শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ২:০০ পিএম
সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

আজ সকাল সাড়ে ১১টায় ফুলবাড়ীয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন সাংবাদিকরা। ছবি: আজকের কথা

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ড, চান্দনা চৌরাস্তায় সংঘটিত হত্যার ঘটনায় দ্রুত আসামি গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম

সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ড- দ্রুত বিচার ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের দাবিতে শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থানীয় সাংবাদিকরা এ কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে ফুলবাড়িয়া ছাড়াও জেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্ অংশগ্রহণ করেন। এক ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দেখা গেলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, যা প্রশাসনের ব্যর্থতা। তারা অবিলম্বে আসামিদের গ্রেপ্তার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ফুলবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম, সাংবাদিক নূরুল ইসলাম খান, কবীর উদ্দিন সরকার হারুন, এনায়েতুর রহমান, রফিকুল ইসলাম মানিক, শহীদুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম তরফদার প্রমুখ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ৫ ধভাই ও ২ বোনের মধ্যে আসাদুজ্জামান তুহিন ছিলেন সবার ছোট। ২০০৫ সাল থেকে তিনি পরিবার নিয়ে গাজীপুরের চান্দনা এলাকায় বসবাস করছিলেন। ক্লিনিক ব্যবসার পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে তিনি সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত ছিলেন।

সাংবাদিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

এলাকার খবর

মাদকমুক্ত সমাজের প্রত্যয়

শ্রীকাইলে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনসমাবেশ

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
শ্রীকাইলে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনসমাবেশ

মাদক প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে ইউনিয়ন সমাজ সংস্কার ফোরামের উদ্যোগে এক জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টায় সোনাকান্দা দারুল হুদা বহুমুখী কামিল মাদ্রাসা মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফের পীর ও অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, মাদকমুক্ত ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সমাজ সংস্কার ফোরামের মাধ্যমে মুরাদনগরসহ সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, শুধু পীরগীরির মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে সমাজের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে তিনি সর্বদা প্রস্তুত।

  হাইলাইটস

  • শ্রীকাইলে মাদকবিরোধী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত
  • নৈতিক সমাজ গঠনের আহ্বান
  • মাদক প্রতিরোধে সামাজিক ঐক্যের ওপর গুরুত্ব
  • বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ
  • তরুণদের রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান

শ্রীকাইল কৃষ্ণকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাছির উদ্দিন, মাওলানা সাইদুল ইসলাম ও ডা. মোশাররফ হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী, শ্রীকাইল কলেজ গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি মনিরুল হক জর্জ, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক (অব.) শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য, উপাধ্যক্ষ মিয়া গোলাম সারোয়ার, শ্রীকাইল কে. কে. উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল মোমেন, শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল বাহার, সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বশীর, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আলমগীর সরকার, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. আবু মোছা, মো. সফিকুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা এবং ডা. নাজমুস সাকিবসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য অন্যতম বড় হুমকি। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।

জনসমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

প্রশাসনের তৎপরতায় ফিরল নাফিসা

কক্সবাজার যাওয়ার পথে কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে শিশুকন্যাকে রেখে চলে গেল পাকিস্তানি পরিবার, প্রশাসনের তৎপরতায় নিরাপদে ফিরল নাফিসা

ফাহিমা বেগম প্রিয়া, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ পিএম
কক্সবাজার যাওয়ার পথে কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে শিশুকন্যাকে রেখে চলে গেল পাকিস্তানি পরিবার, প্রশাসনের তৎপরতায় নিরাপদে ফিরল নাফিসা

ভুলে রেখে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার

কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে গিয়ে ভুলবশত নিজেদের শিশুকন্যাকে রেখে চলে যায় পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে আসা একটি পরিবার। পরে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিরাপদে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় পাকিস্তানি শিশুকন্যা নাফিসাকে তার পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

   হাইলাইটস

  • কক্সবাজার যাওয়ার পথে রেস্টুরেন্টে থেকে যায় শিশুকন্যা
  • জাইতুন রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়
  • প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ
  • কর্ণফুলী টানেলে পৌঁছে শিশুর অনুপস্থিতি টের পায় পরিবার
  • নিরাপদে নাফিসাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শিশুটির নাম নাফিসা। পাকিস্তানের কাশ্মীর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশ ভ্রমণে এসে তারা সড়কপথে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে পরিবারের প্রায় ১৫ সদস্য দুটি গাড়িতে করে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে যান। নাস্তা শেষে তাড়াহুড়ার মধ্যে সবাই গাড়িতে উঠে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিলেও ভুলবশত শিশু নাফিসা রেস্টুরেন্টেই থেকে যায়।

রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা নাস্তার সময় গল্প-আড্ডায় ব্যস্ত ছিলেন। পরে দুটি গাড়িতে করে তারা রেস্টুরেন্ট ত্যাগ করেন, কিন্তু শিশুটি সেখানে রয়ে যায়।

জাইতুন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন জানান, পরিবারের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর রেস্টুরেন্টে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে তারা তাকে নিজেদের হেফাজতে নেন এবং বিষয়টি সদর দক্ষিণ থানাকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়।

সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দ্রুত ফিরে আসেন। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে শিশুটিকে নিরাপদে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায় জানান, শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল পরিবারটি কাশ্মীরের বাসিন্দা। পরে তারা শিশুটিকে নিতে এলে জানা যায়, তারা পাকিস্তানের নাগরিক এবং সপরিবারে বাংলাদেশ ভ্রমণে এসেছেন।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের একটি গাড়িতে ছিলেন শিশুটির বাবা-মা এবং অন্য গাড়িতে ছিলেন দাদা-দাদি। বাবা-মা ভেবেছিলেন নাফিসা দাদা-দাদির সঙ্গে রয়েছে, আর দাদা-দাদি মনে করেছিলেন সে বাবা-মায়ের গাড়িতে উঠেছে। এই ভুল বোঝাবুঝির কারণেই শিশুটি রেস্টুরেন্টে থেকে যায়।

ইউএনও জানান, পরিবারটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় পৌঁছানোর পর শিশুটিকে না দেখে বিষয়টি বুঝতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লার দিকে ফিরে আসে। এরই মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা অফিস তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির নিরাপদ অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে পরিবারটি জাইতুন রেস্টুরেন্টে এসে নাফিসাকে নিয়ে পুনরায় কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

কারবালার শিক্ষা স্মরণে

দেবীদ্বারে ১০ মহরম উপলক্ষে শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে মিলাদ মাহফিল

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৬:৩২ পিএম
দেবীদ্বারে ১০ মহরম উপলক্ষে শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে মিলাদ মাহফিল

কুমিল্লার দেবীদ্বারে পবিত্র ১০ মহরম উপলক্ষে শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে মিলাদ মাহফিল, জিকির, গজল এবং তবারুক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত উপজেলার ৩ নম্বর সুবিল ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামে এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কারবালার শিক্ষা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকার আহ্বান

মাইজভান্ডার শরীফের ভক্ত সুফিবাদ গবেষণা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সুফি মোবারক হোসেন মুরাদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভান্ডার শরীফের খলিফা শাকরা দরবার শরীফের আওলাদ সৈয়দ গোলাম মহিউদ্দিন আল শাকরাপুরী।

   হাইলাইটস

  • দেবীদ্বারে ১০ মহরম উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল
  • কারবালার শিক্ষা তুলে ধরেন অতিথিরা
  • অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান
  • সারা রাত জিকির, গজল ও দোয়া অনুষ্ঠিত
  • মাহফিল শেষে তবারুক বিতরণ করা হয়

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার এবং ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব মোর্শেদ ভূঁইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ গোলাম মহিউদ্দিন আল শাকরাপুরী বলেন, কারবালার মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে স্বৈরাচারী ও অনৈসলামিক শাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে। ইয়াজিদের অবৈধ ক্ষমতা ও স্বৈরাচারের কাছে আনুগত্য স্বীকার না করে ইমাম হুসাইন (আ.) জীবন বিসর্জন দিয়ে শিখিয়ে গেছেন যে, অন্যায় ও অসত্যের কাছে কখনও মাথানত করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, কারবালার মর্মান্তিক বিয়োগান্তক ঘটনা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর শোক ও বেদনার। শিয়া ও সুন্নি—উভয় সম্প্রদায়ের মুসলমানই ইমাম হুসাইন (আ.) ও তাঁর সঙ্গীদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁদের শাহাদাত সকল মুসলমানকে অবিচার, জুলুম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার বলেন, কারবালার ঘটনা শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি বা যুদ্ধ নয়; এটি একটি চিরন্তন আদর্শ। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়া এবং মানবকল্যাণে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শিক্ষা কারবালা যুগে যুগে মানবজাতিকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।

অনুষ্ঠানে কারবালার তাৎপর্য ও শোহাদায়ে কারবালার আত্মত্যাগের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সারা রাত জিকির-আশকার, গজল, ইসলামী সঙ্গীত ও দোয়া-মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মাহফিলের সমাপ্তি হয়। শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×
CLOSE X