বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বারোপ
নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতের আহ্বান, দেবীদ্বারে ‘প্রবাসবন্ধু ফোরাম’র ত্রৈমাসিক সভা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রকল্প “ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্টিগ্রেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্রেশন (প্রত্যাশা-২)” এর মানবিক সংগঠন “প্রবাসবন্ধু ফোরাম”র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১২টায় দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা ব্র্যাক ইমিগ্রেশন প্রত্যাশা-২ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রবাসবন্ধু ফোরামের উপজেলা সভাপতি মো. সাদেক খান মেম্বারের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ব্র্যাক ইমিগ্রেশনের সেক্টর স্পেশালিস্ট ও সাইকো সোশাল কাউন্সিলর আজরা মাসুমা।
এছাড়াও বক্তব্য দেন বারেরা ব্র্যাক ইমিগ্রেশন প্রত্যাশা-২ কার্যালয়ের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার আয়শা সিদ্দিকা, দেবীদ্বার উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, ইউপি সদস্য মুন্না মেম্বার, মো. আব্দুল গফুর মেম্বার, মো. জামাল মেম্বার, মো. আমিনুল ইসলাম মেম্বার, মো. বাবুল মেম্বার, মো. আব্দুল মতিন, ইউপি সদস্য হাসিনা আক্তার, সাহানা বেগম, বিউটি আক্তার ও মাদ্রাসা শিক্ষক শেখ মো. আব্দুল কাদেরসহ অনেকে।
সভায় অবৈধ পথে বিদেশ গমনের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর দিক নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিদেশে প্রতারণার শিকার ও ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের পুনর্বাসন, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান এবং মানসিক সহায়তা প্রদানের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে হলে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে প্রবাসবন্ধু ফোরামের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়।

শীর্ষ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
বিশ্ববাটপার ইউনুস থেকে শুরু, একের পর এক শীর্ষ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তীব্র উদ্বেগ

বিশ্ববাটপার ইউনুস চালু করেছিল মব কালচার। স্বাস্থ্য খাত থেকেও সে মব কালচার ও অবিচার থেকে এখনো বের হতে পারেনি বাংলাদেশ। দেশের স্বাস্থ্য খাতে একের পর এক খ্যাতিমান চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। সমালোচকদের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিবেচনায় দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসকদের হয়রানি, অপসারণ ও দেশত্যাগে বাধ্য করার প্রবণতা চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। তাদের দাবি, এর সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হচ্ছেন দেশের সাধারণ মানুষ।
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন শীর্ষ চিকিৎসককে ঘিরে নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে চিকিৎসক সমাজ, বিশ্লেষক এবং বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
- শীর্ষ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ
- অপসারণ নিয়ে তীব্র বিতর্ক
- দেশ ছাড়ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
- স্বাস্থ্য খাতে উদ্বেগ বাড়ছে
- চিকিৎসাসেবা নিয়ে প্রশ্ন
ডা. সামন্ত লাল সেন
সমালোচকদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের অন্যতম খ্যাতিমান প্লাস্টিক সার্জন ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। তাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই তিনি এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তকে সম্প্রতি ভারতের ত্রিপুরার একটি মেডিকেল কলেজে পাঠদান করতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সমালোচকদের দাবি, মামলা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।
প্রফেসর দ্বীন মুহাম্মদ
জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও দেশের প্রখ্যাত নিউরোলজিস্ট প্রফেসর দ্বীন মুহাম্মদকে তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসারই বহিঃপ্রকাশ।
ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ
একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক’ পদ বাতিল এবং পূর্বে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ নিয়েও ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন অনেক চিকিৎসক ও বিশ্লেষক।
চিকিৎসকদের উদ্বেগ
স্বাস্থ্য খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসকদের কর্মক্ষেত্র থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া বা বিদেশে চলে যেতে বাধ্য হওয়ার ঘটনা চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সমালোচকদের দাবি, বিশ্ববাটপার ইউনুস দেশ বিক্রি করে স্বাস্থ্যখাতের সব টাকা বিদেশ পাচার করেছেন। এই সুদখোর ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করার পরিবর্তে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের হারানোর প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেওয়া প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে আইন, বিধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে ব্যাখ্যা দিয়ে আসছে।

রহস্য উদ্ঘাটনে চলছে তদন্ত
রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে হত্যাকাণ্ড: একমাত্র জীবিত ছেলের মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি

ময়নাতদন্তে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের প্রমাণ, ধর্ষণের আলামত মেলেনি
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌর শহরে একটি ভাড়া বাসায় ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে হত্যাকাণ্ড এর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে নিহত পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনাইদ ইসলাম সিফাত (১৮) বাদী হয়ে রায়পুর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলাটি করেন।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
🚨 হাইলাইটস
- একমাত্র জীবিত ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
- ময়নাতদন্তে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে
- প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোনো আলামত মেলেনি, নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে
- সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদার গণপিটুনিতে নিহত হওয়ায় তদন্ত জটিল হয়েছে
- হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে
এদিকে শুক্রবার বিকেলে রায়পুর শহরের ধানহাটা সড়কে নিহত চারজনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় হাজারো মানুষ অংশ নেন। পরে মরদেহগুলো তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের দাফন করা হবে।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে চারটি মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. অরুপ পাল জানান, নিহতদের হাত, মাথা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহত শাহিনুর আক্তারের প্রয়াত স্বামী কামাল হোসেনের ভাই, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও অটোরিকশাচালক জামাল হোসেন মরদেহ গ্রহণ করেন।
জামাল হোসেন বলেন, প্রায় ছয় বছর আগে তার ভাই কামাল হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর শাহিনুর আক্তার চার সন্তানকে নিয়ে রায়পুর শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সন্তানরা সবাই মেধাবী ছিল। তিন মেয়ে লেখাপড়া করত এবং ছেলে জুনাইদ লেখাপড়ার পাশাপাশি গত ছয় মাস ধরে চাকরি করছিল। তিনি বলেন, ভাবি ও ভাতিজা-ভাতিজিরা মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে আসতেন। কী কারণে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা তাদের জানা নেই।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর শহরের ধানহাটা সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীর পাড়ের একটি ভাড়া বাসায় শাহিনুর আক্তার (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২০), মেঝো মেয়ে নাফিসা আক্তার ইকরা (১৬) এবং ছোট মেয়ে সিফা আক্তারকে (৯) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পর স্থানীয় জনতা সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদারকে আটক করে গণপিটুনি দিলে সেও মারা যায়। পরিবারের দাবি, অন্তর তাদের পূর্বপরিচিত ছিল। তবে হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনো উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। সন্দেহভাজন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে তদন্ত আরও জটিল হয়ে পড়েছে।
নিহত পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনাইদ ইসলাম সিফাতের ধারণা, ঘটনাটি টাকা-পয়সা বা স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যেও ঘটতে পারে। তিনি জানান, বাড়িওয়ালা অনুপস্থিত থাকলে ভাড়াটিয়ারা তার মায়ের কাছেই ভাড়া জমা দিতেন। পরে বাড়িওয়ালা এসে তা নিয়ে যেতেন। এছাড়া পুরো ভবনের দেখভালের দায়িত্বও তার মায়ের ওপর ছিল। তিনি আরও বলেন, বাসা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর সন্দেহভাজন অন্তরকে আর সেখানে আসতে দেখেননি।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, “মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।”

তীব্র গরমে মানবিক উদ্যোগ
তীব্র গরমে পথচারীদের পাশে সাপাহার মুক্ত স্কাউট, শরবত বিতরণে প্রশংসা

যানজট নিরসনের পাশাপাশি মানবিক উদ্যোগ
তীব্র গরমে তৃষ্ণার্ত পথচারীদের স্বস্তি দিতে নওগাঁর সাপাহারে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে মুক্ত স্কাউট। যানজট নিরসনের পাশাপাশি সংগঠনটির উদ্যোগে পথচারী, শ্রমজীবী মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে ঠান্ডা শরবত বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা সদরের জিরোপয়েন্ট এলাকায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় আম ব্যবসায়ী, রিকশাচালক, পথচারী, শ্রমজীবী মানুষসহ সাধারণ মানুষের হাতে শরবত তুলে দেন মুক্ত স্কাউটের সদস্যরা।
🌿 হাইলাইটস
- তীব্র গরমে পথচারীদের মাঝে ঠান্ডা শরবত বিতরণ
- সাপাহার মুক্ত স্কাউটের মানবিক উদ্যোগ
- যানজট নিরসনের কাজও করেন সদস্যরা
- প্রধান অতিথি ছিলেন সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু)
- জনকল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ঘোষণা
কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপাহার মুক্ত স্কাউটের কমিশনার ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার জাহান চৌধুরী (লাবু)। বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্ত স্কাউটের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান (কল্লোল), সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, পরিচালক সাহাবুদ্দীন এবং সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদেকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সারোয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, তীব্র গরমে পথচারীদের মাঝে শরবত বিতরণের মতো এমন মানবিক আয়োজন সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ও প্রশংসনীয়।
কর্মসূচিতে মুক্ত স্কাউটের নেতাকর্মী, সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।






















