সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই প্রকল্প অনুমোদন
শিশু উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ফাইল কেলেঙ্কারির অভিযোগ, প্রকাশ্যে পাল্টা চ্যালেঞ্জ

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক শিশু উপদেষ্টা টোকাই আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া (ডানে)। ছবি : আজকের কথা
স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকল্প ফাইল অনুমোদন নিয়ে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক শিশু উপদেষ্টা ও কিশোর গ্যাং লিডারখ্যাত আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই ফাইল অনুমোদনের অভিযোগ তুলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ফাইল প্রকাশের পাল্টা চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।
শনিবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একজন উপদেষ্টা প্রশাসনিক বিধি ভঙ্গ করে সচিবের অনুমোদন ছাড়া সরাসরি প্রকল্প ফাইলে স্বাক্ষর করে অনুমোদন দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্তে আনা হবে বলেও জানান তিনি।
পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী ওই উপদেষ্টার নাম হিসেবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নাম উল্লেখ করেন।
এর পরপরই সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে অভিযোগের জবাব দেন শিশু উপদেষ্টা ও কিশোর গ্যাং লিডারখ্যাত আসিফ মাহমুদ। তিনি দাবি করেন, প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুমোদন ছাড়া কোনো ফাইল উপদেষ্টার টেবিলে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
আসিফ মাহমুদ বলেন, “যদি এমন কোনো ফাইল থাকে যেখানে আমার স্বাক্ষর আছে কিন্তু সচিব বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুমোদন নেই, তাহলে সেটি জনগণের সামনে প্রকাশ করা হোক।”
তিনি আরও বলেন, “রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে। প্রমাণ থাকলে প্রকাশ করুন, না হলে জনগণই বিচার করবে।”
লাইভে শিশু উপদেস্টা টোকাইখ্যাত আসিফ মাহমুদ সজীব প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতিও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “রোববারের মধ্যে সেই ফাইল প্রকাশ করুন। অন্যথায় এটি রাজনৈতিক অপপ্রচার হিসেবেই প্রমাণিত হবে।”
এর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগ ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোতে আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে সরকার।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
ভালো থেকো, তোমার মতো করে

ভালো থেকো
আলেয়া মান্নান
আমি চাই আমাকে যেনো কখনো মনে না পড়ে।
পৃথিবীর সকল সুখ যেনো তোমায় রাখে ঘিরে।
নিস্তব্ধতায় তুমি ছিলে, নিঃসঙ্গতায় পাশে রবে।
আমি যখন শূন্যতায় থাকবো ভবে।
উদাস মনে চলা তোমার, মন রয় না ঘরে।
আমি অতিষ্ঠ এই বিড়ম্বনার শিকারে,
চলে এলাম আমি কাখৈই পাড়ার চরে।
ভালো থেকো তুমি, পিছু নাহি ফিরে।
সুখ যেন বসত করে তোমার জীবন নীড়ে।
চাই আমি প্রতিটা মুহূর্তগুলো।
বিধাতা যেনো তোমায় রাখে ভালো।
পৃথিবীর সকল সুখে তুমি সুখী হও।
বলবো না আমার অন্ধকারে তুমি আলো জ্বালাও।
ভালো থেকো তোমার মতো করে।
ফিরব না আমি এই জীবনের তরে।
মনের আকাশে মেঘেদের ভিড় হলো।
মাঝেমাঝে বিজলির চমকায় আলো।
ঝরেপড়া বৃষ্টির ধারাগুলো।
মনের আকাশ ভীষণ কালো।
আমি চাই কখনো যেনো আমাকে মনে না পড়ে।
পৃথিবীর সকল সুখ যেনো তোমায় রাখে ঘিরে।
কবি পরিচিতি
আলেয়া মান্নান
পিতা: মরহুম ইমাম হোসাইন
মাতা: মোসা. জুবাইদা খাতুন
জন্মস্থান: নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলা।
কবি আলেয়া মান্নান ভ্রমণপ্রিয়। শৈশব কেটেছে দুরন্তপনায়। মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। একজন মা, সংসারী, চাকরিজীবী ও জীবনসংগ্রামী হিসেবে নানা দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চা করে চলেছেন।
তাঁর লেখা ৩০টিরও বেশি কবিতা জাতীয় দৈনিক ও বিভিন্ন লিটল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। ‘ভালো থেকো’ কবিতাটি তাঁর একটি অপ্রকাশিত রচনা।
দেবীদ্বারে জন্মসনদ কাণ্ড
মুরাদনগরের দারোরা ইউনিয়নের সচিব নজরুল সাময়িক বরখাস্ত

দেবীদ্বারে তিন রোহিঙ্গাকে জন্মসনদ: জেলা প্রশাসনের তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১৯ নম্বর দারোড়া ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত সচিব মো. নজরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগে দেবীদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব থাকাকালে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর তিন সদস্যের নামে আইনবহির্ভূতভাবে জন্মসনদ সৃজনসহ গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। জেলা প্রশাসনের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে এ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলো।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের অফিস আদেশে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অফিস আদেশটির স্মারক নম্বর ০৫.২০.১৯০০.০০০.০০৯.৪০.০০০৮.২৬-৮৫১। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, ঢাকার ২৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখের পত্রের প্রেক্ষিতে প্রদত্ত নির্দেশনা মোতাবেক বিষয়টি তদন্ত করা হয়।
জেলা প্রশাসনের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, দেবীদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা—বর্তমানে মুরাদনগর উপজেলার দারোড়া ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত—মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই না করে উপযুক্ত প্রমাণক ব্যতীত ফতেহাবাদ ইউনিয়নে জন্মগ্রহণকারী বা স্থায়ীভাবে বসবাসকারী নন এমন তিন ব্যক্তির অনুকূলে আইনবহির্ভূতভাবে জন্মসনদ সৃজনের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্তে যে তিনজনের জন্মসনদের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন—মুবিনা খাতুন, সাইমুন ইসলাম সাজ্জাদ ও হাফিছা। অফিস আদেশে তাঁদের জন্মসনদ নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি জন্মনিবন্ধন ব্যবস্থার নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড অন্য ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর, সচেতনতার অভাব এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে কী বলা হয়েছে
কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) কর্মচারী চাকরি বিধিমালা, ২০১১-এর ৩৪(ক), (খ), (চ) উপবিধিতে বর্ণিত অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই বিধিমালার ৪০(১) অনুযায়ী মো. নজরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
আদেশের দ্বিতীয় দফায় বলা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন বিধিমোতাবেক খোরপোষভাতা প্রাপ্য হবেন তিনি। তৃতীয় দফায় এ আদেশ তাঁর চাকরি বহিতে লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরে আদেশ
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কোনো সাধারণ অভিযোগপত্র নয়; কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে মো. নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। চিঠিতে জেলা প্রশাসকের নাম, পদবি, কুমিল্লা এবং সরকারি যোগাযোগের তথ্যও রয়েছে।
অফিস আদেশের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে, স্থানীয় সরকার বিভাগ; কমিশনার, চট্টগ্রাম বিভাগ; রেজিস্ট্রার জেনারেল (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন); পরিচালক, স্থানীয় সরকার, চট্টগ্রাম বিভাগ; উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মুরাদনগর/দেবীদ্বার; সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ এবং মো. নজরুল ইসলামের কাছেও। অর্থাৎ বর্তমানে তিনি যে দারোড়া ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত, সেখানকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।
রোহিঙ্গা জন্মসনদ কাণ্ডে তদন্তের পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা
এর আগে অভিযোগ ওঠে, ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকালে মো. সালাউদ্দিন রুহুলের সময়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর তিন সদস্যের নামে বাংলাদেশি জন্মনিবন্ধন তৈরি করা হয়। অভিযোগটি নিয়ে জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়।
প্রথমে বিষয়টি তিনজনের জন্মনিবন্ধনকে কেন্দ্র করে সামনে এলেও পরবর্তী অনুসন্ধানে ওই ইউনিয়নে আরও বেশ কিছু সন্দেহজনক জন্মনিবন্ধনের তথ্য পাওয়া যাওয়ার দাবি ওঠে। তবে জেলা প্রশাসনের সাম্প্রতিক অফিস আদেশে তদন্তে প্রমাণিত হিসেবে যে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি ওই তিন ব্যক্তির জন্মসনদ এবং সচিবের ইউজার আইডি-পাসওয়ার্ড অন্যের কাছে হস্তান্তরসহ দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ।
‘পাসওয়ার্ড অন্যকে দিয়েছিলেন’—সচিবের আগের বক্তব্য
এর আগে মো. নজরুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, তিনি ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটিতে ছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, ওই সময়ে তাঁর পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া রাজীব কাজ করেছিলেন এবং চেয়ারম্যান-মেম্বারের অনুরোধে তাঁকে পাসওয়ার্ড দেওয়া হয়েছিল।
তবে জেলা প্রশাসনের অফিস আদেশে তাঁর বিরুদ্ধে নিজের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড অন্য ব্যক্তির কাছে হস্তান্তরের বিষয়টিও তদন্তে প্রমাণিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে ইউপি উদ্যোক্তা আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া রাজীব দাবি করেছিলেন, তিনি কখনো জন্মনিবন্ধনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেননি। ফলে জন্মনিবন্ধনগুলো কার মাধ্যমে, কীভাবে এবং কার নির্দেশনায় তৈরি হয়েছিল—এ প্রশ্নও নতুন করে সামনে এসেছে।
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, ফতেহাবাদ ইউনিয়নের বিতর্কিত জন্মনিবন্ধন ইস্যুতে তদন্ত শেষে যে সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তিনি বর্তমানে মুরাদনগরের ১৯ নম্বর দারোড়া ইউনিয়ন পরিষদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের সাম্প্রতিক এই আদেশের পর দারোড়া ইউনিয়ন পরিষদে তাঁর দায়িত্ব পালন নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিও এখন দেখার বিষয়।
সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিতের অঙ্গীকার
জন্মাষ্টমীর আয়োজনে কায়কোবাদ, ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তায় ঐক্যের ডাক

রাজধানীতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সব সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।” তিনি দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের অধিকার এবং রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সবার সমঅধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা তুলে ধরেন।

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করবে।
ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্বকে সামনে আনেন। তাঁর উপস্থিতিতে জন্মাষ্টমীর এ আয়োজন বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তাকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। ধর্মীয় উৎসবগুলো যেন নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।





























