বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩

জেনারেল ওয়াকার-ইউনূস বোঝাপড়ায় গভীর হচ্ছে রাজনৈতিক সংকট

Mohammad Shariful Alam Chowdhury প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫, ৯:০৩ এএম
জেনারেল ওয়াকার-ইউনূস বোঝাপড়ায় গভীর হচ্ছে রাজনৈতিক সংকট
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

জেনারেল ওয়াকার ও ইউনুসের বোঝাপড়ায় দীর্ঘায়িত বাংলাদেশ রাজনৈতিক সংকট: ক্ষমতা কাঠামোর নেপথ্যে কারা চালকের আসনে?

জেনারেল ওয়াকার এবং মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যকার পর্দার আড়ালের বোঝাপড়া আজকের বাংলাদেশ রাজনৈতিক সংকটকে আরও গভীর ও জটিল করে তুলেছে। একজন সেনাপ্রধান হয়েও ওয়াকার যেভাবে ইউনূস সরকারের টিকে থাকার প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছেন, তা শুধু আশ্চর্যের নয়—গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার ভবিষ্যতের জন্য তা ভয়ানক বিপদের পূর্বাভাসও বটে।

জেনারেল ওয়াকার
শেখ হাসিনার আত্মীয় পরিচয়ে বিশেষ সুবিদা নেন এ ওয়াকারুজ্জামান। ছবি : সংগৃহিত।

একদিকে সেনাপ্রধান ওয়াকার নিজেকে নিরপেক্ষ বললেও বাস্তবতায় তিনি বারবার এমন ভূমিকা রেখেছেন যা ‘অরাজনৈতিক পেশাদারিত্ব’কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার সময় সেনাবাহিনীকে ছাত্রদের উপর গুলি না চালানোর সিদ্ধান্ত, পরে ভারতীয় সেনাপ্রধান ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোনে শেখ হাসিনাকে ভারতে পাঠানোর আয়োজন, জামাতকে সবার আগে বৈঠকে ডাকা, এবং ইউনূসকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভ্যর্থনা—সবই প্রমাণ করে তিনি শুধু একজন সেনাপ্রধান নন, বরং রাজনৈতিক সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।

অন্যদিকে মুহাম্মদ ইউনূস মূলত পশ্চিমা বিশ্ব, বিশেষত ডিপ স্টেটের প্রিয়পাত্র। তাঁকে সামনে রেখে নতুন এক ধরনের ‘ডিপ পার্লামেন্টারি স্ট্রাকচার’ কায়েম করা হচ্ছে, যেখানে জনগণের ভোট বা গণতন্ত্র কেবল মুখরোচক বুলি মাত্র। ওয়াকার এখানে দায়িত্ব নিয়েছেন ভারসাম্য রক্ষার—ভারত, চীন, রাশিয়া ও পাকিস্তানকে সামলে দেশের ভিতরে ইউনূসের সরকারকে দীর্ঘায়িত করতে।

সেনাসদরে দরবার ডেকে ওয়াকার যখন সরকারের কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে ১০ দফা তুলে ধরলেন, তখন অনেকেই ভেবেছিলেন—তিনি বুঝি ‘ঘুম ভেঙে’ উঠেছেন। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই ইউনূস নাটকীয়ভাবে পদত্যাগ নাটক করে আবারও নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নিলেন। বিএনপি ও অন্যান্য দলও ওয়াকারের পাশে না দাঁড়িয়ে নির্বাচন দাবি করেই থেমে গেল।

জামাত এর মধ্যেই দেশের প্রশাসন, শিক্ষা, বিচারব্যবস্থা—সব জায়গায় শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। আজহার মুক্তি, মূর্তি ও ম্যুরাল ধ্বংস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী হামলা সবই চলছে সেনাবাহিনীর চোখের সামনে, কখনো কখনো তাদের অংশগ্রহণে। অথচ ওয়াকার বরাবর ‘নির্বিকার’। ফলে এই অবস্থা প্রমাণ করে জামাত-ইসলামিস্টদের ‘নতুন বন্দোবস্ত’কেই সমর্থন দিচ্ছেন তিনি।

এদিকে সেনাবাহিনীর ভেতর থেকেও ইউনূস সরকার ওয়াকারের বিরুদ্ধে ক্যু চেষ্টা চালায়। সেনাপ্রধান তখন ক্ষমতা আরও সংহত করলেও সরকার বদলের পথে অগ্রসর হননি। বরং তিনি রাশিয়া সফর শেষে ফিরে এসে আবারো সেনা দরবার ডেকে সরকারকে ‘নরম বার্তা’ দিলেন।

সাম্প্রতিক মব ভায়োলেন্স, মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল ভাঙা, কে এম নূরুল হুদার গলায় জুতার মালা পরানো, এবং সরকারের মদতে চলা বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধেও জেনারেল ওয়াকার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি—বা নেননি।

❝ তাহলে কি তিনি শেষ বিচারে ইউনূসের লোক? ❞

পর্যবেক্ষণ বলছে, জেনারেল ওয়াকার ও মুহাম্মদ ইউনূস উভয়ই ক্ষমতা কাঠামোর দুই মেরু হলেও একে অপরের পরিপূরক। ওয়াকার সামলাচ্ছেন সামরিক-অভ্যন্তরীণ-আঞ্চলিক ভারসাম্য, আর ইউনূস সামলাচ্ছেন পশ্চিমা অনুমোদন। ফলে দুইজন মুখোমুখি দেখালেও মূলত একই ছাতার নিচে অবস্থান করছেন।

তাই যেসব আওয়ামীপন্থী বা বিএনপি ঘরানার মানুষ ভেবে বসে আছেন, ওয়াকার একদিন শেখ হাসিনাকে বা বিএনপিকে ফিরিয়ে আনবেন, তারা ভয়ানক ভুল করছেন। তার অবস্থান ও অভিলাষ ‘অরাজনৈতিক’ বলে যতই প্রচার হোক, বাংলাদেশ রাজনৈতিক সংকটের সমাধান তাঁর ‘নিরপেক্ষতা’ নয়, বরং তার অবস্থান পরিবর্তনের ওপরই নির্ভর করছে।

জেনারেল ওয়াকার যদি সত্যিই মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতেন, তাহলে আজকের বাংলাদেশ রাজনৈতিক সংকট এতটা গভীর হত না। বরং দেখা যাচ্ছে, দৃশ্যমান বিরোধিতার আড়ালে দুইজনই একই ক্ষমতা কাঠামোর নিরাপদ খেলোয়াড়—যারা জনগণের শ্বাসরুদ্ধ গণতন্ত্রের ওপর দাঁড়িয়ে নিজেদের শর্তে রাষ্ট্র চালিয়ে যাচ্ছেন।


🔑 সারসংক্ষেপ (চুম্বক পয়েন্ট):

  • জেনারেল ওয়াকার দৃশ্যত নিরপেক্ষ হলেও কার্যত ইউনূস সরকারের চালিকাশক্তি
  • জামাত-ইসলামিস্টদের প্রশাসনে প্রভাব বেড়েছে, মব ভায়োলেন্সে সেনা নীরব
  • ওয়াকারের ভারত-রাশিয়া সংযোগ বনাম ইউনূসের পশ্চিমা মদত
  • সেনাবাহিনীর ‘আনুষ্ঠানিক বিরোধিতা’ও কার্যত দৃশ্যভ্রম মাত্র
  • নির্বাচন পিছোলে সবচেয়ে লাভবান জামাত, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিএনপি
📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

নওগাঁর পোরশায় সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

নাজমুল হক, নওগাঁ প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:৩৩ এএম
নওগাঁর পোরশায় সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের খাতিরপুর মোড় থেকে ছাওড় গ্রামে প্রবেশমুখ পর্যন্ত ৬৩০ মিটার সড়ক নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাবে এবং এলাকার সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

এ সময় পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

সড়কটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং এলাকাবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ ও নিরাপদ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত

মো. মুশফিকুর রহমান তুহিন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি : প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৪:১৭ এএম
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে নবীন বরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের ২০২৪-২০২৫, ২০২৩-২০২৪, ২০২২-২০২৩ ও ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন এবং এল এল এম ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো কনফারেন্স কক্ষে ৬ মে ২০২৬ তারিখ বুধবার সকালে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তোমরা সাধারণ জনগণের থেকে অনেক বেশি মেধাবী ও জ্ঞানী। তাই তোমাদের দায়িত্বও সাধারণ জনগণের থেকে অনেক বেশি। আমি শুনেছি তোমাদের বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তোমরাও ভবিষ্যতে দক্ষতার প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে অনেক ভালো জায়গায় থাকবে বলে বিশ্বাস করি। তবে আমি আশা করি তোমরা তোমাদের পেশায় অনেক মানবিক হবে। শুধু পারিশ্রমিকের দিকে না তাকিয়ে, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। আমাদের দেশের অনেক দরিদ্র জনগণ রয়েছে, তাদের জন্য ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব তোমাদের। সেইসকল দরিদ্র জনগণকে সচেতন করা এবং আইনি সহায়তা যত সহজে দেওয়া যায়, তা দেওয়ার মতো মানবিক মূল্যবোধ তোমাদের মধ্যে থাকতে হবে।’

মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, জ্ঞানার্জনের কোন বিকল্প নেই। তোমাদের প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে, তবেই তোমরা ভালো আইনজ্ঞ হতে পারবে। সবশেষে তোমাদের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ। আইন ও বিচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. আসাদুজ্জামান (নিউটন) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহযোগী অধ্যাপক মো. আহসান কবীর। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মনির আলম এবং অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অরিন্দম বিশ্বাস। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

দৌলতপুরে কবির শ্বশুরালয় ঘিরে আয়োজনে সমালোচনা

মুরাদনগরে শ্বশুরবাড়িতেই অবহেলায় কবি নজরুল : ব্যানারহীন প্রস্তুতি সভা, ক্ষোভ

ফাহিমা বেগম প্রিয়া প্রকাশিত: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
মুরাদনগরে শ্বশুরবাড়িতেই অবহেলায় কবি নজরুল : ব্যানারহীন প্রস্তুতি সভা, ক্ষোভ

কুমিল্লার মুরাদনগরের দৌলতপুরে, যা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শ্বশুরবাড়ি হিসেবে পরিচিত, সেখানে জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভা ব্যানার ছাড়াই অনুষ্ঠিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ সভা আগামী ২৫ মে জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনকে সামনে রেখে আয়োজন করা হয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ এ আয়োজনে কোনো ব্যানার বা দৃশ্যমান প্রস্তুতি না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, দৌলতপুর জাতীয় কবির জীবনের স্মৃতিবিজড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। বিশেষ করে এটি কবির শ্বশুরালয় হওয়ায় এখানকার আয়োজন আরও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া উচিত ছিল।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে সমালোচনা চলছে। অনেকেই এটিকে জাতীয় কবির প্রতি অবহেলা হিসেবে দেখছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল আশা করছে, ভবিষ্যতে দৌলতপুরে নজরুলকে ঘিরে আয়োজনগুলো আরও গুরুত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×