দেবীদ্বারে মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার, বিলে ঝাঁপিয়ে পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ কুমিল্লার দেবীদ্বারে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৫) অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে নাটকীয় অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার একটি বিলের মাঝখানে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশও পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের আটক করে।
রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কসবা উপজেলার ডালপাড় বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
দেবীদ্বারে মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার, বিলে ঝাঁপিয়ে পালানোর চেষ্টা ব্যর্থ
কুমিল্লার দেবীদ্বারে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৫) অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার দুই আসামিকে নাটকীয় অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার একটি বিলের মাঝখানে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশও পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাদের আটক করে।
রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে গোপন তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কসবা উপজেলার ডালপাড় বিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুই আসামি হলেন, দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা গ্রামের রমিজ মিয়ার ছেলে মো. সবুজ মিয়া (২৪) এবং একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইসমাইল (২৯)। পুলিশ জানায়, তারা সম্পর্কে খালাতো ভাই এবং সম্প্রতি প্রবাস থেকে দেশে ফিরেছেন।
পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে কসবার ডালপাড় বিলে অভিযান চালানো হয়। পালানোর জন্য তারা পানিতে ঝাঁপ দিলেও পুলিশ ধাওয়া করে তাদের গ্রেপ্তার করে। একই সঙ্গে অভিযোগের অন্যান্য দিক, বিশেষ করে মানবপাচার চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার ছোট বোনও একই প্রতিষ্ঠানের সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা ফুলগাছতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে কিশোরীকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যায়। এ সময় স্থানীয়ভাবে দালালের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি আপস-মীমাংসার চেষ্টারও অভিযোগ রয়েছে।
পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে গত ৮ জুলাই পুলিশ ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের থানায় ডেকে আনে। একই দিন ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দেবীদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জানান, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দুই আসামির অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর এসআই ফিরোজসহ পুলিশের একটি দল কসবার ডালপাড় বিলে অভিযান চালায়। অভিযুক্তরা বিলের মাঝখানে একটি অস্থায়ী ঘরে অবস্থান করছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরাও পানিতে নেমে ধাওয়া করে তাদের আটক করেন।
ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত সবুজ দীর্ঘদিন ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিরক্ত করছিল। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে ছুরির ভয় দেখিয়ে একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হয়। এ সময় ঘটনা প্রকাশ করলে অ্যাসিড নিক্ষেপ ও তার বাবাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনে কারও সঙ্গে কথা বলে তাকে টাকার বিনিময়ে বিক্রির বিষয়ে আলোচনা করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে সুযোগ বুঝে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের সবকিছু জানান।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছিল। এরই মধ্যে ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং আদালতে তার জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অভিযোগের সঙ্গে মানবপাচার চক্রের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
When you login first time using a Social Login button, we collect your account public profile information shared by Social Login provider, based on your privacy settings. We also get your email address to automatically create an account for you in our website. Once your account is created, you'll be logged-in to this account.
DisagreeAgree
Connect with
I allow to create an account
When you login first time using a Social Login button, we collect your account public profile information shared by Social Login provider, based on your privacy settings. We also get your email address to automatically create an account for you in our website. Once your account is created, you'll be logged-in to this account.
DisagreeAgree
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
NewestMost Voted
জমির বিরোধে রক্তাক্ত পরিণতি
জমি নিয়ে বিরোধ, মুরাদনগরের দড়ানী পাড়ায় ফুফু-ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা
আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ পিএম
কুমিল্লার মুরাদনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফুফু ও ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার দড়ানীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, দড়ানীপাড়া গ্রামের খালেদা আক্তার (৭০) ও তার ভাতিজা মনজুরুল আলম টিটু (৩৫)। খালেদা আক্তার ওই গ্রামের বাসিন্দা। টিটু সম্পর্কে তার ভাইয়ের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক জমি নিয়ে খালেদা আক্তার ও তার ভাই বাচ্চু মিয়ার সঙ্গে তাদের আরেক ভাই আবু মিয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সন্ধ্যায় জমি নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
একপর্যায়ে আবু মিয়া দা দিয়ে খালেদা আক্তার ও মনজুরুল আলম টিটুকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বলে অভিযোগ। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
তবে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। তাদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল।
গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাইমা হক রিফাত বলেন, সন্ধ্যার পর স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। দুজনের শরীরেই একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
ঘটনার পর অভিযুক্ত আবু মিয়া পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঘটনাস্থল মুরাদনগর উপজেলায় হওয়ায় মুরাদনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।
ঘটনার কারণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
প্রজাপতি চলেছে ডানা মেলে।
মনের আনন্দে তারা খেলা খেলে।
নদীতে নতুন জোয়ার এসেছে।
ঝর্ণায় এক অপূর্ব রূপ ধারণ করেছে।
পাহাড় যেনো দৃশ্যময়, রূপ ছড়িয়েছে।
সকলেই যেনো, আজকের দিনের বার্তা পেয়েছে।
আকাশ আজ রংধনুতে রঙিন হলো।
সূর্য এক নতুন আলো নিয়ে এলো।
চাঁদ যেন আজ ভিন্ন এক রূপ পেলো।
প্রকৃতি এক মায়াবী আবেশ দিলো।
ফুলগুলো আজ সুবাস ছড়ালো।
বাতাস আজ শীতল হলো।
মাটির কোমলতা যেন আরও বাড়ালো।
সকল কিছুই জানান দিলো—
জন্মদিন তোমার শুভ হলো।
আমিও জানাই শুভ কামনা।
পূর্ণ হোক তোমার মনের সকল ভাবনা।
মিলিত হোক যে যার ঠিকানা।
বন্ধ হোক প্রতিটি মানুষের ছলনা।
তোমার জন্য করি এই প্রার্থনা।
নতুন করে সাজিয়ে তোলো, তোমার জীবন।
ছিঁড়ে ফেলো না, প্রিয়জনের বাঁধন।
স্মরণ করিও আমায়, যদি হয় কখনো প্রয়োজন।
জীবন থেকে একেবারে, করিও না বিয়োজন।
শুভ জন্মদিন।
সময় হয়তো ভালো হবে, কোনো একদিন।
শুভ—শুভ জন্মদিন।
শুভ হোক তোমার জীবনের প্রতিটি দিন।
ভালো কাটুক তোমার আগামী দিন।
দোয়া করি সুখে থেকো তুমি চিরদিন।
শুভ জন্মদিন।
শোধ করে নিও, তোমার জীবনের সকল ঋণ।
হয়ো না যেনো কারো প্রশ্নের সম্মুখীন।
মেনে চলিও ইসলামের দ্বীন।
শুভ হোক তোমার শুভ জন্মদিন।
কবির পরিচিতি
আলেয়া মান্নান একজন কবি ও সাহিত্যপ্রেমী। তাঁর লেখা ৫০টিরও বেশি কবিতা জাতীয় পত্রিকা ও লিটল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ভ্রমণপ্রেমী এবং ঘুরতে ভালোবাসেন। শৈশব থেকেই ছিলেন দুরন্ত ও প্রাণবন্ত।
কবির পরিচয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে পরিবার, কর্মজীবন ও জীবনসংগ্রামের নানা অভিজ্ঞতা। তিনি একজন মা, সংসারী, চাকরিজীবী এবং দায়িত্বশীল মানুষ। মানুষের বিপদে পাশে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন—মানবিকতাকেই তিনি নিজের বড় পরিচয় হিসেবে মনে করেন।
জন্মস্থান: কলমাকান্দা উপজেলা, নেত্রকোনা জেলা বর্তমান ঠিকানা: যাত্রাবাড়ী, ঢাকা এনআইডি অনুযায়ী নাম: মোসাঃ আলেয়া খাতুন সাহিত্যিক নাম: আলেয়া মান্নান
জন্মদিন শুধু আনন্দ-উৎসবের একটি দিন নয়; এটি নতুন করে জীবনকে সাজানোর, প্রিয়জনদের স্মরণ করার এবং আগামী দিনগুলো আরও সুন্দরভাবে কাটানোর প্রত্যয়েরও দিন। ‘জন্মদিন’ কবিতার মাধ্যমে প্রিয় মানুষের জন্য শুভকামনা, ভালো থাকার প্রার্থনা এবং জীবনের প্রতি ইতিবাচক বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
কুমিল্লার দেবীদ্বারে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে ১১টি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান ও একটি রেস্তোরাঁসহ মোট ১২টি প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দেবীদ্বার দক্ষিণ ও পৌর এলাকার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং একটি রেস্তোরাঁয় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সারোয়ার আকবর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. কাওসার মিয়া, দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সাদাত ইরতিশাম, উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক কামরুন নাহার, জেলা ও প্রাইভেট হাসপাতাল মালিক সমিতির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. ময়নাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেবীদ্বার থানার ওসি (তদন্ত) মো. ইমাম হোসেনের নেতৃত্বে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিলেন।
যেসব প্রতিষ্ঠানে জরিমানা
অভিযানে দেবীদ্বার সদর এলাকার
মনোয়ারা হাসপাতালকে ৯০ হাজার টাকা, দেবীদ্বার মেডিকেল সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা, আবদুল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৭০ হাজার টাকা, মদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৮০ হাজার টাকা, মেডিনোভা হাসপাতালকে ৫ হাজার টাকা, অ্যাপোলো হাসপাতালকে ৮০ হাজার টাকা, আলিফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪০ হাজার টাকা এবং দি গোমতী মেডিক্যাল সেন্টারকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া দেবীদ্বার দক্ষিণ এলাকার বাগুর মা-মনি মেডিক্যাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২০ হাজার টাকা এবং চান্দিনা মেডিনোভা হাসপাতালকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানের সংবাদ পেয়ে ‘ডক্টরস ল্যাব’ বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ সরে যাওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ ছাড়া দেবীদ্বারের কয়লা রেস্তোরাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
মালিকের ক্ষোভ
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি বেসরকারি হাসপাতালের মালিক বলেন, হাসপাতাল পরিচালনার বিভিন্ন নিয়ম-কানুন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে পাঠালেও অভিযানে যেসব কারণে জরিমানা করা হয়েছে, সেসব বিষয়ে আগে তাদের অবহিত করা হয়নি।
তার প্রশ্ন, “যে বিষয়গুলো আগে জানানো হয়নি, সেগুলোতেই হঠাৎ করে জরিমানা করা হলো কেন?”
৩৯ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১টিতে অভিযান
দেবীদ্বারে মোট ৩৯টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ১১টি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
যেসব অনিয়মের অভিযোগ
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, জনস্বার্থে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, অভিযানে চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত ফি আদায়, অপারেশন থিয়েটারে কাঠের তৈরি ফার্নিচার ও দরজা ব্যবহার, ল্যাবে এসি না থাকা, ফ্রিজে তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং ফ্রিজে নিয়মবহির্ভূতভাবে ওষুধ সংরক্ষণের মতো বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া সি-ক্যাটাগরির হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে বি-ক্যাটাগরির নিয়ম অনুসরণ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪০ ও ৫২ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে দেবীদ্বারের সব হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের নিয়ম-কানুন মেনে চিকিৎসাসেবা পরিচালনার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।