কায়কোবাদ ও মঞ্জুর মুন্সীর কপালে ভাঁজ, মুরাদনগর–দেবীদ্বারে বিএনপির শক্ত ঘাটি বেহাত হওয়ার শঙ্কা

মুরাদনগর-দেবীদ্বার- “আসন সমঝোতায় কপাল পুড়তে পারে, কায়কোবাদ ও মঞ্জুর মুন্সীর সরাসরি অংশগ্রহণেই নির্বাচনের উত্তাপ নির্ধারিত হবে”
মুরাদনগর দেবীদ্বার নির্বাচন সামনে থাকায় কুমিল্লার মুরাদনগর ও দেবীদ্বার আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েই চলেছে। মুরাদনগরের সাবেক পাঁচবারের এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ দেশে এসে সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও গণসংযোগ শুরু করেছেন। একইভাবে দেবীদ্বারের তিনবারের সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীও এলাকায় উঠান বৈঠক ও গণসংযোগে ব্যস্ত রয়েছেন। উভয় নেতা এখন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং ভোটারদের সমস্যা শুনছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, নতুন ও অপরিচিত দল বা অজনপ্রিয় প্রার্থীদের কারণে দুই প্রভাবশালী নেতা মাঠে না নামলে নির্বাচনে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি কম হতে পারে। বিএনপির জনপ্রিয় এই দুই নেতার মনোনয়ন বঞ্চিত হলে তাদের অনুসারীরা ভোটের মাঠে না যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ফলে মুরাদনগর–দেবীদ্বার এলাকায় বিএনপির ভবিষ্যত প্রভাবও প্রশ্নবিদ্ধ।
বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের দুই সদস্য আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মো. মাহফুজ আলম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা তফসিল ঘোষণার আগে পদত্যাগ করবেন। পদত্যাগের পর উপদেষ্টা পরিষদে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জোট নিয়ে আলোচনা করেছে। তবে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ) জোটে নেওয়ার প্রস্তাব কম সমর্থন পাওয়ায় আলোচনা স্থগিত হয়েছে। এনসিপি নেতাদের মধ্যে অনেকে বিএনপির সঙ্গে জোট করতে চাইছেন, আবার কেউ স্বতন্ত্রভাবে অংশ নিতে আগ্রহী। ফলে শেষ মুহূর্তে এনসিপি ভাঙার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মুরাদনগরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশেষ। ৩৪০ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের উপজেলার ২টি থানা, ২২টি ইউনিয়ন ও ৩১৫টি গ্রাম নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের ভোটার সংখ্যা আড়াই লক্ষের বেশি। কায়কোবাদ দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় দেশের বাইরে থাকলেও স্থানীয় মানুষের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা অটুট। তিনি জাতীয় পার্টির মনোনয়নে ১৯৮৬ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপিতে যোগদান করে ২০০১ ও ২০০৮ সালে নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হন।
মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মহিউদ্দিন অঞ্জন বলেন, “কায়কোবাদকে মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশের বাইরে রাখা হলেও তার জনপ্রিয়তা কমানো যায়নি। তিনি মুরাদনগরের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক। আশা করছি তার মনোনয়ন পরিবর্তন হবে না।”
দেবীদ্বার আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে। এনসিপি মনোনয়ন দিয়েছে হাসানাত আবদুল্লাহকে। তবে আসন ভাগাভাগি হলে মুরাদনগর লড়বেন স্থানীয় সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, আর দেবীদ্বারে লড়বেন এনসিপির দক্ষিনাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসানাত আবদুল্লাহ। উভয়েরই স্থানীয় জনপ্রিয়তা সীমিত বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
মুরাদনগর দেবীদ্বার নির্বাচন নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, আসন ভাগাভাগি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণ দুই আসনের নির্বাচনী পরিস্থিতিকে অপ্রত্যাশিত মোড় দিতে পারে। জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী নেতাদের সরাসরি অংশগ্রহণ নির্বাচনী পরিবেশকে উজ্জীবিত করেছে। সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এখন কেবল অপেক্ষা করছেন, কে মাঠে থাকবে, কারা স্বতন্ত্রভাবে লড়বেন, এবং আসন ভাগাভাগি কেমন প্রভাব ফেলবে—এটি ভোটের দিনই চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণ করবে।
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আটক
মুরাদনগরে বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার, পরিবারের দাবি ‘গায়েবী মামলা’

কুমিল্লার মুরাদনগরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার পৃথক এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা সদরের নিমাইকান্দি এলাকার মো. শফিকুল ইসলাম সরকারের ছেলে মোহাম্মদ শামীম সরকার (৪৪) এবং সদর ইউনিয়নের সোনাউল্লাহ (পূর্ব) গ্রামের মৃত জারু মিয়া বেপারীর ছেলে ইব্রাহিম সরকার (৪২)।
⚡ আলোচনার কেন্দ্রে মুরাদনগরে আওয়ামী লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। |
পুলিশ জানায়, গত ৬ জুন দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলার ভিত্তিতে শনিবার রাতে মুরাদনগর থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে রোববার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তবে গ্রেপ্তার দুই নেতার স্বজন ও পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন, মামলাটি ‘গায়েবী’ এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের দাবি, কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা ছাড়াই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তারা গ্রেপ্তারকৃত দুই নেতার মুক্তি এবং মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।
পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মামলায় আসামি করা হচ্ছে। এ কারণে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ‘মব জাস্টিস’ বা জনতার হাতে আইন তুলে নেওয়া, গণপিটুনি এবং বিভিন্ন ধরনের গণসহিংসতার ঘটনা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এসব ঘটনায় প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আইনের শাসন ও বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনগুলোর মতে, বিচারবহির্ভূত সামাজিক প্রতিক্রিয়া বা জনতার বিচারের সংস্কৃতি আইনের শাসনের জন্য হুমকি হতে পারে।
অন্যদিকে পুলিশ বলছে, মামলার তদন্ত ও প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, “আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ শামীম সরকার ও ইব্রাহিম সরকারকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মাঠে কাজ, প্রাণ গেল
সিংগাইরে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

মাঠে কাজ করার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের কাঞ্চননগর এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
রোববার সন্ধ্যায় সিংগাইরের কাঞ্চননগর এলাকায় কৃষিকাজ করার সময় বজ্রপাতে
কবির হোসেন (৩০) ও শহিদুল ইসলাম (২৫) নামে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতরা হলেন কাঞ্চননগর গ্রামের নেওয়াজ উদ্দিনের ছেলে কবির হোসেন (৩০) এবং রফি মিস্ত্রির ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৫)। তারা দুজনই কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রোববার বিকেলে নিজ নিজ জমিতে কৃষিকাজ করছিলেন কবির ও শহিদুল। এ সময় হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির মধ্যেই মাঠে অবস্থানকালে আকস্মিক বজ্রপাতে তারা গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকার জামাল ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বৈরী আবহাওয়ার সময় খোলা মাঠ, জলাশয় ও উঁচু স্থানে অবস্থান না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
নিখোঁজের পর মিলল লাশ
টিসি দেওয়ার কয়েকদিন পরই নিখোঁজ ছাত্রী, ৬ দিন পর কবরস্থানের ঝোপে মিলল খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ছয় দিন পর এক স্কুলছাত্রীর খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিখোঁজের ছয় দিন পর কবরস্থানসংলগ্ন ঝোপ থেকে স্কুলছাত্রীর খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
ঘটনার আগে বিদ্যালয়ে শৃঙ্খলাজনিত একটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়া হয়েছিল।
তদন্তের অংশ হিসেবে এক শিক্ষার্থীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার জামির্তা ইউনিয়নের চন্দননগর এলাকার একটি কবরস্থানসংলগ্ন ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহত কিশোরী উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের সাহরাইল উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
পুলিশ, বিদ্যালয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুন বিদ্যালয়ের টিফিন বিরতির সময় একটি শ্রেণিকক্ষে ওই ছাত্রী ও দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ঘিরে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ ওঠে।
বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে বিষয়টি ধরা পড়ার পর উভয় শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ডেকে সতর্ক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুই শিক্ষার্থীকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দিয়ে প্রতিষ্ঠান ছাড়ার নির্দেশ দেয় বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পরপরই ওই ছাত্রী নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সে নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি রেখে যায়।
এরপর আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজের ছয় দিন পর রোববার বিকেলে চন্দননগর এলাকার একটি কবরস্থানের পাশে ঝোপের মধ্যে মরদেহের অংশ দেখতে পান স্থানীয়রা।
পরে তারা পুলিশে খবর দিলে সিংগাইর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে নিহতের স্বজনরা মরদেহটি নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর বলে শনাক্ত করেন। পরে সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কীভাবে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে—সেসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার দ্রুত হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছে।


















