প্রবাসে সফল বগুড়ার সুন্দরী আতিয়া
শুধু রূপেই নয়, কর্মগুণেও প্রবাসে উজ্জ্বল বগুড়ার সুন্দরী আতিয়া

"রূপ আর গুণের অনন্য মেলবন্ধন—সুদূর আমেরিকায় সফল ও প্রতিষ্ঠিত বগুড়ার সুন্দরী তরুণী আতিয়া ইসলাম।" ছবি : আজকের কথা
“নীল শাড়ির জমকালো সাজে অপরূপা আতিয়া ইসলাম; যিনি নিজ কর্মগুণে আজ সুদূর আমেরিকায় সুপ্রতিষ্ঠিত।”
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
স্কুলে বোরকা-নেকাব নিষিদ্ধের উদ্যোগ ইতালিতে, জানালেন মেলোনি

বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যায়ও সীমা, অভিভাবকদের ইতালীয় ভাষা শেখার প্রস্তাব
ইতালির স্কুলগুলোতে বোরকা ও নেকাব পরা নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পরিকল্পনাও করা হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি রোববার এ ঘোষণা দিয়েছেন।
নিজের দল ব্রাদার্স অব ইতালির (এফডিআই) যুব শাখার এক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় মেলোনি জানান, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সর্বোচ্চ কতজন বিদেশি শিক্ষার্থী থাকতে পারবে, তা আইনি কাঠামোর আওতায় আনতে শিগগিরই মন্ত্রিসভায় একটি প্রস্তাব তোলা হবে।
মেলোনি বলেন, যেসব বিদেশি শিক্ষার্থী ইতালির শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বড় ধরনের সমস্যায় পড়ছে, তাদের মা-বাবাকেও ইতালীয় ভাষা শেখার প্রয়োজন হবে। একই প্রস্তাবে স্কুলে বোরকা ও নেকাব পরা নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও রাখা হবে।

স্কুলে বোরকা ও নেকাব নিষিদ্ধ করা এবং শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইউরোপে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইতালি অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট দেশ। আগামী বছর দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে অভিবাসীদের ইতালীয় সমাজের সঙ্গে একীভূত হওয়ার বিষয়টি দেশটির রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এর আগে গত জুলাইয়ে স্কুলে বোরকা ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানিয়েছিল ন্যাশনাল ফিউচার (এফএন) পার্টি। দলটি ক্ষমতাসীন জোটের অংশ নয়। রাজনৈতিক অবস্থানের দিক থেকে এফএনকে মেলোনির দলের চেয়েও ডানপন্থী হিসেবে বর্ণনা করা হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে আত্মপ্রকাশের পর দলটির সমর্থন জনমত জরিপে বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইতালিতে বর্তমানে স্কুল বা জনসমাগমস্থলে সরাসরি বোরকা নিষিদ্ধ করার নির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। তবে ১৯৭৫ সালের একটি আইনে সংগত কারণ ছাড়া মুখ বা পরিচয় ঢেকে রাখে এমন পোশাক কিংবা হেলমেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
পরে ২০০৮ সালে ইতালির সর্বোচ্চ প্রশাসনিক আদালত এ আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে জানায়, ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক কারণে পুরো মুখ ঢাকা পোশাক পরা যেতে পারে। তবে পরিচয় শনাক্ত করার প্রয়োজন হলে মুখ উন্মুক্ত করতে হবে।
মেলোনির জোটসঙ্গী ও অভিবাসনবিরোধী লিগ পার্টিও চলতি বছরের শুরুতে সিনেটে একটি বিল উত্থাপন করেছে। ওই বিলে ক্রীড়া অনুষ্ঠান বা উপাসনালয়ের মতো নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্র ছাড়া মুখ ঢাকা পোশাক ও হেলমেট পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইতালির স্কুলগুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত রাখার নিয়ম আগে থেকেই রয়েছে। তবে এই নিয়মে ঠিক কী পরিবর্তন আনা হবে, সে বিষয়ে মেলোনি বিস্তারিত জানাননি।
ইতালির জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট (আইএসটিএটি) অনুযায়ী, দেশটির স্কুলগুলোর মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ১২ শতাংশ বিদেশি। ২০১০ সাল থেকে প্রতিটি শ্রেণি ও স্কুলে বিদেশি শিক্ষার্থীর হার সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ রাখার নিয়ম চালু রয়েছে।
তবে ইতালীয় ভাষায় পর্যাপ্ত দক্ষতা থাকা বিদেশি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই সীমা বাড়ানো যায়। ইতালিতে জন্ম নেওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীরাও এ সুবিধা পেতে পারে। বিপরীতে ভাষাগত দক্ষতা দুর্বল হলে নির্ধারিত সীমা আরও কমানো হতে পারে।
অপ্রতিম হত্যার রেশ কাটেনি, কুমিল্লায় আবারো কলেজছাত্রী অপহরণ কুমিল্লায়

“অটোরিকশা থামিয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, ৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার”
কুমিল্লা নগরীতে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে আনিসা তাছনিম তনয়া (১৮) নামে এক কলেজছাত্রীকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পর নগরীর আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
এ ঘটনায় অনন্য চৌধুরী (২১) নামে এক তরুণসহ অজ্ঞাত আরও ২ থেকে ৩ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তনয়ার বাবা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতেই তিনি এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, তনয়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত অনন্য তাদের প্রতিবেশী। পরিবারের অভিযোগ, গত ৩ থেকে ৪ দিন ধরে কলেজ ও প্রাইভেটে যাতায়াতের পথে এবং বাসার সামনে অনন্য তনয়াকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও হয়রানি করে আসছিলেন। বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তের মাকে জানানো হলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে তনয়ার মা তাকে অটোরিকশায় তুলে সরকারি মহিলা কলেজের সামনে প্রাইভেট পড়তে পাঠান। পথে পুলিশ লাইন মোড় এলাকায় অনন্য চৌধুরীসহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জন অটোরিকশাটির গতিরোধ করেন। পরে তারা তনয়াকে টেনে-হিঁচড়ে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ে তনয়া বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে শুরু করেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আলেখারচর বিশ্বরোডের ওষুধ মার্কেট এলাকার একটি দোকানের সামনে তনয়াকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় এক দোকানদার। পরে ওই দোকানদার নিজের মোবাইল ফোন থেকে তনয়ার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে স্বজনরা অটোরিকশাযোগে সেখানে গিয়ে তাকে বাসায় নিয়ে আসেন।
পরিবারের দাবি, উদ্ধারের পর তনয়া তাদের জানান, তাকে একটি গাড়িতে করে আলেখারচর এলাকার একটি বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং কলেজ ব্যাগে থাকা বই-খাতা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবারের আরও দাবি, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তনয়ার মুখ বেঁধে তাকে আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় ফেলে যাওয়া হয়।
এদিকে তনয়াকে উদ্ধারের পর রোববার রাতে হালিমা আক্তার তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ তনয়াকে পাওয়া গেছে। ও আমার আন্টির মেয়ে। ওর নামে উল্টাপাল্টা বলবেন না, ও বিবাহিত। আর ওরে কিডন্যাপ করা হয়েছিল।”

আলহামদুলিল্লাহ, তনয়াকে পাওয়া গেছে। সে আমার আন্টির মেয়ে। তার নামে উল্টাপাল্টা কিছু বলবেন না। সে বিবাহিত। তাকে কিডন্যাপ করা হয়েছিল। বিস্তারিত আগামীকাল বলা যাবে। পুরো পরিবার এখন থানায় রয়েছে। তনয়াকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ।
পোস্টে হালিমা আক্তার আরও জানান, এ বিষয়ে বিস্তারিত পরদিন বলা যাবে এবং পুরো পরিবার থানায় রয়েছে। দ্রুত তনয়াকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদও জানান তিনি।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন তনয়ার বাবা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।
সোমবার সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, “এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।”
তবে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদ, পরে মামলায় গ্রেপ্তার
আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।
তিনি জানান, শেরেবাংলা নগর থানায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। পরে সিআইডির ফরেনসিক টিমকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় রোববার রাতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। পরে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ কী এবং এ ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।























