মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩

মানবিকতার প্রতীক প্রবীর কান্তি বালা

ফরিদপুর সাংবাদিকতার জীবন্ত কিংবদন্তি পান্না বালা

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২:৪৯ পিএম
ফরিদপুর সাংবাদিকতার জীবন্ত কিংবদন্তি পান্না বালা
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

চার দশকের সাংবাদিকতা যাত্রায় পান্না বালা, সততা ও সাহসের এক অনন্য নাম

পান্না বালা নামটি ফরিদপুরের সাংবাদিকতা অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরেই সততা, সাহস ও পেশাদারিত্বের প্রতীক হিসেবে উচ্চারিত হয়ে আসছে। প্রবীর কান্তি বালা নামে জন্ম হলেও সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি বেশি পরিচিত পান্না বালা নামেই। টানা চার দশকের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি শুধু সংবাদ পরিবেশন করেননি, গড়ে তুলেছেন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

১৯৬৪ সালের ৮ জানুয়ারি ফরিদপুরের একটি বনেদি ও শিক্ষিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন পান্না বালা। তাঁর বাবা গৌর চন্দ্র বালা ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, সাবেক যুক্তফ্রন্ট সরকারের বন ও খাদ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম রচয়িতা ছিলেন। অন্যদিকে মা অঞ্জলী বালা দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও শিশু সংগঠন নিয়ে কাজ করে আসছেন।

পান্না বালা ছোটবেলা থেকেই বেড়ে উঠেছেন শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ পরিবেশে। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। পরিবারের অন্য সদস্যরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও সফল। বড় ভাই বিপ্লব বালা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক। অন্য ভাই-বোনদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, অর্থনীতিবিদ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

শিক্ষাজীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও মনোযোগী। ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবনেই সংবাদপত্রের প্রতি গভীর আগ্রহ জন্ম নেয় তাঁর। তখনই তিনি উপলব্ধি করেন, সাংবাদিকতা কেবল সংবাদ পরিবেশনের পেশা নয়, এটি সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম।

পান্না বালা ১৯৮২ সালে ফরিদপুর থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘আল মুয়াজ্জিন’ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর স্থানীয় দৈনিক গণসংহতি, সাপ্তাহিক প্রগতির দিন, দৈনিক ভোরের রানারসহ বিভিন্ন পত্রিকায় কাজ করে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতায় নিজেকে দক্ষ করে তোলেন।

দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৫ সালে দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর ফরিদপুর প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন তিনি। মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও নিরপেক্ষ অবস্থানের কারণে অল্প সময়েই পাঠক ও সহকর্মীদের আস্থা অর্জন করেন। পরে ২০২২ সালে তাঁকে ‘নিজস্ব প্রতিবেদক’ পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়।

পান্না বালা সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে মনে করেন সততা ও নিরপেক্ষতাকে। তিনি কখনো কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রভাবশালী গোষ্ঠীর পক্ষ নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করেননি। সত্য প্রকাশে আপস না করার মানসিকতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

ফরিদপুরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছেও তিনি অত্যন্ত সম্মানিত। কারণ ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি সবসময় সংবাদ ও সত্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন।

পান্না বালা নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের কাছেও একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। তরুণদের সংবাদ লেখার কৌশল, তথ্য যাচাই এবং পেশাগত নৈতিকতা সম্পর্কে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে থাকেন তিনি। অনেক নবীন সাংবাদিক তাঁর কাছ থেকেই সাংবাদিকতার হাতে-খড়ি নিয়েছেন।

সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতে গিয়ে জীবনে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখিও হতে হয়েছে তাঁকে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে হামলা, হুমকি ও চাপের শিকার হয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু কখনো কলম থামাননি। বরং আরও দৃঢ়ভাবে সত্য প্রকাশের কাজ চালিয়ে গেছেন।

পান্না বালা ব্যক্তিজীবনেও অত্যন্ত সাদামাটা ও বিনয়ী মানুষ হিসেবে পরিচিত। বনেদি পরিবারের সন্তান হয়েও অহংকার তাঁকে স্পর্শ করেনি। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়ার বিরল গুণ রয়েছে তাঁর। তবে মিথ্যা, অন্যায় কিংবা অপপ্রচার দেখলে তিনি সবসময় সরব হয়েছেন।

তিনি মনে করেন, সাংবাদিকতার মূল দায়িত্ব হলো জনগণের পক্ষে কথা বলা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। তাঁর ভাষায়, “সত্যকে সত্য আর মিথ্যাকে মিথ্যা বলার সাহস থাকতে হবে। জনগণের অধিকার ও বঞ্চনার কথা তুলে ধরাই সাংবাদিকতার আসল দায়িত্ব।”

পান্না বালা আরও বিশ্বাস করেন, গণমাধ্যম সমাজের আয়না। সেই আয়নায় বিকৃতি দেখা দিলে পুরো সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই বর্তমান সময়ে গুজব ও অপতথ্যের ভিড়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করেন তিনি।

চার দশকের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি মানুষের কান্না, সংগ্রাম, স্বপ্ন ও প্রত্যাশার গল্প তুলে ধরেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। তাঁর সংবাদে যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ছিল, তেমনি ছিল মানবিকতার স্পর্শ। এ কারণেই পাঠকের কাছে তিনি বিশ্বাসযোগ্য এবং সহকর্মীদের কাছে অনুপ্রেরণার নাম।

পান্না বালা আজ শুধু একজন সাংবাদিক নন, ফরিদপুরের সাংবাদিকতা অঙ্গনের এক জীবন্ত ইতিহাস। সততা, সাহস ও পেশাদারিত্ব দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন—আদর্শ ধরে রেখেও দীর্ঘদিন সম্মানের সঙ্গে সাংবাদিকতা করা সম্ভব।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানকে চ্যালেঞ্জ

রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাব দিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম
রূপপুর প্রকল্প নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাব দিলেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত

“রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ” — আরাফাত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ ও সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, তারেক রহমান দাবি করেছেন যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঋণ নিয়ে এবং চার গুণ বেশি ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্য বা ব্যাখ্যা তিনি দেননি বলেও মন্তব্য করেন আরাফাত।

তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ ব্যয় নিয়ে প্রকাশিত একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রূপপুর প্রকল্প প্রতিযোগিতামূলক খরচেই বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগকে তিনি “অপপ্রচার” বলে অভিহিত করেন।

ফেসবুক পোস্টে আরাফাত আরও লেখেন, “চার ভাগের এক ভাগ দামে এমন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে দেখান, তারপর এসব কথা বলবেন।”

ঋণের বোঝা নিয়ে তারেক রহমানের বক্তব্যের জবাবে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের অর্থায়নেই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং জনগণই এর সুফল ভোগ করবে। একই সঙ্গে জনগণের টাকাতেই ঋণ পরিশোধ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত দাবি করেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আগামী প্রায় ৬০ বছর দেশের প্রায় ২ কোটি মানুষ স্বল্পমূল্যে বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। দীর্ঘমেয়াদে এই প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের ইউনিট খরচ অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় কম হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি বহুমুখীকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় প্রকল্প।

পোস্টের শেষাংশে তিনি মন্তব্য করেন, “এটি বোঝার জন্য ন্যূনতম জ্ঞান, সততা ও সক্ষমতা প্রয়োজন।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

সহযাত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

কুমিল্লার সাংবাদিকতায় নির্ভীক কণ্ঠ শাহজাদা এমরান, সম্পন্ন করলেন ২৫০তম টকশো

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১১:০৪ পিএম
কুমিল্লার সাংবাদিকতায় নির্ভীক কণ্ঠ শাহজাদা এমরান, সম্পন্ন করলেন ২৫০তম টকশো

কুমিল্লার আঞ্চলিক সাংবাদিকতায় পরিচিত ও সাহসী মুখ শাহজাদা এমরান। সাংবাদিকতা ও লেখালেখির মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্থানীয় সমস্যা, সামাজিক অসঙ্গতি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি জনপ্রিয় আঞ্চলিক দৈনিক কুমিল্লার জমিন পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে শাহজাদা এমরান কুমিল্লার গণমাধ্যম অঙ্গনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এর আগে তিনি আমাদের কুমিল্লা পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লাসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংবাদিকতামূলক ও সামাজিক কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ নিতে দেখা যায় তাকে। কুমিল্লা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজের সঙ্গেও বিভিন্ন পেশাগত আয়োজনে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে ঘিরে লেখালেখির কারণে তিনি আইনি জটিলতায় পড়েন এবং এক পর্যায়ে আটকও হন। তবে পরবর্তীতে তিনি আবারও সক্রিয়ভাবে সাংবাদিকতায় ফিরে আসেন।

এদিকে আজ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে শাহজাদা এমরান জানান, কুমিল্লার জমিন-এ উপস্থাপক হিসেবে তিনি সফলভাবে ২৫০তম টকশো সম্পন্ন করেছেন।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “কুমিল্লার জমিন-এ উপস্থাপক হিসেবে আজ সম্পন্ন করলাম ২৫০তম টকশো। এই দীর্ঘ পথচলায় যারা পাশে থেকেছেন, অনুপ্রেরণা ও ভালোবাসা দিয়ে সাহস জুগিয়েছেন সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থনই এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। ভালোবাসা ও শুভকামনা সবার জন্য।”

সাংবাদিক শাহজাদা এমরানের এই অর্জনে কুমিল্লার সাংবাদিক মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

আধুনিক প্রযুক্তিতে পুনঃজরিপ

তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

সামস উদ্দীন চৌধুরী কালাম, পঞ্চগড় থেকে প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে নতুন জরিপ পরিচালনা এবং জাতীয় সম্পদ রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে সচেতন নাগরিক কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সচেতন নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনোয়ার হোসেন হানিফ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) পঞ্চগড়ের সভাপতি এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের, সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরামের যুগ্ম সমন্বয়ক মানিক খান, সাংবাদিক এমএ বাসেদ, সোহরাব আলীসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, ১৯৮০-এর দশকে পঞ্চগড়ের শালবাহান এলাকায় একটি বৃহৎ তেল খনির সন্ধান পাওয়া যায়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আনুষ্ঠানিকভাবে তেল উত্তোলন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছিলেন। তবে রহস্যজনক কারণে মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই খনিটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তারা অভিযোগ করেন, প্রায় ৩৭ বছর পেরিয়ে গেলেও কেন তেল খনি বন্ধ করা হয়েছিল সে বিষয়ে এখনো কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ বিরাজ করছে।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে শালবাহান তেল খনি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। জাতীয় স্বার্থে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুনরায় জরিপ পরিচালনা এবং খনিটির প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাই করা জরুরি।

মানববন্ধন শেষে একই দাবিতে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা। তারা বলেন, তেঁতুলিয়ার শালবাহান তেল খনি পুনরায় চালুর দাবিতে সরকারের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×