মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩

চাকরিচ্যুত কর্মীদের জন্য ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে

দেবীদ্বারে ফারিয়ার মানববন্ধন: ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম
দেবীদ্বারে ফারিয়ার মানববন্ধন: ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

“অধিকার আদায়ে আমরা সবাই একসাথে” স্লোগানকে সামনে রেখে কুমিল্লার দেবীদ্বারে বাংলাদেশ ফার্মাসিটিক্যালস রিপ্রেজেন্টিভ এসোসিয়েশন (ফারিয়া) এর উদ্যোগে ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) সকাল ১১টায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার নিউমার্কেট এলাকার টাওয়ার হাসপাতালের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

ফারিয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দেবীদ্বার শাখার সভাপতি মো. মনিরুল ইসলাম বাবুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আবুবক্কর সিদ্দিকের সঞ্চালনায় অধিকার আদায়ের মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ফারিয়ার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ জালাল জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুস সামাদ, এসিআই কোম্পানির প্রতিনিধি মো. গোলাম রাব্বানী, হাসান ইমাম, মোহাম্মদ আলী ও মহিউদ্দিন শুক্কুসহ আরও অনেকে।

এসময় দেবীদ্বার উপজেলার বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রায় দুই শতাধিক ফার্মাসিটিক্যালস প্রতিনিধি ও ফারিয়ার সদস্য মানববন্ধনে অংশ নেন।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ফার্মাসিটিক্যালস প্রতিনিধিরা বৈষম্য, অনিশ্চয়তা ও নানা কর্মসংকটের মধ্যে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দ্রুত ৬ দফা দাবি বাস্তবায়ন জরুরি।

অধিকার আদায়ে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস নিশ্চিত করা অথবা অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভারটাইম ভাতা প্রদান,
  • চাকরির মেয়াদ অনুযায়ী গ্র্যাচুইটির হার বৃদ্ধি,
  • বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতি বছর টি.এ/ডি.এ বিল বৃদ্ধি,
  • মোট বেতনের কমপক্ষে ৬০ শতাংশ বেসিক স্যালারি নির্ধারণ,
  • চাকরির পাঁচ বছর পূর্ণ হলে কর্মীদের জন্য বিনামূল্যে মোটরসাইকেল বা যানবাহনের ব্যবস্থা,
  • এবং কোনো কর্মীকে চাকরিচ্যুত করলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে কোম্পানিকে ন্যূনতম ১০ লাখ টাকা প্রদান বাধ্যতামূলক করা।

বক্তারা আরও বলেন, ফার্মাসিটিক্যালস প্রতিনিধিদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানকে চ্যালেঞ্জ

রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাব দিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাব দিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত

“রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ” — আরাফাত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, তারেক রহমান দাবি করেছেন যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঋণ নিয়ে এবং চার গুণ বেশি ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্য বা ব্যাখ্যা তিনি দেননি বলেও মন্তব্য করেন আরাফাত।

তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় নিয়ে প্রকাশিত একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রূপপুর প্রকল্প প্রতিযোগিতামূলক খরচেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগকে তিনি “অপপ্রচার” বলে অভিহিত করেন।

ফেসবুক পোস্টে আরাফাত আরও লেখেন, “চার ভাগের এক ভাগ দামে এমন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে দেখান, তারপর এসব কথা বলবেন।”

ঋণের বোঝা নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাবে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের অর্থায়নেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং জনগণই এর সুফল ভোগ করবে। একই সঙ্গে জনগণের টাকাতেই ঋণ পরিশোধ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত দাবি করেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী প্রায় ৬০ বছর দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষ স্বল্পমূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এই প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ইউনিট খরচ অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় কম হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি বহুমুখীকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় প্রকল্প।

পোস্টের শেষাংশে তিনি মন্তব্য করেন, “এটি বোঝার জন্য ন্যূনতম জ্ঞান, সততা ও সক্ষমতা প্রয়োজন।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

সহযাত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

কুমিল্লার সাংবাদিকতায় নির্ভীক কণ্ঠ শাহজাদা এমরান, সম্পন্ন করলেন ২৫০তম টকশো

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
কুমিল্লার সাংবাদিকতায় নির্ভীক কণ্ঠ শাহজাদা এমরান, সম্পন্ন করলেন ২৫০তম টকশো

কুমিল্লার আঞ্চলিক সাংবাদিকতায় পরিচিত ও সাহসী মুখ শাহজাদা এমরান। সাংবাদিকতা ও লেখালেখির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় সমস্যা, সামাজিক অসঙ্গতি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি জনপ্রিয় আঞ্চলিক দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে শাহজাদা এমরান কুমিল্লার গণমাধ্যম অঙ্গনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এর আগে তিনি আমাদের কুমিল্লা পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লাসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংবাদিকতামূলক ও সামাজিক কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা যায় তাকে। কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজের সঙ্গেও বিভিন্ন পেশাগত আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে লেখালেখির কারণে তিনি আইনি জটিলতায় পড়েন এবং এক পর্যায়ে আটকও হন। তবে পরবর্তীতে তিনি আবারও সক্রিয়ভাবে সাংবাদিকতায় ফিরে আসেন।

এদিকে আজ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে শাহজাদা এমরান জানান, কুমিল্লার জমিন-এ উপস্থাপক হিসেবে তিনি সফলভাবে ২৫০তম টকশো সম্পন্ন করেছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “কুমিল্লার জমিন-এ উপস্থাপক হিসেবে আজ সম্পন্ন করলাম ২৫০তম টকশো। এই দীর্ঘ পথচলায় যারা পাশে থেকেছেন, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসা দিয়ে সাহস জুগিয়েছেন সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থনই এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। ভালোবাসা ও শুভকামনা সবার জন্য।”

সাংবাদিক শাহজাদা এমরানের এই অর্জনে কুমিল্লার সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

আধুনিক প্রযুক্তিতে পুনঃজরিপ

তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

সামস উদ্দীন চৌধুরী কালাম, পঞ্চগড় থেকে প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন জরিপ পরিচালনা এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে সচেতন নাগরিক কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সচেতন নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন হানিফ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পঞ্চগড়ের সভাপতি এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের, সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের যুগ্ম সমন্বয়ক মানিক খান, সাংবাদিক এমএ বাসেদ, সোহরাব আলীসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, ১৯৮০-এর দশকে পঞ্চগড়ের শালবাহান এলাকায় একটি বৃহৎ তেল খনির সন্ধান পাওয়া যায়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আনুষ্ঠানিকভাবে তেল উত্তোলন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন। তবে রহস্যজনক কারণে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই খনিটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তারা অভিযোগ করেন, প্রায় ৩৭ বছর পেরিয়ে গেলেও কেন তেল খনি বন্ধ করা হয়েছিল সে বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ বিরাজ করছে।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে শালবাহান তেল খনি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। জাতীয় স্বার্থে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনরায় জরিপ পরিচালনা এবং খনিটির প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাই করা জরুরি।

মানববন্ধন শেষে একই দাবিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা। তারা বলেন, তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে সরকারের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×