ঈদের দিনে বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু
🟩🔹 ঈদের দিনে বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু এক করুন ভয়াবহ দুর্ঘটনা, বগুড়ার শাজাহানপুরে নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে বাসচাপায় নিহত হন চাঁন মিয়া (৩৫) ও তাঁর চার বছরের ছেলে আব্দুল্লাহ।
🔹 বাসচাপায় মৃত্যু ঘটনা: নয়মাইল এলাকায় মহাসড়কের ডিভাইডার পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি দ্রুতগতির বাস বাবা-ছেলেকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুজনের।
🔹 সারাদেশে শোকের ছায়া: ঈদের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় কান্না ও শোকের দিনে। নিহতদের পরিবার ও এলাকাজুড়ে বইছে হৃদয়বিদারক শোকের মাতম।
🔹 পুলিশি তৎপরতা: পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং চালক ও বাস সনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হোক।
🔹 নিরাপত্তা ও সচেতনতার প্রশ্ন: ঈদের দিনেও সড়কে প্রাণহানি প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় উঠেছে সমালোচনার ঝড়। সবার দাবি—আর একটি প্রাণও যেন এমনভাবে না ঝরে।
📍আজ শনিবার সকালে, যখন মানুষ ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে ছুটছে মসজিদের পথে, তখন বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকায় ঘটে যায় এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় প্রাণ হারান চাঁন মিয়া (৩৫) ও তাঁর শিশু পুত্র আব্দুল্লাহ (৪)।
🛣️ দুর্ঘটনার বিবরণ
শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আজিজুল ইসলাম জানান, চাঁন মিয়া ও তাঁর ছেলে ঈদের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। নয়মাইল এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ডিভাইডার পার হওয়ার সময় হঠাৎ করেই একটি অজ্ঞাত বাস তাদের চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।
ঈদের দিনে বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলেই। স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয়, এবং দ্রুত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই দুর্ঘটনা মুহূর্তেই আনন্দের ঈদকে পরিণত করে শোকের দিনে। চারদিকে ভেসে বেড়াতে থাকে কান্নার শব্দ। অসহায় স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে বাতাস।
ঈদের দিনে বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, গোটা এলাকার মানুষের হৃদয়ে শোকের রেখা টেনে দিয়েছে।
স্থানীয়রা বলেন, “ঈদের দিনে এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। শিশু আব্দুল্লাহর নিষ্পাপ মুখটা এখনো চোখে ভাসে।”
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের দাফন ও মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও চালকের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।
🕯️ যখন ঈদ হয়ে ওঠে অশ্রুর দিন
ঈদের দিনে বাসচাপায় বাবা-ছেলের মৃত্যু আমাদের আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়, সড়ক নিরাপত্তা শুধু আইন নয়—এটি মানবিক দায়বদ্ধতা।
একটি ভুল, একটি তাড়াহুড়া, একটি অসাবধানতা কেড়ে নিতে পারে একটি পরিবারের সবকিছু।
এই ঈদে আমরা যেন সেই পরিবারটির জন্য একটু দাঁড়িয়ে কাঁদি, এবং ভবিষ্যতে এমন মৃত্যু যাতে আর না ঘটে, সেই লক্ষ্যে সবাই সচেতন হই।






















