মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

এনজিও ঋণের চাপে আত্মহত্যা: রাজশাহীতে একই পরিবারের চারজনের হৃদয়বিদারক মৃত্যু

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫, ৩:১৬ পিএম
এনজিও ঋণের চাপে আত্মহত্যা: রাজশাহীতে একই পরিবারের চারজনের হৃদয়বিদারক মৃত্যু

মিনারুল ইসলাম তার স্ত্রী মনিরা বেগম (৩২), ছেলে মাহিন (১৩) এবং কন্যা মিথিলা (১.৫) হত্যা করে আত্মহত্যা করেছেন। ছবি : সংগৃহিত।

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • এনজিও ঋণের চাপে আত্মহত্যা- মিনারুল ইসলাম ও তার পরিবার ঋণের চাপের কারণে জীবন শেষ করার পথ বেছে নিলেন; বাকি গ্রামের মানুষ শোকস্তব্ধ রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের বামুনশিকড় গ্রামে এনজিও ঋণের চাপে আত্মহত্যা করেছেন মিনারুল ইসলাম তার স্ত্রী মনিরা বেগম (৩২), ছেলে মাহিন (১৩) এবং কন্যা মিথিলা (১.৫)।
  • ধারনা করা হচ্ছে এ আত্মহত্যা হতাশা থেকে করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
  • মৃতদের পাশে পাওয়া চিরকুটে এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

এনজিও ঋণের চাপে আত্মহত্যা- মিনারুল ইসলাম ও তার পরিবার ঋণের চাপের কারণে জীবন শেষ করার পথ বেছে নিলেন; বাকি গ্রামের মানুষ শোকস্তব্ধ

রাজশাহীর পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের বামুনশিকড় গ্রামে এনজিও ঋণের চাপে আত্মহত্যা করেছেন মিনারুল ইসলাম তার স্ত্রী মনিরা বেগম (৩২), ছেলে মাহিন (১৩) এবং কন্যা মিথিলা (১.৫)।  ধারনা করা হচ্ছে এ আত্মহত্যা হতাশা থেকে করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মৃতদের পাশে পাওয়া চিরকুটে এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

এনজিও ঋণের চাপ আত্মহত্যা
মিনারুল ইসলাম তার স্ত্রী মনিরা বেগম (৩২), ছেলে মাহিন (১৩) এবং কন্যা মিথিলা (১.৫) হত্যা করে আত্মহত্যা করেছেন। ছবি : সংগৃহিত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৪ আগস্ট বিকেলে দুটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কর্মকর্তা মিনারুলকে ঋণ পরিশোধের জন্য চাপ দেন এবং আলটিমেটাম দেন। ১৫ আগস্ট সকালে মিনারুলের ঘর থেকে চারজনের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমরা মরে গেলাম, ঋণের দায়ে আর খাবারের অভাবে।’

মৃত্যুর আগের দিন মিনারুল দিনভর টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেছেন। স্থানীয়রা জানায়, তিনি স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বসে নিজের বাবাকে ফোন করে বলেছিলেন, ‘আমার জন্য আপনাকে আর ছোট হতে হবে না, মানুষের কাছে খারাপ হতে হবে না। আমি খুব ধারদেনার মধ্যে আছি, আমাকে মাফ করে দিয়েন।’

পুলিশ জানিয়েছে, মিনারুল প্রায় এক বছর আগে টিএমএসএস থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধের পর অবশিষ্ট ছিল মাত্র ২,২৫০ টাকা। ধারণা করা হচ্ছে, অন্য এনজিও এবং স্থানীয় ঋণও তাকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, গ্রামে বিভিন্ন এনজিও ঋণ দেয়ার পাশাপাশি চাপ প্রয়োগ করে ঋণগ্রহীতাদের। কেউ একটি এনজিও থেকে ঋণ শোধ করতে গিয়ে অন্য এনজিও থেকে ঋণ নেন, যার ফলে ঋণের চক্র চলতে থাকে এবং হতাশা বৃদ্ধি পায়।

মোছা রোজিনা বেগম নামের স্থানীয় এক নারী বলেন, ‘মাসে ১৫ হাজার টাকার আয় থাকা ব্যক্তি যদি ১০ হাজার টাকা কিস্তি দেয়, তাহলে সংসার কীভাবে চলবে? অনেকেই সহজেই ঋণ পেয়ে নেশা বা জুয়ার মধ্যে টাকা শেষ করে দেয়, পরে ঋণের চাপ বৃদ্ধি পায়।’

পারিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ আলী মোর্শেদ জানান, মিনারুলের ছোট মেয়ের অসুস্থতার কারণে পরিবার আবার ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। তিনি আরও জানান, এলাকার মাদক ও জুয়া বিস্তারও বিষয়টিকে জটিল করে তুলেছে।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারদেনার চাপের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

এনজিও ঋণের চাপে আত্মহত্যা- এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করছে, ঋণগ্রস্তদের ওপর অতিরিক্ত চাপ ও সমর্থনের অভাব কতটা বিপজ্জনক হতে পারে।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

প্রেমঘটিত টানাপোড়েনে মর্মান্তিক মৃত্যু

দেবীদ্বারে প্রবাসী ভাইয়ের ফোন, ঘরে মিলল কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
দেবীদ্বারে প্রবাসী ভাইয়ের ফোন, ঘরে মিলল কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ

কুমিল্লার দেবীদ্বারে প্রবাসী ছোট ভাইয়ের ফোন পেয়ে বাসায় ফিরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় আফরিন আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছেন তার মা। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে দেবীদ্বার সদর এলাকার মোল্লাবাড়ী মসজিদ সংলগ্ন ‘খান মঞ্জিল’-এর চতুর্থ তলায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আফরিন আক্তার দেবীদ্বার পৌর এলাকার বিনাইপাড় গ্রামের মৃত আব্দুল আউয়ালের মেয়ে। সে পারুয়ারা আব্দুল মতিন খসরু কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগে আফরিনের বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তার মা তাকে নিয়ে দেবীদ্বার সদরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। গত দুই বছর ধরে তারা ‘খান মঞ্জিল’-এর ওই বাসায় থাকছিলেন।

পরিবারের দাবি, প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর সদস্য জামসেদ মিয়ার ছেলে ও পেশায় ক্যামেরাম্যান সাখাওয়াত হোসেন সানি (২৬)-এর সঙ্গে আফরিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি আফরিনের মা ও তার প্রবাসী দুই ভাই।

সানি প্রায় ছয় মাস ধরে তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে রোববার বাড়ির মালিক শাহ আলম খান ও তার ভাইয়ের উপস্থিতিতে সানিকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে রাগ করে মেয়েকে বাসায় একা রেখে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান।
মরিয়ম বেগম
নিহত আফরিনের মা

মরিয়ম বেগমের ভাষ্য, সোমবার দুপুরে সৌদি প্রবাসী ছোট ছেলে আজাদ ফোন করে তাকে দ্রুত বাসায় ফিরতে বলেন। আজাদ জানান, সানি তাকে মেসেজ করে জানিয়েছেন যে তিনি আফরিনকে বিয়ে করবেন না এবং আফরিন আত্মহত্যা করতে পারেন।

পরে বাসায় ফিরে দরজা বন্ধ দেখতে পান মরিয়ম বেগম। স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি। এ ঘটনায় সানিকে দায়ী করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন নিহতের মা।

বাড়ির মালিক শাহ আলম খান বলেন, ছেলে-মেয়ে উভয়ের সম্মতি থাকায় সোমবার দুই পরিবারের অভিভাবকদের নিয়ে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা বৈঠকে বসার কথা ছিল।

পুলিশের বক্তব্য

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে প্রেমঘটিত টানাপোড়েন ও পারিবারিক মনোমালিন্যের বিষয়টি সামনে রেখে ঘটনাটি তদন্ত করছে।

জামিনে মুক্তদের বরণে প্রস্তুতি

ফুলের মালা হাতে কারাফটকে ‘শোডাউন’, আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩১ এএম
ফুলের মালা হাতে কারাফটকে ‘শোডাউন’, আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক

নোয়াখালী জেলা কারাগারের সামনে ফুলের মালা নিয়ে ‘শোডাউন’ করার অভিযোগে আওয়ামী লীগের চার নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে সদর উপজেলার জেলা কারাগারের ফটক থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক ব্যাগ ফুলের মালা উদ্ধার করা হয়।

আটকরা হলেন—সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম এওজবালিয়া গ্রামের ছেরাজল হক চৌধুরী (৬৩), মেহেদী হাসান হৃদয় (২০), মো. ফারুক হোসেন (১৮) ও মো. নাজিম (১৮)। পুলিশের দাবি, আটক চারজনই আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ জুন জুমার নামাজের পর নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধের হাট বাজারে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের উদ্যোগে প্রায় তিন হাজার নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। ওই কর্মসূচির পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

রোববার তাদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে মুক্তি পেলে খবর পেয়ে একদল নেতাকর্মী ফুলের মালা নিয়ে কারাগারের সামনে জড়ো হন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক চারজন মুক্তিপ্রাপ্তদের আত্মীয় নন এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ছবি তুলে শোডাউন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

পুলিশের চোখে ফুলের মালা, উদ্দেশ্য ‘শোডাউন’

স্বজনেরা ফুলের মালা নিয়ে আসতেই পারেন। কিন্তু আটক ব্যক্তিরা এক ব্যাগ ফুলের মালা নিয়ে এসেছিলেন এবং তারা জামিনে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজন নন। বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ছবি তুলে শোডাউন করতে চেয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
মো. নজরুল ইসলাম
ওসি- সুধারাম থানা

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

বিশেষ বক্তব্য:
কারামুক্ত ব্যক্তিকে স্বজনদের ফুল দিয়ে বরণ করা স্বাভাবিক হলেও, দলীয় পরিচয়ে একাধিক ব্যক্তির সংগঠিতভাবে কারাফটকে অবস্থান ও শোডাউনের প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগ নতুন করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে আটক ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এ অভিযোগের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কুমিল্লা ওয়াসা বোর্ডের নয়া চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৭ এএম
কুমিল্লা ওয়াসা বোর্ডের নয়া চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ

সরকার কুমিল্লা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে আশিকুর রহমান মাহমুদকে নিয়োগ দিয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পানি সরবরাহ-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা: আকতারুন নেছা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, “পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) আইন, ২০২৬”-এর ধারা ৭(১) অনুযায়ী তিন বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সরকারি আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আশিকুর রহমান মাহমুদ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার মুন্সেফ বাড়ির বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম হাজী আব্দুর রহিম মাহমুদ এবং মায়ের নাম জাহানারা মাহমুদ। নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ২১টি দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে আশিকুর রহমান মাহমুদ কুমিল্লা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কুমিল্লার বিশিষ্ট সমাজসেবক, ধর্ম মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের মামাতো ভাই এবং মুরাদনগর উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আতিকুল্লাহ প্রিয়া।

এক অভিনন্দন বার্তায় সৈয়দ আতিকুল্লাহ প্রিয়া বলেন, “আশিকুর রহমান মাহমুদের মতো একজন দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তিত্ব কুমিল্লা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। তাঁর এই নেতৃত্বের মাধ্যমে কুমিল্লার সুপেয় পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবনীয় উন্নয়ন সাধিত হবে এবং নাগরিক সেবা পৌঁছাবে জনগণের দোড়গোড়ায়। আমি তাঁর জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করছি

×
CLOSE X
ENG