সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের আয়ু হবে ১,০০০ বছর: দাবি বিজ্ঞানীদের

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ১:৪৭ পিএম
২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের আয়ু হবে ১,০০০ বছর: দাবি বিজ্ঞানীদের

২০৪৫ সালের মধ্যে মানুষের সঙ্গে মেশিনের প্রকৃত একীভূত ঘটবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। ছবি: আইডিওগ্রাম

সংবাদের মূল সারসংক্ষেপ

  • ২০৫০ সালে মানুষের আয়ু ১০০০ বছর: বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যদ্বাণী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে ২০৫০ সালে মানুষের আয়ু ১০০০ বছর হতে পারে বলে দাবি করেছেন বিশ্বখ্যাত ফিউচারিস্ট রে কারজওয়াইল, ইয়ান পিয়ারসন ও অবারি ডি গ্রে।
  • তাঁদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানোটেকনোলজি, জিন প্রকৌশল ও রোবোটিকস মানুষের জীবনকালকে বিপ্লবীভাবে বাড়িয়ে তুলবে।
  • ২০৪৫ সালের মধ্যে মানুষের সঙ্গে মেশিনের প্রকৃত একীভূত ঘটবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

২০৫০ সালে মানুষের আয়ু ১০০০ বছর: বিজ্ঞানীদের ভবিষ্যদ্বাণী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে ২০৫০ সালে মানুষের আয়ু ১০০০ বছর হতে পারে বলে দাবি করেছেন বিশ্বখ্যাত ফিউচারিস্ট রে কারজওয়াইল, ইয়ান পিয়ারসন ও অবারি ডি গ্রে। তাঁদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানোটেকনোলজি, জিন প্রকৌশল ও রোবোটিকস মানুষের জীবনকালকে বিপ্লবীভাবে বাড়িয়ে তুলবে।

২০৫০ সালে মানুষের আয়ু ১,০০০ বছর
২০৪৫ সালের মধ্যে মানুষের সঙ্গে মেশিনের প্রকৃত একীভূত ঘটবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। ছবি: আইডিওগ্রাম

কম্পিউটার বিজ্ঞানী রে কারজওয়াইল বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে এআই মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাবে—যা ‘সিঙ্গুলারিটি’ নামে পরিচিত। আর ২০৪৫ সালের মধ্যে মানুষের মস্তিষ্ক ও মেশিনের পূর্ণ একীভূত ঘটবে। এর মধ্যে থাকবে ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস, ক্লাউডভিত্তিক সচেতনতা এবং শরীরে ন্যানোবট, যা রোগ প্রতিরোধ ও বার্ধক্য রোধে কাজ করবে।

অবারি ডি গ্রে বার্ধক্যকে একটি চিকিৎসাযোগ্য রোগ হিসেবে দেখেন এবং বিশ্বাস করেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বার্ধক্য পুরোপুরি সারানো সম্ভব হবে। তাঁর মতে, দীর্ঘায়ু মানুষকে জীবন থেকে উদাসীন করে তুলবে—এ ধারণা ভুল।

ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ইয়ান পিয়ারসনের ধারণা, প্রথমদিকে কেবল ধনীরাই এই প্রযুক্তির সুবিধা পাবেন। জিন প্রকৌশল ও ডিজিটাল চেতনাকে কৃত্রিম দেহে স্থানান্তরের মাধ্যমে তারা হাজার বছরের আয়ু পেতে পারেন। তবে সময়ের সাথে এটি মধ্যবিত্তদের কাছেও পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদী।

তবে সমালোচকেরা বলছেন, প্রযুক্তি একা সব সমস্যার সমাধান নয়। ২০২৪ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, দারিদ্র্যের মতো জটিল সমস্যায় বহুস্তরীয় সমাধান দরকার, যেখানে প্রযুক্তি কেবল একটি অংশ।

প্রযুক্তি-নির্ভর এই ‘অমরত্বের স্বপ্ন’ বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে গবেষকদের দৃঢ় বিশ্বাস, ২০৫০ সালের মধ্যে মানুষের আয়ু ১০০০ বছর—এটি কেবল কল্পনা নয়, হতে পারে বাস্তবতার দ্বারপ্রান্তে।

তথসূত্র

সর্বশেষ সংবাদের জন্য যুক্ত থাকুন:
সম্পাদকীয় নোট

প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী

সম্পাদক- দৈনিক আজকের কথা
এলাকার খবর

অপ্রতিম হত্যার রেশ কাটেনি, কুমিল্লায় আবারো কলেজছাত্রী অপহরণ কুমিল্লায়

আজকের কথা ডেস্ক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫২ এএম
অপ্রতিম হত্যার রেশ কাটেনি, কুমিল্লায় আবারো কলেজছাত্রী অপহরণ কুমিল্লায়

“অটোরিকশা থামিয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, ৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার”

কুমিল্লা নগরীতে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে আনিসা তাছনিম তনয়া (১৮) নামে এক কলেজছাত্রীকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পর নগরীর আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

এ ঘটনায় অনন্য চৌধুরী (২১) নামে এক তরুণসহ অজ্ঞাত আরও ২ থেকে ৩ জনের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তনয়ার বাবা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতেই তিনি এ অভিযোগ করেন।

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, তনয়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত অনন্য তাদের প্রতিবেশী। পরিবারের অভিযোগ, গত ৩ থেকে ৪ দিন ধরে কলেজ ও প্রাইভেটে যাতায়াতের পথে এবং বাসার সামনে অনন্য তনয়াকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও হয়রানি করে আসছিলেন। বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তের মাকে জানানো হলেও কোনো সমাধান হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার বিকেল পৌনে ৬টার দিকে তনয়ার মা তাকে অটোরিকশায় তুলে সরকারি মহিলা কলেজের সামনে প্রাইভেট পড়তে পাঠান। পথে পুলিশ লাইন মোড় এলাকায় অনন্য চৌধুরীসহ অজ্ঞাত ২ থেকে ৩ জন অটোরিকশাটির গতিরোধ করেন। পরে তারা তনয়াকে টেনে-হিঁচড়ে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে একটি গাড়িতে তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ে তনয়া বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে শুরু করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আলেখারচর বিশ্বরোডের ওষুধ মার্কেট এলাকার একটি দোকানের সামনে তনয়াকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় এক দোকানদার। পরে ওই দোকানদার নিজের মোবাইল ফোন থেকে তনয়ার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। খবর পেয়ে স্বজনরা অটোরিকশাযোগে সেখানে গিয়ে তাকে বাসায় নিয়ে আসেন।

পরিবারের দাবি, উদ্ধারের পর তনয়া তাদের জানান, তাকে একটি গাড়িতে করে আলেখারচর এলাকার একটি বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং কলেজ ব্যাগে থাকা বই-খাতা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

পরিবারের আরও দাবি, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তনয়ার মুখ বেঁধে তাকে আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় ফেলে যাওয়া হয়।

এদিকে তনয়াকে উদ্ধারের পর রোববার রাতে হালিমা আক্তার তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ তনয়াকে পাওয়া গেছে। ও আমার আন্টির মেয়ে। ওর নামে উল্টাপাল্টা বলবেন না, ও বিবাহিত। আর ওরে কিডন্যাপ করা হয়েছিল।”

দৈনিক আজকের কথা
আলহামদুলিল্লাহ, তনয়াকে পাওয়া গেছে। সে আমার আন্টির মেয়ে। তার নামে উল্টাপাল্টা কিছু বলবেন না। সে বিবাহিত। তাকে কিডন্যাপ করা হয়েছিল। বিস্তারিত আগামীকাল বলা যাবে। পুরো পরিবার এখন থানায় রয়েছে। তনয়াকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ।
— হালিমা আক্তার
তনয়ার স্বজন

পোস্টে হালিমা আক্তার আরও জানান, এ বিষয়ে বিস্তারিত পরদিন বলা যাবে এবং পুরো পরিবার থানায় রয়েছে। দ্রুত তনয়াকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদও জানান তিনি।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন তনয়ার বাবা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন।

সোমবার সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, “এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।”

তবে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৯ এএম
দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা: জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ও প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার

ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদ, পরে মামলায় গ্রেপ্তার

আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।

তিনি জানান, শেরেবাংলা নগর থানায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

দৈনিক আজকের কথা
মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
— মো. ইবনে মিজান
উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি), তেজগাঁও বিভাগ, ডিএমপি

এর আগে রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। পরে সিআইডির ফরেনসিক টিমকে ঘটনাস্থলে ডাকা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় রোববার রাতে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। পরে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ কী এবং এ ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না—তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর যাচ্ছে সংশোধনাগারে, কারাগারে দুই আসামি

খাদিজা বেগম, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৯ এএম
অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর যাচ্ছে সংশোধনাগারে, কারাগারে দুই আসামি

চার আসামির তিনজনের স্বীকারোক্তি, মোবাইল ছিনিয়ে নিতেই হত্যার দাবি পুলিশের

কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকবে।

রোববার রাতে অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, চার আসামিকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালত মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসানকে (১৬) সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন। তাদের সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকবে। তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, সিয়াম এ মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে রয়েছে।

রোববার রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান জানান, একটি হত্যা মামলায় পুলিশ চার আসামিকে কারাগারে হস্তান্তর করেছে। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।

দৈনিক আজকের কথা
মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে।
— মো. আনিসুজ্জামান
পুলিশ সুপার, কুমিল্লা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়। অপ্রতিম স্থানীয় বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে অপ্রতিম বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, “শুক্রবার জুমার নামাজের পর অপ্রতিম আমাদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খায়। পরে বন্ধুদের সঙ্গে আইফোন দিয়ে ছবি তুলতে বাইরে যেতে চায়। কিন্তু আর ফিরে আসেনি।”

রোববার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে রোববার রাতে সিয়াম ছাড়া অপর তিন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।

×
ENG