দুই যুগেও উচ্ছেদ নয়, গোমতী এখন দুর্গন্ধযুক্ত ‘মরা নদী’!

DCIM101MEDIADJI_0256.JPG
দুই যুগেও উচ্ছেদ নয়, গোমতী এখন দুর্গন্ধযুক্ত ‘মরা নদী’! দখল-দূষণে মৃত্যুপ্রায় কুমিল্লার গর্বিত গোমতী, ৭৭২ দখলদার চিহ্নিত, নেই কার্যকর পদক্ষেপ
দখল আর দূষণে মৃত্যুপ্রায় কুমিল্লার এক সময়ের গর্ব গোমতী নদী এখন মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। শহরের বুক চিরে প্রবাহিত এই নদী আজ ‘মরা নদী’ নামে পরিচিত। দুই পাড় দখল করে গড়ে উঠেছে শত শত অবৈধ স্থাপনা। দুর্গন্ধ, পচা পানি, মরা প্রাণী আর আবর্জনায় পূর্ণ এই নদী এখন স্থানীয়দের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছে। অথচ ২০০৩ সালে শুরু হওয়া উচ্ছেদ পরিকল্পনা দুই যুগ পেরিয়ে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীর পানি পচে গিয়ে কালো ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে পড়েছে। দুই পাড়ের বাসিন্দারা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। নদীতে ভেসে বেড়াচ্ছে মরা গরু, ছাগল, প্লাস্টিক ও মাদকের বোতল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদী এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ষাটের দশকে শহর রক্ষায় গোমতী নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি অংশ বিচ্ছিন্ন করা হয়, যা বর্তমানে ‘পুরাতন গোমতী’ বা ‘মরা নদী’ নামে পরিচিত। এই নদীর দুই পাড়ে গড়ে উঠেছে ঘনবসতি ও অবৈধ দোকানপাট। কচুরিপানা, আবর্জনা আর দখলের ফলে নদীটি খালে পরিণত হয়েছে।
থানা রোড, চাঁনপুর, গাংচরসহ বিভিন্ন এলাকায় কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনায় নদীর অস্তিত্বই বিলীন হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও মাছ চাষের জন্য জোর করে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হলেও তা সাময়িক।
নদীপাড়ের বাসিন্দা জালাল সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকারি নদীতে মরা গরু, কুকুর আর আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। গন্ধে টেকা যায় না। অথচ কেউ কিছু বলছে না।”
পাউবো কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান জানান, “৭৭২ জন অবৈধ দখলদারের তালিকা করা হয়েছে। তবে লোকবল সংকটে অভিযান চালানো যাচ্ছে না। প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে শিগগিরই উচ্ছেদ শুরু হবে।”
আদর্শ সদর উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০০৩ সাল থেকে একাধিকবার উচ্ছেদ নোটিশ দেয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। ২০১৬ সালে গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটিও বাস্তব কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়। স্থানীয়দের মতে, বর্তমানে দখলদারের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
চাঁনপুর এলাকার এক ষাটোর্ধ্ব বাসিন্দা বলেন, “সরকার যদি পুনর্বাসন করে উচ্ছেদ করে, তাহলে আমরা আপত্তি করবো না। কিন্তু হুট করে উচ্ছেদ করলে পরিবার নিয়ে কোথায় যাবো?”
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুমিল্লা শাখার সভাপতি ডা. মো. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “গোমতী নদীকে ঢাকার হাতিরঝিলের আদলে গড়ে তুললে এটি কুমিল্লার অন্যতম দর্শনীয় স্থান হতে পারে।”
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন জানান, “২০২১ সালে একনেক সভায় গোমতী উন্নয়ন প্রকল্পে দেড় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু দখলদার উচ্ছেদ না হওয়ায় প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে। কাজ চলমান রয়েছে।”
দখল-দূষণে মৃত্যুপ্রায় কুমিল্লার গোমতী নদী আজ কাঁদছে। দুই যুগ ধরে চলা ‘উচ্ছেদ পরিকল্পনা’ যেন ক্ষমতার দড়ি টানাটানির খেলায় বন্দি। গোমতী বাঁচাতে হলে এখনই চাই সাহসী ও কঠোর পদক্ষেপ।
ফুটপাত-নালা উদ্ধার নির্দেশ
নালা দখল করে দোকান নির্মাণ, ক্ষোভ ঝাড়লেন সিডিএ চেয়ারম্যান

ফুটপাত ও পানি নিষ্কাশনের নালা দখল করে অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মাণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। সোমবার সকালে অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
চেয়ারম্যানের কঠোর বার্তা
সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, সড়কের দুই পাশে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ফুটপাত দখল করে রেখেছে। কোথাও কোথাও নালার মুখ ময়লা-আবর্জনা ও স্থাপনা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ায় বৃষ্টির পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। ফলে সড়কে পানি জমে দ্রুত রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে।
তিনি বলেন, “অপকর্ম করবে কিছু মানুষ, আর দায় নিতে হবে সিডিএকে—এটা হতে পারে না। রাস্তার পানি যে পথে নালায় যাওয়ার কথা, সেই পথই অনেক জায়গায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।”
বেলায়েত হোসেন জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইতোমধ্যে ফুটপাতের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নালা উন্মুক্তকরণ এবং পানি চলাচল স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দোকানের সামনে রাখা অবৈধ ভ্যানগাড়ি সরিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।
তিনি বলেন, “আমাদের প্রকৌশলীরা যেভাবে রাস্তা ও নালার নকশা তৈরি করেছেন, সেগুলো ঠিকভাবে রক্ষা না করলে পানি জমবেই। পরে সেই দায় এসে পড়ে সিডিএর ওপর। বাস্তবে আমরা নিজেরাই অনেক সময় সমস্যার জন্ম দিচ্ছি।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দোকানের সামনে ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন ও বর্জ্য ফেলা যাবে না। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদেরই নিতে হবে।
পরিদর্শনকালে তিনি সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল ও সচিব মাহবুবউল করিমকে নালার ওপর অবৈধভাবে নির্মিত ঢালাই অপসারণ, দখলমুক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন স্ল্যাব স্থাপনের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও ময়লা ফেলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে জরিমানাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
৩৫ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে আগুন
চট্টগ্রাম বন্দরের আরটিজি ক্রেনে আগুন, পুড়ল কন্টেইনারের পণ্য; ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শুরু

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) এলাকায় একটি রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) আরটিজি ক্রেনে আগুন লাগার মতো ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে টার্মিনালের দক্ষিণ অংশে আগুনের সূত্রপাত হলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের কয়েকটি কন্টেইনারে। ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও নৌবাহিনীর যৌথ প্রচেষ্টায় প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- এনসিটির ৪ নম্বর বার্থে আরটিজি ক্রেনের ইঞ্জিনে আগুনের সূত্রপাত
- ৩৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে বন্দর ফায়ার সার্ভিস
- পাশের একাধিক কন্টেইনার ক্ষতিগ্রস্ত
- চীন থেকে আসা ফ্রিজভর্তি একটি কন্টেইনারের পণ্য পুড়ে গেছে
- বিকেল সোয়া ৪টা থেকে পুনরায় শুরু হয় পণ্য ওঠানামা
বন্দর সূত্রে জানা যায়, সোমবার এনসিটির দক্ষিণ অংশের ৪ নম্বর বার্থে কন্টেইনার স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত ১৪ নম্বর রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি (আরটিজি) ক্রেনের ইঞ্জিনে হঠাৎ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের তাপ পাশের কয়েকটি কন্টেইনারেও ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনের খবর পেয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুরু করে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফায়ার ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দেয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন জানান, অগ্নিকাণ্ডের পর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। নিরাপত্তার স্বার্থে আগুন লাগা ৩ নম্বর ইয়ার্ডের একটি অংশ ঘিরে রাখা হলেও বিকেল সোয়া ৪টা থেকে সংশ্লিষ্ট জেটিতে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা পুনরায় শুরু হয়।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কন্টেইনারগুলোর মধ্যে বিশ্বের অন্যতম শিপিং কোম্পানি এমএসসির (মেডিটেরানিয়ান শিপিং কোম্পানি) একটি ৪০ ফুট দীর্ঘ আমদানিকৃত কন্টেইনার রয়েছে। কন্টেইনারটিতে চীন থেকে আনা শার্প ব্র্যান্ডের ফ্রিজ সংরক্ষিত ছিল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কন্টেইনারটি ২০২৫ সালের ২৬ এপ্রিল দেশে এলেও দীর্ঘদিন ডেলিভারি না নেওয়ায় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সেটিকে নিলামের তালিকাভুক্ত করেছিল। নিলামে বিক্রির আগেই অগ্নিকাণ্ডে কন্টেইনারের অধিকাংশ পণ্য পুড়ে গেছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শী কর্মকর্তা জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণের পর কন্টেইনার খুলে দেখা যায় ভেতরের প্রায় সব ফ্রিজই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় কনটেইনার টার্মিনাল হিসেবে পরিচিত নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ। এখানে একসঙ্গে পাঁচটি জাহাজ ভেড়ানো যায় এবং বন্দরের মোট কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্রায় অর্ধেক এই টার্মিনালের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ২০০৭ সালে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ টার্মিনালে পরবর্তীতে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও ১৪টি কি-গ্যান্ট্রি ক্রেন সংযোজন করা হয়।
আওয়ামীলীগের ভয়ে নিরাপত্তা জোরদার
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রুখতে, ছয় জেলায় সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

আগামী ২৩ জুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সম্ভাব্য নাশকতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন এর মতো গুরুত্বপূর্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও চট্টগ্রাম—এই ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন করা হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল বা সমাবেশের আড়ালে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা বা নাশকতার চেষ্টা হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সুরক্ষিত রাখতে সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আরও জানান, জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের জেলাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার থাকবে।
তিনি বলেন, সোমবারের মধ্যেই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা হতে পারে। আদেশ জারির পরপরই নির্ধারিত জেলাগুলোতে সেনা মোতায়েন কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানিয়েছে, রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সেজন্য গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।





















