ভোটের ব্যবধান ১৫ হাজারের বেশি
হিন্দুত্ববাদের জয়: ভবানিপুরে মমতাকে হারানোর দাবি শুভেন্দুর

হিন্দুত্ববাদের জয়: ভবানিপুরে মমতাকে হারানোর দাবি শুভেন্দুর। ছবি : আজকের কথা
শুভেন্দু অধিকারী জয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ভবানিপুর আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। এই আসনে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে পরাজিত করেছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের এই জয়কে তিনি ‘হিন্দুত্ববাদের বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
শুভেন্দু অধিকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটের ফলাফলে ধর্মভিত্তিক বিভাজনের প্রতিফলন দেখা গেছে। তিনি দাবি করেন, মুসলিম ভোটাররা মূলত মমতা ব্যানার্জির পক্ষেই ভোট দিয়েছেন, অন্যদিকে হিন্দু, শিখ, জৈন ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ভোট পেয়েই তিনি জয়লাভ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রায় ১৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। তার মতে, এই ফলাফল শুধু একটি নির্বাচনী জয় নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট আদর্শের প্রতিফলন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টুডে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ভবানিপুরের ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে মুসলিম ভোটাররা প্রকাশ্যেই মমতা ব্যানার্জির পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অপরদিকে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাকে সমর্থন জানিয়েছেন বলেই তিনি জয়ী হয়েছেন বলে দাবি করেন।
এছাড়া তিনি মন্তব্য করেন, এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে মমতা ব্যানার্জির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
চুক্তি নিয়ে চলছে আলোচনা
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনে আইএইএকে সুযোগ দেওয়া হবে: ট্রাম্প

পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, উপযুক্ত সময়ে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকরা ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের বিষয়ে ইরানের বর্তমান অবস্থান সঠিক নয় বলে তিনি মনে করেন। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনই পরিদর্শক পাঠানোর কোনো তাড়াহুড়ো নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক তদারকি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন আশা করছে, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবিষ্যতে একটি গ্রহণযোগ্য সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।
এক নজরে
- ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবে আইএইএ
- উপযুক্ত সময়ে পরিদর্শন হবে বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির জন্য কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র
- ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা পরিদর্শনের অনুমতি না দেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান
- উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের অবস্থান শনাক্ত করতে চায় আইএইএ
- যত দ্রুত সম্ভব পরিদর্শন শুরু করার পক্ষে সংস্থাটির মহাপরিচালক
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকি জানিয়েছেন, সুইজারল্যান্ডে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির সঙ্গে ইরানের কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হবে না।
ইরানের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন আলোচনা ও জল্পনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে এখনো বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর অমীমাংসিত রয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি বলেছেন, সংস্থাটির প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ কোথায় রয়েছে তা নির্ধারণ করা। তিনি জানান, এ বিষয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আইএইএ ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শন করতে চায়।
গ্রোসি আরও বলেন, যত দ্রুত সম্ভব পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করা গেলে তা আন্তর্জাতিক আস্থা পুনর্গঠন এবং পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য সবচেয়ে কার্যকর হবে।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং আইএইএর মধ্যে পারমাণবিক ইস্যুতে চলমান কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান ভবিষ্যৎ আলোচনার গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
কক্ষে মিলল চিরকুট
সীতাকুণ্ডে মসজিদের ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে একটি মসজিদের দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে এক ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজা মিয়া সওদাগর জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আমির হোসেন দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে ওই মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায়। তিনি মসজিদের ভেতরে নির্ধারিত একটি কক্ষে বসবাস করতেন।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও মোতাওয়াল্লি মোহাম্মদ ইফতেকার আহমেদ জানান, মঙ্গলবার আসরের নামাজে তিনি মুসল্লিদের ইমামতি করেন। তবে মাগরিব ও এশার নামাজের সময় তাকে দেখা যায়নি। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, তিনি ব্যক্তিগত কোনো কাজে বাইরে গেছেন।
পরে দীর্ঘ সময় তাকে খুঁজে না পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় তলায় তার কক্ষে খোঁজ নিতে যান। কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। একপর্যায়ে জানালা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে দেখা যায়, ফ্যানের সঙ্গে সবুজ রঙের কাপড় গলায় পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ ঝুলছে। কক্ষের নিচে একটি মই পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এক নজরে
- সীতাকুণ্ডের বাংলাবাজার এলাকায় মসজিদের কক্ষ থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- নিহত মোহাম্মদ আমির হোসেন ১৩ বছর ধরে মসজিদে ইমামতি করতেন
- দ্বিতীয় তলার কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ পাওয়া যায়
- ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে
- চিরকুটে পারিবারিক কলহের বিষয় উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি
- ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে কক্ষে প্রবেশ করে একটি হাতে লেখা চিরকুট পাওয়া যায়। মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই চিরকুটে পারিবারিক কলহের বিষয় উল্লেখ ছিল।
মোহাম্মদ ইফতেকার আহমেদ বলেন, “দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে তিনি এ মসজিদে খেদমত ও ইমামতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এলাকার মানুষের সঙ্গে তার অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক ছিল। তিনি ছিলেন নম্র, ভদ্র ও সজ্জন স্বভাবের একজন মানুষ।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর আগে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে আমির হোসেন একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “যার জীবনে দুঃখ ছাড়া কিছু নাই, তাকে দেখায় কষ্টের ভয়।”
ঘটনার খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ
বাংলাদেশের ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি সিপিজের

অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। সোমবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ আহ্বান জানায়।
এক নজরে
- ‘দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন’-এর ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি সিপিজের
- দুর্নীতিবিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশের জেরে মামলা হয়েছে বলে দাবি
- সাইবার সুরক্ষা আইন, মানহানি, চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে
- ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলাম গ্রেপ্তার হয়ে পরে জামিনে মুক্তি পান
- অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ
- সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনের অপব্যবহার বন্ধের আহ্বান সিপিজের
সিপিজে বলেছে, রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগসংক্রান্ত জনস্বার্থমূলক সংবাদ প্রকাশের কারণে ওই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। সংগঠনটি মামলার নথি পর্যালোচনা করে জানিয়েছে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬, ফৌজদারি মানহানি, চাঁদাবাজি এবং অপরাধমূলক হুমকির অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মামলার বাদী বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম রিমন। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে মামলাটি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর প্রতিবেদন প্রকাশের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলাম প্রতিমন্ত্রী এবং বাদীর কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ জুন বগুড়া থেকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ২১ জুন জামিন পাওয়ার আগ পর্যন্ত কারাগারে ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অপর আসামি প্রকাশক ও সম্পাদক মেহেদী হাসান, বার্তা সম্পাদক আশরাফ আলী ফারুকী, প্রতিবেদক সালেহ কায়সার এবং আরও দুই প্রতিনিধিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সিপিজের এশিয়া-প্যাসিফিক কর্মসূচির সমন্বয়ক কুনাল মজুমদার বলেন, সরকারের একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে রেজানুর ইসলামকে গ্রেপ্তার এবং অপর পাঁচ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা স্পষ্টতই ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি প্রচেষ্টা। তিনি এসব অভিযোগ প্রত্যাহারের পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে সাইবার আইন ও ফৌজদারি মানহানির বিধানকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিক গ্রেপ্তারের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, তার পক্ষ থেকে মামলা করার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য জানতে সিপিজে বগুড়ার পুলিশ সুপার এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিবের কাছে ই-মেইল পাঠালেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব পায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিপিজে আরও বলেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের ওপর শারীরিক হামলা, হুমকি ও হয়রানির ঘটনা বেড়েছে। চলতি জুন মাসের শুরুতে সংগঠনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।
সংগঠনটির মতে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো পুনর্বিবেচনা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ সুরক্ষিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সিপিজে।
উল্লেখ্য গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে শতশত সাংবাদিককে বিনা বিচারে আটক করে গেছেন বিশ্ব বাটপার খ্যাত ড. ইউনুস সরকার। বর্তমানে এ ধারাবাহিকতা চলমান রয়েছে নতুন সরকারের আমলেও।



















