ইনসাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ

ইনসাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ দায়িত্ব পেলেন
ইনসাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন মোঃ আজিজুর রহমান আজিজ। ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ (ইনসাব), গভঃ রেজিঃ নং বি-১৯৭১-এর গঠনতন্ত্রের ধারা ১৭(খ) অনুযায়ী তাঁকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ মৃত্যুবরণ করায় আজ ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তোপখানা রোডস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ইনসাবের সভাপতি মোঃ রবিউল ইসলাম।
সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের (টিইউসি) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইনসাবের নবনিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজিজুর রহমান আজিজ, কার্যকরী সভাপতি মিজানুর রহমান বাবুল, সহ-সভাপতি জালাল আহমেদ, মোঃ হারুনর রশিদ, মাহবুব আলম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শরীফ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলী হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রেজা জেনু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রব্বানী, মোঃ সিদ্দিক আলী বিশ্বাসসহ অন্য নেতৃবৃন্দ।
নির্মাণ শ্রমিকদের জীবনমান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
সভায় বলা হয়, দেশের সর্ববৃহৎ অপ্রাতিষ্ঠানিক শিল্প খাত হলো নির্মাণ খাত—এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক কাজ করছে। জাতীয় অর্থনীতিতে তাঁদের অবদান অপরিসীম হলেও শ্রমিকরা এখনো সামাজিক নিরাপত্তা ও ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে তাদের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সভায় রেশনিং প্রথা চালুর মাধ্যমে চাল, ডাল, তেল ও আটা ন্যায্য দামে সরবরাহ, বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং শ্রমিকদের সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
আইএলও কনভেনশন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের দাবি
নেতৃবৃন্দ কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় নিহত, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী শ্রমিকদের জন্য আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুযায়ী এক জীবনের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।
এছাড়া শ্রমিকদের বাসস্থান, পেশাগত স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের নিয়মিত সভা, রেশনিং ব্যবস্থা, সকল নির্মাণাধীন ভবনে হাজিরা খাতা সংরক্ষণ এবং ন্যূনতম মজুরি সম্মানজনকভাবে বৃদ্ধির দাবি তোলা হয়।
ইনসাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিষয়ক এই সিদ্ধান্ত নির্মাণ শ্রমিকদের অধিকারের লড়াইকে নতুন গতি দেবে বলে নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ নগদ টাকা উদ্ধার
পায়বে ৬১৫ ইয়াবাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, মুরাদনগরে এক রাতে আটক ৮

কুমিল্লার মুরাদনগরে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে এক রাতে পাঁচ মাদক কারবারি ও তিন মাদকসেবীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে পায়ব গ্রাম থেকে চার মাদক কারবারির কাছ থেকে ৬১৫ পিস ইয়াবা ও নগদ ১১ হাজার ৪০ টাকা এবং মোচাগড়া গ্রাম থেকে আরও ১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তিন মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাত দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরীর নির্দেশনায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মুরাদনগর উপজেলা সদরের মধ্যপাড়ার মো. তকদিরের ছেলে মো. রাব্বি (২৮), পায়ব গ্রামের আনু মেম্বারের বাড়ির মৃত কামাল হোসেন জসিমের ছেলে মো. জাকারিয়া আহমেদ হৃদয় (২৫), শুশুন্ডা নতুন বাজার এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ইকবাল হাসান (২০), জাহাপুর মধ্যপাড়ার মনির হোসেনের ছেলে কাউসার সরকার (১৯), যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া গ্রামের মৃত কিরণের স্ত্রী সুখি (৩০), নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের ত্রিশ গ্রামের মো. নাছির মিয়ার ছেলে মো. আমান উল্লাহ (২৫), একই গ্রামের হযরত আলীর ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (৩৯) এবং মো. হারুন মিয়ার ছেলে মো. ফারুক (২৭)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এসআই মো. আরকানুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই রাজু বড়ুয়া, এএসআই কুসুম বড়ুয়া ও এএসআই আব্দুল নেওয়াজ তানজিদসহ পুলিশের একটি বিশেষ দল জাহাপুর ইউনিয়নের পায়ব গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় ৬১৫ পিস ইয়াবা ও নগদ ১১ হাজার ৪০ টাকাসহ রাব্বি, জাকারিয়া আহমেদ হৃদয়, ইকবাল হাসান ও কাউসার সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্যদিকে একই রাতে এসআই মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের আরেকটি দল যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া গ্রামের পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে ১৫ পিস ইয়াবাসহ সুখি নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করে।
এ ছাড়া মাদক সেবনের অভিযোগে আমান উল্লাহ, রফিকুল ইসলাম ও ফারুককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁদের প্রত্যেককে সাত দিন করে কারাদণ্ড দেন।
মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, গ্রেপ্তার মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। মুরাদনগর থানা এলাকাকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক সেবন বা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
একই রাতে পৃথক অভিযানে একাধিক মাদক কারবারি ও মাদকসেবী গ্রেপ্তার এবং ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
১৫ আগস্টের প্রস্তুতি সভায় অভিযান, বসুন্ধরা থেকে নারায়ণগঞ্জ যুবলীগ-ছাত্রলীগের ৫৩ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা ও ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৫৩ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাত ৯টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ব্লক-এম, রোড-২৮-এর একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি ও ঝটিকা মিছিলের উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ওই ফ্ল্যাটে সমবেত হয়েছিলেন। এ সময় তাঁদের কাছে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার ছিল এবং বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল।
ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিটের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। ওই সভায় আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও তাঁরা সেখানে আসেননি বলে জানান তিনি।
তবে পুলিশের এই দাবির সঙ্গে স্থানীয়ভাবে পাওয়া বক্তব্যের ভিন্নতা রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাতীয় একটি গণমাধ্যমে কর্মরত খাদিজা বিনতে আরিফ নামে এক নারী দাবি করেন, তিনি ওই ভবনের পাশের ফ্ল্যাটে থাকেন। তাঁর ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সবাই ওই ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন না এবং তাঁদের কেউই বসুন্ধরা এলাকায় থাকেন না।
তিনি বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির অনেকটা পার্থক্য রয়েছে।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের অনেকেই নতুন কেনা সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত ছিলেন। ওই ফ্ল্যাটের মালিক কে, কার উদ্যোগে সেখানে সভার আয়োজন করা হয়েছিল এবং এর অর্থায়ন কোথা থেকে হয়েছে—এসব বিষয়ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী আকাশের পাশে ডিসি, দিলেন স্মার্টফোন

চোখে পৃথিবীর আলো দেখতে পান না চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আকাশ দাস। তবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা তাঁর উচ্চশিক্ষার স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। প্রযুক্তির সহায়তায় এগিয়ে চলা এই শিক্ষার্থীর প্রয়োজনের কথা জানতে পেরে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তাঁকে একটি নতুন স্মার্টফোন উপহার দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আকাশের হাতে স্মার্টফোনটি তুলে দেওয়া হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, “দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী আকাশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আলোকিত হবে।”
আকাশ দাস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি স্নাতক চতুর্থ বর্ষে পড়াশোনা করছেন। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতার কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতো বইয়ের পাতা পড়ে পাঠ গ্রহণ করতে পারেন না তিনি। ফলে শ্রেণিকক্ষের লেকচার রেকর্ড করা, স্ক্রিন রিডারের মাধ্যমে পাঠ্যবিষয় শোনা এবং অনলাইনে প্রয়োজনীয় বই ও গবেষণাপত্র খুঁজে বের করতে প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করতে হয় তাঁকে।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপযোগী ব্রেইল পাঠ্যপুস্তকের অপ্রতুলতার কারণে আকাশের পড়াশোনায় অডিও ও ডিজিটাল প্রযুক্তির গুরুত্ব আরও বেশি। একটি স্মার্টফোন তাই তাঁর কাছে শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক উপকরণ।
তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজনীয় স্মার্টফোন কিনতে পারছিলেন না আকাশ। এ অবস্থায় তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে এলে তাঁর পারিবারিক অবস্থা ও প্রয়োজন সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হয়। পরে তাঁকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হয়।
সাক্ষাৎকালে জেলা প্রশাসক আকাশের পড়াশোনা ও পরিবারের বিষয়ে খোঁজ নেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলার সময় জানতে চান, “আজ কী পরীক্ষা ছিল? পরীক্ষা কেমন হয়েছে?”
পরে কথোপকথনের একপর্যায়ে আকাশের হাতে নতুন স্মার্টফোনটি তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি জানতে চান, “মোবাইলটি পেয়ে খুশি তো?”
স্মার্টফোন পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আকাশ। তিনি জানান, নতুন ডিভাইসটি দিয়ে ক্লাসের লেকচার রেকর্ড করা, অডিও শুনে পড়াশোনা, পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রী ও গবেষণার তথ্য সংগ্রহ করা তাঁর জন্য অনেক সহজ হবে।
প্রযুক্তির বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা স্ক্রিন রিডার ও ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে ডিজিটাল লেখা শুনতে, তথ্য অনুসন্ধান করতে এবং অনলাইনে বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী ব্যবহার করতে পারেন। ফলে নতুন স্মার্টফোনটি আকাশের উচ্চশিক্ষার পথকে আরও কিছুটা সহজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চোখে দেখতে না পেলেও সমাজতত্ত্বে উচ্চশিক্ষা শেষ করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে চান আকাশ। একটি স্মার্টফোন তাঁর জীবনের সব প্রতিবন্ধকতা দূর করবে না; তবে জ্ঞান অর্জনের পথকে আরও সহজ ও গতিশীল করবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার ভাষায়, “দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী আকাশ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আলোকিত হবে।”





























