শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

৪৫ হাজার টাকার চাকরি, ৫৯ কোটির সাম্রাজ্য—পাসপোর্ট কর্মকর্তার সম্পদে চাঞ্চল্য!

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৫ পিএম
৪৫ হাজার টাকার চাকরি, ৫৯ কোটির সাম্রাজ্য—পাসপোর্ট কর্মকর্তার সম্পদে চাঞ্চল্য!

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • গুলশান-ধানমন্ডি থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত জমি-ফ্ল্যাট, ব্যাংক ও মোবাইল লেনদেনে কোটি টাকার হিসাব মাসিক মাত্র ৪৫ হাজার টাকা বেতন—এমন একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে গড়ে তুললেন ৫৯ কোটির সম্পদের পাহাড়?
  • এই প্রশ্ন ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে মাদারীপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. হেলাল উদ্দিনকে নিয়ে।
  • নবম গ্রেডের এই কর্মকর্তা বেতন ও ভাতা মিলিয়ে মাসে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা পান।

গুলশান-ধানমন্ডি থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত জমি-ফ্ল্যাট, ব্যাংক ও মোবাইল লেনদেনে কোটি টাকার হিসাব

মাসিক মাত্র ৪৫ হাজার টাকা বেতন—এমন একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে গড়ে তুললেন ৫৯ কোটির সম্পদের পাহাড়? এই প্রশ্ন ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে মাদারীপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. হেলাল উদ্দিনকে নিয়ে।

নবম গ্রেডের এই কর্মকর্তা বেতন ও ভাতা মিলিয়ে মাসে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা পান। যেখানে বর্তমান বাজার ব্যবস্থায় একটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাপনই কঠিন, সেখানে তার নামে-বেনামে গড়ে উঠেছে বিপুল সম্পদ। রাজধানীর গুলশান, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, তেজগাঁও ও কেরানীগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় নিজের, স্ত্রী ও শ্যালকের নামে জমি ও ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে। এসব সম্পদের আনুমানিক বাজারমূল্য অন্তত ৫৯ কোটি টাকা।

জানা গেছে, হেলাল উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ভাষানচরে। স্ত্রী শাহিনা পারভীনও একই এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা রাজধানীর আদাবরের ইবনে সিনা হাউজিং সোসাইটিতে বসবাস করছেন। এছাড়া পৈতৃক সূত্রে তাদের ১০৪ শতাংশ জমি রয়েছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, তার সম্পদের বড় অংশ গড়ে উঠেছে রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত থাকাকালে। দীর্ঘদিন সেখানে দায়িত্ব পালন শেষে গত বছরের ২৮ অক্টোবর তাকে মাদারীপুরে বদলি করা হয়।

সরেজমিন ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, হেলাল উদ্দিন নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মোট ৩৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ জমি কিনেছেন। এর মধ্যে গুলশান, মোহাম্মদপুর ও বাড্ডায় নিজের নামে রয়েছে ১৫ দশমিক ৪২ শতাংশ জমি। ধানমন্ডিতে স্ত্রী শাহিনা পারভীনের নামে রয়েছে ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ জমি। তেজগাঁও ও কেরানীগঞ্জে স্ত্রী ও শ্যালক হাসিবুল ইসলামের সঙ্গে যৌথ নামে রয়েছে ১২ দশমিক ৯৫ শতাংশ জমি।

গুলশানের ভাটারা এলাকায় নিজের নামে কেনা প্রায় ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ জমির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। বাড্ডা ও মোহাম্মদপুরে কেনা জমির মূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা। ধানমন্ডিতে স্ত্রীর নামে থাকা জমির মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা। তেজগাঁওয়ে যৌথ নামে কেনা জমির মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা এবং কেরানীগঞ্জের জমির মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা।

জমির পাশাপাশি ফ্ল্যাট ও ব্যবসায়িক সম্পদও রয়েছে তার। আদাবরের ইবনে সিনা হাউজিং সোসাইটিতে একটি ফ্ল্যাটের মালিক তার পরিবার, যার বর্তমান মূল্য এক কোটির বেশি। এছাড়া আরও একাধিক ফ্ল্যাট ও মার্কেটে দোকান থাকার অভিযোগ রয়েছে।

অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে সাতটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। ইসলামী ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও সিটি ব্যাংকে তার নিজের নামে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। স্ত্রী শাহিনা পারভীনের নামে পূবালী ব্যাংকে দুটি এবং আইডিএলসি ফিন্যান্সে একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। পাশাপাশি নগদ ও বিকাশের ১০টি মোবাইল নম্বরের মাধ্যমেও লেনদেন হয়েছে।

এত বিপুল সম্পদের বিষয়ে জানতে চাইলে হেলাল উদ্দিন সরাসরি কোনো ব্যাখ্যা দেননি। তিনি বলেন, ‘মহাপরিচালকের অনুমতি ছাড়া কথা বলা মানা। ঢাকা শহরে আমার এত টাকা নেই। যা আছে, তার ভ্যাট-ট্যাক্স দেওয়া আছে। এর বাইরে যা বলা হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তার দপ্তর থেকে লিখিত আবেদন করতে বলা হয়। পরবর্তীতে এক লিখিত উত্তরে অভিযোগটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

অধিদপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

দেবীদ্বারে নিজেরা করি ও ভূমিহীন সংগঠনের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
দেবীদ্বারে নিজেরা করি ও ভূমিহীন সংগঠনের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লার দেবীদ্বারে বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন ‘নিজেরা করি সংস্থা’ ও ‘ভূমিহীন সংগঠন’-এর ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ৩ নম্বর রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে সংগঠন দুটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজন করা হয়।

ভূমিহীন আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মো. ফজর আলী মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং ‘নিজেরা করি সংস্থা’র কুমিল্লা জেলা সমন্বয়ক আব্দুল জব্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি পরেশ কর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ‘নিজেরা করি’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সংগঠক খায়রুল ইসলাম, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার এবং সিপিবি কুমিল্লা জেলা কমিটির সদস্য কমরেড আব্দুল ওয়াদুদ।

এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম, কবি হান্নান মুন্সী, রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাছের মেম্বার, ভূমিহীন সংগঠনের আঞ্চলিক সাধারণ সম্পাদক আবু মিয়া এবং ভূমিহীন আঞ্চলিক কমিটির সহ-সভাপতি মনোয়ারা বেগমসহ অনেকে।

আলোচনা সভার আগে রসুলপুর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি। পরে আলোচনা সভা শেষে পরিবেশিত হয় গণসংগীত ও জীবনমুখী একাধিক নাটক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরেশ কর বলেন, প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই ‘নিজেরা করি’ ও ‘ভূমিহীন সংগঠন’ ভূমিহীন ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার আদায়, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে।

দেবীদ্বারে সাপের কামড়ে জেলে নিহত

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ পিএম
দেবীদ্বারে সাপের কামড়ে জেলে নিহত

কুমিল্লার দেবীদ্বারে বিষধর সাপের কামড়ে মোসলেম উদ্দিন খান (৫৮) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত মোসলেম উদ্দিন খান উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের ভৈষেরকুট গ্রামের বাহর খানের বাড়ির মৃত ফজর আলীর ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় খাল-বিলে ভেল জাল দিয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে খালে পাতা ভেল জাল তুলতে যান মোসলেম উদ্দিন। জালে ধরা মাছ হাত দিয়ে সংগ্রহ করার সময় অসাবধানতাবশত একটি বিষধর সাপকে মাছ মনে করে ধরে ফেলেন তিনি। এ সময় সাপটি তার হাতে কামড় দেয়।

সাপের কামড়ের পর স্বজনরা দ্রুত তাকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার রক্ত পরীক্ষা করা হয়। তবে ভ্যাকসিন দেওয়ার আগেই বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

কুমিল্লায় এক রাতে আটক ৬২৪, দাউদকান্দিতে থানা ভাংচুর করে বেরিয়ে যায় ২৮ কিশোর

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
কুমিল্লায় এক রাতে আটক ৬২৪, দাউদকান্দিতে থানা ভাংচুর করে বেরিয়ে যায় ২৮ কিশোর

কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১৮ থানায় সাঁড়াশি অভিযান

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে এক রাতেই ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাতে জেলার ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে এ অভিযান চালানো হয়।

এর মধ্যে দাউদকান্দি মডেল থানায় আটক করা হয় ৫৯ কিশোরকে। তাদের মধ্যে ২৮ কিশোর থানার একটি কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়। এ সময় থানার ভেতরে ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে। ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

তবে থানায় ভাংচুরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ। তাঁর দাবি, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন থানায় এসে হট্টগোল করেন। বাইরে থেকেও উত্তেজনা ছড়ানো হয় এবং কেউ কেউ ঢিল ছোড়েন। এ সময় একটি পুরোনো দরজার অংশ খুলে যায় ও কয়েকটি চেয়ার উল্টে পড়ে।

কুমিল্লা জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে কিশোরদের জড়িয়ে একের পর এক অপরাধের ঘটনায় নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বুধবার রাতে জেলার ১৮টি থানার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে আটক ৬২৪ জনকে বিভিন্ন অপরাধে তাদের সংশ্লিষ্টতা ও পূর্বের রেকর্ড রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দৈনিক আজকের কথা
দাউদকান্দির ঘটনায় পুলিশের দাবি, আটক কিশোরদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কয়েকজন কিশোরকে থানার ভেতর থেকে বেরিয়ে যেতে এবং সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা যায়।
— মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ
অফিসার ইনচার্জ (ওসি), দাউদকান্দি মডেল থানা, কুমিল্লা

কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফুর রহমান জানান, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় নগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়েছে। কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

দাউদকান্দির ঘটনায় পুলিশের দাবি, আটক কিশোরদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কয়েকজন কিশোরকে থানার ভেতর থেকে বেরিয়ে যেতে এবং সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা যায়।

×
ENG