বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দুই আসনে হীরার দায়িত্ব

কুমিল্লা-৪ ও কুমিল্লা-১১ আসনের দায়িত্ব পেলেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী এমপি রাশেদা বেগম হীরা

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৭:৩০ পিএম
রাশেদা বেগম হীরা

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) ও কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) সংসদীয় আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা। (সংগৃহীত ছবি)

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা কুমিল্লার দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসন— কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) এবং কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) এর দায়িত্ব পেয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কুমিল্লা উত্তর জেলা শাখার সভাপতি সুফিয়া বেগম। তিনি জানান, কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনের জন্য সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে প্রায় ৩০ জন আবেদনপত্র সংগ্রহ করলেও চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী রাশেদা বেগম হীরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনটি বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ (মো. আবুল হাসনাত) এবং কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই দুই সংসদীয় এলাকায় বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন রাশেদা বেগম হীরা।

এর আগে গত ২০ এপ্রিল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করেন। সেই তালিকায় তৃতীয়বারের মতো সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পান রাশেদা বেগম হীরা।

চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামের সন্তান রাশেদা বেগম হীরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর স্বামী মরহুম মো. রফিকুল ইসলাম মজুমদার চট্টগ্রাম বিভাগের খাদ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পিতা ছিলেন অলিউল্লাহ

বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চাঁদপুর জেলা শাখার সভানেত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দলের আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

শিক্ষাজীবনেও তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (এমএ) এবং ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের ভিপি ও জিএস পদে নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করেন।

ছাত্রনেত্রী হিসেবে ১৯৮১ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে নেপাল ভ্রমণের সুযোগ পান। এছাড়া মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে বঙ্গভবন ও বিভিন্ন জাতীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৮৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা অক্সফাম, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং ভিএসও-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একইসঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ছিলেন।

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী রাশেদা বেগম হীরা ২০০১ সালের অষ্টম এবং ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দলীয় নেতাকর্মীরা আশা করছেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ কুমিল্লা-৪ ও কুমিল্লা-১১ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

যৌতুক-চুরির মামলায় হাজত

একে অপরকে আসামি করে জেলে গেলেন স্বামী-স্ত্রী

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
একে অপরকে আসামি করে জেলে গেলেন স্বামী-স্ত্রী

ফেনীতে পাল্টাপাল্টি মামলায় স্বামী-স্ত্রী কারাগারে, আদালতের নির্দেশে দুজনই হাজতে

ফেনীতে একে অপরের বিরুদ্ধে দায়ের করা পৃথক মামলায় আদালতের নির্দেশে স্বামী ও স্ত্রীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাল্টাপাল্টি অভিযোগে করা দুটি মামলার শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ফেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজ উদ্দিন এ আদেশ প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. সুমন ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে একই উপজেলার ভোয়াগ গ্রামের নাসিমা আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে বিরোধ দেখা দেয়।

স্বামীর পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের প্রায় দুই মাস পর নাসিমা আক্তার পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির সহযোগিতায় বাড়ি থেকে ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১ লাখ টাকা নিয়ে চলে যান। এ ঘটনায় সুমনের বাবা বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে নাসিমা আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে চুরির মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে নাসিমা আক্তার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে তাকে যৌতুকের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এ অভিযোগে তিনি তার স্বামী মো. সুমন এবং শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করেন।

বুধবার আদালতে উভয় মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুক মামলায় স্বামী মো. সুমনকে এবং স্বামীর পরিবারের দায়ের করা চুরির মামলায় স্ত্রী নাসিমা আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের এ আদেশের ফলে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই পৃথক মামলায় কারাগারে যেতে হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ধাওয়া খেয়ে থানায় আশ্রয়

‘পুলিশ হত্যা করেছি’ বলে আলোচনায় আসা সেই মাহদী এবার আশ্রয় নিলেন পুলিশের কাছেই

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:৩২ পিএম
‘পুলিশ হত্যা করেছি’ বলে আলোচনায় আসা সেই মাহদী এবার আশ্রয় নিলেন পুলিশের কাছেই

‘পুলিশ হত্যা করেছি’ বলে আলোচনায় আসা সেই মাহদী এবার আশ্রয় নিলেন থানায়

হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সদস্যসচিব মাহদী হাসান আবারও আলোচনায়। বিভিন্ন সময় বিতর্কিত বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে সমালোচিত এই ছাত্রনেতা এবার নিজের নিরাপত্তার দাবি তুলে থানায় আশ্রয় নিয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের পুরাতন হাসপাতাল সড়ক এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় থাকা অবস্থায় ফেসবুক লাইভে এসে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া করে হামলার চেষ্টা করছেন। পরে তিনি সরাসরি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় প্রবেশ করেন।

লাইভ ভিডিওতে মাহদী অভিযোগ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের জেরে একটি পক্ষ তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং তাকে অনুসরণ করে হামলার পরিকল্পনা করছে। এ কারণে তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানান।

তবে মাহদীর এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সংগঠনটির নেতারা দাবি করেছেন, ফেসবুক লাইভে তার অভিযোগের পক্ষে কোনো দৃশ্যমান প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভিডিওতে মাহদীর আশপাশে কাউকে তাড়া করতে বা ধাওয়া দিতে দেখা যায়নি বলেও তারা উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন বলেন, “মাহদী হাসানের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তার লাইভ ভিডিও পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, সেখানে কোনো ধাওয়া বা হামলার চিত্র নেই। ছাত্রদলকে বিতর্কিত করতেই এ ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।”

ঘটনার বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল হক খান বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ নিয়ে পুলিশের একটি জরুরি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে।

উল্লেখ্য, মাহদী হাসান এর আগেও একাধিক ঘটনায় আলোচনায় ও সমালোচনায় এসেছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে দেওয়া একটি ফেসবুক লাইভ এবং বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্য তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে।

এছাড়া শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়ে ওসির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং বানিয়াচং থানার এক উপপরিদর্শকের বিরুদ্ধে হুমকিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে ঘিরেও হবিগঞ্জের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে, আবার মাহদীর নিরাপত্তা শঙ্কার বিষয়টিও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

কৃষি উন্নয়নে অংশীদারত্বের আহ্বান

বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর বিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৩:১৭ পিএম
বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর বিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তরের মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে আয়োজিত এ কংগ্রেসে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অংশীজন অংশগ্রহণ করেন।

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাজিতপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জালাল উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ী, কিশোরগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সাদিকুর রহমান বলেন, দেশের কৃষি খাতকে আধুনিক, লাভজনক ও প্রতিযোগিতামূলক করতে হলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, কৃষিকে টেকসই উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে নিতে মাঠপর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাজিতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম। সভা পরিচালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম।

এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাসির উদ্দিন মুন্সী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপ-সহকারী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়নকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

আলোচনা সভায় কৃষির আধুনিকায়ন, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, যুব উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রকল্পের সম্ভাবনা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, কৃষি উন্নয়নকে আরও বেগবান করতে সরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বিত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা সময়ের দাবি। কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও পুষ্টি সংবেদনশীল কৃষি ব্যবস্থার সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং টেকসই গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

কংগ্রেসে অংশগ্রহণকারী বক্তারা প্রকল্পের কার্যক্রম সফল বাস্তবায়নে সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠান শেষে কৃষি উন্নয়ন ও গ্রামীণ রূপান্তর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানানো হয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×