বাহুবলে কিশোরী আহতের ঘটনা নতুন মোড়, মামলায় নির্দোষদের জড়ানোর অভিযোগ
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পূর্ব জয়পুর গ্রামে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক কিশোরী গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে পরিস্থিতি। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় নির্দোষ ব্যক্তিদের জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে, যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৪ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে পূর্ব জয়পুর গ্রামের শামসু মিয়ার স্ত্রী সেলিনা বেগম, আব্দুর রহমানের স্ত্রী হাসিনা বেগম এবং আব্দুল হাই ওরফে কুটির স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় আব্দুল হাইয়ের মেয়ে গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত হন।
ঘটনার সময় বাহুবল মডেল থানার অধীন কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
এদিকে, মামলায় আহত কিশোরীকে স্কুলছাত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হলেও স্থানীয়দের দাবি, তিনি কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী নন। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
ঘটনার পর আব্দুল হাই বাদী হয়ে ৭০ বছর বয়সী টেনু মিয়া, তার ছেলে খোকন মিয়া এবং মেয়ে দিলারা খাতুনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ উঠেছে, টাকার বিনিময়ে নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, মামলায় দৈনিক মানবকণ্ঠ ও দৈনিক গণকণ্ঠ পত্রিকার সাংবাদিক নাজমুল ইসলাম হৃদয়কেও আসামি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না; বরং একটি মিষ্টির দোকানে অবস্থান করছিলেন এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজে তার উপস্থিতির প্রমাণ রয়েছে।
এ ব্যাপারে বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।





















