রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

‘কারফিউ নেই’ ঘোষণাতেই শেখ হাসিনার পতনের কাউন্টডাউন শুরু!

রোমানা আক্তার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:০৫ পিএম
‘কারফিউ নেই’ ঘোষণাতেই শেখ হাসিনার পতনের কাউন্টডাউন শুরু!
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

উত্তরার ব্যারিকেডেই শেষ সিলমোহর—বিশ্বাসঘাতকতার জালে পতন শেখ হাসিনার! সামরিক নির্ভরতার ফাঁদ, ৬ সমন্বয়কের সিদ্ধান্তে আত্মঘাতী ধাক্কা, ভারতীয় হস্তক্ষেপে ভেস্তে যায় ‘যুদ্ধ পরিকল্পনা’


গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন ছিল হঠাৎ নয়—বরং পরিকল্পিত ‘ভিতরের খেলায়’ নিশ্চিত হওয়া এক চূড়ান্ত পরিণতি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নর্থইস্ট নিউজ-এ প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সামরিক ও গোয়েন্দা শীর্ষ মহলের সূক্ষ্ম কৌশলে প্রথমে শেখ হাসিনাকে পুরোপুরি নির্ভরশীল করে তোলা হয়, এরপর তাকে কার্যত ‘ঘেরাও’ করে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়।

সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট আসে ৫ আগস্ট—উত্তরায় কারফিউর ব্যারিকেড হঠাৎ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশেই খুলে যায় ঢাকামুখী জনস্রোতের দরজা। সেনাদের মাইকে ঘোষণা—“কারফিউ নেই”—ছিল পতনের প্রকাশ্য সংকেত।

এর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেনাপ্রধানের ভাষণের ঘোষণা স্পষ্ট করে দেয়, ক্ষমতার পালাবদল আর ঠেকানো যাবে না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভুল ছিল সামরিক বাহিনীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা। রাজনৈতিকভাবে সংকট মোকাবিলার সুযোগ থাকলেও, সেই পথ এড়িয়ে যাওয়াই তাকে চূড়ান্ত বিপদে ফেলে।

অন্যদিকে, ৬ সমন্বয়ককে আটকে রেখে জোরপূর্বক আন্দোলন থামানোর চেষ্টা ছিল একেবারেই ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’, যা জনরোষ আরও বাড়িয়ে পতন ত্বরান্বিত করে।

চাঞ্চল্যকর দাবি অনুযায়ী, ৫ আগস্ট গণভবনে একটি ‘যুদ্ধপরিস্থিতি’ তৈরি করে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার পরিকল্পনাও ছিল। তবে ভারতীয় এক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে সেই পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়।

শেষ পর্যন্ত, শেখ হাসিনাকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। কুর্মিটোলা পৌঁছে তিনি বুঝতে পারেন—ক্ষমতা তার হাতছাড়া হয়ে গেছে।

সরকার পতনের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। সেনাবাহিনীর ‘বাছাইকৃত নিষ্ক্রিয়তায়’ বাড়ে অরাজকতা, অনেক নেতা-কর্মী ও কর্মকর্তার নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয় অনিশ্চয়তা।

সব মিলিয়ে, এই প্রতিবেদন একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—পতনটি ছিল শুধু গণআন্দোলনের ফল নয়, বরং ভেতরের বিশ্বাসঘাতকতা, ভুল সিদ্ধান্ত এবং কৌশলী শক্তির সমন্বয়ে তৈরি এক নাটকীয় পরিণতি।


📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

মিছিল ঘিরে উত্তেজনা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশ-বিএনপির অভিযানে আটক ৪৫

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, পুলিশ-বিএনপির অভিযানে আটক ৪৫

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঝটিকা মিছিল করে আলোচনায় এসেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ। মিছিল চলাকালে পুলিশ ধাওয়া দিলে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন নেতা-কর্মীরা। এ সময় অন্তত ৪৫ জনকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি মিছিলে ব্যবহৃত তিনটি মাইক্রোবাস ও দুটি বাস জব্দ করা হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) বেলা দেড়টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার মাটিয়ারা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে।

‘শেখ হাসিনার ভয় নাই’ স্লোগান, কুমিল্লায় ছাত্রলীগের ৪৫ নেতা-কর্মী আটক

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে কয়েকশ নেতা-কর্মী আকস্মিকভাবে মহাসড়কে মিছিল বের করেন। মিছিলে নেতৃত্ব দেন দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইস্রাফিল পিয়াস। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ এবং ‘শেখ হাসিনা, শেখ হাসিনা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

মিছিল শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধাওয়া দেয়। এ সময় অন্তত ৪৫ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। অভিযানে স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কিছু নেতা-কর্মীকেও পুলিশের সঙ্গে দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মাইক্রোবাস ও দুটি বাস জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের এসব যানবাহনে করে মিছিলস্থলে আনা হয়েছিল।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ৪৫ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। যাচাই-বাছাই শেষে আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে মহাসড়কে আকস্মিক মিছিল ও পুলিশের অভিযানে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জিরো লাইনে মানবেতর জীবন

পতাকা বৈঠকেও সমাধান হয়নি, পঞ্চগড় সীমান্তের জিরো লাইনে দুই দিন ধরে মানবেতর জীবন ১০ জনের

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
পতাকা বৈঠকেও সমাধান হয়নি, পঞ্চগড় সীমান্তের জিরো লাইনে দুই দিন ধরে মানবেতর জীবন ১০ জনের

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে পুশইনের ঘটনায় টানা দুই দফা পতাকা বৈঠকেও কোনো সমাধান না হওয়ায় দ্বিতীয় দিনের মতো জিরো লাইনে মানবেতর অবস্থায় পড়ে রয়েছেন নারী ও শিশুসহ ১০ বাংলাদেশি। প্রখর রোদ, বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেই ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখায় কাদা-পানির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

জানা গেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৮-এর ৫ নম্বর সাব-পিলার এলাকা দিয়ে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে তারা ভারতীয় অংশের জিরো লাইনে আটকা পড়ে।

পুশইনের শিকারদের মধ্যে রয়েছেন তিন শিশু ও দুই নারী। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তারা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। দিনের তীব্র রোদ এবং রাতের ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেও কোনো নিরাপদ আশ্রয় ছাড়াই কাদা-পানির মধ্যে তাদের রাত কাটাতে হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে একাধিক দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। ফলে নারী ও শিশুসহ ১০ জনের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, তাদের জন্য কোনো পক্ষ থেকেই খাবার বা বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়নি। সঙ্গে থাকা সামান্য খাদ্য দিয়ে কোনোমতে জীবনধারণ করছেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দারা মানবিক কারণে খাবার ও পানি পৌঁছে দিতে চাইলেও বিজিবির নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের কারণে তা সম্ভব হয়নি।

পুশইনের শিকার আব্দুস সালাম জানান, ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় চরম কষ্টে দিন কাটছে তাদের। শিশু ও নারীরা খোলা মাঠে জমে থাকা কাদা মিশ্রিত পানি পান করেই বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন।

এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তের উভয় পাশে বিজিবি ও বিএসএফকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।

শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঠাকুরগাঁও সেক্টরের বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সুরুজ মিয়া এবং নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম। পরিস্থিতি নিরসনে শনিবার দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আবারও পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে রাতের আঁধারে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে বিএসএফের সঙ্গে পুনরায় বৈঠক হয়েছে। বিএসএফ দাবি করেছে, তারা বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ায় তাদের ফেরত নেওয়া হবে না। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, কেউ বাংলাদেশের নাগরিক হলেও আন্তর্জাতিক আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের হস্তান্তর করতে হবে। রাতের অন্ধকারে এভাবে পুশইন করলে আমরা তাদের গ্রহণ করব না।”

তিনি আরও বলেন, “নারী ও শিশুসহ এসব মানুষ বৃষ্টি, বজ্রপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে খোলা মাঠে অবস্থান করছেন, যা অত্যন্ত অমানবিক। বিষয়টি নিয়ে বিএসএফ তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমাদের জানিয়েছে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল চুরি

ট্রেনে যাত্রীদের মোবাইল ছিনতাই: ভৈরবে ৫ ছিনতাইকারীকে কারাদণ্ড

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম
ট্রেনে যাত্রীদের মোবাইল ছিনতাই: ভৈরবে ৫ ছিনতাইকারীকে কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশনে ট্রেনে ওঠার সময় কৃত্রিম জটলা সৃষ্টি করে যাত্রীদের মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগে পাঁচ সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হকের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সাজা দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ভৈরব পৌর শহরের পঞ্চবটী এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (২৮), নরসিংদীর পলাশ উপজেলার উত্তর চন্দন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে সবুজ মিয়া (২২), কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এতরায়পুর এলাকার মবিন মিয়ার ছেলে হাসান (২০), কুমিল্লা সদর কোতোয়ালি এলাকার মুরাপাড়া গ্রামের বাতেন মিয়ার ছেলে নুর আলম (২০) এবং শুভপুর এলাকার আবু তাহের মিয়ার ছেলে বিপ্লব আহসান (২৬)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৬ জুন) রাতে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিম আউটার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রী ওঠার মুহূর্তে কৃত্রিম ভিড় ও জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায় একটি চক্র। গোপন নজরদারির মাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করে রেলওয়ে পুলিশ।

এদিকে রবিবার দুপুরের দিকে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এক যাত্রীর মোবাইল ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে বাবুল মিয়াকে হাতেনাতে ধরে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে রেলওয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন এলাকায় যাত্রীদের লক্ষ্য করে সংঘবদ্ধভাবে মোবাইল ছিনতাই ও চুরির ঘটনা ঘটিয়ে আসছিল একটি চক্র। যাত্রীদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে তারা ট্রেনে ওঠা-নামার সময় জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল ও মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিত।

তিনি বলেন, “বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চক্রটির পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে। এরপর আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।”

আদালতের রায়ে নুর আলম ও বিপ্লব আহসানকে তিন মাস করে কারাদণ্ড, সবুজ মিয়া ও হাসান মিয়াকে দুই মাস করে কারাদণ্ড এবং বাবুল মিয়াকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ওসি আরও জানান, রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় যাত্রী হয়রানি, চুরি ও ছিনতাই রোধে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×