বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

নিজ এলাকা থেকে আটক

বালাগঞ্জে রুহেল আহমদ আটক, সিআর মামলার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার

মো. আমির আলী, বালাগঞ্জ (সিলেট) থেকে : প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১০:০২ পিএম
বালাগঞ্জে রুহেল আহমদ আটক, সিআর মামলার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বালাগঞ্জে রুহেল আহমদ আটক ঘটনায় সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায় ক্বারি রুহেল আহমদ চৌধুরী (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার (১ মে ২০২৬) রাতে তাকে তার নিজ এলাকা থেকে আটক করা হয় বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বালাগঞ্জে রুহেল আহমদ আটক এর পেছনে পূর্বের একটি সিআর মামলার (নং-২২২/২৫) বিষয়টি রয়েছে। ওই মামলার ভিত্তিতেই আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাকে আটক করা হয়।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলাটি তদন্তাধীন থাকায় এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

পুলিশ আরও জানায়, আটক করার পর তাকে বালাগঞ্জ থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে বালাগঞ্জ থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বালাগঞ্জে রুহেল আহমদ আটক ঘটনাটি সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় হয়েছে। আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং মামলার অগ্রগতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ক্বারি রুহেল আহমদ চৌধুরী বালাগঞ্জ উপজেলার বোয়ালজুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার আটকের ঘটনায় এলাকায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে পুলিশ বলছে, কোনো ব্যক্তি বা পদ-পদবির বিষয়টি বিবেচনায় না এনে আইনের দৃষ্টিতে সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বালাগঞ্জে রুহেল আহমদ আটক এর ঘটনায়ও একইভাবে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।

এদিকে, স্থানীয় রাজনৈতিক মহলেও এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, মামলাটি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখানো হবে না বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সবশেষে, বালাগঞ্জে রুহেল আহমদ আটক ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অনলাইন জরিপ————————

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পর চাঁদাবাজি ও দখল অনেকাংশে কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

ঝালকাঠিতে জাতীয় কবি নজরুলের জন্মজয়ন্তী উদযাপন, ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১১:২৯ এএম
ঝালকাঠিতে জাতীয় কবি নজরুলের জন্মজয়ন্তী উদযাপন, ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী

আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নজরুলকে শ্রদ্ধায় আয়োজন

ঝালকাঠিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ঝালকাঠিতে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসন। অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রতিবেদনের প্রধান বিষয়

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নজরুলের সাম্য, মানবতা ও সম্প্রীতির আদর্শ ধারণের আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. কাওছার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস. এম. বায়জীদ ইবনে আকবর, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন।

ভার্চুয়াল বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবতার আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তারা বলেন, বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি নজরুল ইসলামের সাহিত্য, দর্শন ও চেতনা আজও সমাজে ন্যায়বিচার, অসাম্প্রদায়িকতা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় প্রেরণা জোগায়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জাতীয় কবির স্মরণে তাঁর লেখা গান ও কবিতা পরিবেশনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

১৬৮ বছরের মুরাদনগর ডিআর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট চরমে

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ এএম
১৬৮ বছরের মুরাদনগর ডিআর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট চরমে

প্রধান শিক্ষকসহ একাধিক পদ শূন্য, পাঠদানে বাড়ছে সংকট

১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সেই ১৬৮ বছরের মুরাদনগর ডিআর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকসহ একাধিক শিক্ষক ও কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, কমছে শিক্ষার মান এবং বাড়ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ।

মমপ্রতিবেদনের প্রধান বিষয়
১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মুরাদনগর ডিআর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকসহ একাধিক শিক্ষক ও কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষক সংকটে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে, কমছে শিক্ষার মান এবং বাড়ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বেগ।
শূন্য পদ: প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, বিজ্ঞান ও আইসিটি শিক্ষকসহ একাধিক প্রশাসনিক পদ।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদরে অবস্থিত ১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ১৬৮ বছরের সেই পুরানো ঐতিহ্যবাহী মুরাদনগর ডিআর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র শিক্ষক ও জনবল সংকটের মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। উপজেলার একমাত্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত ১৬৮ বছরের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ বছরের পর বছর শূন্য থাকায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, ভৌতবিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের কোনো শিক্ষক নেই। এছাড়া গণিত, ইংরেজি ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে দুটি করে অনুমোদিত পদের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন করে শিক্ষক।

শুধু শিক্ষক সংকট নয়, বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর, পিয়ন, ঝাড়ুদার ও নাইট গার্ডের পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা ও দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনায় চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। অস্থায়ী কর্মচারীদের দিয়ে কার্যক্রম চালানো হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপর্যাপ্ত।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, নিরাপত্তাকর্মী না থাকায় বিভিন্ন সময় বিদ্যালয়ের ভবনের জানালার থাই গ্লাসসহ মূল্যবান সামগ্রী চুরির ঘটনাও ঘটেছে। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও সম্পদ রক্ষা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে প্রাইভেট কোচিংয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ময়নাল হোসেন সরকার বলেন, শিক্ষক ও জনবল সংকটের বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় শিক্ষার মান ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক ও জনবলের সংকট রয়েছে। বিষয়টি সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) কুমিল্লা অঞ্চলের আঞ্চলিক উপপরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করলে তা মহাপরিচালকের কাছে সুপারিশ করা হবে, যাতে দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

‘জিরো টলারেন্স’ নীতির পর চাঁদাবাজি ও দখল অনেকাংশে কমেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

এলাকাবাসীর দাবি, ১৬৮ বছরের ঐতিহ্য বহনকারী এই সরকারি বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি মুরাদনগরের শিক্ষা ও ইতিহাসের অন্যতম ভিত্তি। দ্রুত প্রধান শিক্ষকসহ সব শূন্য পদে নিয়োগ দিয়ে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

 

জন্মেরর পর থেকেই পাবে এনআইডি

জন্মের পরই মিলবে ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি, এক পরিচয়ে সব সরকারি সেবা

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩০ এএম
জন্মের পরই মিলবে ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি, এক পরিচয়ে সব সরকারি সেবা

‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি’ উদ্যোগ

জন্মের পরই মিলবে একটি শিশুর জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি। এ সেবা তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এই একক পরিচয়ের মাধ্যমেই একজন নাগরিক জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট, ভূমিসেবা, বিআরটিএসহ বিভিন্ন সরকারি সেবা একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম থেকে গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে একই তথ্য বারবার বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

FEATURED NEWS
প্রতিবেদনের প্রধান বিষয়
সরকার ‘এক নাগরিক, এক ডিজিটাল আইডি, এক ডিজিটাল ওয়ালেট’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জন্মের পরই প্রতিটি শিশুর জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডি তৈরি হবে, যার মাধ্যমে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, এনআইডি, পাসপোর্ট, ভূমিসহ সব সরকারি সেবা এক প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে।
✔ এক পরিচয়ে সব সেবা  |
✔ তথ্য সুরক্ষায় কনসেন্ট বাধ্যতামূলক

প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী রেহান আসিফ আসাদের ধারণা থেকে ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ডিজিটাল আইডি, ওয়ান ওয়ালেট’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, জন্ম নিবন্ধন, এনআইডি, পাসপোর্ট, স্বাস্থ্য তথ্য, শিক্ষা, ভূমি ও বিআরটিএসহ বিভিন্ন সরকারি ডাটাবেজকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হবে। হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুর তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে জন্ম নিবন্ধন ব্যবস্থায় যুক্ত হয়ে বাবা-মায়ের এনআইডির তথ্যের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নবজাতকের স্থায়ী

ডিজিটাল আইডি তৈরি হবে। বাসায় জন্ম নেওয়া শিশুর ক্ষেত্রেও পৃথক ব্যবস্থা রাখা হবে

এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি ডিজিটাল ওয়ালেট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। স্মার্টফোনভিত্তিক এই ওয়ালেটে পরিচয়পত্র, ডিজিটাল ক্রেডেনশিয়াল ও প্রয়োজনীয় সরকারি নথি সংরক্ষিত থাকবে। এটি সরকারি বিভিন্ন সেবায় লগইন, পরিচয় যাচাই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিক্যাল পরিচয়পত্রের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বর্তমানে ধারণাপত্র (কনসেপ্ট পেপার) পর্যায়ে রয়েছে। অনুমোদনের পর বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে নাগরিকের সম্মতি ছাড়া কোনো ব্যক্তিগত তথ্য অন্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শেয়ার করা হবে না। পুরো ব্যবস্থাটি ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন ও জাতীয় ডেটা গভর্নেন্স নীতিমালা অনুসরণ করে পরিচালিত হবে।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় পরিচালিত ডি-স্টার (Digital Service Transformation for Access and Resilience) প্রকল্পের আওতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এস্তোনিয়া ও সিঙ্গাপুরের ইউনিফায়েড ডিজিটাল আইডেন্টিটি মডেল পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের উপযোগী কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।

সম্প্রতি রেহান আসিফ আসাদ জানান, আগামী মাস থেকেই দেশের প্রথম ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে একটি একক ডিজিটাল পরিচয়ের মাধ্যমে নাগরিকরা দ্রুত, সহজ ও হয়রানিমুক্তভাবে সরকারি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

×
CLOSE X