কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত, আহত ২

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত, আহত ২
কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনা আবারও কেড়ে নিল তিনটি প্রাণ। পৃথক তিনটি স্থানে বাস ও ট্রাকের ধাক্কায় ৩ জন নিহত এবং আরও ২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২ জুলাই) জেলার চান্দিনা, দাউদকান্দি ও লালমাই উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, দেবীদ্বারের শিবনগর গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল হাসেম ভূঁইয়া (৬০) মাধাইয়া বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে হাড়িখোলা মাজার এলাকায় মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় কুমিল্লাগামী একটি বাস তাকে ধাক্কা দেয়।

স্থানীয়রা তাকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার এসআই মনিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেন।
একইদিন দুপুরে কুমিল্লার দাউদকান্দির মালীখিল এলাকায় ঘটে দ্বিতীয় দুর্ঘটনা। কুড়িগ্রামের বাসিন্দা মো. বেল্লাল (৩০) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় ঢাকাগামী একটি বাস। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার সঙ্গে থাকা আরেকজন গুরুতর আহত হন।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি রাশেদ খান চৌধুরী জানান, বাসটি আটক করা হয়েছে এবং আহত ব্যক্তিকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তৃতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে লালমাই উপজেলার ফয়েজগঞ্জ বাজারে। চলন্ত ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নাজমুল নামে এক যুবক নিহত হন, তিনি জগৎপুর গ্রামের বাসিন্দা। আহত সিয়াম নামে আরেক আরোহী বর্তমানে কুমিল্লার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিনিয়তই প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে মানুষের। সচেতনতা ও আইন প্রয়োগ না বাড়ালে এই মৃত্যুর মিছিল থামানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা অঞ্চলের তথ্যানুযায়ি ২০২৪ সালে মহাসড়কের কুমিল্লার ১১৫ কিলোমিটার অংশে ১৭১টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫২ জন। আহত হয়েছেন ১৩৭ জন। এসব দুঘটনায় নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই মোটরবাইক আরোহী, ইজিবাইক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা, অটোভ্যান, দরজাখোলা ফিটনেসবিহীন মাইক্রোবাস, মিশুক ও লেগুনার যাত্রী।
মহাসড়কে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে হাইওয়ে পুলিশের পর্যবেক্ষণে ওঠে এসেছে, ইউটার্নগুলোতে সতর্ক না থাকা ও ফিডার রোড থেকে আচমকা মহাসড়কে উঠে যাওয়া, মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহনে কম দূরত্বে যাতায়াতের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়াও মহাসড়কের পাশে হাট-বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রে যাতায়াত করতে গিয়ে শিক্ষার্থী, রোগী ও পথচারীরা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। আবার যেসব জায়গায় ফুটওভার ব্রিজ রয়েছে, সেগুলো ব্যবহারে পথচারিদের অনীহা দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ওইসব কারণগুলোতেই ঘটছে ৭০ শতাংশ দুর্ঘটনা। আর বাকি ৩০ শতাংশ দুর্ঘটনার মধ্যে মহাসড়কে অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও সড়কে যেখানে সেখানে যানবাহন থামিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করাটাও অন্যতম কারণ হিসেবে ওঠে এসেছে।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা অঞ্চলের তথ্যানুযায়ি মহসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকা হতে ফেনী প্রবেশ মুখের মোহাম্মদ আলী এলাকার ১১৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়কে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৭১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ১৫২ জনের মৃত্যু এবং ১৩৭ জন আহত হয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় মামলা হয়েছে ১৩৮টি। এরমধ্যে ৮৮টি মামলার অভিযোগপত্র এবং ৫০টি মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে।
মাঠে কাজ, প্রাণ গেল
সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

মাঠে কাজ করার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের কাঞ্চননগর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
রোববার সন্ধ্যায় সিংগাইরের কাঞ্চননগর এলাকায় কৃষিকাজ করার সময় বজ্রপাতে
কবির হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (২৫) নামে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা হলেন কাঞ্চননগর গ্রামের নেওয়াজ উদ্দিনের ছেলে কবির হোসেন (৩০) এবং রফি মিস্ত্রির ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৫)। তারা দুজনই কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রোববার বিকেলে নিজ নিজ জমিতে কৃষিকাজ করছিলেন কবির ও শহিদুল। এ সময় হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির মধ্যেই মাঠে অবস্থানকালে আকস্মিক বজ্রপাতে তারা গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার জামাল ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বৈরী আবহাওয়ার সময় খোলা মাঠ, জলাশয় ও উঁচু স্থানে অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
নিখোঁজের পর মিলল লাশ
টিসি দেওয়ার কয়েকদিন পরই নিখোঁজ ছাত্রী, ৬ দিন পর কবরস্থানের ঝোপে মিলল খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ছয় দিন পর এক স্কুলছাত্রীর খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিখোঁজের ছয় দিন পর কবরস্থানসংলগ্ন ঝোপ থেকে স্কুলছাত্রীর খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনার আগে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাজনিত একটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়া হয়েছিল।
তদন্তের অংশ হিসেবে এক শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের চন্দননগর এলাকার একটি কবরস্থানসংলগ্ন ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহত কিশোরী উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের সাহরাইল উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
পুলিশ, বিদ্যালয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুন বিদ্যালয়ের টিফিন বিরতির সময় একটি শ্রেণিকক্ষে ওই ছাত্রী ও দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ ওঠে।
বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি ধরা পড়ার পর উভয় শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুই শিক্ষার্থীকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দিয়ে প্রতিষ্ঠান ছাড়ার নির্দেশ দেয় বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পরপরই ওই ছাত্রী নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সে নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রেখে যায়।
এরপর আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের ছয় দিন পর রোববার বিকেলে চন্দননগর এলাকার একটি কবরস্থানের পাশে ঝোপের মধ্যে মরদেহের অংশ দেখতে পান স্থানীয়রা।
পরে তারা পুলিশে খবর দিলে সিংগাইর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে নিহতের স্বজনরা মরদেহটি নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর বলে শনাক্ত করেন। পরে সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কীভাবে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে—সেসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার দ্রুত হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
নারী উদ্যোক্তা মহলে শোক
নারী উদ্যোক্তা ও সাবেক এমপি সেলিমা আহমাদ মেরী আর নেই

দেশের বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা, শিল্পোদ্যোক্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মেরী আর নেই। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (২১ জুন) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী নিটল-নিলয় গ্রুপ এর ভাইস চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি দেশের ব্যবসায়ী সমাজে নারী নেতৃত্ব বিকাশ এবং নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
নারী উদ্যোক্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ থাইল্যান্ডের
ব্যাংককে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি BWCCI-এর
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং নিটল-নিলয় গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।
কর্মজীবনে তিনি Oslo Business for Peace Awardসহ একাধিক জাতীয় ও
আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হন।
পারিবারিক ও প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ সেলিমা আহমাদ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়। আগামী মঙ্গলবার তার মরদেহ দেশে আনা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিটল-নিলয় গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিরো মোটোকর্প নিলয় বাংলাদেশ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিজয় কুমার মণ্ডল তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সেলিমা আহমাদ ছিলেন দেশের নারী উদ্যোক্তা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তিনি নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং ব্যবসায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি দেশের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
রাজনীতিতেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর মনোনয়নে কুমিল্লা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক লিমিটেড-এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
কর্মজীবনে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দেশ-বিদেশে একাধিক সম্মানজনক পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১৪ সালে ব্যবসা ও সামাজিক দায়বদ্ধতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি আন্তর্জাতিক Oslo Business for Peace Award অর্জন করেন। এছাড়া ২০২২ সালে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা পদক লাভ করেন। এর আগে ২০১২ সালে Islamic Development Bank Award এবং Priyadarshini Award-এও সম্মানিত হন।
তার মৃত্যুতে ব্যবসায়ী সমাজ, নারী উদ্যোক্তা মহল, রাজনৈতিক অঙ্গন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তারা বলেন, সেলিমা আহমাদের মৃত্যু দেশের নারী উদ্যোক্তা আন্দোলনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। নারী ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

















