

ছাত্রলীগ সভাপতি রাফি গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় কুমিল্লা রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিনহাদুল হাসান রাফিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (১ আগস্ট) সকালে ফেনীর মহিপাল থেকে গ্রেফতার করে কুমিল্লা ডিবি পুলিশ। বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
কুমিল্লা ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ রাফির গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাফি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ কুমিল্লায় হঠাৎ সরকারবিরোধী মিছিল ও নাশকতা চালিয়ে ভারতের কলকাতায় পালিয়ে যান। সেখান থেকে গোপনে ফের কুমিল্লায় ফিরে এলে গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারিতে পড়ে যান তিনি।

নাশকতার কথিত অভিযোগে কুমিল্লা ডিবি পুলিশের অভিযানে তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও রাফি মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতা তৈরির জন্য বারবার মিছিল ও উত্তেজনাকর কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের চারটি মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টরা প্রতিক্রিয়ায় জানান, মিথ্যা অপবাদে ছাত্রলীগের একজন নির্বাচিত সভাপতি রাফিকে গ্রেফতার করে পুলিশ অবৈধ সরকারকে খুশি করতে চাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশে প্রতিদিন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হাজারো নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সচেতন মহল এই গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
ছাত্রলীগ সভাপতি রাফি গ্রেফতার প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।