শেখ হাসিনা বিরোধী সাজানো রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন ১০০১ প্রগতিশীল শিক্ষক

শেখ হাসিনা বিরোধী রায়কে নিন্দা জানালেন প্রগতিশীল শিক্ষকরা
শেখ হাসিনা –এর বিরুদ্ধে সাজানো রায় প্রত্যাখ্যান করেছেন বাংলাদেশের ১০০১ জন প্রগতিশীল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাহবুব আলম প্রদীপ কর্তৃক পাঠানো এক বিবৃতিতে শিক্ষকবৃন্দ জানান, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই রায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষপাতদুষ্ট, অগ্রহণযোগ্য ও প্রহসনমূলক।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত এ দেশের কোটি জনতা আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধু কন্যার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও ষড়যন্ত্রমূলক এই রায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ দেশের জনগণের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, অধ্যাপক ড. মো: আখতারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা, প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, প্রফেসর ড. হাবিবুর রহমান, প্রফেসর ড. পূর্বা ইসলাম, প্রফেসর ড. এম. জেড মামুন, অধ্যাপক ড. হারুনর রশীদ খান, অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রফেসর ড. লায়লা আরজুমান বানু, অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান, অধ্যাপক মশিউর রহমান, অধ্যাপক ম. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন, অধ্যাপক ডাঃ আহসান হাবীব হেলাল, অধ্যাপক ড. জাকিয়া সুলতানা মুক্তা, অধ্যাপক ড. কাজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি, অধ্যাপক ড. মো: আমিনুল হক ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. শবনম জাহান, অধ্যাপক ড. আফজাল হোসেন, অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়া, ড. মাহবুব আলম প্রদীপ, অধ্যাপক ড. জামিলা এ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. ফাজরিন হুদা, প্রফেসর ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. সিতেশ চন্দ্র বাছার, প্রফেসর ড. আব্দুল আউয়াল, অধ্যাপক ড. আবদুর রাজ্জাক খান, অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আক্তার, অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর, অধ্যাপক ড. সুব্রত সাহা, অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন, ড. সিদ্ধার্থ দে, অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক আসাদুজ্জামান, অধ্যাপক ড. ওসমান গণি তালুকদার, প্রফেসর ড. আহসানুল আম্বিয়া, অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান, অধ্যাপক ড. আবু সারা শামসুর রউফ, অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন, ড. বেলাল হোসেন, অধ্যাপক ড. মো: শামীম হোসেন, অধ্যাপক ড. ফিরোজ জামান, ড. নীলিমা আখতার, অধ্যাপক ড. মাহবুব আল মারুফ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ, প্রফেসর ড. ওমর ফারুক, অধ্যাপক ড. রাফিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল হোসেন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ, অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. অমল কান্তি দেব, ড. সোমা দে, ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক ড. সুরাইয়া আখতার, অধ্যাপক ড. জাহানারা আরজু, অধ্যাপক মো: জামাল হোসেন, অধ্যাপক ড. ফারুক উদ্দিন, অধ্যাপক ড. ইমরান কবির চৌধুরী, অধ্যাপক ড. জাভীদ ইকবাল বাঙালী, প্রফেসর ড. মুসতাক আহমেদ, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ড. আব্দুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মুহিত, অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, অধ্যাপক ড. কে. এম. সালাউদ্দীন, অধ্যাপক ড. তৌহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. ফারমিন ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ড. মো: মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. সীমা জামান, অধ্যাপক ড. কায়সার আহমেদ রকি, অধ্যাপক ড. মামুন আল মোস্তফা, অধ্যাপক ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল ফারুক, অধ্যাপক ড. রুমানা ইসলাম, অধ্যাপক এস এম মাসুম বিল্লাহ, অধ্যাপক ড. এম বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. মু. সাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো: শফিকুল ইসলাম, কামরুন নাহার, অধ্যাপক মো: রবিউল ইসলাম জাবেদ, প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুল্লাহ, প্রফেসর ড. ইয়াহিয়া খন্দকার, প্রফেসর ড. আফরিনা মুস্তারি, প্রফেসর ড. আকতার হোসেন, প্রফেসর হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো: মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর মো: হানিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস লাভলু, অধ্যাপক রন্তু দাস, প্রফেসর ড. মো: আনোরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. এম এল পলাশ, অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা কামাল, অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরিন, অধ্যাপক ড. আরমিন খাতুন, অধ্যাপক ড. মো: আনিছুর রহমান, জনাব শামীমা খাতুন, অধ্যাপক ড. অতিশ কুমার জোয়ার্দার, ড. আশরাফুন্নাহার, অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোদ্দার, অধ্যাপক ড. হিমাদ্রী শেখর, অধ্যাপক প্রভাস কুমার চাকলাদার, ড. মোঃ মাহমুদুল হাসান, অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদ, অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু, প্রফেসর ড. রহমান নাছি, প্রফেসর ড. খাইরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুবিনা চৌধুরী কেয়া, প্রফেসর ড. সজিব ঘোষ, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, অধ্যাপক আরিফা রহমান রুমা, অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. সামছুজ্জোহা, অধ্যাপক নুরে আলম সিদ্দিকী, অধ্যাপক শাহ আজম, অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান, অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক বাদশা মিয়া, অধ্যাপক আব্দুল আলীম, অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা, অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, প্রফেসর সাইদুল ইসলাম, অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন, প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার, অধ্যাপক ড. মঈন উদ্দিন, অধ্যাপক নূর ইসরাত জাহান, ড. মাহমুদুর রহমান, ড. মোঃ নাসির উদ্দিন, অধ্যাপক শরিফ উদ্দিন আহমেদ, ড. ইব্রাহীম আব্দুল্লাহ, অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন, প্রফেসর ড. তানভীর আহমেদ, প্রফেসর ড. মো আলমগীর হোসেন, ড. মোঃ আব্দুল কাইউম, প্রফেসর ড. আবুল হোসেন, অধ্যাপক এনামুল কবির, অধ্যাপক আলতাফ রাসেল, অধ্যাপক শামিমুর রহমান, প্রফেসর ফারজানা ইসলাম, অধ্যাপক সাব্বির সাত্তার, অধ্যাপক ড. শাখাওয়াত নয়ন, অধ্যাপক ড. অনীক কৃষ্ণ কর্মকার, অধ্যাপক ড. জেবুন্নেসা তালুকদার, প্রফেসর ড. বশির আহমেদ, অধ্যাপক সঞ্জয় মুখার্জি, অধ্যাপক আজিজুর রহমান, অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ, অধ্যাপক রেদোয়ান আহমদ, অধ্যাপক খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক রাশেদ মোশাররফ, অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশিদ, অধ্যাপক এ এফ এম আবদুল মঈন, প্রফেসর ড. ফারমাইন, প্রফেসর সীমা জামান, প্রফেসর রোমানা ইসলাম, অধ্যাপক ড. মামুন, প্রফেসর আব্দুস সোবহান, অধ্যাপক জুলফিকার, অধ্যাপক ড. মোল্লা হক, অধ্যাপক শহীদুল্লাহ হাওলাদার, অধ্যাপক ড. মোঃ আইনুল ইসলাম, প্রফেসর ড. কাজী শাহানারা আহমেদ, অধ্যাপক হুমায়ুন কবির বকুল, অধ্যাপক আব্দুল হক, অধ্যাপক ড. লাইলা খালেদা, প্রফেসর ড. জামাল উদ্দিন, প্রফেসর ড. এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকার, অধ্যাপক অমিত রায়, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক সাদিকুল ইসলাম, অধ্যাপক সিদ্ধার্থ সংকর, প্রফেসর ড. ফারহানা হক, প্রফেসর ড. পলিট আহমেদ, প্রফেসর ড. মোঃ জাকির হোসেন, প্রফেসর ড. তানভীর রহমান, প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুজিব উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মাযাহারুল ইসলাম, অধ্যাপক মো: কামরুজ্জামান সরকার, প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্ৰ, অধ্যাপক জুলকার নাইম, অধ্যাপক ড. মো. কবির হোসেন, অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন আহমেদ, ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সোবহান ইকবাল, অধ্যাপক জুবায়ের আহমেদ, প্রফেসর ড. সুভাষ চন্দ্ৰ, অধ্যাপক সোহান আহমেদ, অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, আবু জাফর মিয়া, অধ্যাপক ড. সুজন সেন, অধ্যাপক ড. টোভেল, অধ্যাপক ড. আউয়াল কবির জয়, অধ্যাপক জনাব ইলিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান, ড. মোঃ নাজমুল হাসান সিদ্দিকী, অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক, অধ্যাপক আসাদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. জাকের আহমেদ, অধ্যাপক আসমা বিনতে শফিক, অধ্যাপক শারমিন আফরোজ, অধ্যাপক ড. সুলাইমান হোসেন, অধ্যাপক ড. সৌরভ পাল, অধ্যাপক ড. জহির আহমেদ, প্রফেসর ড. নাসরিন সুলতানা, অধ্যাপক ড. কল্যাণ দে, অধ্যাপক ড. নাজনীন নাহার ইসলাম, অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য, অধ্যাপক ড. শুক্লা দাস, প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামান, অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন, অধ্যাপক সাজেদা আখতার, অধ্যাপক সিফাত শারমিন, অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ডক্টর মোল্লা হক, অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম সাজিব, অধ্যাপক ড. নির্মল কুমার সাহা, অধ্যাপক ড. হাসান মুহাম্মদ, অধ্যাপক ড. শামসুদ্দিন ইলিয়াস, অধ্যাপক ড. কাজী আয়েশা, প্রফেসর ড. আজমল হুদা, অধ্যাপক রোকনুজ্জামান জুয়েল, ড. সুজন চৌধুরী, অধ্যাপক সুলতান ইসলাম, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক মেহেদী হাসান, অধ্যাপক জয়শ্রী সেন, অধ্যাপক ড. শারমিন, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক মেহেদী হাসান ইকবাল, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, প্রফেসর জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. নাঈম হাসান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. এস. এম. জিয়াউল ইসলাম সাজল, অধ্যাপক আলাউদ্দিন খোকন, অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম, অধ্যাপক সিরাজ উদ্দৌলা, অধ্যাপক হোসেন মোহাম্মদ ইউনুস সিরাজী, অধ্যাপক ফয়সাল বিন মোনির জনি, অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম সরকার, প্রফেসর আহসান হাবীব, অধ্যাপক ড. মো. হেলাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. এম. দানেশ মিয়া, অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ইলিয়াস হোসেন, অধ্যাপক সুবাস কান্তি দাস, অধ্যাপক ড. আবুল মানছুর, অধ্যাপক ড. রোবিউল হোসেন ভূঁইয়া, অধ্যাপক মামুনুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মোতাহার হোসেন, অধ্যাপক আলমগীর সরকার, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলা উদ্দিন, প্রফেসর আবু জাফর সিদ্দিকী, অধ্যাপক বাহার উদ্দিন, অধ্যাপক মামুন আল আসাদ, অধ্যাপক আলী আজগর আহমেদ, অধ্যাপক আবুল কাশেম, অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম প্রামানিক, অধ্যাপক শাহনেওয়াজ মাহমুদ, প্রফেসর আবু নাসের সরকার, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল আবির, অধ্যাপক বোরন ইকবাল সিদ্দিকী, অধ্যাপক ফজলুর রহমান, অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. কাজী কাশরুল আলম কুদ্দুসী, অধ্যাপক ড. গোলাম কবির, অধ্যাপক এম আবু নোমান, অধ্যাপক হাসিবুল আলম, অধ্যাপক সুবেন কুমার, অধ্যাপক ড. শামীমা ফেরদৌসী, অধ্যাপক ড. শহিদুর রহমান, অধ্যাপক ফাইসাল গণি টিপু, অধ্যাপক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র, অধ্যাপক সুজন সেন, অধ্যাপক সুলতান আহমদ, অধ্যাপক জাহিদ হাসান, অধ্যাপক জান্নাতুল বারি, অধ্যাপক সৈয়দ হাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক সেলিম নাসরীন, প্রফেসর নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, অধ্যাপক ওমর ফারুক দিদার, অধ্যাপক ড. আনোয়ার সাঈদ, অধ্যাপক মাইনুল হাসান চৌধুরী, অধ্যাপক শেখ সাদী, অধ্যাপক ড. আহসানুল কবির পালাশ, অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র, অধ্যাপক মনজুরুল আলম সরকার, অধ্যাপক রাশেদ হাসান নবী, অধ্যাপক দিলীপ কুমার, অধ্যাপক ড. মুশফিক মান্নান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, প্রফেসর নাজির মোল্লা জালাল, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান, অধ্যাপক স্বপন চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. দীপিকা রানী, অধ্যাপক ড. রাশেদ উদ নবীসহ ১০০১ জন শিক্ষক।
শেখ হাসিনা–এর নেতৃত্বে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে রক্ষা করতে সকল শিক্ষার্থীদের, নাগরিকদের এবং মুক্তচিন্তার মানুষদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষকরা। তারা বলেন, এই রায় কখনো বাস্তবতা প্রতিফলিত করতে পারবে না, কারণ জনগণ সত্যের পাশে দাঁড়াবে।
প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত ও পুনর্লিখন করা হয়েছে। নতুন বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
কুমিল্লায় এক রাতে আটক ৬২৪, দাউদকান্দিতে থানা ভাংচুর করে বেরিয়ে যায় ২৮ কিশোর

কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ১৮ থানায় সাঁড়াশি অভিযান
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে এক রাতেই ৬২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাতে জেলার ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে এ অভিযান চালানো হয়।
এর মধ্যে দাউদকান্দি মডেল থানায় আটক করা হয় ৫৯ কিশোরকে। তাদের মধ্যে ২৮ কিশোর থানার একটি কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়। এ সময় থানার ভেতরে ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে। ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
তবে থানায় ভাংচুরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ। তাঁর দাবি, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন থানায় এসে হট্টগোল করেন। বাইরে থেকেও উত্তেজনা ছড়ানো হয় এবং কেউ কেউ ঢিল ছোড়েন। এ সময় একটি পুরোনো দরজার অংশ খুলে যায় ও কয়েকটি চেয়ার উল্টে পড়ে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে কিশোরদের জড়িয়ে একের পর এক অপরাধের ঘটনায় নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বুধবার রাতে জেলার ১৮টি থানার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে আটক ৬২৪ জনকে বিভিন্ন অপরাধে তাদের সংশ্লিষ্টতা ও পূর্বের রেকর্ড রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দাউদকান্দির ঘটনায় পুলিশের দাবি, আটক কিশোরদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কয়েকজন কিশোরকে থানার ভেতর থেকে বেরিয়ে যেতে এবং সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা যায়।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফুর রহমান জানান, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় নগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়েছে। কিশোর গ্যাং ও উঠতি বয়সী অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
দাউদকান্দির ঘটনায় পুলিশের দাবি, আটক কিশোরদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় পরিস্থিতিতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কয়েকজন কিশোরকে থানার ভেতর থেকে বেরিয়ে যেতে এবং সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা যায়।
কিশোর গ্যাং ধরতে অভিযান
দাউদকান্দিতে থানায় ভাঙচুর করে ‘ভুয়া’ স্লোগানে বেরিয়ে গেল ২৮ কিশোর, আটক ৫৯

কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক, অভিভাবকদের ভিড়ে থানায় উত্তেজনা
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৯ কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। দাউদকান্দি মডেল থানা ও গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ বুধবার সন্ধ্যা থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। পরে আটক কিশোরদের থানায় আনার পর তাদের স্বজন ও অভিভাবকদের ভিড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে থানার ভেতরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং ২৮ কিশোর ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে দিতে বেরিয়ে যায়।
বুধবার রাত ৮টার দিকে দাউদকান্দি মডেল থানা ভবনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থানার ভেতরে ভাঙচুর এবং কিশোরদের বেরিয়ে যাওয়ার একাধিক ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থানার ভেতরে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিপুলসংখ্যক মানুষকে অস্থিরভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিভিন্ন কক্ষে মানুষের প্রবেশ ও হট্টগোলের কারণে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
এদিকে থানার ভেতরে ভাঙচুরের ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেও দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ ভাঙচুরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি ঘটনাটিকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন।

সর্বমোট ৫৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের আটকের খবর পেয়ে অভিভাবকরা সন্তানদের ফিরিয়ে নিতে থানায় এসে হট্টগোল করেন। কেউ কেউ বাইরে থেকে উত্তেজনা ছড়ায় ও ঢিল ছোড়ে। এ সময় একটি পুরোনো দরজার অংশ খুলে যায় এবং ভিড়ের মধ্যে কয়েকটি চেয়ার উল্টে যায়। থানায় ভাঙচুরের বিষয়টি মিথ্যা।
তবে ওসি জানান, বুধবার সন্ধ্যা থেকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের খুঁজতে দাউদকান্দি মডেল থানা ও গৌরীপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযানে মোট ৫৯ জনকে আটক করা হয়।
ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, “সর্বমোট ৫৯ আটক করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, আটক কিশোরদের মধ্যে একটি কক্ষে ২৮ জন অবস্থান করছিল।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, কিশোরদের আটকের খবর পেয়ে তাদের অভিভাবকরা থানায় এসে সন্তানদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য হট্টগোল শুরু করেন। ওসির দাবি, বাইরে থেকেও কেউ কেউ উত্তেজনা ছড়ায় এবং থানার দিকে ঢিল ছোড়ে। এ সময় একটি পুরোনো দরজার একটি অংশ খুলে যায় এবং মানুষের ভিড়ে কয়েকটি চেয়ার উল্টে যায়।
অন্যদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ২৮ কিশোরকে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে দিতে থানার ভেতর থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় বলে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হচ্ছে। এ সময় থানার ভেতরে ব্যাপক ভিড় ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা যায়।
ঘটনার পর থানার সামনে আটক কিশোরদের অভিভাবক ও স্বজনদের পাশাপাশি উৎসুক মানুষের ভিড় জমে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যদের তৎপর হতে দেখা যায়।
আটক কিশোরদের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে আটক করা হয়েছে। তবে কিশোরদের স্বজনদের দাবি, তাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধসংক্রান্ত রেকর্ড নেই।
ওসি জানান, তথ্য যাচাই করে আটক কিশোরদের অভিভাবকদের কাছ থেকে লিখিত নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। অর্থাৎ আটকের পর যাচাই-বাছাই শেষে যাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না, তাদের অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন এলাকাতেও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চলছে বলে জেলা পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তা জানান, রাতভর অভিযান চলবে। অভিযান শেষে কতজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং কতজন আটক রয়েছে—সে বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর গণমাধ্যমকে সঠিক সংখ্যা জানানো হবে।
দাউদকান্দির ঘটনায় একদিকে পুলিশের দাবি, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫৯ জনকে আটক করা হয়েছে এবং অভিভাবকদের হট্টগোলে একটি পুরোনো দরজার অংশ খুলে যাওয়াসহ কিছু চেয়ার উল্টে যায়। অন্যদিকে ঘটনাস্থলের ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে থানার ভেতরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ফলে কিশোরদের আটকের কারণ, থানায় সৃষ্ট পরিস্থিতি এবং ২৮ কিশোরের বেরিয়ে যাওয়ার পুরো ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।
‘যেখানে এনসিপি, সেখানেই গণধোলাই’—বিএনপি নেতার নির্দেশ

ডার্বি নাসীরকে ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক বক্তব্য
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির নেতাকর্মীদের যেখানে পাওয়া যাবে, সেখানে ‘গণধোলাই’ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ বক্তব্য দেন।
সমাবেশে এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কিছুদিন ধরে বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে আসছেন। সম্প্রতি তিনি তিন দাবি মেনে নেওয়া হলে ঢাকা শহরে আর কোনো ককটেল ফুটবে না বলে মন্তব্য করেছেন। বিএনপি নেতা ওই বক্তব্যকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নন, এনসিপির অন্য নেতাদের বক্তব্যও রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে। তাদের প্রতিহত করা না গেলে দিন দিন তাদের ‘আস্ফালন’ বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, “তাদের যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই গণধোলাই দিতে হবে।”
পরে নিজের বক্তব্যের বিষয়ে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির অন্য নেতারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা শিষ্টাচারবহির্ভূত। এ ধরনের বক্তব্যের পর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপি নেতাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় তাদেরই বহন করতে হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ঢাকা শহরে ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার কারণে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির মিছিল শেষে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছিলেন, তাঁদের তিন দাবি মেনে নেওয়া হলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না।






















