বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কথিত জমিদারের নাতি সারজিস আলমের বিরুদ্ধে গাজীপুরে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৯:০৫ পিএম
কথিত জমিদারের নাতি সারজিস আলমের বিরুদ্ধে গাজীপুরে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা

কথিত জমিদারের নাতি সারজিস আলম। ছবি : সংগৃহিত।

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

কথিত জমিদারের নাতি সারজিস, সাংবাদিক তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে বাসন থানা বিএনপি সভাপতির মামলা

কথিত জমিদারের নাতি সারজিস আলমের বিরুদ্ধে গাজীপুরে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা হয়েছে। অভিযোগ, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডে বিএনপিকে জড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গাজীপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাসন থানা বিএনপির সভাপতি তানভীর সিরাজ এই মামলা করেন। মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান জানান, শুনানি শেষে বিচারক সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এর আগেও সারজিস আলম একাধিকবার বিএনপিকে নিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন, যা দলের নেতাকর্মীদের ক্ষুব্ধ করেছে।

কথিত জমিদারের নাতি সারজিস
কথিত জমিদারের নাতি সারজিস আলম। ছবি : সংগৃহিত।

মামলার বাদী তানভীর সিরাজ অভিযোগ করেন, “অপরাধী চক্রের ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিক তুহিনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। কিন্তু সারজিস আলম যাচাই না করেই ফেসবুকে বিএনপিকে জড়িয়ে মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে।”

মামলার পটভূমি অনুযায়ী, গত ৭ আগস্ট রাতে সারজিস আলম তার ফেসবুকে একটি পোস্টে দাবি করেন যে, বিএনপির কর্মীরা সাংবাদিক তুহিনকে হত্যা করেছে। পরদিন তিনি পোস্টটি সম্পাদনা করে কিছু শব্দ পরিবর্তন করেন। তবে এই বক্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।

এর আগে সারজিস আলম রাজনৈতিক মঞ্চে নিজের আর্থিক সামর্থ্য নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, তার দাদা রেখে যাওয়া সম্পদ দিয়েই তিনি নির্বাচনী খরচ মেটাতে পারবেন। এই মন্তব্যের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে অনেকে তাকে ‘কথিত জমিদারের নাতি’ আখ্যা দেন। সমালোচকরা বলছেন, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বলে আসা এনসিপির এই নেতা শুরুতেই বিতর্কিত আচরণ করছেন।

কথিত জমিদারের নাতি সারজিস আলমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা এভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ধানখেতে নির্মম হত্যাকাণ্ডে ধরা

বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৭ এএম
বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় রাজমিস্ত্রী শাহ আলম (৩৫) হত্যার ঘটনায় তাঁর ভাবি আরিফা বেগম (৩২) ও একই গ্রামের শাহিন শেখ ওরফে সায়েম (৩২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার সংসারদীঘি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আরিফা বেগম নিহত শাহ আলমের বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী।

গত ১৬ মে সকালে সংসারদীঘি গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে শাহ আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ মে নিহতের মামা হারুন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আবু বক্কর কাজের কারণে বাড়ির বাইরে থাকতেন। এ সময় আরিফা বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের শাহিন শেখের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে শাহ আলম তাঁদের সম্পর্কের বিরোধিতা করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন জানান, ১৫ মে রাতে শাহিন আরিফার সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান। বিষয়টি টের পেয়ে শাহ আলম হাসুয়া হাতে উঠানে অবস্থান নেন। পরে আরিফা অন্য দরজা দিয়ে শাহিনকে পালাতে সহায়তা করেন।

এরপর শাহ আলম ধাওয়া করলে তিনি ধানখেতে পড়ে যান। এ সময় শাহিন তাঁর কাছ থেকে হাসুয়া কেড়ে নিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের মৃত্যু হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরও অভিযুক্তরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বাড়ছে পুশব্যাক আতঙ্ক

পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক পুলক ঘটকের স্ট্যাটাস: দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। ছবির গ্রাফিকস : আজকের কথা

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে শত শত মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী পুলক ঘটক। এ ঘটনায় বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমের নীরবতা নিয়েও তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে পুলক ঘটক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “ভারতীয় সীমান্তের কোনো কোনো চেকপোস্টে শত শত মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য জড়ো করা হয়েছে। এটা কি পুশব্যাক? বাংলাদেশ কি তাদের স্বেচ্ছায় নিচ্ছে? ব্যাপারটা কী?”
তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কোনো খবর প্রকাশ না হলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ভিডিওসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সীমান্তে অবস্থান নেওয়া মানুষের বক্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলক ঘটক লেখেন, “এ বিষয়ে বাংলাদেশের মিডিয়ায় কোনো নিউজ নেই… কিন্তু এখানে সবাই চুপচাপ!”

তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনেকেই সীমান্ত পরিস্থিতি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা এবং সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় আদৌ পুশব্যাক চলছে কি না, কিংবা জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক কি না—তা নিয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে এসব পুশব্যাক নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে দ্রুত স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলার আসামিকে আদালতে পাঠালো পুলিশ

দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৬:৩০ পিএম
দেবীদ্বারে ত্রাসের রাজত্ব, হত্যা-চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার

দেবীদ্বারে হত‍্যাসহ ১১ মামলার আসামী সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিস মেম্বার। ছবি : এবিএম আতিকুর রহমান বাশার

দেবীদ্বারে ‘সন্ত্রাসের গডফাদার’ আনিস মেম্বার গ্রেফতার, ঝুলছে ১১ মামলা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, সন্ত্রাসী হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আনিসুর রহমান সরকার ওরফে আনিস মেম্বারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে তাকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেফতার আনিস মেম্বার উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মৃত নজরুল ইসলাম সরকারের ছেলে। তিনি রসুলপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি।

এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

🔺 হত্যা, হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১ মামলার আসামি আনিস মেম্বার গ্রেফতার
🔺 ছাত্র আন্দোলনের হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলায়ও রয়েছে অভিযোগ
🔺 অটোচালককে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার মামলায় অভিযান চালায় পুলিশ
🔺 রুবেল-ছাব্বির হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলায় ছিলেন জামিনে
🔺 আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে
  • পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রসুলপুর বাজার এলাকায় অটোরিকশাচালক মো. মামুনকে মারধর ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমবার (২৫ মে) তাকে গ্রেফতার করা হয়। মামলার বাদী ছিলেন আহত মামুনের স্ত্রী শারমিন আক্তারুজ্জামান।অভিযোগ রয়েছে, আনিস মেম্বার তার বাড়িতে দুটি সিমেন্টের বস্তা পৌঁছে দিতে বললে অন্যত্র ভাড়া থাকায় অটোচালক মামুন যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বেধড়ক মারধর ও কুপিয়ে জখম করা হয়।এ ছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পুলিশের গুলিতে আহত শিক্ষার্থী আবুবকরকে হত্যাচেষ্টার মামলাতেও তাকে সন্দেহভাজন আসামি দেখানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আনিস মেম্বার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রুবেল ও ছাব্বির হত্যা মামলাসহ আরও ৯টি মামলায় জামিনে রয়েছেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আনিস মেম্বার এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না।

    দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, আনিস মেম্বারের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×