সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সত্যের শক্তিই শেষ কথা

কলমের সততা বনাম অপসাংবাদিকতার অন্ধকার

মো. আমিনুল ইসলাম, নির্বাহী সম্পাদক, ঢাকা প্রেস প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম
কলমের সততা বনাম অপসাংবাদিকতার অন্ধকার
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি সমাজের দর্পণ ও রাষ্ট্রের বিবেক। একজন প্রকৃত সাংবাদিক সমাজের অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরে মানুষের পক্ষে কথা বলেন। সত্য প্রকাশ, জনমত গঠন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষাই সাংবাদিকতার মূল লক্ষ্য। এ কারণেই যুগ যুগ ধরে সাংবাদিকতা একটি সম্মানজনক ও দায়িত্বশীল পেশা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই মহান পেশার আড়ালে ঢুকে পড়েছে কিছু অসাধু ও স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি। তারা সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতাকে উপেক্ষা করে মিথ্যা তথ্য, গুজব ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ ছড়িয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে। কখনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে, কখনো আর্থিক লাভের আশায়, আবার কখনো সামাজিক প্রভাব বিস্তারের জন্য যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাংবাদিকতার প্রতি মানুষের আস্থা।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে একটি মিথ্যা সংবাদ মুহূর্তেই লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ব্যবহার করে অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ও উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ধর্ম, রাজনীতি কিংবা ব্যক্তিগত ইস্যুকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়ানোর প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এসব অপসাংবাদিকতা সমাজে বিভেদ, অবিশ্বাস ও অস্থিরতা তৈরি করছে।

একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক কখনো গুজব ছড়ান না। তিনি তথ্য যাচাই করেন, নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেন এবং সত্যের পক্ষে অবস্থান নেন। কারণ একটি ভুল সংবাদ শুধু একজন ব্যক্তির ক্ষতি করে না, কখনো কখনো একটি পরিবার, সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের জন্যও বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তাই সাংবাদিকতার সঙ্গে দায়িত্ববোধ, সততা ও নৈতিকতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয়কে ব্যবহার করছেন ব্ল্যাকমেইল, অপপ্রচার ও ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে। কেউ মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানুষের সম্মানহানি করছেন, আবার কেউ ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করে সামাজিক বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন। কিন্তু ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে—মিথ্যা সাময়িকভাবে আলোচনায় থাকলেও সত্য একদিন প্রকাশ পায়ই।

প্রকৃত সাংবাদিকরা সবসময় মানুষের পাশে থাকেন। তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লেখেন, অসহায় মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরেন এবং সমাজকে সচেতন করার চেষ্টা করেন। তাদের কলম কখনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করে না। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকা সাংবাদিকরাই সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম শক্তি।

তাই সাংবাদিকতার মর্যাদা রক্ষায় অপসাংবাদিকতা, গুজব ও ভুয়া তথ্যের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি। পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও পেশাগত নৈতিকতা মেনে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ সংবাদ শুধু কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, এটি মানুষের বিশ্বাস, আস্থা ও সত্যের প্রতিফলন।

মনে রাখতে হবে, মিথ্যা হয়তো কিছু সময়ের জন্য আলোচিত হতে পারে, কিন্তু সত্যকে কখনো চিরদিন আড়াল করা যায় না। শেষ পর্যন্ত সত্যই মানুষের সামনে বাস্তবতা তুলে ধরে এবং সঠিক পথ দেখায়।

লেখক-
মো. আমিনুল ইসলাম
নির্বাহী সম্পাদক, ঢাকা প্রেস।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

কৃষকদের মাঝে ব্র্যাক ধান-১০ বীজ বিতরণ

পঞ্চগড়ে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে উত্তম কৃষি পদ্ধতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সামসউদ্দীন চৌধুরী কালাম, পঞ্চগড় থেকে : প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৯:৫৮ পিএম
পঞ্চগড়ে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে উত্তম কৃষি পদ্ধতি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পঞ্চগড়ে উত্তম কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে জেলার বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সিডের দিনাজপুর রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার কৃষিবিদ মোফাখায়রুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মডেল কৃষক মো. নাদের আলী। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্র্যাক সিডের পঞ্চগড় টেরিটরি সেলস অফিসার কৃষিবিদ শাকিল হোসেন।

এতে এলাকার প্রায় ৭০ জন মডেল কৃষক অংশ নেন। কর্মশালায় বক্তারা উত্তম কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কৃষকদের মাঝে আমন মৌসুমের জন্য হাইব্রিড জাতের ‘ব্র্যাক ধান-১০’ এর এক কেজি করে বীজ উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিবিদ মোফাখায়রুল ইসলাম বলেন, “টেকসই, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন এখন সময়ের অন্যতম দাবি। কৃষকদের সঠিক পরামর্শ ও উন্নতমানের বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। এ লক্ষ্যেই ব্র্যাক সিড কৃষকদের মাঝে মানসম্মত বীজ সরবরাহ করে যাচ্ছে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

১৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার

দেবীদ্বারে ৫ মামলার পলাতক মাদক কারবারি নাজমা গ্রেফতার

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
দেবীদ্বারে ৫ মামলার পলাতক মাদক কারবারি নাজমা গ্রেফতার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে আন্তঃজেলা মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত নাজমা বেগমকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের এক মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (১৮ মে) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন সানানগর এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় নিজ পিত্রালয় থেকে নাজমা বেগমকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার নাজমা বেগম (৩০) সানানগর গ্রামের সফিকুল ইসলামের মেয়ে। তার স্বামীর বাড়ি রাঙ্গামাটি এলাকায় বলে জানা গেছে। দেবীদ্বার থানায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আত্মগোপনে থেকে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এর আগে একাধিকবার অভিযান চালিয়েও তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে সোমবারের অভিযানে ইয়াবাসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাজমা দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। সংসার চালানো ও স্বামীর চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। ছেলে সুমন (১৭) বর্তমানে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

দেবীদ্বার থানার এসআই আব্দুল মতিন বলেন, “নাজমা দীর্ঘদিন ধরে আন্তঃজেলা মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে দেবীদ্বার থানায় পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় এক বছরের সাজা হওয়ার পরও তিনি আত্মগোপনে থেকে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

কণ্ঠভোটে নির্বাচিত ১৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রিপন ও সাধারণ সম্পাদক বকুল

সিরাজুল ইসলাম রতন, গাইবান্ধা থেকে : প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৩৬ পিএম
গাইবান্ধা জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রিপন ও সাধারণ সম্পাদক বকুল

গাইবান্ধা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন কমিটি গঠন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কণ্ঠভোটের মাধ্যমে মোশফেকুর রহমান রিপনকে সভাপতি এবং আব্দুল মোতালেব সরকার বকুলকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

সোমবার (১৮ মে) সকালে পলাশবাড়ী পৌর শহরের খাদ্য গুদাম সংলগ্ন শাওন এন্টারপ্রাইজ মাঠে এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোশফেকুর রহমান রিপন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব সরকার বকুল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহিম বক্স দুদু। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবির খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠু, আইন বিষয়ক সম্পাদক জলিলুর রহমান জলিল, বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছামছুল আলম ছামছু, শ্রমিক নেতা সাজ্জাদ হোসেন পিন্টু, গাইবান্ধা জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি এনামুল হক সরকার মকবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম, গাইবান্ধা জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আশরাফুল আলম বাদশা এবং গাইবান্ধা জেলা ট্রাক, ট্যাংক লরি, কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছামছুল আলম।

এছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি আব্দুস সোবহান মণ্ডল, আবুল কালাম আজাদ সাবু, আবু তাহের মণ্ডল এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজানুর রহমান ডিপটি।

সভায় উপস্থিত শ্রমিকদের কণ্ঠভোটে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন— কার্যকরী সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আবু তাহের মণ্ডল, সহ-সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান হানিফ ও মিল্লাত সরকার মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন মিয়া, অর্থ সম্পাদক রফিকুল মিয়া, সড়ক সম্পাদক ছাদেকুল ইসলাম মিন্টু ও হাসান মাস্টার, দপ্তর সম্পাদক ছায়েদ আলী, ক্রীড়া সম্পাদক জালাল সরকার, ধর্মীয় সম্পাদক মমিন শেখ, প্রচার সম্পাদক রাজু আহমেদ এবং কার্যকরী সদস্য সাজু মিয়া, খাজা মিয়া ও আহসান হাবিব হিন্দোল।

অনুষ্ঠান শেষে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান অতিথিরা। একইসঙ্গে শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মৃত ও কন্যাদায়গ্রস্ত পাঁচটি পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×