শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

পরিণত বয়সে প্রেমের নতুন অর্থ

চল্লিশোর্ধ্ব নারীর প্রেম: অভিজ্ঞতা, আকাঙ্ক্ষা ও আত্মঅন্বেষণের বাস্তব গল্প

নাজনীন সুলতানা, অনলাইন এক্টিভিস্ট প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৪:০৮ পিএম
চল্লিশোর্ধ্ব নারীর প্রেম: অভিজ্ঞতা, আকাঙ্ক্ষা ও আত্মঅন্বেষণের বাস্তব গল্প

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • চল্লিশোর্ধ্ব নারীর প্রেম তা আর কিশোরী বয়সের হালকা আবেগে ভেসে থাকা প্রেম নয়।
  • সেখানে জমে থাকে জীবনের অভিজ্ঞতা, না বলা ক্লান্তি, আবার নতুন করে বাঁচার এক নীরব আকাঙ্ক্ষা।
  • এই বয়সের প্রেম অনেকটাই গভীর—এখানে একাকিত্ব ভাঙার চেষ্টা যেমন আছে, তেমনি আছে বোঝাপড়া, সম্মান আর মনের আশ্রয় খোঁজার তাগিদ।

চল্লিশোর্ধ্ব নারীর প্রেম তা আর কিশোরী বয়সের হালকা আবেগে ভেসে থাকা প্রেম নয়। সেখানে জমে থাকে জীবনের অভিজ্ঞতা, না বলা ক্লান্তি, আবার নতুন করে বাঁচার এক নীরব আকাঙ্ক্ষা। এই বয়সের প্রেম অনেকটাই গভীর—এখানে একাকিত্ব ভাঙার চেষ্টা যেমন আছে, তেমনি আছে বোঝাপড়া, সম্মান আর মনের আশ্রয় খোঁজার তাগিদ।

বিশেষ করে চল্লিশোর্ধ্ব নারীর প্রেম- এই প্রেম শুধু মানসিক সংযোগে সীমাবদ্ধ থাকে না, শরীরও তার নিজস্ব ভাষায় কথা বলে। দীর্ঘদিনের চেপে রাখা অনুভূতি, অপূর্ণ চাওয়া—সব মিলিয়ে একসময় নারী বুঝতে শেখেন, তার শরীরও ভালোবাসা ও যত্ন পাওয়ার অধিকার রাখে।

কিন্তু এখানেই এসে সামনে পড়ে এক কঠিন বাস্তবতা। আমাদের সমাজ নারীদের শিখিয়েছে সংযম, দায়িত্ব আর ত্যাগের পাঠ; কিন্তু নিজের শরীরকে বোঝা বা নিজের চাওয়াকে স্বীকার করার শিক্ষা খুব কমই দিয়েছে। ফলে অনেক নারী এই বয়সে এসেও নিজের অনুভূতি প্রকাশে দ্বিধায় ভোগেন, কখনো অপরাধবোধেও আক্রান্ত হন।

🗣️ লেখকের মন্তব্য

“চল্লিশোর্ধ্ব নারীর প্রেম কেবল অনুভূতির গল্প নয়, এটি নিজের শরীর, মন ও আকাঙ্ক্ষাকে নতুন করে চিনে নেওয়ার এক যাত্রা। এই বয়সে এসে নারীরা সবচেয়ে বেশি পরিণত হন, কিন্তু সমাজের বাধা ও সংকোচ তাদের সেই স্বাভাবিক প্রকাশকে অনেক সময় আটকে দেয়।”


— নাজনীন সুলতানা
নারীবাদী লেখক ও অনলাইন এক্টিভিস্ট

📘 ফেসবুকে বিস্তারিত পোস্ট

নতুন করে কাউকে পছন্দ করেন বা অনুভবের টান অনুভব করেন, তখন তার ভেতরে শুরু হয় দ্বন্দ্ব—সমাজ কী বলবে, পরিবার কী ভাববে, এই বয়সে এসব কি মানানসই?

কিন্তু সত্য হলো, অনুভূতি বা আকাঙ্ক্ষার কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই। শরীরের যেমন ভাষা আছে, তেমনি আছে মনেরও নিজস্ব চাওয়া। আর যখন সেই চাওয়া স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তখন অনেক নারী নিজেকেই প্রশ্ন করেন—আমি কি ঠিক করছি?

এই প্রশ্নগুলোই প্রমাণ করে, নারীর অনুভূতি এখনো পুরোপুরি তার নিজের হয়ে ওঠেনি। তবুও বাস্তবতা হলো, এই বয়সেই একজন নারী সবচেয়ে বেশি পরিণত হন—একটি গভীর, পরিপূর্ণ সম্পর্ক বোঝার জন্য, মানসিক ও শারীরিক সমতার জায়গা তৈরি করার জন্য।

যারা সাহস করে নিজেদের অনুভূতিকে স্বীকার করেন, তারা ধীরে ধীরে শিখে নেন—নিজেকে ভালোবাসা, নিজের চাওয়া প্রকাশ করা, আর সম্মান বজায় রেখে সম্পর্ক গড়ে তোলা। তাদের কাছে প্রেম মানে আর নিজেকে বদলে ফেলা নয়, বরং এমন একজনকে খুঁজে পাওয়া, যার সামনে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা যায়।

চল্লিশোর্ধ্ব নারীর প্রেম তাই শুধুই অনুভূতির গল্প নয়; এটি এক ধরনের আত্মজাগরণ—যেখানে জীবন, শরীর আর মনের অপ্রকাশিত দিকগুলো নতুন করে অর্থ খুঁজে পায়।

0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, সহযোগীর বুকে বিদ্ধ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৪ এএম
নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, সহযোগীর বুকে বিদ্ধ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী বাজারে জেলা বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হাজী আবুল কাশেমকে (৬০) লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও চৌমুহনী হকার্স মার্কেটের ফার্মেসি ব্যবসায়ী ইয়াছিন সেন্টু (৪৫) গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাত পৌনে ১২টার দিকে চৌমুহনী বাজারের হকার্স মার্কেটের মূল গলিতে ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি নেতা হাজী আবুল কাশেমকে লক্ষ্য করেই গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলিটি তার সহযোগী ইয়াছিন সেন্টুর বুকে লাগে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এএনএম ইমরান খান
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল), নোয়াখালী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হাজী আবুল কাশেম রাজনীতির পাশাপাশি নোয়াখালী জাতীয় হকার্স সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি হকার্স মার্কেটের কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে সহযোগী ইয়াছিন সেন্টুকে সঙ্গে নিয়ে কার্যালয় থেকে বের হয়ে মূল গলির ওবায়দুলের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।

এ সময় ইয়াছিন সেন্টু আবুল কাশেমকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে একটি গুলি কাশেমের হাত ছুঁয়ে গিয়ে সেন্টুর বুকের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, দুর্বৃত্তদের গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেগমগঞ্জ সার্কেল) এএনএম ইমরান খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি নেতা হাজী আবুল কাশেমকে লক্ষ্য করেই গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলিটি তার সহযোগী ইয়াছিন সেন্টুর বুকে লাগে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

লাকসামে সোহান হত্যা মামলা

বৃদ্ধের যাবজ্জীবন, ছেলের বেকসুর খালাস

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৪ পিএম
বৃদ্ধের যাবজ্জীবন, ছেলের বেকসুর খালাস

বৃদ্ধের যাবজ্জীবন, ছেলের বেকসুর খালাস

কুমিল্লার লাকসামে যুবক সাইফুল ইসলাম সোহান হত্যা মামলায় মো. মিজানুর রহমান হাজারী (৬৫) নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে একই মামলার অপর আসামি ও তার ছেলে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান হাজারী কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চিকুনিয়া দক্ষিণপাড়া হাজারী বাড়ির মৃত আলী হোসেনের ছেলে।

মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, উপস্থাপিত আলামত এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা করে আদালত মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। অন্যদিকে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মোহাম্মদ এনামুল হক সরকার
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি)

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে সাইফুল ইসলাম সোহানের সঙ্গে মিজানুর রহমানের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন সোহান। তাকে প্রথমে মুজাফফরগঞ্জ হেলথ কেয়ার প্রাইভেট লিমিটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা ট্রমা হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ১৮ মে রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা রুহুল আমিন ২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল লাকসাম থানায় পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ২০২৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মিজানুর রহমান হাজারী ও তার ছেলে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মোহাম্মদ এনামুল হক সরকার। তিনি জানান, মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, উপস্থাপিত আলামত এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা করে আদালত মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। অন্যদিকে, মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববরেণ্যদের কাতারে কুমিল্লার মানবিক চিকিৎসক ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৮ পিএম
বিশ্ববরেণ্যদের কাতারে কুমিল্লার মানবিক চিকিৎসক ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ

‘এশিয়ান স্টেট’ জার্নালের প্রচ্ছদ নিবন্ধে স্থান পেলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সমাজসেবক

এশিয়ার রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজসেবা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মানের জার্নাল ‘এশিয়ান স্টেট’-এর প্রচ্ছদ নিবন্ধে এবার স্থান পেয়েছেন কুমিল্লার প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, মানবিক চিকিৎসক ও সমাজহিতৈষী প্রফেসর ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ

এর আগে একই জার্নালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক, ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. এ.পি.জে. আবদুল কালাম, ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি, বিল গেটস, অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং হানিফ সংকেতসহ বিশ্বের খ্যাতিমান ব্যক্তিদের ওপর বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত সংখ্যায় ‘Heartbeat and Humanity’ শিরোনামে ৫০ পৃষ্ঠার একটি বিস্তৃত ফিচারে ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষের চিকিৎসাসেবা, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং সমাজকল্যাণে তাঁর দীর্ঘদিনের অবদান তুলে ধরা হয়েছে।

নিবন্ধে বলা হয়েছে, হৃদরোগ চিকিৎসায় দক্ষতা, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োগ এবং রোগীদের প্রতি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ড. তৃপ্তীশ শুধু কুমিল্লা নয়, সারা দেশের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

প্রতিবেদনটিতে তাঁর প্রতিষ্ঠিত হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা-র মাধ্যমে অসচ্ছল রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা পরামর্শ প্রদানের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্বমানের একটি জার্নালে ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষকে নিয়ে প্রচ্ছদ নিবন্ধ প্রকাশ কেবল তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি কুমিল্লার জন্যও গর্বের বিষয়। একজন চিকিৎসক কীভাবে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবসেবাকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, সেই অনন্য উদাহরণ তিনি স্থাপন করেছেন।
এবিএম আতিকুর রহমান বাশার
সভাপতি- দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাব

এছাড়া মানবিক স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সুইজারল্যান্ডভিত্তিক ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন থেকে প্রাপ্ত ওয়ার্ল্ড হার্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের বিষয়টিও নিবন্ধে গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।

জার্নালটিতে আরও বলা হয়, হৃদরোগ সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিবন্ধী কল্যাণ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন, রোটারি কার্যক্রম এবং সমাজসেবামূলক নানা উদ্যোগের মাধ্যমে ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

রোটারি ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পৃক্ততার কথাও নিবন্ধে স্থান পেয়েছে। বিশেষ করে তাঁর রচিত ‘Rotary International: From Individual to the World’ গ্রন্থকে রোটারির দর্শন ও বৈশ্বিক মানবিক চেতনার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ড. তৃপ্তীশ তাঁর কর্মের মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন—জ্ঞান তখনই অর্থবহ, যখন তা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়।

এ বিষয়ে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও বিশিষ্ট স্কাউট ব্যক্তিত্ব মাসুক আলতাফ চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক মানের একটি জার্নালে ড. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষকে নিয়ে প্রচ্ছদ নিবন্ধ প্রকাশ কেবল তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি কুমিল্লার জন্যও গর্বের বিষয়। একজন চিকিৎসক কীভাবে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবসেবাকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, সেই অনন্য উদাহরণ তিনি স্থাপন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি কুমিল্লাকে এশিয়ার পরিসরে নতুনভাবে পরিচিত করেছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মানবিক সমাজ গঠনে অনুপ্রাণিত করবে।

×
CLOSE X