বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

নিখোঁজের ৪ দিনেও মেলেনি হালিশহরের কলেজছাত্রী মিথিলার সন্ধান

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩০ পিএম
নিখোঁজের ৪ দিনেও মেলেনি হালিশহরের কলেজছাত্রী মিথিলার সন্ধান

নিখোঁজের ৪ দিনেও মেলেনি হালিশহরের কলেজছাত্রী মিথিলার সন্ধান। ছবি : দৈনিক আজকের কথা

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ; পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ও জিডি প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ হালিশহর থেকে বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী নাহিদা আক্তার মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পার হলেও এখনো তার সন্ধান মেলেনি।
  • নিখোঁজের পর পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং থানায় করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
  • গত ১৩ সেপ্টেম্বর কলেজের ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হন মিথিলা।

ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ; পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি ও জিডি প্রত্যাহারে হুমকির অভিযোগ

চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ হালিশহর থেকে বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী নাহিদা আক্তার মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পার হলেও এখনো তার সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজের পর পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং থানায় করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর কলেজের ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হন মিথিলা। এরপর আর বাসায় ফেরেননি তিনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে বন্দর থানায় জিডি করেন।

পরিবারের অভিযোগ, জিডি করার পরপরই একটি ভিওআইপি নম্বর থেকে তাদের ফোন করে জিডি প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়। একই ফোনে মিথিলাকে ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তার ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে কোথায় বা কীভাবে টাকা দিতে হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

মিথিলার ভাই হৃদয় জানান, জিডি করার পর তার মোবাইল ফোনে ‘ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপস’ নামে একটি ভিওআইপি নম্বর থেকে কল আসে। ওই ফোনে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার পাশাপাশি পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি তিনি জিডির তদন্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন।

দৈনিক আজকের কথা
শিক্ষার্থী নিখোঁজের জিডি পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ কাজ করছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
— মো. আব্দুর রহিম
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বন্দর থানা, চট্টগ্রাম।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে সম্ভাব্য সব ধরনের তথ্য ও সূত্র যাচাই করা হচ্ছে। পরিবারের কাছে আসা কথিত মুক্তিপণ দাবির কলের ফরেনসিক বিশ্লেষণের পাশাপাশি কলদাতাদের শনাক্তের চেষ্টাও চলছে।

“মিথিলাকে খুঁজে বের করতে সম্ভাব্য সব ক্লু যাচাই করা হচ্ছে। পরিবারের কাছে করা কথিত মুক্তিপণ দাবির কলের ফরেনসিক বিশ্লেষণসহ এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।”

খায়রুল বাশার সাজিদ, জিডির তদন্ত কর্মকর্তা।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুর রহিম বলেন, শিক্ষার্থী নিখোঁজের জিডি পাওয়ার পরপরই পুলিশ কাজ শুরু করেছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

দৈনিক আজকের কথা
শিক্ষার্থী নিখোঁজের জিডি পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ কাজ করছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
— মো. আব্দুর রহিম
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বন্দর থানা, চট্টগ্রাম।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাহিদা আক্তার মিথিলাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তার অবস্থান শনাক্ত এবং দ্রুত উদ্ধারে পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
0 0 votes
রেটিং দিন।
Subscribe
Notify of
guest
0 মন্তব্যসমূহ
Oldest
Newest Most Voted
এলাকার খবর

সম্পর্ক ও সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন

স্বামীহারা বোনের অসহায়ত্ব, ‘পল্টি হাবিবের’ বিরুদ্ধে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
স্বামীহারা বোনের অসহায়ত্ব, ‘পল্টি হাবিবের’ বিরুদ্ধে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

স্বামীহারা চাচাতো বোনের অসহায়ত্বকে ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন; প্রায় ২৫ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ

গাজীপুরের যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত হাবিবুর রহমান ওরফে ‘পল্টি হাবিব’কে ঘিরে স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক এবং অর্থ-সম্পত্তি সংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, স্বামীহারা এক চাচাতো বোনের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে হাবিব তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একই সঙ্গে ওই নারীর কাছ থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা নেওয়া এবং তার সম্পত্তির একটি অংশ নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নারীর স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি পারিবারিক ও সামাজিকভাবে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ঘনিষ্ঠ স্বজন হিসেবে হাবিব তার পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ নেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে ওই সম্পর্ককে কেন্দ্র করে অর্থ ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির একটি অংশও বিভিন্ন কৌশলে হাবিব নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার কথা বলে ওই নারীকে তার তত্ত্বাবধানে রাখা হয় এবং বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো নথি বা আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ প্রতিবেদনের সময় হাতে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব, অর্থ লেনদেনের কাগজপত্র, সম্পত্তির দলিল এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।

দৈনিক আজকের কথা
একজন স্বামীহারা নারী যখন স্বজন হারানোর শোক ও অসহায়ত্বের মধ্যে থাকেন, তখন তার পাশে দাঁড়ানোর কথা পরিবারের মানুষের। কিন্তু তার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে যদি কেউ ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি করে এবং সেই সম্পর্কের আড়ালে অর্থ-সম্পত্তির লেনদেন হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি অবশ্যই তদন্তের দাবি রাখে।
— এলাকার স্থানীয় এক ফার্মাসিস্ট
বোর্ডবাজার, গাজীপুর

অন্যদিকে, হাবিবের পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “হাবিবের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা কথা আমরা আগেও শুনেছি। কিন্তু নিজের রক্তের সম্পর্কের একজন স্বামীহারা নারীর সঙ্গে এমন সম্পর্ক এবং তার সম্পদ নিয়ে অভিযোগ ওঠায় আমরা বিব্রত। সত্য-মিথ্যা যাচাই করে বিষয়টির একটি পরিষ্কার সমাধান হওয়া দরকার।”

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, অভিযোগটি শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয় নয়; এর সঙ্গে অর্থ ও সম্পত্তির প্রশ্ন জড়িয়ে থাকায় বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। বিশেষ করে প্রায় ২৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা থাকলে অর্থের উৎস, লেনদেনের ধরন এবং সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকানা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে হাবিবুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো স্বামীহারা বা অসহায় ব্যক্তির সামাজিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক কিংবা অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠলে সেটি পারিবারিক গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে আইনগত ও প্রমাণভিত্তিকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

দেবীদ্বারে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম
দেবীদ্বারে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ

“মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়। তাই তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এখনই মাদককে না বলার দৃঢ় সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার উচ্চবিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত মাদকবিরোধী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা।

আবেদা মান্নান ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভার আগে রাজামেহার উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মাদকবিরোধী র‍্যালি বের করা হয়। বিভিন্ন স্লোগানসহ র‍্যালিটি রাজামেহার বাজার, কলেজ রোডসহ প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে রাজামেহার উচ্চবিদ্যালয় মিলনায়তনে আবেদা মান্নান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. খোরশেদ আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক এটিএম সাইফুল ইসলাম মাসুমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেওয়ান মো. জাহাঙ্গীর ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নোমান হোসেন। প্রধান আলোচক ছিলেন দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।

আলোচনায় আরও অংশ নেন দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার।

আলোচনা সভার ফাঁকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মাদকের ভয়াবহতা ও এর ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে একটি মাদকবিরোধী নাটক উপস্থাপন করা হয়।

ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে হবে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম জাতীয় পতাকা

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৫ পিএম
ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে হবে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম জাতীয় পতাকা

২২৫ ফুট দীর্ঘ ও ৯০ ফুট প্রশস্ত পতাকার সঙ্গে ‘উই রিভোল্ট’ ও জিয়াউর রহমানের নাম; ইতিহাস ও নাগরিক বিনোদনের সমন্বয়ে সাজবে উদ্যান

চট্টগ্রাম নগরীর ঐতিহাসিক ষোলশহর বিপ্লব উদ্যানে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ও দীর্ঘতম জাতীয় পতাকা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। প্রস্তাবিত জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য হবে ২২৫ ফুট এবং প্রস্থ ৯০ ফুট। পতাকার নিচে ‘উই রিভোল্ট’ (We Revolt) এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম সংবলিত ঐতিহাসিক উপস্থাপনাও রাখা হবে।

মঙ্গলবার বিপ্লব উদ্যানে চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, জাতীয় পতাকাটি দৃষ্টিনন্দনভাবে স্থাপনের পাশাপাশি বিপ্লব উদ্যানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যও তুলে ধরা হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে এ স্থানের ইতিহাস এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি তুলে ধরাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যান শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়; বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতির সঙ্গেও এ স্থানটি জড়িত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের ঐতিহাসিক স্মৃতিকে সামনে রেখে উদ্যানটির উন্নয়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ইতিহাস, বিনোদন ও নাগরিক সুবিধার সমন্বয়ে বিপ্লব উদ্যানকে আধুনিক ও আকর্ষণীয় স্থানে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। শিশু-কিশোর, তরুণসহ সব বয়সী নগরবাসী যাতে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন, উন্নয়ন পরিকল্পনায় সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

দৈনিক আজকের কথা
নগরায়ণের চাপে উন্মুক্ত স্থান ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। তাই বিদ্যমান উদ্যান ও বিনোদনকেন্দ্র সংরক্ষণের পাশাপাশি সেগুলোকে নাগরিকবান্ধব করে গড়ে তোলা জরুরি। বিপ্লব উদ্যানের উন্নয়নও সেই বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।
— ডা. শাহাদাত হোসেন
মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।

পরিদর্শনকালে মেয়র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

চসিকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২২৫ ফুট দীর্ঘ ও ৯০ ফুট প্রশস্ত জাতীয় পতাকার পাশাপাশি ‘উই রিভোল্ট’ ও জিয়াউর রহমানের নাম সংবলিত ঐতিহাসিক উপস্থাপনাকে কেন্দ্র করে বিপ্লব উদ্যানকে শুধু বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে নয়, ইতিহাস ও নাগরিক বিনোদনের সমন্বিত স্থান হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

×
ENG