রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে সেনাসদস্যের রহস্যজনক আত্মহত্যা, ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১ জুন, ২০২৫, ৯:০৪ পিএম
রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে সেনাসদস্যের রহস্যজনক আত্মহত্যা, ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে এক সেনা সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। আজ রোববার (৯ জুন) ভোর ৫টার দিকে সেনানিবাসের নির্মাণাধীন ৯০২ সেন্ট্রাল ওয়ার্কশপ সৈনিক লাইনের একটি ভবন থেকে রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে সেনা সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম জানান, পাইপে গামছা ও রশি পেঁচানো অবস্থায় মৃতদেহটি ঝুলছিল। নিহতের পরনে ছিল সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম ও বুট। সৌরভ হোসেন ১১ এমপি ইউনিটের সদস্য ছিলেন এবং তাঁর বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার গাড়াগঞ্জ গ্রামে। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তান রেখে গেছেন।

যদিও প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে ঘটনার গভীরে রয়েছে রহস্য। একটি সূত্র জানায়, সৌরভ আত্মহত্যার আগে একটি লিখিত জবানবন্দি রেখে গেছেন, যাতে আত্মহত্যার সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ রয়েছে। তবে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই চিঠির বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করা হয়নি।

ওসি আব্দুল হালিম বলেন, “মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”

সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে ঘটনার তদন্তে কাজ করছে। সৈনিকের এই রহস্যজনক মৃত্যু সেনানিবাসের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।

সেনাবাহিনীর একজন সদস্যের এমন রহস্যজনক মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক এবং উদ্বেগজনক। এস এম সৌরভ হোসেন একজন প্রশিক্ষিত ও নিয়মানুবর্তী বাহিনীর সদস্য ছিলেন, যার এই ধরনের পরিণতি আত্মহত্যা বলেই মেনে নেওয়া কি যথেষ্ট, নাকি এর পেছনে আরও গভীর কিছু লুকিয়ে আছে? বাহিনীর ভেতরের মানসিক চাপ, শৃঙ্খলাভঙ্গ বা ক্ষমতার অপব্যবহার কি এর সঙ্গে সম্পর্কিত? এই মৃত্যু কেবল একজন সৈনিকের মৃত্যু নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বলয়ের ভেতরকার পরিস্থিতির একটি অজানা সংকেতও হতে পারে। সৌরভ হোসেনের মৃত্যু আমাদের আরো স্বচ্ছ তদন্ত ও মানবিক মনোভাবের আহ্বান জানায়।

সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনা কেবল একটি পরিবারকে শোকস্তব্ধ করে না, বরং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের ভেতরকার অজানা চাপ ও সংকটের দিকেও ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে সেনা সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর জন্য জবাবদিহির একটি কঠিন প্রশ্ন হয়ে উঠেছে তা বলা স্বাভাবিক।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

জিরো লাইনে মানবেতর জীবন

পতাকা বৈঠকেও সমাধান হয়নি, পঞ্চগড় সীমান্তের জিরো লাইনে দুই দিন ধরে মানবেতর জীবন ১০ জনের

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ পিএম
পতাকা বৈঠকেও সমাধান হয়নি, পঞ্চগড় সীমান্তের জিরো লাইনে দুই দিন ধরে মানবেতর জীবন ১০ জনের

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে পুশইনের ঘটনায় টানা দুই দফা পতাকা বৈঠকেও কোনো সমাধান না হওয়ায় দ্বিতীয় দিনের মতো জিরো লাইনে মানবেতর অবস্থায় পড়ে রয়েছেন নারী ও শিশুসহ ১০ বাংলাদেশি। প্রখর রোদ, বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেই ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখায় কাদা-পানির মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।

জানা গেছে, পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্তের মেইন পিলার ৭৫৮-এর ৫ নম্বর সাব-পিলার এলাকা দিয়ে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি তাদের গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে তারা ভারতীয় অংশের জিরো লাইনে আটকা পড়ে।

পুশইনের শিকারদের মধ্যে রয়েছেন তিন শিশু ও দুই নারী। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তারা খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। দিনের তীব্র রোদ এবং রাতের ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যেও কোনো নিরাপদ আশ্রয় ছাড়াই কাদা-পানির মধ্যে তাদের রাত কাটাতে হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে একাধিক দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। ফলে নারী ও শিশুসহ ১০ জনের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, তাদের জন্য কোনো পক্ষ থেকেই খাবার বা বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়নি। সঙ্গে থাকা সামান্য খাদ্য দিয়ে কোনোমতে জীবনধারণ করছেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দারা মানবিক কারণে খাবার ও পানি পৌঁছে দিতে চাইলেও বিজিবির নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের কারণে তা সম্ভব হয়নি।

পুশইনের শিকার আব্দুস সালাম জানান, ক্ষুধা ও তৃষ্ণায় চরম কষ্টে দিন কাটছে তাদের। শিশু ও নারীরা খোলা মাঠে জমে থাকা কাদা মিশ্রিত পানি পান করেই বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন।

এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্তের উভয় পাশে বিজিবি ও বিএসএফকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।

শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঠাকুরগাঁও সেক্টরের বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সুরুজ মিয়া এবং নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম। পরিস্থিতি নিরসনে শনিবার দুপুরে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আবারও পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, “বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে রাতের আঁধারে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে বিএসএফের সঙ্গে পুনরায় বৈঠক হয়েছে। বিএসএফ দাবি করেছে, তারা বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ায় তাদের ফেরত নেওয়া হবে না। তবে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, কেউ বাংলাদেশের নাগরিক হলেও আন্তর্জাতিক আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের হস্তান্তর করতে হবে। রাতের অন্ধকারে এভাবে পুশইন করলে আমরা তাদের গ্রহণ করব না।”

তিনি আরও বলেন, “নারী ও শিশুসহ এসব মানুষ বৃষ্টি, বজ্রপাত ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে খোলা মাঠে অবস্থান করছেন, যা অত্যন্ত অমানবিক। বিষয়টি নিয়ে বিএসএফ তাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বলে আমাদের জানিয়েছে।”

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল চুরি

ট্রেনে যাত্রীদের মোবাইল ছিনতাই: ভৈরবে ৫ ছিনতাইকারীকে কারাদণ্ড

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম
ট্রেনে যাত্রীদের মোবাইল ছিনতাই: ভৈরবে ৫ ছিনতাইকারীকে কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশনে ট্রেনে ওঠার সময় কৃত্রিম জটলা সৃষ্টি করে যাত্রীদের মোবাইল ছিনতাইয়ের অভিযোগে পাঁচ সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএইচএম আজিমুল হকের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সাজা দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ভৈরব পৌর শহরের পঞ্চবটী এলাকার ফুল মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া (২৮), নরসিংদীর পলাশ উপজেলার উত্তর চন্দন এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে সবুজ মিয়া (২২), কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার এতরায়পুর এলাকার মবিন মিয়ার ছেলে হাসান (২০), কুমিল্লা সদর কোতোয়ালি এলাকার মুরাপাড়া গ্রামের বাতেন মিয়ার ছেলে নুর আলম (২০) এবং শুভপুর এলাকার আবু তাহের মিয়ার ছেলে বিপ্লব আহসান (২৬)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৬ জুন) রাতে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিম আউটার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রী ওঠার মুহূর্তে কৃত্রিম ভিড় ও জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালায় একটি চক্র। গোপন নজরদারির মাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করে রেলওয়ে পুলিশ।

এদিকে রবিবার দুপুরের দিকে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে এক যাত্রীর মোবাইল ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে বাবুল মিয়াকে হাতেনাতে ধরে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে রেলওয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন এলাকায় যাত্রীদের লক্ষ্য করে সংঘবদ্ধভাবে মোবাইল ছিনতাই ও চুরির ঘটনা ঘটিয়ে আসছিল একটি চক্র। যাত্রীদের অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে তারা ট্রেনে ওঠা-নামার সময় জটলা সৃষ্টি করে মোবাইল ও মূল্যবান সামগ্রী হাতিয়ে নিত।

তিনি বলেন, “বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চক্রটির পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করে। এরপর আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।”

আদালতের রায়ে নুর আলম ও বিপ্লব আহসানকে তিন মাস করে কারাদণ্ড, সবুজ মিয়া ও হাসান মিয়াকে দুই মাস করে কারাদণ্ড এবং বাবুল মিয়াকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ওসি আরও জানান, রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় যাত্রী হয়রানি, চুরি ও ছিনতাই রোধে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

শেরপুর সীমান্তে ৫টি ভারতীয় গরু জব্দ

মুহাম্মদ আবু হেলাল, শেরপুর থেকে : প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:৩৬ পিএম
শেরপুর সীমান্তে ৫টি ভারতীয় গরু জব্দ

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার সীমান্তবর্তী বাবেলাকোনা এলাকা থেকে মালিকবিহীন ৫টি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রবিবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণঝোড়া বিওপির টহল কমান্ডার নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে বিজিবির একটি অভিযানিক দল বাবেলাকোনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন ৫টি ভারতীয় গরু জব্দ করা হয়। এসময়
বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা গরুগুলো ফেলে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

৩৯ বিজিবি ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের কর্ণঝোড়া বিওপির ইনচার্জ নায়েক সুবেদার সাইদুর রহমান গরু জব্দের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ৫টি ভারতীয় গরুর আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। তিনি আরও জানান, জব্দকৃত গরুগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিলামে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×