মাঠের অভাবে বিপথে শিশুরা
‘মাঠ চাই, মাদক নয়’—শিশু-কিশোরদের দাবিতে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে র্যালি

খেলার মাঠের দাবিতে রায়েরবাগে আয়োজিত র্যালিতে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ ও অন্যরা। ছবি : আজকের কথা
মাঠের দাবিতে শিশু-কিশোরদের র্যালি, নেতৃত্বে আবুল কালাম আজাদ
রাজধানীর কদমতলী থানাধীন রায়েরবাগসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ চাই এ দাবিতে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিশোর অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলার মাঠের গুরুত্ব তুলে ধরে এ কর্মসূচির আয়োজন করে দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা অ্যালামনাই ফাউন্ডেশন।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৫টায় আয়োজিত র্যালিতে এলাকার শিশু-কিশোর, প্রবীণসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। শিশু-কিশোররাই র্যালিতে নেতৃত্ব দিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে চাহিদা অনুযায়ী খেলার মাঠের দাবির কথা তুলে ধরে।
রায়েরবাগসহ কদমতলী এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র্যালিটি পথসভায় মিলিত হয়। সেখানে শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠের ব্যবস্থা, কিশোর অপরাধ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং সুস্থ বিনোদনের পরিবেশ তৈরির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
“শিশু-কিশোরদের সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য খেলার মাঠের বিকল্প নেই। মাঠের অভাবে তারা মোবাইল, মাদক ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। তাই এলাকার চাহিদা ও বাস্তবতা বিবেচনায় শিশু-কিশোরদের জন্য খেলার মাঠ নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের কাছে দাবি তুলে ধরতে আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করব।”
অ্যাডভোকেট মো. আবুল কালাম আজাদ
চেয়ারম্যান
দি ইউনিভার্সিটি অব কুমিল্লা অ্যালামনাই ফাউন্ডেশন
পথসভায় বক্তারা বলেন, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে মাদক ও কিশোর অপরাধ থেকে তাদের দূরে রাখতেও খেলার মাঠ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বক্তারা আরও বলেন, রাজধানীর ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে খেলার মাঠের সংকট দিন দিন প্রকট হচ্ছে। ফলে শিশু-কিশোরদের জন্য পরিকল্পিত খেলার জায়গা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

খেলার মাঠ শিশুদের সুস্থ বিকাশের জন্য অপরিহার্য। কিশোর অপরাধ ও মাদক থেকে তাদের দূরে রাখতে মাঠ নিশ্চিত করতে হবে।
র্যালি ও পথসভায় মনির হোসেন মোল্লা, মো. ফয়েজ, মেজবাহ উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, খলিলুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত এবং কিশোর অপরাধ ও মাদকের বিস্তার রোধে ভবিষ্যতেও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
চৌদ্দগ্রামে নবজাতকের মৃত্যু, সাংবাদিকদের নিয়ে ক্ষোভ কেন নারী চিকিৎসকের?

চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্টে সাংবাদিকদের কটাক্ষ, তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রসবের সময় নবজাতকের মাথায় আঘাত লেগে মৃত্যুর অভিযোগের পর সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের উদ্দেশে এক নারী চিকিৎসকের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক ও হাসপাতালের দায় নির্ধারণে এরই মধ্যে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল তদন্ত কমিটি গঠন করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. ফারজানা খন্দকারকে কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

চিকিৎসকের দেওয়া মন্তব্যটি আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুলসংলগ্ন আল নুর হাসপাতালে শুভপুর ইউনিয়নের খামার পুষ্করিণী গ্রামের প্রবাসী মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী নাজমা আক্তারের প্রসব করানো হয়। পরিবারের অভিযোগ, প্রসবের সময় নবজাতকের মাথায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং পরে শিশুটির মৃত্যু হয়।
এরপর ৫ সেপ্টেম্বর প্রসূতির স্বজনরা চিকিৎসায় ভুলের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেন। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে আলোচনায় আসে বিষয়টি।
এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট নারী চিকিৎসক ডা. খাইরুন্নাহার কেয়ার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া একটি পোস্ট নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়। সেখানে তিনি প্রসববেদনা, পানি ভাঙাসহ চিকিৎসাসংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে যাওয়ার ব্যঙ্গাত্মক পরামর্শ দেন।
চিকিৎসকের ওই মন্তব্যকে সাংবাদিকদের প্রতি কটাক্ষ ও আপত্তিকর বক্তব্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। নবজাতকের মৃত্যুর মতো গুরুতর একটি ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর একজন চিকিৎসক কেন সাংবাদিকদের উদ্দেশে এমন মন্তব্য করলেন—এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে ডা. কেয়া তার ফেসবুক পোস্টের বক্তব্য অস্বীকার করেননি। তিনি বলেন, তিনি যা লিখেছেন, তা তার ফেসবুকেই রয়েছে এবং সেখান থেকেই দেখে নিতে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বলেন, চিকিৎসকের দেওয়া মন্তব্যটি তাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের দিকেই তাকিয়ে আছেন সংশ্লিষ্টরা। নবজাতকের মৃত্যুর পেছনে প্রকৃত কারণ কী ছিল, চিকিৎসক বা হাসপাতালের কোনো গাফিলতি ছিল কি না এবং অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তদন্তের মাধ্যমে এসব বিষয়ই স্পষ্ট হবে।
প্রবাসজীবনেও জনসেবায় মনোযোগ
দারোরায় চেয়ারম্যান পদে লুৎফর রহমানের নাম আলোচনায়

প্রবাসী ব্যবসায়ী থেকে সমাজসেবক—কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় লুৎফর
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ১৯ নম্বর দারোরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও প্রবাসী ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমানের। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি নিজ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় তার প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
১৯৮৩ সালে মুরাদনগর উপজেলার কাজিয়াতল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান। তিনি আলহাজ্ব মো. আব্দুল খালেক ও আম্বিয়া খাতুন দম্পতির সন্তান। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি একজন।
লুৎফর রহমানের ছোট ভাই মরহুম হাবিবুর রহমান হাবু ২০১১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দারোরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী ২০২২ সালের নির্বাচনেও তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হন। তবে গত বছর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর ওই ওয়ার্ডে এখনো উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি বলে স্থানীয়রা জানান।
কাজিয়াতল বড়বাড়ি ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ফয়জুল উলুম ইসলামিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও মুরাদনগর বড় মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেন লুৎফর রহমান। ১৯৯৭ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে দীর্ঘদিন কঠোর পরিশ্রমের পর ব্যবসায় প্রতিষ্ঠা পান এবং ‘সৌদি বিল্ডিং মেইনটেনেন্স’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
প্রবাসে ব্যবসার পাশাপাশি দেশের নিজ এলাকার তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়েও তিনি কাজ করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। তার দাবি, এ পর্যন্ত আট হাজারের বেশি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন তিনি।
এ ছাড়া কাজিয়াতলসহ দারোরা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহের উন্নয়ন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি সহযোগিতা করে আসছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেও এলাকার মানুষের কথা ভুলে যাননি। তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন। এলাকার মানুষের পাশে থাকার মানসিকতা ও সমাজের জন্য কাজ করার আগ্রহের কারণে তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে আলহাজ্ব মো. লুৎফর রহমান বলেন, মানুষের পাশে থেকে সেবার পরিধি আরও বাড়াতে চান তিনি। কাজিয়াতলসহ পুরো দারোরা ইউনিয়নকে আধুনিক ও বৈষম্যহীন একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা ও দোয়া চান।
স্থানীয়দের একটি অংশও দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকা একজন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবককে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন বলে জানা গেছে।
তবে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নির্ভর করবে তার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ও নির্বাচন-সংক্রান্ত পরবর্তী প্রক্রিয়ার ওপর।
রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কারের দাবিতে দেবীদ্বারে বিএনপির মানববন্ধন

দুই বিএনপি নেতাকে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগ
দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম সরকার ও এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দেবীদ্বারের এলাহাবাদ বাজারে এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা অধ্যাপক আক্তার হোসেন, দেবীদ্বার উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য মো. জালাল উদ্দীন তপন, এলাহাবাদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কৃষক দলের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. লিটন, এলাহাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ওমর ফারুক মেম্বার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হেলাল, মো. ইব্রাহিম, এলাহাবাদ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জুয়েলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর ঢাকার গুলশানের বাসভবনে বিএনপির একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম সরকার ও এলাহাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন ভূইয়াকে লাঞ্ছিত ও মারধর করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
তাদের দাবি, দলের সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতিতে এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে তারা ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, মো. নজরুল ইসলাম সরকার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তারা তাকে দলের দুর্দিনের একজন কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিকে, একই ঘটনায় কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। ৪ অক্টোবর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল হাশেম স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়। নোটিশে নজরুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও মারধরের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ব্যারিস্টার রিজভিউল আহসান মুন্সীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

































