বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হাসপাতালের অনিয়ম ঘিরে বিতর্ক

মুরাদনগরে ১০ মাস বেতন না পেয়ে ঈদে কষ্টে কর্মচারীরা

আজিজুর রহমান রনি, বিশেষ প্রতিবেদক : প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ২:০০ পিএম
মুরাদনগরে ১০ মাস বেতন না পেয়ে ঈদে কষ্টে কর্মচারীরা

অভিযুক্ত স্টোর কিপার মোঃ আব্দুল কাদের। ছবি : আজকের কথা

google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ঈদের আনন্দের মাঝে বিষাদের ছায়া নেমে এসেছে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আউটসোর্সিং কর্মীদের জীবনে। দীর্ঘ ১০ মাস ধরে বেতন না পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন নিরাপত্তা প্রহরীসহ একাধিক কর্মচারী।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, চাকরি দেওয়ার সময় হাসপাতালের স্টোরকিপার মো. আবদুল কাদের তাদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়েছেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত উপহার হিসেবে হাঁস দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এখন তারা সেই টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, মাসের পর মাস বেতন না পেয়ে পরিবার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। ঈদে সন্তানদের জন্য সামান্য খাবার কেনাও সম্ভব হচ্ছে না বলে তারা হতাশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্টোরকিপার মো. আবদুল কাদের।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে সেবায় ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে এক্স-রে সেবা প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট খাতে লক্ষাধিক টাকার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চারটি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে তিনটি অচল এবং একটি সচল থাকলেও জনবল সংকটে সেটিও ব্যবহার হচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেবা বন্ধ থাকলেও বাজেট বরাদ্দ চলমান থাকায় পুরো ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এছাড়া ওষুধ ক্রয় ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে তদন্ত সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, তিনি নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন এবং পূর্বের অনিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না। পূর্ববর্তী কর্মকর্তার বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

ঈদের সময় এমন পরিস্থিতিতে বেতন ও সেবার অনিয়ম নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ছিনতাইয়ের পর বাড়ছিল মানসিক চাপ

ছিনতাই হওয়া টাকা পরিশোধের চাপ, দেবীদ্বারে বিকাশ কর্মীর আত্মহত্যা

এবিএম আতিকুর রহমান বাশার : প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৩ পিএম
ছিনতাই হওয়া টাকা পরিশোধের চাপ, দেবীদ্বারে বিকাশ কর্মীর আত্মহত্যা

দেবীদ্বারে আত্মহত্যা করা বিকাশ কর্মী ফয়সাল মিয়া। ছবি : আজকের কথা

দেবীদ্বারে বিকাশ কর্মীর আত্মহত্যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ছিনতাই হওয়া বিকাশের টাকা পরিশোধে কোম্পানির চাপ সহ্য করতে না পেরে মো. ফয়সাল মিয়া (২৫) আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২৭ মে) বিকেলে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

নিহত ফয়সাল দেবীদ্বার পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড়আলমপুর গ্রামের সাবেক সেনাসদস্য নাছির উদ্দিন বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তিনি মুরাদনগর উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ এম এস নিজাম উদ্দিন আহমেদ বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্সিতে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে সকালে বিকাশের ৮ লাখ টাকা নিয়ে লেনদেনের উদ্দেশ্যে বের হন ফয়সাল। দুপুরে মুরাদনগরের ডালপা এলাকায় একদল ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন তিনি। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ফয়সাল। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি সেলাই দিতে হয়।

ঘটনার পর বিকাশ কোম্পানির ম্যানেজার রিপন মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ফয়সাল। তবে পরিবারের অভিযোগ, এরপর থেকেই ছিনতাই হওয়া টাকা পরিশোধের জন্য তাঁকে নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

ফয়সালের বাবা নাছির উদ্দিন বাচ্চু মিয়া বলেন, “ডিউটির সময় ছিনতাইকারীরা আমার ছেলের কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা নিয়ে যায়। এরপর সেই টাকা পরিশোধ করতে চাপ দেওয়া হয়। মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে আমার ছেলে আত্মহত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।”

নিহতের স্ত্রী আয়শা আক্তার বলেন, “ম্যানেজার টাকা নিয়ে চাপ দিত। আমার স্বামী বলতো, এতদিন কাজ করেও এখন তাকেই টাকা পরিশোধ করতে হবে। মৃত্যুর আগে সে আমাকে শেষ মেসেজে বলেছিল, ‘তোমার সঙ্গে আর কোনোদিন কথা হবে না, ছেলেটাকে দেখে রেখো।’”
পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে ফয়সাল কেরির ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে গৌরীপুর ও কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হলেও আইসিইউ না পেয়ে জেলা সদরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকালে মারা যান তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ম্যানেজার রিপন মিয়া। তিনি বলেন, “আমরা কোনো ধরনের চাপ দিইনি। ঘটনার পর চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছি। থানায় অভিযোগ করতেও আমরা সঙ্গে ছিলাম। এখন তার মৃত্যুর খবর পেয়েছি।”

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
শেষ পর্যন্ত দেবীদ্বারে বিকাশ কর্মীর আত্মহত্যা ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

সারা দিন অপেক্ষায় কাটল বাজার

মুরাদনগরের হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরু, ক্রেতা না পেয়ে ফিরল খামারি হতাশায়

রোমানা আক্তার প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৯:৪২ এএম
মুরাদনগরের হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরু, ক্রেতা না পেয়ে ফিরল খামারি হতাশায়

মুরাদনগরের পশুর হাটে ৭ লাখ টাকার বিশাল গরুটি ঘিরে মানুষের ভিড়। ছবি : আজকের কথা

মুরাদনগরের ৭ লাখ টাকার গরু এক বুক আশা আর দুশ্চিন্তার দোলাচল নিয়ে সোমবার সকালে কুমিল্লার এক পশুর হাটে হাজির হন এক সাধারণ খামারি। সঙ্গে ছিল তাঁর অতি আদরের, নিজের সন্তানের মতো লালন-পালন করা ১৭ থেকে ১৮ মণের বিশাল আকৃতির একটি গরু। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরুটির দাম তিনি হাঁকান ৭ লাখ টাকা।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাচকিত্তা এলাকার বাহেরচর গ্রাম থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে গরুটি স্থানীয় বাজারে আনা হয়। সকাল থেকেই এটি হাটুরেদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। বাজারের অন্য সব গরুর তুলনায় এর আকার, উচ্চতা এবং রাজকীয় শারীরিক গঠন ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।

হাটে আসা শত শত মানুষ গরুটিকে একনজর দেখতে ভিড় জমায়। কেউ কেউ পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করে, কেউ আবার বিস্ময়ভরা চোখে মোবাইলে ছবি তোলে। কিন্তু সেই ভিড়ের মাঝেও গরুর মালিক হৃদয় খান খুঁজছিলেন এমন একজন ক্রেতাকে, যিনি তাঁর যত্নে বড় করা প্রাণীটির প্রকৃত কদর বুঝবেন।

দিন গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়। হাটের কোলাহল বাড়লেও খামারির মনে আশা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে থাকে। ভিড় থাকলেও ৭ লাখ টাকার বিশাল অঙ্ক শুনে কেউই কেনার সাহস দেখাননি, এমনকি দরদাম করতেও এগিয়ে আসেননি কেউ।

বাহেরচর গ্রামের খামারি হৃদয় খান আক্ষেপ করে বলেন, “সকাল থেকে একটা আশায় বসে ছিলাম। কত মানুষ আসলো, দেখলো, ছবি তুললো। কিন্তু কেউ একটা বারের জন্যও দামাদামি করতে এগিয়ে আসলো না। এতো সাধের গরুটা কেউ নিতে পারলো না, এই কষ্ট বোঝানো যাবে না।”

বিকেলের সূর্য যখন পশ্চিমে হেলে পড়ছিল, তখন হাটের ছোট ও মাঝারি গরুগুলো বিক্রি হয়ে একে একে খালি হয়ে যায়। অথচ সবার নজর কাড়া সেই বিশাল গরুটি এক কোণে দাঁড়িয়ে শান্ত চোখে তার মালিকের দিকে তাকিয়ে থাকে। দিনশেষে কোনো ক্রেতা না পেয়ে, এক বুক হতাশা আর ক্লান্ত শরীর নিয়ে গরুটি আবারও বাড়ির চেনা গোয়ালে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।

স্থানীয়রা জানান, বড় গরুর প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ সবসময়ই থাকে। কিন্তু বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং মানুষের সীমিত ক্রয়ক্ষমতার কারণে শখ আর সাধ্যের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। মধ্যবিত্ত বা উচ্চ-মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের পক্ষে এককভাবে এত বড় অঙ্কের টাকা খরচ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

অন্যদিকে বড় গরু হাটে নিয়ে আসার পেছনে খামারিদের যেমন বড় বিনিয়োগ থাকে, তেমনি বিক্রি না হলে লোকসানের ঝুঁকিও বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু একটি গরু বিক্রি না হওয়ার গল্প নয়, বরং বর্তমান বাজার বাস্তবতার এক নির্মম চিত্র। খামারিদের পরিশ্রম ও ভালোবাসার আর্থিক মূল্য থাকলেও ক্রেতার সামর্থ্যের সঙ্গে সমন্বয় না হলে এমন দৃশ্য আরও বাড়তে পারে। হৃদয় খানের মতো অনেক খামারি এখন তাকিয়ে আছেন ঈদের শেষ মুহূর্তের বাজারের দিকে, কোনো ক্রেতার সঙ্গে তাদের স্বপ্নের মিলনের আশায়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বড় ব্যবধানে সহজ জয় নিশ্চিত

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ এএম
গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ফাইনালে উঠেছে রজত পাতিদার ও বিরাট কোহলির দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

ধর্মশালায় টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বেঙ্গালুরু। ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ব্যাটাররা। বিরাট কোহলি ২৫ বলে ৪৩ রান করে দলকে ভালো ভিত গড়ে দেন।

দেবদূত পাডিক্কেল ও কোহলি ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন। এরপর রজত পাতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়া ৪৭ বলে ৯৫ রানের ঝড়ো জুটি উপহার দেন।

ক্রুনাল পান্ডিয়া ২৮ বলে ৪৩ রান করেন। তবে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। তিনি ৩৩ বলে ৫ চার ও ৯ ছক্কায় ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে গুজরাট টাইটান্স। ২৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ফিরে যান। দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে দলটি।

জস বাটলার ২৯ রানের ইনিংস খেললেও তা যথেষ্ট হয়নি। ৩৭ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় ধস নামে গুজরাটের ইনিংসে।

রাহুল তেয়াতিয়া ৩৩ বলে ফিফটি তুলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে ১৯ ওভার ৩ বলে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় গুজরাট।

শেষ পর্যন্ত গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু দাপুটে পারফরম্যান্সে ৯২ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে জায়গা করে নেয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×