নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে জুলাই সন্ত্রাস আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপ

নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে জুলাই সন্ত্রাস আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপ
নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে জুলাই সন্ত্রাস আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব হিসেবে অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিনিধি দলে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই আখতারকে ঘিরে বিতর্ক চলছিল। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত একটার দিকে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৮ নম্বর টার্মিনালে এই ঘটনা ঘটে।

অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির মহাসচিবসহ প্রতিনিধি দল নিউইয়র্কে পৌঁছাবে খবর ছড়িয়ে পড়তেই দুপুর থেকে বিমানবন্দরে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকরা। বিএনপি আনন্দ সমাবেশ করে স্বাগত জানায়, আর আওয়ামী লীগ একই স্থানে পাল্টা বিক্ষোভে নামে। দুই পক্ষের স্লোগান, ব্যানার আর ফেস্টুনে টার্মিনাল এলাকায় টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়।
প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীরা বের হওয়ার সময় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিকেল পৌনে চারটার দিকে আখতার হোসেন ও ডা. তাসনিম জারা গাড়ির দিকে এগোতেই আওয়ামী লীগ কর্মীরা তাদের লক্ষ্য করে গালাগাল শুরু করে। এক পর্যায়ে আখতারকে টার্গেট করে কয়েক দফা ডিম নিক্ষেপ করা হয়।
ঘটনার পর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের এক ফেসবুক পোস্টে আখতার হোসেনের ওপর হামলার নিন্দা জানান। তিনি লিখেছেন, স্বৈরাচারের সন্তানরা যে ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে তার জবাব জনগণই দেবে।
নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে জুলাই সন্ত্রাস আখতার হোসেনকে ডিম নিক্ষেপের এই ঘটনা প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনীতির সংঘাত কতটা চরম আকার ধারণ করেছে তারই প্রতিচ্ছবি।
রিমান্ড শেষে ফের কারাগারে
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে শিবির নেতা দাউদকান্দির জিসান মিয়া

দাউদকান্দির এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে দুই দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কুমিল্লার আদালতে হাজির করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আদালতে হাজির করার পর বিচারক তাকে পুনরায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক তৈয়র উদ্দিন আহমেদ এ আদেশ দেন। এর আগে গত রোববার একই আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জিসান মিয়ার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী জিসান মিয়াকে দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ আরো তথ্য
- ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি জিসান মিয়া প্রধান।
- জিসান ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি ছাত্রশিবিরের কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি।
- আদালত সাত দিনের আবেদনের বিপরীতে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
- রিমান্ড শেষে তাকে পুনরায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
- মামলায় জিসানসহ মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
- ঘটনা প্রকাশের পর সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জিসান মিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের পরিবর্তে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই দিন বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
জিসান মিয়ার পক্ষে আইনজীবী মনির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তা এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শামসুল আলম শাহ তাকে আদালতে হাজির করেন। আদালত তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সবকিছু স্বাভাবিক থাকায় তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
দাউদকান্দির এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালত তাকে পুনরায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, এদিন ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে কিংবা আসামিপক্ষ থেকে নতুন কোনো আবেদন করা হয়নি। তবে গত রোববার আসামিপক্ষের করা জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছিলেন।
মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলা ডিবি পুলিশের ওসি শামসুল আলম শাহ বলেন, আদালতের দেওয়া সময় অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় জিসান কী ধরনের তথ্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।
এর আগে গত ১৬ জুন একই আদালতের বিচারক জিসান মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি চার দিন ধরে পুলিশি পাহারায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাকে সুস্থ ঘোষণা করলে ১৬ জুন দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জিসান মিয়া প্রধান ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সংগঠনটির কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে মামলার ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার এক বিধবা নারী জিসান মিয়া প্রধানকে প্রধান আসামি করে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিসানসহ মোট চারজনকে আসামি করা হয়েছে। অপর তিন আসামিও ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ওই নারীর সঙ্গে জিসান মিয়ার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস ও প্রলোভন দেখিয়ে জিসান একাধিকবার ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এর ফলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানার পর জিসান মিয়া ওই নারীকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দেন। একপর্যায়ে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে তার ভ্রূণ নষ্ট করা হয়। পরে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান মিয়া বিষয়টি এড়িয়ে যেতে শুরু করেন এবং একসময় আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে শুরু থেকেই জিসান মিয়ার পরিবার দাবি করে আসছিল, তিনি অপহরণের শিকার হয়েছেন। এ বিষয়ে তার স্বজনরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। পরিবারের দাবি ছিল, জিসান নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে।
অন্যদিকে পুলিশ বলছে, তদন্তে অপহরণের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। বরং বিয়ের চাপ এড়ানোর উদ্দেশ্যে জিসান নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন বলে তাদের কাছে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জুন রাতে জিসান নিখোঁজ হয়েছেন দাবি করে তার চাচাতো ভাই রাসেল আহম্মেদ দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডির পর জেলা পুলিশের একাধিক টিম তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই বিধবা নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এরপর ভ্রূণ নষ্ট করার বিষয়ে চাপ প্রয়োগ করা হয় বলে তদন্তে উঠে আসে।
পুলিশের ভাষ্যমতে, পরবর্তীতে ওই নারী বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান ১২ জুন বিয়ের আশ্বাস দেন। কিন্তু বিয়ের নির্ধারিত সময়ের আগের রাতেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান। এতে ঘটনাটি ভিন্ন মোড় নেয় এবং তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
পরে পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে ১২ জুন রাতে কুমিল্লার লাকসাম এলাকা থেকে জিসানকে উদ্ধার করে। একই রাতে ভুক্তভোগী নারী ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে মামলা দায়ের করলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ, সাক্ষ্য-প্রমাণ, ডিজিটাল তথ্য এবং জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্যাংকিং সেবা পৌঁছাবে আরও কাছে
জুড়ীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল সিটি ব্যাংকের নতুন শাখা

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো সিটি ব্যাংকের নতুন শাখা। উপজেলার শিশু পার্ক সংলগ্ন শরিফ কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় স্থাপিত এ শাখার কার্যক্রম সোমবার (২২ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিরা নতুন শাখার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীদের আধুনিক ব্যাংকিং সেবা আরও সহজলভ্য হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিটি ব্যাংকের সিলেট বিভাগীয় প্রধান শাহ হাসান, সিলেট আম্বরখানা শাখার ম্যানেজার সারোয়ার আহমেদ ফেরদৌস, মৌলভীবাজার শাখার ম্যানেজার মামুন রহমান, কুলাউড়া শাখার ম্যানেজার মামুন আলী এবং বড়লেখা শাখার ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জুড়ী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি জুড়ী উপজেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ও হাকালুকি নিউজের সম্পাদক এম এম সামছুল ইসলাম, জুড়ী কামিনীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়িক কল্যাণ সমিতির সভাপতি নূরুল আম্বিয়া এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিশনের জুড়ী উপজেলা সদস্য কাজী আমজাদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত ও উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সিটি ব্যাংক জুড়ী শাখার ম্যানেজার শুভ্র দাস শুভ। তিনি বলেন, গ্রাহকদের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে জুড়ী শাখা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবে।
নবীনগরে ব্যবসায়ী কামাল ভেন্ডারের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ব্যবসায়ী মো. কামাল ভেন্ডারের গ্রেপ্তার এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় নবীনগর পৌর এলাকার আলিয়াবাদে গ্রেপ্তারকৃত কামাল ভেন্ডারের নিজ বাড়িতে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সাংবাদিক সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ গভীর রাতে কামাল ভেন্ডারকে তার বাসা থেকে নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাকে একটি মিথ্যা ও গায়েবি মামলায় জড়ানো হয়েছে।
তারা বলেন, কামাল ভেন্ডার দীর্ঘদিন ধরে নবীনগর বাজারে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন এবং তিনি একজন নিরপরাধ ও সম্মানিত ব্যবসায়ী।
পরিবারের সদস্যরা তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং নিঃশর্ত মুক্তি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
একই সঙ্গে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে কামাল ভেন্ডারের মুক্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সাংবাদিক সম্মেলনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, নবীনগর বাজারের বহু ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




















