অর্থপাচার নাকি বাণিজ্যিক লেনদেন?
সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য বিশ্ব বাটপার ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি

সর্বোচ্চ টাকা পাচারের জন্য ড. ইউনূস ডাবল নোবেলের দাবিদার : গোলাম মাওলা রনি। ছবি : আজকের কথা
বিশ্ব বাটপার ইউনূসের অর্থ ফেরতের বুলি, আড়ালে ১৩ হাজার কোটি টাকা পাচারের রেকর্ড! : সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরে অর্থপাচার বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গোলাম মাওলা রনি। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, ওই আমানতের বড় অংশই অবৈধ বাণিজ্যিক লেনদেন সংশ্লিষ্ট এবং তা সরাসরি অর্থপাচারের সামিল, তারা মনে করেন বিশ্ব বাটপার ইউনুসের শাস্তি হওয়া দরকার।
গোলাম মাওলা রনির বক্তব্যে যা বলা হয়েছে
প্রকৃত সত্য: সুইস ব্যাংকের টাকা মানেই কি পাচার?
- বাণিজ্যিক আমানত: সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (SNB) বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের মোট জমার সিংহভাগই থাকে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের নামে (যা প্রধানত এলসি বা আমদানির বিপরীতে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে গ্যারান্টি বা আমানত হিসেবে রাখা হয়)।
- ব্যক্তিগত আমানতের চিত্র ভিন্ন: গত কয়েক বছরের ধারা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের ব্যক্তিগত বা গোপন অ্যাকাউন্টের আমানত সুইস ব্যাংকে ক্রমাগত কমছে।
- ভুল পরিসংখ্যানের ব্যবহার: বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উত্থান-পতনের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বা বাণিজ্যিক ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে ডলারের পরিমাণ বাড়তে বা কমতে পারে, যা কোনোভাবেই ব্যক্তিগত অর্থপাচারের প্রমাণ নয়।
সরকারের প্রতিক্রিয়া
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
মাদক সেবনের দায়ে দেবীদ্বারে যুবদল নেতা আব্দুল হাই কায়সার বহিষ্কার

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মাদক সেবনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল হাই কায়সারকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে কুমিল্লা উত্তর জেলার আওতাধীন দেবীদ্বার উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল হাই কায়সারকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।”
এতে আরও বলা হয়, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেবীদ্বার উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের একটি মুরগির খামারে মাদক সেবনের সময় আব্দুল হাই কায়সারসহ তিন যুবককে আটক করে পুলিশ। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়।
আদালত আব্দুল হাই কায়সারকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের কারাদণ্ড দেন। জরিমানার টাকা পরিশোধ না করায় বিধি অনুযায়ী আরও ১৪ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ফলে মোট ২১ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আব্দুল হাই কায়সার (৫০) দেবীদ্বার উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের বজলুর রহমান মাস্টারের ছেলে।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতাদের নজরে আসে। পরে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা বলেন, দলের দায়িত্বশীল কোনো নেতা মাদক সেবন বা বিক্রির সঙ্গে জড়িত হলে তা দলের ভাবমূর্তির পাশাপাশি সমাজের জন্যও ক্ষতিকর। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
দেবীদ্বার উপজেলা যুবদলের সভাপতি নুরুজ্জামান বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “দলের যে কাউকে শৃঙ্খলাবিরোধী বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে দল ও সংগঠন থেকে বহিষ্কারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দেবীদ্বারে মুরগির ফার্মে মাদক সেবন, যুবদল নেতাসহ ৩ জনের ২১ দিনের কারাদণ্ড

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মুরগির একটি ফার্মে মাদক সেবনের সময় উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতিসহ তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে সাত দিনের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানার টাকা পরিশোধ না করায় প্রত্যেকের কারাদণ্ডের মেয়াদ বেড়ে দাঁড়ায় ২১ দিনে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের একটি মুরগির খামারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—শ্রীপুর গ্রামের বজলুর রহমান মাস্টারের ছেলে ও দেবীদ্বার উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আব্দুল হাই কায়সার (৫০), একই গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আব্দুল আজিজ (৩৬) এবং ধলিপুস্কুরনী গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে সোহেল (৩২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর গ্রামের একটি মুরগির ফার্মের নির্জন স্থানে ওই তিনজন মাদক সেবন করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমার নেতৃত্বে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
পরে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। আদালত আব্দুল হাই কায়সারকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা ও সাত দিনের কারাদণ্ড এবং আব্দুল আজিজ ও সোহেলকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা করে জরিমানা ও সাত দিনের কারাদণ্ড দেন। তিনজনের মোট জরিমানা হয় ২০ হাজার টাকা।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, জরিমানার টাকা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ১৪ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তারা জরিমানার টাকা পরিশোধ না করায় মোট ২১ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে তাদের কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দলের দায়িত্বশীল নেতারা মাদক সেবন বা বিক্রির সঙ্গে জড়ালে সমাজ থেকে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও ক্ষতিকর।
দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, তিনজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করার পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত প্রত্যেককে সাত দিনের কারাদণ্ড এবং একজনকে ৭ হাজার টাকা ও অপর দুজনকে ৬ হাজার ৫০০ টাকা করে জরিমানা করেন। জরিমানার টাকা পরিশোধ না করায় প্রত্যেকের মোট ২১ দিনের কারাদণ্ড হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অশোক বিক্রম চাকমা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীপুর এলাকায় একটি মুরগির ফার্মে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে সাত দিনের কারাদণ্ড ও মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ১৪ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এবিএম আতিকুর রহমান বাশার
০১৭৬১৭৪০২২৭
২৯/০৯/২০২৬
ছবির ক্যাপশন: দেবীদ্বারে মাদক সেবনের দায়ে যুবদল নেতাসহ তিনজনকে আটকের পর থানায় নেওয়া হয়। ছবি: পুলিশ
প্রেস ক্লাবের কমিটিও এমপির! লাকসামে সাংবাদিক সংগঠনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন

‘স্বাধীন সাংবাদিকতায় হস্তক্ষেপ’ নিয়ে ক্ষোভ, এমপি বললেন—‘আমার এলাকা হিসেবে কমিটি দিয়েছি’

দলের উপরমহলের সঙ্গে কথা বলে যদি একজন এমপি প্রেস ক্লাবের কমিটি দেন, তাহলে স্পষ্ট প্রশ্ন হলো—রাজনৈতিক দল বা জনপ্রতিনিধির কি সাংবাদিকদের সংগঠনের কমিটি গঠনে হস্তক্ষেপ করার অধিকার আছে? আর সেই কমিটি যদি এমপির নিয়ন্ত্রণে থাকে, তাহলে তাঁর বা তাঁর দলের বিরুদ্ধে সাংবাদিকরা কীভাবে স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশ করবেন?



















