সিলেট সফরে সহজ-সাবলীল মুহূর্তে মুগ্ধ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
বৃষ্টিতে স্ত্রীর হাত ধরে হাঁটা—তারেক রহমানের ভাইরাল ছবি নিয়ে আলোচনা

তারেক রহমানের ভাইরাল ছবি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সিলেট সফরকালে বৃষ্টিভেজা এক মুহূর্তে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের হাত ধরে হাঁটার একটি ছবি ইতোমধ্যেই নেটিজেনদের দৃষ্টি কেড়েছে।
শনিবার ২ মে সিলেট সফরের অংশ হিসেবে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে বের হওয়ার সময় এই মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি হয়। ছবিতে দেখা যায়, বৃষ্টির মধ্যে এক হাতে ছাতা ধরে অন্য হাতে স্ত্রীর হাত ধরে হাঁটছেন তিনি।
এই সাধারণ অথচ হৃদয়ছোঁয়া দৃশ্যটি খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ছবিটিকে একটি মানবিক ও পারিবারিক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন, যেখানে জনজীবনের ব্যস্ততার মাঝেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে।
তারেক রহমানের ভাইরাল এই ছবি নিয়ে ফেসবুক, এক্সসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। কেউ এটিকে দাম্পত্য জীবনের একটি সুন্দর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করছেন, আবার কেউ বলছেন—এ ধরনের সাধারণ আচরণই মানুষকে বেশি কাছাকাছি নিয়ে আসে।
ছবিতে দেখা যায়, কোনো আনুষ্ঠানিকতা বা প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে তিনি নিজেই ছাতা বহন করছেন এবং স্ত্রীর পাশে থেকে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন। অনেকের মতে, এই সহজ-সরল আচরণই ছবিটিকে আলাদা করে তুলেছে।
এদিকে, তারেক রহমানের ভাইরাল ওই ছবি শেয়ার করে অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী বিভিন্ন মন্তব্য করছেন। বিশেষ করে নারী ব্যবহারকারীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে। কেউ কেউ মজার ছলে নিজেদের পরিচিতদের ট্যাগ করে একই ধরনের আচরণের প্রত্যাশা প্রকাশ করছেন।
আবার অনেকেই বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে বলছেন, একজন ব্যস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মধ্যেও পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি যত্ন ও সম্মানবোধ থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এই ছবি সেই দিকটিকেই সামনে নিয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করেন তারা।
কিছু ব্যবহারকারী হাস্যরসের মাধ্যমে বলছেন, এই একটি ছবিই নাকি অনেকের জন্য নতুন ধরনের ‘স্ট্যান্ডার্ড’ তৈরি করে দিয়েছে। বৃষ্টির দিনে ছাতা ধরা কিংবা সঙ্গীর পাশে থাকা নিয়ে মজার আলোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।
তবে সমালোচনামূলক মন্তব্যও একেবারে অনুপস্থিত নয়। কেউ কেউ বিষয়টিকে শুধুই একটি সাধারণ মুহূর্ত হিসেবে দেখার আহ্ববান করে প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের ভাইরাল এ ছবি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যক্তিগত একটি মুহূর্ত কীভাবে জনআলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে, এই ঘটনাটি তারই একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ছুটিতে মুখর সমুদ্র সৈকত
কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড়, বাড়ছে সাগর-ঢেউ দেখার আকর্ষণ

Oplus_16908288
সপ্তাহের ছুটি ও অনুকূল আবহাওয়ার সুযোগে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা। সাগরের গর্জন, উত্তাল ঢেউ, সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এবং উন্নত পর্যটনসেবা ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করছে।
সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটায় পর্যটকের ভিড় দিন দিন বাড়ছে পর্যটকের উপস্থিতি। সপ্তাহান্তের ছুটি এবং অনুকূল মৌসুমি আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ভ্রমণপ্রেমীরা ছুটে আসছেন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই পর্যটনকেন্দ্রে।
স্থানীয় হোটেল ও মোটেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে পর্যটকদের চাপ বেড়ে যাওয়ায় আবাসিক কক্ষের বুকিং প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ফলে পর্যটননির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যেও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ হয়ে উঠেছে কুয়াকাটার মনোমুগ্ধকর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য, সাগরের উত্তাল ঢেউ এবং ঝাউবেষ্টিত প্রাকৃতিক পরিবেশ। অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছেন।
ঢাকা থেকে আসা কয়েকজন পর্যটক জানান, কুয়াকাটার ঢেউ, সাগরের গর্জন এবং বিস্তীর্ণ বালুকাবেলা তাদের মুগ্ধ করেছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটিয়ে তারা মানসিক প্রশান্তি অনুভব করছেন।
পর্যটকদের সুবিধার্থে সৈকত এলাকায় নতুন করে বসার বেঞ্চ স্থাপন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সৌন্দর্যবর্ধনের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কর্মীরা নিরাপত্তা ও সার্বিক তদারকিতে সক্রিয় রয়েছেন।
“কুয়াকাটা শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়, এটি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম সম্ভাবনাময় কেন্দ্র। পর্যটকদের আগমন যেমন স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করে, তেমনি এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ কুয়াকাটা গড়ে তুলতে প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”
নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক আজকের কথা
সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটরদের প্রত্যাশা, সামনের মাসগুলোতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
অর্থপাচার নাকি বাণিজ্যিক লেনদেন?
সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

বিশ্ব বাটপার ইউনূসের অর্থ ফেরতের বুলি, আড়ালে ১৩ হাজার কোটি টাকা পাচারের রেকর্ড! : সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরে অর্থপাচার বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম মাওলা রনি। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, ওই আমানতের বড় অংশই অবৈধ বাণিজ্যিক লেনদেন সংশ্লিষ্ট এবং তা সরাসরি অর্থপাচারের সামিল, তারা মনে করেন বিশ্ব বাটপার ইউনুসের শাস্তি হওয়া দরকার।
গোলাম মাওলা রনির বক্তব্যে যা বলা হয়েছে
প্রকৃত সত্য: সুইস ব্যাংকের টাকা মানেই কি পাচার?
- বাণিজ্যিক আমানত: সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (SNB) বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের মোট জমার সিংহভাগই থাকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের নামে (যা প্রধানত এলসি বা আমদানির বিপরীতে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে গ্যারান্টি বা আমানত হিসেবে রাখা হয়)।
- ব্যক্তিগত আমানতের চিত্র ভিন্ন: গত কয়েক বছরের ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের ব্যক্তিগত বা গোপন অ্যাকাউন্টের আমানত সুইস ব্যাংকে ক্রমাগত কমছে।
- ভুল পরিসংখ্যানের ব্যবহার: বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উত্থান-পতনের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ডলারের পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারে, যা কোনোভাবেই ব্যক্তিগত অর্থপাচারের প্রমাণ নয়।
সরকারের প্রতিক্রিয়া
চিনাডুলী ইউনিয়নে চাঞ্চল্য
জামালপুরে উড়ো চিঠিতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যার হুমকি

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ডাকযোগে পাঠানো একটি উড়ো চিঠিতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ সবুজকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) বিকেলে উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সবুজ চিঠিটি হাতে পান।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুজিব শতবর্ষের লোগো সংবলিত একটি খামের ওপর প্রাপক হিসেবে মোহাম্মদ সবুজ ও তার বাবা জাহাঙ্গীর আলমের নাম-ঠিকানা উল্লেখ ছিল। খামের ভেতরে থাকা হলুদ রঙের একটি কাগজে হাতে লেখা বার্তায় অশালীন ভাষা ব্যবহার করে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। চিঠিতে তাকে প্রকাশ্যে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে চিঠিতে প্রেরকের কোনো নাম বা পরিচয় উল্লেখ ছিল না।
মোহাম্মদ সবুজ বলেন, “আমি বাড়িতে না থাকায় পরে জানতে পারি, আবু তালেব নামে একজন ব্যক্তি আমাদের বাড়ির সামনে এসে চিঠিটি রেখে যান। বিষয়টি জানার পর ডাকঘরে খোঁজ নিয়েছি। সেখান থেকে আমাকে জানানো হয়েছে, চিঠিটি ইসলামপুর উপজেলা ডাকঘরের মাধ্যমে এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিকভাবে আমার সঙ্গে কারও এমন কোনো বিরোধ নেই, যার কারণে এ ধরনের হুমকি আসতে পারে। কে বা কারা এর পেছনে রয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে এমনটি করেছে, তা বুঝতে পারছি না। চিঠিটি পাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।”
তিনি জানান, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। তবে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।
এ বিষয়ে জামালপুরের ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



























