আপসহীন সাংবাদিকতার দীর্ঘ যাত্রা
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় দুই দশকের পথচলা: মুরাদনগরের পরিচিত মুখ শরিফুল আলম চৌধুরী

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী। ছবি : আজকের কথা
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন
কুমিল্লার মুরাদনগরে দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় স্থানীয় সমস্যা তুলে ধরা এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছেন সাংবাদিক মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী। প্রায় আড়াই দশকের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, দুর্নীতি, সামাজিক অনিয়ম এবং সাধারণ মানুষের অধিকার সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আলোচনায় এসেছেন।
দীর্ঘ এই পথচলায় তিনি জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠপর্যায়ের সাংবাদিক হিসেবে তিনি তথ্য সংগ্রহ, অনুসন্ধান এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে নিজস্ব একটি অবস্থান তৈরি করেছেন। বর্তমানে তিনি অনলাইন সংবাদমাধ্যম দৈনিক আজকের কথা-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৯৯ সালে সাংবাদিকতা জীবনের সূচনা করেন শরিফুল আলম চৌধুরী। শুরু থেকেই মফস্বলের বিভিন্ন জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন তিনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় দৈনিক সংবাদসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজের সুযোগ পান। পরে জাতীয় দৈনিক সমকাল-এর মুরাদনগর উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় পর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহের পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার প্রতিষ্ঠায়ও ভূমিকা রাখেন তিনি। মুরাদনগর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত ঐক্য, প্রশিক্ষণ এবং সংগঠনকে আরও সক্রিয় করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য একাধিকবার বিভিন্ন মহলের চাপ, হুমকি ও প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। স্থানীয় পর্যায়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনভোগান্তির বিভিন্ন বিষয় ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরার কারণে একাধিকবার আলোচনায় আসেন তিনি।
২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর একটি বহুল আলোচিত হামলার শিকার হন শরিফুল আলম চৌধুরী। অভিযোগ রয়েছে, তাঁর প্রকাশিত প্রতিবেদনের জের ধরে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। ওই ঘটনায় তিনি ছাড়াও তাঁর পরিবারের সদস্যরা আহত হন। ঘটনাটি সে সময় দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে এবং সাংবাদিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠে।
হামলার পর বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন, মানবাধিকার সংগঠন এবং গণমাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিও জানানো হয়। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সাংবাদিকতা থেকে সরে না গিয়ে তিনি আবারও সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের কাজে ফিরে আসেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি গণমাধ্যম উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করছেন। ডিজিটাল সংবাদ পরিবেশনের প্রসারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক আজকের কথা। স্থানীয় সংবাদকে জাতীয় পরিসরে পৌঁছে দেওয়া, প্রান্তিক মানুষের কথা তুলে ধরা এবং দ্রুত সংবাদ প্রকাশে এই প্ল্যাটফর্ম কাজ করে যাচ্ছে।
জনসেবার লক্ষ্য নিয়েও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাইয়ে প্রাথমিক জটিলতা সৃষ্টি হলেও নির্বাচন কমিশনের আপিলে তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
স্থানীয় সাংবাদিকদের মতে, মফস্বল সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা। সেই বাস্তবতায় দীর্ঘ সময় ধরে সংবাদপেশায় টিকে থাকা এবং নিয়মিত মাঠপর্যায়ে কাজ করে যাওয়া নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সহকর্মীদের ভাষ্য, শরিফুল আলম চৌধুরী সংবাদ সংগ্রহে মাঠমুখী, নিয়মিত এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে থাকেন। স্থানীয় মানুষের নানা সমস্যা, অবকাঠামোগত সংকট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, আইন-শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক অনিয়ম নিয়ে তাঁর প্রকাশিত বহু প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
ডিজিটাল যুগে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার গুরুত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং তথ্য যাচাইভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের ওপরও তিনি গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ের কাজ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী মুরাদনগর অঞ্চলের সাংবাদিক অঙ্গনে একটি পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের আস্থা ধরে রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
নজরুল নগর নামকরণের দাবিতে আবেদন
মুরাদনগরের নতুন উপজেলার নাম ‘নজরুল নগর’ করার দাবি

নিকারের ১২১তম সভার আগে আবেদন জানালেন সম্পাদক শরিফুল আলম চৌধুরী
কুমিল্লার মুরাদনগরের নতুন উপজেলার নাম ‘বাঙ্গরা’ না রেখে ‘নজরুল নগর’ করার দাবি জানিয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনটি করেছেন দৈনিক আজকের কথা-এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী। তিনি মুরাদনগর ও বাঙ্গরা অঞ্চলের সর্বস্তরের সচেতন নাগরিকদের পক্ষে এ আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য নিকারের ১২১তম সভার আলোচ্যসূচিতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলাকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গরা’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নতুন উপজেলার নাম ‘নজরুল নগর’ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
আবেদনে বলা হয়, প্রস্তাবিত উপজেলার অন্তর্ভুক্ত বাঙ্গরা থানার দৌলতপুর এলাকা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান। এখানেই কবির বিয়ে এবং শ্বশুরবাড়ির স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে।
ফলে জাতীয় কবির স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নতুন উপজেলার নাম ‘নজরুল নগর’ রাখা হলে তা ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করবে।
আবেদনে নাম পরিবর্তনের পক্ষে কয়েকটি যুক্তিও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
বর্তমান মুরাদনগর উপজেলার নামের সঙ্গে ‘নগর’ শব্দের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
জাতীয় কবির নামে নামকরণ হলে স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক কিংবা আঞ্চলিক মতবিরোধের সম্ভাবনা কম থাকবে এবং বিষয়টি সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।
আবেদনে আরও বলা হয়, ‘নজরুল নগর’ নামটি শুধু একটি প্রশাসনিক নাম নয়; এটি জাতীয় ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন উপজেলার পরিচয়কে যুক্ত করবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনের সম্ভাবনাও সৃষ্টি হবে বলে আবেদনকারী মনে করেন।
এ কারণে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কাছে প্রস্তাবিত নতুন উপজেলার নাম ‘বাঙ্গরা’ পরিবর্তন করে ‘নজরুল নগর’ অনুমোদনের জন্য আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
‘চলতি বছরই দেশে ফিরব’—এনডিটিভিকে শেখ হাসিনা

মৃত্যুদণ্ডের রায়েও ভয় নেই, দাবি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর
ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, চলতি ২০২৬ সালের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম NDTVকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশে ফেরার পথে যত বাধা ও ষড়যন্ত্রই থাকুক না কেন, তিনি এ বছরই স্বদেশে ফিরবেন। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশ ছেড়ে ভারতে যাওয়ার পর এটিই তাঁর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ্য সাক্ষাৎকার। এতে তিনি দেশে ফেরা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, এ রায় বা মৃত্যুর আশঙ্কা তাঁকে দেশে ফিরতে নিরুৎসাহিত করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তাঁর দাবি, দলটি দেশের জনগণের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে একে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।
শেখ হাসিনা আরও দাবি করেন, তাঁর দেশে ফেরার লক্ষ্য ব্যক্তিগত ক্ষমতায় ফেরা নয়; বরং রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা। একই সঙ্গে তিনি আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এদিকে তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সরকারের সমালোচক ও সমর্থকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, শেখ হাসিনার এ ঘোষণা আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। অন্যদিকে সরকার বলছে, তাঁর বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ।
অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
তেঁতুলিয়ায় ইউএনওকে ঘিরে ‘মিথ্যা অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে মানববন্ধন

সর্বস্তরের জনতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের বিক্ষোভ
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজ শাহীন খসরু ইউএনওকে ঘিরে মিথ্যা অপবাদ ও হয়রানিমূলক অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলে এর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন সর্বস্তরের জনতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। বক্তারা দাবি করেন, ইউএনওর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে অভিযোগ থাকলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় উপস্থাপনের আহ্বান জানান।
অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন
সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজারের ঐতিহাসিক তেঁতুলতলায় সর্বস্তরের জনতা ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ঘিরে ছড়ানো অভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পরিবেশ পদকপ্রাপ্ত পরিবেশকর্মী মাহমুদুল হাসান মামুন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক খন্দকার আবু সালেহ ইব্রাহিম ইমরান, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদিন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ফেরদৌস আলম লিটন, মাসুদ রানা, শিক্ষক ও সামাজিক কর্মী হুমায়ুন কবির, সাবেক ছাত্র সমন্বয়ক ওবায়দুল হকসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বক্তারা বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজ শাহীন খসরুর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তারা দাবি করেন, এসব কর্মকাণ্ড প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
তারা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা আইনানুগ পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। মিথ্যা অপবাদ, ভিত্তিহীন প্রচারণা ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান বক্তারা।
























