মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ছুটিতে মুখর সমুদ্র সৈকত

কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড়, বাড়ছে সাগর-ঢেউ দেখার আকর্ষণ

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৮ পিএম
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত

ছুটির দিনে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভিড় করছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা। ছবি : আজকের কথা

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সপ্তাহের ছুটি ও অনুকূল আবহাওয়ার সুযোগে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা। সাগরের গর্জন, উত্তাল ঢেউ, সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং উন্নত পর্যটনসেবা ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করছে।

সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড় দিন দিন বাড়ছে পর্যটকের উপস্থিতি। সপ্তাহান্তের ছুটি এবং অনুকূল মৌসুমি আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভ্রমণপ্রেমীরা ছুটে আসছেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই পর্যটনকেন্দ্রে।

স্থানীয় হোটেল ও মোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে পর্যটকদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় আবাসিক কক্ষের বুকিং প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ফলে পর্যটননির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে কুয়াকাটার মনোমুগ্ধকর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য, সাগরের উত্তাল ঢেউ এবং ঝাউবেষ্টিত প্রাকৃতিক পরিবেশ। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন।

ঢাকা থেকে আসা কয়েকজন পর্যটক জানান, কুয়াকাটার ঢেউ, সাগরের গর্জন এবং বিস্তীর্ণ বালুকাবেলা তাদের মুগ্ধ করেছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটিয়ে তারা মানসিক প্রশান্তি অনুভব করছেন।

পর্যটকদের সুবিধার্থে সৈকত এলাকায় নতুন করে বসার বেঞ্চ স্থাপন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সৌন্দর্যবর্ধনের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কর্মীরা নিরাপত্তা ও সার্বিক তদারকিতে সক্রিয় রয়েছেন।

“কুয়াকাটা শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়, এটি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম সম্ভাবনাময় কেন্দ্র। পর্যটকদের আগমন যেমন স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করে, তেমনি এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ কুয়াকাটা গড়ে তুলতে প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”

খাদিজা বেগম
নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক আজকের কথা

সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটরদের প্রত্যাশা, সামনের মাসগুলোতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted

ব্যাংকিং সেবা পৌঁছাবে আরও কাছে

জুড়ীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল সিটি ব্যাংকের নতুন শাখা

জালালুর রহমান, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৬:১৩ পিএম
জুড়ীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল সিটি ব্যাংকের নতুন শাখা
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে সিটি ব্যাংকের নতুন শাখা। উপজেলার শিশু পার্ক সংলগ্ন শরিফ কমপ্লেক্সে স্থাপিত এ শাখার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো সিটি ব্যাংকের নতুন শাখা। উপজেলার শিশু পার্ক সংলগ্ন শরিফ কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় স্থাপিত এ শাখার কার্যক্রম সোমবার (২২ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

ফোকাস: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় সিটি ব্যাংকের নতুন শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এ শাখার মাধ্যমে স্থানীয় গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা আধুনিক ব্যাংকিং সেবা আরও সহজে গ্রহণ করতে পারবেন।

উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা নতুন শাখার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীদের আধুনিক ব্যাংকিং সেবা আরও সহজলভ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিটি ব্যাংকের সিলেট বিভাগীয় প্রধান শাহ হাসান, সিলেট আম্বরখানা শাখার ম্যানেজার সারোয়ার আহমেদ ফেরদৌস, মৌলভীবাজার শাখার ম্যানেজার মামুন রহমান, কুলাউড়া শাখার ম্যানেজার মামুন আলী এবং বড়লেখা শাখার ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জুড়ী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি জুড়ী উপজেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ও হাকালুকি নিউজের সম্পাদক এম এম সামছুল ইসলাম, জুড়ী কামিনীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়িক কল্যাণ সমিতির সভাপতি নূরুল আম্বিয়া এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিশনের জুড়ী উপজেলা সদস্য কাজী আমজাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সিটি ব্যাংক জুড়ী শাখার ম্যানেজার শুভ্র দাস শুভ। তিনি বলেন, গ্রাহকদের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে জুড়ী শাখা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

নবীনগরে ব্যবসায়ী কামাল ভেন্ডারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৫:৫৩ পিএম
নবীনগরে ব্যবসায়ী কামাল ভেন্ডারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ব্যবসায়ী মো. কামাল ভেন্ডারের গ্রেপ্তার এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় নবীনগর পৌর এলাকার আলিয়াবাদে গ্রেপ্তারকৃত কামাল ভেন্ডারের নিজ বাড়িতে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ফোকাস: নবীনগর বাজারের ব্যবসায়ী মো. কামাল ভেন্ডারের গ্রেপ্তারকে অন্যায় দাবি করে তার পরিবার মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ গভীর রাতে কামাল ভেন্ডারকে তার বাসা থেকে নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাকে একটি মিথ্যা ও গায়েবি মামলায় জড়ানো হয়েছে।

তারা বলেন, কামাল ভেন্ডার দীর্ঘদিন ধরে নবীনগর বাজারে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন এবং তিনি একজন নিরপরাধ ও সম্মানিত ব্যবসায়ী।

পরিবারের সদস্যরা তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

একই সঙ্গে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে কামাল ভেন্ডারের মুক্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, নবীনগর বাজারের বহু ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

অর্থপাচার নাকি বাণিজ্যিক লেনদেন?

সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী, সম্পাদক : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

বিশ্ব বাটপার ইউনূসের অর্থ ফেরতের বুলি, আড়ালে ১৩ হাজার কোটি টাকা পাচারের রেকর্ড! : সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরে অর্থপাচার বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম মাওলা রনি। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, ওই আমানতের বড় অংশই অবৈধ বাণিজ্যিক লেনদেন সংশ্লিষ্ট এবং তা সরাসরি অর্থপাচারের সামিল, তারা মনে করেন বিশ্ব বাটপার ইউনুসের শাস্তি হওয়া দরকার।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অবৈদ প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ব বাটপার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমলে দেশ থেকে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পাচার হচ্ছে এবং এর জন্য তিনি আরেকটি নোবেল বা ‘ডাবল নোবেল’ পাওয়ার দাবিদার—সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনির এমন একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ঝড় তুলেছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে দেওয়া তার এই ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্যটি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তবে অর্থনীতিবিদ ও ফ্যাক্ট-চেকাররা বলছেন, সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের (সুইস ব্যাংক) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে এই বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

গোলাম মাওলা রনির বক্তব্যে যা বলা হয়েছে

টকশোতে গোলাম মাওলা রনি অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বলেন, শেখ হাসিনার ১৭ বছরের শাসনামলে দেশ থেকে প্রায় ১৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছিল। তবে সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্যের বরাতে তিনি দাবি করেন, বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক বছরেই সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ জমা রাখার পরিমাণ ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে।
শেখ হাসিনা সরকারের চেয়েও বর্তমান সরকারের আমলে অর্থপাচারের গতি বেশি উল্লেখ করে রনি রসাত্মকভাবে বলেন, “এই অভাবনীয় সাফল্যের জন্য ড. ইউনূসকে আরও একটি নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত।” তিনি আরও যোগ করেন, এই বিষয়ে দেশে একটি গণভোট হওয়া দরকার, যেখানে ১৮ কোটি মানুষ নোবেল কমিটিকে ভোট দিয়ে ড. ইউনূসকে আরেকটি নোবেল দেওয়ার সুপারিশ করবে।

প্রকৃত সত্য: সুইস ব্যাংকের টাকা মানেই কি পাচার?

গোলাম মাওলা রনির এই দাবিকে পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ ও আর্থিক খাতের বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের যে অর্থ জমা থাকে, তার বড় অংশই ব্যক্তিগত অর্থপাচার নয়, বরং বৈধ বাণিজ্যিক লেনদেনের অংশ।
  • বাণিজ্যিক আমানত: সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (SNB) বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের মোট জমার সিংহভাগই থাকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের নামে (যা প্রধানত এলসি বা আমদানির বিপরীতে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে গ্যারান্টি বা আমানত হিসেবে রাখা হয়)।
  • ব্যক্তিগত আমানতের চিত্র ভিন্ন: গত কয়েক বছরের ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের ব্যক্তিগত বা গোপন অ্যাকাউন্টের আমানত সুইস ব্যাংকে ক্রমাগত কমছে।
  • ভুল পরিসংখ্যানের ব্যবহার: বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উত্থান-পতনের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ডলারের পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারে, যা কোনোভাবেই ব্যক্তিগত অর্থপাচারের প্রমাণ নয়।

সরকারের প্রতিক্রিয়া

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিগত সরকারের আমলে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সুইস ব্যাংকের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক লেনদেনের পরিসংখ্যানকে “অর্থপাচার” হিসেবে প্রচার করাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর বলে মনে করছে সরকার।
এই খবরের গভীর বিশ্লেষণ এবং গোলাম মাওলা রনির পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন বাংলাদেশ টাইমস এবং কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x