হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনীতে উমালোচনে ফিরে দেখা শৈশব-কৈশোর

হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী—এই অনুভব নিয়েই বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বাঙ্গরা উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৮৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো। স্মৃতির টানে শত ব্যস্ততা পেরিয়ে তারা ফিরে এলেন সেই প্রিয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে, যেখানে লেখা হয়েছিল তাদের জীবনের শুরু অধ্যায়। শনিবার, ১৪ জুন কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন উমালোচন উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনব্যাপী নানা আয়োজনে এ পুনর্মিলনী উদযাপন করা হয়।
বিদ্যালয়ের ৮৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের তত্বাবধানে এবং প্রধান শিক্ষক মো: মাহবুবুর রহমান সেলিম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক সাহানুর আলম খান ও ৯০ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো: মিজানুর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীকাইল সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মিয়া মোহাম্মদ গোলাম সারোয়ার।
সকালে শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক শিক্ষক স্বপন চন্দ্র লোদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অনেকেই, যারা এই বিদ্যালয়ের গর্ব এবং ইতিহাসের অংশ—প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আ: রহমান ভুইয়া, অধ্যক্ষ মো: খলিল আখন্দ, প্রধান শিক্ষক এম এ মতিন সরকার, সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার আবদুল কাইয়ূম, এডহক কমিটির সভাপতি মাওলানা সফিকুল ইসলাম ভুইয়া প্রমুখ।

দিনভর এই হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী যেন এক আবেগঘন স্মৃতির পুনর্জন্ম। পুরোনো বন্ধুদের হাসি, আলাপ, ছবি তোলা আর স্মৃতিচারণায় মুখর হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। সাংস্কৃতিক পর্বে গান, কবিতা, নাটক ছিল মনকাড়া। মো: শাহ আলম চৌধুরীর উপস্থাপনায় “নতুন ডকুমেন্টারী” নতুন প্রজন্মের মাঝে বিদ্যালয়ের ইতিহাস তুলে ধরে।
সঞ্চালক মিজানুর রহমান সরকার দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা গ্রহণ করেন। অতিথিদের মধ্যে ছিলেন আলহাজ্ব আনিসুর রহমান খান, আবু কাউছার মিয়াসহ আরও অনেকে।
হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী উপলক্ষে বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে ছিল হাসিমুখ, ভালোবাসা, আর একে অপরকে জড়িয়ে ধরার মুহূর্ত। মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের সুনিপুণ ব্যবস্থাপনায় দিনব্যাপী এই মিলনমেলা পরিণত হয় এক অপূর্ব স্মৃতিময়তায়। অনুষ্ঠান শেষে বিদায় বেলায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা প্রতিজ্ঞা করেন—এই বন্ধন কখনো ছিন্ন হবে না।
“হৃদয়গ্রাহী পুনর্মিলনী” সত্যিই একটি উজ্জীবিত এবং আবেগমাখা উদযাপন। দীর্ঘ দিনের ব্যবধান পেরিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আবার একত্রিত হয়ে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে স্মৃতির ভেলা ভাসিয়েছে। বন্ধুত্বের বন্ধন নতুন মাত্রা পেয়েছে, সবার মুখে হাসি ফোটেছে। মঞ্চে গান, কবিতা, নাট্য পরিবেশনায় ঘটে প্রত্যেকের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া মুহূর্ত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মিলনমেলা আমাদের অতীত ও বর্তমানকে আরও মজবুত করবে বলে বিশ্বাস করি।

মাদকমুক্ত সমাজের প্রত্যয়
শ্রীকাইলে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে জনসমাবেশ

মাদক প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে ইউনিয়ন সমাজ সংস্কার ফোরামের উদ্যোগে এক জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টায় সোনাকান্দা দারুল হুদা বহুমুখী কামিল মাদ্রাসা মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফের পীর ও অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, মাদকমুক্ত ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সমাজ সংস্কার ফোরামের মাধ্যমে মুরাদনগরসহ সারা দেশে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, শুধু পীরগীরির মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ না রেখে সমাজের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকতে তিনি সর্বদা প্রস্তুত।
হাইলাইটস
- শ্রীকাইলে মাদকবিরোধী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত
- নৈতিক সমাজ গঠনের আহ্বান
- মাদক প্রতিরোধে সামাজিক ঐক্যের ওপর গুরুত্ব
- বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ
- তরুণদের রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
শ্রীকাইল কৃষ্ণকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নাছির উদ্দিন, মাওলানা সাইদুল ইসলাম ও ডা. মোশাররফ হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী, শ্রীকাইল কলেজ গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি মনিরুল হক জর্জ, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক (অব.) শ্যামা প্রসাদ ভট্টাচার্য, উপাধ্যক্ষ মিয়া গোলাম সারোয়ার, শ্রীকাইল কে. কে. উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল মোমেন, শ্রীকাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল বাহার, সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বশীর, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আলমগীর সরকার, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. আবু মোছা, মো. সফিকুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা এবং ডা. নাজমুস সাকিবসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, মাদক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য অন্যতম বড় হুমকি। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগেই মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।
জনসমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

প্রশাসনের তৎপরতায় ফিরল নাফিসা
কক্সবাজার যাওয়ার পথে কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে শিশুকন্যাকে রেখে চলে গেল পাকিস্তানি পরিবার, প্রশাসনের তৎপরতায় নিরাপদে ফিরল নাফিসা

ভুলে রেখে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার
কক্সবাজার ভ্রমণে যাওয়ার পথে কুমিল্লায় রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে গিয়ে ভুলবশত নিজেদের শিশুকন্যাকে রেখে চলে যায় পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে বেড়াতে আসা একটি পরিবার। পরে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিরাপদে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুজন চন্দ্র রায় পাকিস্তানি শিশুকন্যা নাফিসাকে তার পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। এ সময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
হাইলাইটস
- কক্সবাজার যাওয়ার পথে রেস্টুরেন্টে থেকে যায় শিশুকন্যা
- জাইতুন রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়
- প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ
- কর্ণফুলী টানেলে পৌঁছে শিশুর অনুপস্থিতি টের পায় পরিবার
- নিরাপদে নাফিসাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শিশুটির নাম নাফিসা। পাকিস্তানের কাশ্মীর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশ ভ্রমণে এসে তারা সড়কপথে কক্সবাজার যাচ্ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার সকালে পরিবারের প্রায় ১৫ সদস্য দুটি গাড়িতে করে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্টুরেন্টে নাস্তা করতে যান। নাস্তা শেষে তাড়াহুড়ার মধ্যে সবাই গাড়িতে উঠে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দিলেও ভুলবশত শিশু নাফিসা রেস্টুরেন্টেই থেকে যায়।
রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পরিবারের সদস্যরা নাস্তার সময় গল্প-আড্ডায় ব্যস্ত ছিলেন। পরে দুটি গাড়িতে করে তারা রেস্টুরেন্ট ত্যাগ করেন, কিন্তু শিশুটি সেখানে রয়ে যায়।
জাইতুন রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন জানান, পরিবারের সদস্যরা চলে যাওয়ার পর রেস্টুরেন্টে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে তারা তাকে নিজেদের হেফাজতে নেন এবং বিষয়টি সদর দক্ষিণ থানাকে অবহিত করেন। পরে পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়।
সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দ্রুত ফিরে আসেন। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে শিশুটিকে নিরাপদে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায় জানান, শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল পরিবারটি কাশ্মীরের বাসিন্দা। পরে তারা শিশুটিকে নিতে এলে জানা যায়, তারা পাকিস্তানের নাগরিক এবং সপরিবারে বাংলাদেশ ভ্রমণে এসেছেন।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের একটি গাড়িতে ছিলেন শিশুটির বাবা-মা এবং অন্য গাড়িতে ছিলেন দাদা-দাদি। বাবা-মা ভেবেছিলেন নাফিসা দাদা-দাদির সঙ্গে রয়েছে, আর দাদা-দাদি মনে করেছিলেন সে বাবা-মায়ের গাড়িতে উঠেছে। এই ভুল বোঝাবুঝির কারণেই শিশুটি রেস্টুরেন্টে থেকে যায়।
ইউএনও জানান, পরিবারটি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল এলাকায় পৌঁছানোর পর শিশুটিকে না দেখে বিষয়টি বুঝতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লার দিকে ফিরে আসে। এরই মধ্যে উপজেলা সমাজসেবা অফিস তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিশুটির নিরাপদ অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। পরে পরিবারটি জাইতুন রেস্টুরেন্টে এসে নাফিসাকে নিয়ে পুনরায় কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করে।

কারবালার শিক্ষা স্মরণে
দেবীদ্বারে ১০ মহরম উপলক্ষে শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে মিলাদ মাহফিল

কুমিল্লার দেবীদ্বারে পবিত্র ১০ মহরম উপলক্ষে শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে মিলাদ মাহফিল, জিকির, গজল এবং তবারুক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত উপজেলার ৩ নম্বর সুবিল ইউনিয়নের শিবনগর গ্রামে এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কারবালার শিক্ষা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকার আহ্বান
মাইজভান্ডার শরীফের ভক্ত সুফিবাদ গবেষণা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সুফি মোবারক হোসেন মুরাদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভান্ডার শরীফের খলিফা শাকরা দরবার শরীফের আওলাদ সৈয়দ গোলাম মহিউদ্দিন আল শাকরাপুরী।
হাইলাইটস
- দেবীদ্বারে ১০ মহরম উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল
- কারবালার শিক্ষা তুলে ধরেন অতিথিরা
- অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান
- সারা রাত জিকির, গজল ও দোয়া অনুষ্ঠিত
- মাহফিল শেষে তবারুক বিতরণ করা হয়
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার এবং ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব মোর্শেদ ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ গোলাম মহিউদ্দিন আল শাকরাপুরী বলেন, কারবালার মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে স্বৈরাচারী ও অনৈসলামিক শাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে। ইয়াজিদের অবৈধ ক্ষমতা ও স্বৈরাচারের কাছে আনুগত্য স্বীকার না করে ইমাম হুসাইন (আ.) জীবন বিসর্জন দিয়ে শিখিয়ে গেছেন যে, অন্যায় ও অসত্যের কাছে কখনও মাথানত করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, কারবালার মর্মান্তিক বিয়োগান্তক ঘটনা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর শোক ও বেদনার। শিয়া ও সুন্নি—উভয় সম্প্রদায়ের মুসলমানই ইমাম হুসাইন (আ.) ও তাঁর সঙ্গীদের আত্মত্যাগকে সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁদের শাহাদাত সকল মুসলমানকে অবিচার, জুলুম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেবীদ্বার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান বাশার বলেন, কারবালার ঘটনা শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি বা যুদ্ধ নয়; এটি একটি চিরন্তন আদর্শ। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়া এবং মানবকল্যাণে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শিক্ষা কারবালা যুগে যুগে মানবজাতিকে অনুপ্রাণিত করে যাবে।
অনুষ্ঠানে কারবালার তাৎপর্য ও শোহাদায়ে কারবালার আত্মত্যাগের শিক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সারা রাত জিকির-আশকার, গজল, ইসলামী সঙ্গীত ও দোয়া-মোনাজাতের মধ্য দিয়ে মাহফিলের সমাপ্তি হয়। শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়।

















