিতে পড়ে নিখোঁজ হন।
দুর্ঘটনার পরপরই রায়েসা বেগম নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের একই পরিবারের চারজনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।
দুই দিন ধরে নদীতে উদ্ধার অভিযান চালানোর পর শনিবার ভোরে মেঘনায় সামিয়ার মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে সোনারগাঁ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর সজীব ও শামীমের মরদেহও উদ্ধার করা হয়। পরিবারের একমাত্র নিখোঁজ সদস্য হেলাল উদ্দিনের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।































