বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

গণতন্ত্র ও সেক্যুলার নেতৃত্বের আহ্বান

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে তসলিমা নাসরিনের মন্তব্য

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১০:৩২ পিএম
শেখ হাসিনার দেশে ফেরা ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে তসলিমা নাসরিনের মন্তব্য
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার অধিকারের পক্ষে মত দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে তসলিমা নাসরিন বলেন, শেখ হাসিনা কখনও তার দেশে ফেরার অধিকারের পক্ষে না থাকলেও তিনি বিশ্বাস করেন, “একজন নাগরিকের নিজের দেশে নিরাপদে বসবাস করার অধিকার রয়েছে।” তিনি বলেন, শেখ হাসিনা নিরাপদে দেশে ফিরে রাজনীতি করুন—এটাই গণতান্ত্রিক নীতি।

স্ট্যাটাসে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের বাইরে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরও নিরাপদে দেশে ফেরার এবং নির্ভয়ে বসবাসের অধিকার রয়েছে। তার ভাষায়, রাজনৈতিক মতভেদ বা ক্ষমতার পরিবর্তন কখনও নাগরিকের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার কারণ হতে পারে না।

আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করে তসলিমা নাসরিন বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা বা দমননীতি চালানো স্থায়ী সমাধান হতে পারে না। জনগণই নির্বাচনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে কোন দল ক্ষমতায় থাকবে এবং কোন দল প্রত্যাখ্যাত হবে।

তিনি বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ জয়ী হলে জনগণের রায় অনুযায়ী দেশ পরিচালনার অধিকার তাদের থাকবে। “গণতন্ত্রের অর্থই হলো জনগণের সিদ্ধান্তকে মেনে নেওয়া,” মন্তব্য করেন তিনি।

তবে একই স্ট্যাটাসে তসলিমা নাসরিন স্পষ্টভাবে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে “জয় বাংলা”, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার আদর্শের সমর্থক হলেও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির পক্ষে নন। তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব নির্ধারিত হওয়া উচিত যোগ্যতা, সততা, নীতি ও জনআস্থার ভিত্তিতে; পারিবারিক উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নয়।

শেখ হাসিনার রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় টিকে থাকতে ধর্মকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর ফলে বাংলাদেশ প্রকৃত ধর্মনিরপেক্ষতার পথ থেকে সরে গেছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে ধর্মীয় আপস ও উগ্রতার দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশের জন্য “সৎ, সাহসী ও সত্যিকারের সেক্যুলার রাজনৈতিক নেতৃত্ব”-এর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তিনি এমন নেতৃত্ব চান, যারা রাষ্ট্র, সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ধর্মকে আলাদা রেখে আধুনিক মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলবে এবং বাকস্বাধীনতা, নারী অধিকার ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

জাল দলিলে প্রবাসীর স্বাক্ষর!

নারী সম্পাদক সাজেদার মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন আরও ৪ জন

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১২:২৯ এএম
নারী সম্পাদক সাজেদার মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন আরও ৪ জন

বিদেশে অবস্থানকালীন সময়ে দেশে তৈরি হয়েছে জাল দলিল! নিজের স্বাক্ষর জালিয়াতির বিরুদ্ধে এবার আইনি লড়াইয়ে নেমেছেন দৈনিক দেশ সারাদিন ও দেশইনফো.কম.বিডি-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোছাঃ সাজেদা হক। সিআর মামলা নং-১৮০৬/২৫ এর সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে আরও ৪ সন্দেহভাজনের স্বাক্ষরের ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য সিআইডির অতিরিক্ত এসপি মোহাম্মদ সিরাজুল মাসুদের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন এই নারী সাংবাদিক।

আবেদন সূত্রে জানা গেছে, মোস্তফা কামালের তদন্তাধীন এই সিআর মামলাটি মূলত একটি জালিয়াতি করে তৈরি করা জাল দলিল নিয়ে। মামলার বাদী সাজেদা হক জানান, যে তারিখে বিতর্কিত দলিলটি তৈরি বা সৃজন করা হয়েছে, ওই সময়ে তিনি নিজে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। ফলে তার অনুপস্থিতিতে দলিলটিতে জাল স্বাক্ষর করা হয়েছে।

আগামী ১ জুন এই মামলায় ফরেনসিক টেস্টের জন্য তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। উক্ত তারিখে মামলার বাদী, বিবাদী এবং একজন সন্দেহভাজনের স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে মামলার বাদী সাজেদা হক মনে করছেন, এই জালিয়াতি চক্রের পেছনে আরও গভীর রহস্য রয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তিনি মূল আসামির ৪ সহযোগীর স্বাক্ষরেরও ফরেনসিক পরীক্ষা করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো ওই ৪ সন্দেহভাজন হলেন— মঞ্জুরুল হাসান, সুমন, রেদওয়ান এবং রাসেল।

আবেদনে এই সম্পাদক উল্লেখ করেন, অভিযুক্ত ৪ জনই মূল আসামি খন্দকার মিরাজুল ইসলামের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহকর্মী। বাদী যখন আসামির অফিসে যাতায়াত করতেন, তখন এই ৪ জন নিয়মিত মিরাজুলের অফিসে কর্মরত ছিলেন। ফলে মিরাজুলের নির্দেশে তাদের কেউ এই জাল স্বাক্ষর দিয়ে থাকতে পারে বলে প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়া খন্দকার মিরাজুলের অন্যান্য মামলাতেও এদেরকে কৌশলগত সাক্ষী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

সিআইডির ঐতিহ্যগত ন্যায়পরায়ণতা ও দক্ষতার ওপর আস্থা রেখে দেশের অন্যতম এই নারী গণমাধ্যমকর্মী আশা প্রকাশ করেন, সিআইডি এই ৪ জনের স্বাক্ষরের ফরেনসিক পরীক্ষার আবেদনটি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং জাল দলিল জালিয়াতির মূল হোতাদের মুখোশ উন্মোচন করে সঠিক বিচার নিশ্চিত করবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

নির্বাসন, রাজনীতি ও প্রত্যাবর্তন

দেশে দ্রুত ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৩:২৬ পিএম
দেশে দ্রুত ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি Sheikh Hasina বলেছেন, তিনি খুব দ্রুতই দেশে ফিরবেন এবং “গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারের গর্ব” নিয়েই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে আসবেন। ভারতের দিল্লিতে অবস্থানরত সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অর্থনীতি, জঙ্গিবাদ, বিচারব্যবস্থা ও আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।

ভারতের বিশিষ্ট সাংবাদিক Gautam Lahiriকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তিনি দাবি করেন, “আমার অনুপস্থিতি নীরবতা নয়। দেশের মানুষের জন্য আমি প্রতিনিয়ত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।”

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ বা দমন করার যে কোনো চেষ্টা অতীতেও ব্যর্থ হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে না। তার ভাষায়, “আওয়ামী লীগ মানুষের দল, জনগণের হৃদয়ে বেঁচে থাকা একটি রাজনৈতিক শক্তি।”

বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলের ভেতরে শুদ্ধিকরণের প্রশ্ন উঠলেও শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ নিজের সাংগঠনিক প্রক্রিয়াতেই প্রয়োজনীয় সংস্কার ও মূল্যায়ন করবে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগকে দুর্বল করতে “ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা” চালাচ্ছে।

দেশত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়েননি; বরং “রাজনৈতিক নির্যাতন ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে” বিদেশে যেতে বাধ্য হয়েছেন। একইসঙ্গে দেশে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের “সময়য়ের সাহসী যোদ্ধা” বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা দাবি করেন, তার সরকারের সময় দেশের অর্থনীতি শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়েছিল। তিনি পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের কথা তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের সুফল এখনও জনগণ ভোগ করছে।

জঙ্গিবাদ ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের পর দেশে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল।

শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন রক্ষায় বিশ্বকে আরও সোচ্চার হতে হবে। তিনি দেশের জনগণের উদ্দেশে বলেন, “হতাশ হওয়ার কিছু নেই। জনগণের শক্তিতেই আওয়ামী লীগ আবার ঘুরে দাঁড়াবে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

মাদকের টাকার দ্বন্দ্ব

কুমিল্লায় হিজড়া হত্যাকাণ্ডে আরেক হিজড়া গ্রেফতার, পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

ফাহিমা বেগম প্রিয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম
কুমিল্লায় হিজড়া হত্যাকাণ্ডে আরেক হিজড়া গ্রেফতার, পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়া মাহিকে হাত-পা বেঁধে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আরেক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি জহির ইসলাম ওরফে হিজড়া জহিরকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

সোমবার (১৮ মে) রাত সোয়া ১১টার দিকে সাতক্ষীরা সদর থানার ভোমরা এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব সূত্র জানায়, গত ১৩ মে সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লার বুড়িচং বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সসংলগ্ন এলাকায় তৃতীয় লিঙ্গের এনামুল হক শিশির ওরফে মাহিকে (২৯) হাত-পা বেঁধে শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ মে ভোরে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাবের দাবি, নিহত মাহি ও গ্রেফতার হওয়া জহিরসহ সংশ্লিষ্টরা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে বসবাস করতেন। প্রাথমিক তদন্তে তাদের মধ্যে মাদকের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ ছিল বলে জানা গেছে। সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

র‌্যাব আরও জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার হিজড়া জহির ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×