শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

এখন আমরাই বড় মাফিয়া: এনসিপি নেতা জুবাইরুলের বিতর্কিত ঘোষণা

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০২৫, ১:০১ এএম
এখন আমরাই বড় মাফিয়া: এনসিপি নেতা জুবাইরুলের বিতর্কিত ঘোষণা
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

এনসিপি নেতা জুবাইরুল আলম মানিক এর বিতর্কিত বক্তব্যে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে, ‘শেখ হাসিনার মতো মাফিয়াকে বিতাড়িত করেছি, এখন আমরাই বড় মাফিয়া।’ এ ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচারকে লঙ্ঘন করেছে বলেই মত বিশ্লেষকদের। সোমবার চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার এক ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এই উসকানিমূলক বক্তব্য দেন।

জুবাইরুল আলম মানিক বলেন, ‘দেশে যারা নতুন করে মাফিয়া হয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন, তাঁদের এখনই সতর্ক হওয়া উচিত। কেউ যদি আমাদের ভোট কেড়ে নিতে চায়, তবে আমরা আবু সাঈদ মুগ্ধ ও ওয়াসিম আকরামের মতো শহীদ হয়ে প্রতিরোধ করব।’
এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন রাজনৈতিক নেতার মুখে প্রকাশ্য ‘মাফিয়া’ স্বীকৃতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত মো. জাবেদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা শাহেদুল আলম শাহেদ, এনসিপি নেতা দেলোয়ার হোসেনসহ আনোয়ারা ও কর্ণফুলীর নেতাকর্মীরা।
আহতদের সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি জুবাইরুল এনসিপির ভবিষ্যৎ আন্দোলন নিয়েও আলোচনা করেন। তবে তাঁর বক্তব্যে ব্যবহার হওয়া আক্রমণাত্মক ভাষা এবং “মাফিয়া” স্বীকৃতি আগামী দিনে এনসিপির ভাবমূর্তিকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

একজন রাজনৈতিক নেতা যদি নিজেকে “বড় মাফিয়া” বলে পরিচয় দেন, তা গণতন্ত্রের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ। জুবাইরুল আলম মানিকের এই বক্তব্য শুধু দলের জন্য নয়, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকেও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। এমন বক্তব্য গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, রাজনৈতিক শালীনতা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তাঁর এই উসকানিমূলক ঘোষণা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টিতে আনা উচিত বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জুবাইরুল আলম মানিক তার বক্তব্য শুধু অসাংবিধানিক নয়, এটি দেশের রাজনীতিকে সহিংস ও অগণতান্ত্রিক পথে ঠেলে দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতার মুখে প্রকাশ্যে ‘মাফিয়া’ পরিচয় দেওয়া ভয়াবহ উদাহরণ সৃষ্টি করে। এতে জনগণের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়াতে পারে এবং বিরোধী মতাবলম্বীদের প্রতি সহিংসতা উসকে দিতে পারে। রাজনীতিতে শক্তি ও সাহস দেখানোর জন্য নয়, বরং জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের জন্য ভাষা ও বক্তব্য হওয়া উচিত। এই সব বক্তব্যে দলের ভাবমূর্তিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনা থাকে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

লিভার জটিলতায় মৃত্যু

অবশেষে মারা গেলেন বিতর্কিত কনটেন্ট নির্মাতা ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ২:১৬ এএম
অবশেষে মারা গেলেন বিতর্কিত কনটেন্ট নির্মাতা ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার

লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় মারা গেছেন কনটেন্ট নির্মাতা ও অভিনেত্রী Karina Kaiser। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়ার পর শুক্রবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় Kaiser Hamid।

শুক্রবার গণমাধ্যমকে কায়সার হামিদ বলেন, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ কারিনার রক্তচাপ অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা কায়সার। পরে তার শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস ‘এ’ ও ‘ই’-জনিত জটিলতায় তার লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকরা প্রথমে তার ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু করেন। পাশাপাশি লিভার প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতিও চলছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ বিভিন্ন কনটেন্টের মাধ্যমে পরিচিতি পান কারিনা কায়সার। পরে নাটক ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অভিনয় এবং চিত্রনাট্য লেখার কাজেও যুক্ত হন তিনি। তার অভিনীত ও আলোচিত কাজের মধ্যে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’ উল্লেখযোগ্য।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিতর্ক নিয়েও আলোচনায় ছিলেন এই কনটেন্ট নির্মাতা। তার মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, সহকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করছেন। একই সঙ্গে কিছু বিতর্কিত প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে, যা নিয়ে অনলাইনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জুমার আগেই মৃত্যু

মাঠে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল নাগরিক পার্টির নেতার, ফেসবুকে আলহামদুলিল্লাহ’র জোয়ার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১১:৪৩ পিএম
মাঠে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল নাগরিক পার্টির নেতার, ফেসবুকে আলহামদুলিল্লাহ’র জোয়ার

মাঠে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল নাগরিক পার্টির নেতার, ফেসবুকে আলহামদুলিল্লাহ’র জোয়ার

জুমার আগেই মৃত্যু

জামালপুরের মাদারগঞ্জে মাঠে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মজনু মিয়া (২২) নামে জাতীয় নাগরিক পার্টির এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে উপজেলার জোড়খালী ইউনিয়নের কামারপাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত মজনু মিয়া স্থানীয় বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সক্রিয় সদস্য ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মাদারগঞ্জ থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের জমিতে ধান কাটতে যান মজনু মিয়া। দুপুরের দিকে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

নিহতের বাবা বাচ্চু মিয়া বলেন, ছেলে সকালে ধান কাটতে গিয়েছিল। ঝড়-বৃষ্টি শুরু হওয়ার সময় তিনি জুমার নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে ছিলেন। নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে ছেলের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।

এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব লুৎফর রহমান বলেন, মজনু মিয়া অত্যন্ত বিনয়ী ও সম্ভাবনাময় একজন তরুণ ছিলেন। সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিতেন। তার অকাল মৃত্যু দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া ফেলেছে।

মাদারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্নেহাশীষ রায় জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অপর দিকে তার মৃত্যুর খবর শুনে ফেসবুক জুড়ে আলহামদুলিল্লাহ জোয়ারে সয়লাব হয়ে উঠেছে। অনেকে কমেন্টস সেকশনে লেখছে বহুদিন পর তারা একটি তাজা খবর পেয়েছেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জোট নেতাদের ফুলেল শুভেচ্ছা

পঞ্চগড়ে সংবর্ধনায় সিক্ত এমপি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান

সামসউদ্দীন চৌধুরী কালাম, পঞ্চগড় থেকে : প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:০১ পিএম
পঞ্চগড়ে সংবর্ধনায় সিক্ত এমপি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান

১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার কেন্দ্রীয় সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় নিজ জেলা পঞ্চগড়ে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে পঞ্চগড় জেলা শহরের বকুলতলাস্থ জাগপা মাঠে জেলা জাগপার আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জাগপা, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, খেলাফত মজলিসসহ জোটের বিভিন্ন শরিক দলের নেতারা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

জেলা জাগপার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আনছার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাগপার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন।

জেলা জাগপার সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন পাটোয়ারী ও সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মীর মোর্শেদ তুহিন, এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক শিশির আহমেদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি, জেলা জাগপার সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আলম বিপ্লব, সহ-সভাপতি শামসুজ্জামান নয়ন মাস্টারসহ বিভিন্ন উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তারা ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়ে তার রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক ভূমিকার প্রশংসা করেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান পঞ্চগড় প্রেসক্লাব পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×