শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩

২৫০ শয্যা হাসপাতালসহ চলমান প্রকল্পের কাজের মান যাচাই

পিরোজপুর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী

রেহমান শাহিন প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
পিরোজপুর উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

এই খবরটি পডকাস্ট হিসেবে শুনুন

0:00 / 0:00
View Transcript
Host: ঠিক আছে, তাহলে পিরোজপুরে চলমান উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে এই প্রতিবেদনটা নিয়ে কথা বলি। আমার কাছে প্রথমেই যা চোখে পড়েছে, সেটা হলো গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীর নিজে গিয়ে প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করা। এটা তো সাধারণত খুব একটা দেখা যায় না, তাই না? Guest: হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন। প্রকৌশলীর সরাসরি মাঠে গিয়ে কাজ দেখা আসলে একটা গুরুত্বপূর্ন দিক। এতে যেমন গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব, তেমনি কাজের গতি নিয়েও একটা চাপ থাকে সংশ্লিষ্টদের ওপর। Host: ঠিক। বিশেষ করে উনি নতুন ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজও খতিয়ে দেখেছেন। আমাদের দেশে তো সরকারি প্রকল্পের মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন উঠে। এখানে তিনি কাজের মান ও টেকসই হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন—এটা বেশ ইতিবাচক মনে হলো। Guest: অবশ্যই। আর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মকর্তাদের সঠিক সময়ে প্রকল্প শেষ করার নির্দেশনাও দিয়েছেন। আমি মনে করি, এই ধরণের তদারকি থাকলে কাজের মান ও সময়মতো ডেলিভারি—দুটোই ভালো হয়। Host: হ্যাঁ, আরেকটা বিষয় আমার নজরে এসেছে, সেটা হচ্ছে এই পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা—বরিশালের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, এমনকি জেলা সিভিল সার্জনও। মনে হয় সমন্বয়টা বেশ গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। Guest: তা-ই তো। প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসাথে এনে কাজ করানো সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যদি সেটা হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হয়। আমি ভাবছিলাম, এই মতবিনিময় সভার কথাও এসেছে। ওখানে প্রধান প্রকৌশলী বলেছেন, অবকাঠামোগত কাজের মান নিশ্চিত করা জরুরি, যেন সরকারের উন্নয়নের সুফল জনগণ পায়। Host: হ্যাঁ, এই কথাটা খুব জরুরি। অবকাঠামো ঠিকঠাক হলে, স্বাস্থ্যসেবার মানও বাড়ে—এটা তো বাস্তবতা। তবে উনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা আর নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বানও জানিয়েছেন। আমাদের দেশে অনেক সময় কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে, তাই এটা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ মনে হলো। Guest: হ্যাঁ, বিশেষ করে সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা রক্ষা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। প্রকৌশলীর এ ধরনের বার্তা হয়তো কর্মকর্তাদের আরো দায়িত্বশীল করে তুলবে। Host: প্রতিবেদনের আরেকটা অংশ আমার ভালো লেগেছে—হাসপাতাল প্রাঙ্গণকে পরিবেশবান্ধব ও ‘গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ। বৃক্ষরোপণ নিয়ে আলাদা গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। Guest: হ্যাঁ, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৌশলী নিজে ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপণ করেছেন—এটাও একটা বার্তা দেয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানের উন্মুক্ত স্থানে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ করলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব বলেই তিনি বলেছেন। Host: ঠিক। আমাদের শহরগুলোতে তো গাছপালা কমে যাচ্ছে। সরকারি স্থাপনায় এমন উদ্যোগ খুব দরকার। আমি ভাবছি, এই ছোট ছোট উদ্যোগগুলোই হয়তো ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো তৈরির জন্য পথ দেখাবে। Guest: একমত। টেকসই উন্নয়ন আর পরিবেশ—দুটোই এখন জরুরি। আর হাসপাতালের মতো জায়গা যদি সবুজ রাখা যায়, রোগীদের জন্যও সেটা মানসিকভাবে ভালো। Host: আরেকটা দিক হচ্ছে, এই ধরনের পরিদর্শন, সভা, আর বৃক্ষরোপণ—সব মিলিয়ে আসলে স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারা যে দায়িত্বশীল থাকছেন, সেটারই একটা বার্তা যায়। Guest: হ্যাঁ, আমি মনে করি, নিয়মিত তদারকি থাকলে এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী সক্রিয় থাকলে, প্রকল্পের কাজের মান ও সময়—দুটোই ঠিক রাখা সম্ভব। Host: একদম। সবশেষে, টেকসই উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, আর পরিবেশের ভারসাম্য—এই তিনটি বিষয় যদি প্রতিটি সরকারি প্রকল্পে গুরুত্ব পায়, তাহলে আসলে জনগণই এর সুফল পাবে। Guest: ঠিক বলেছেন। আশা করি, এই প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ হবে এবং স্থানীয় মানুষ তার সুফল ভোগ করতে পারবে। Host: তাহলে আজকের আলোচনাটা এখানেই শেষ করছি। আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ। Guest: ধন্যবাদ সবাইকে শুনবার জন্য।
Audio generated by Hi, Moose AEO

পিরোজপুরে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী। শুক্রবার (৮ মে) দিনব্যাপী তিনি গণপূর্ত বিভাগের আওতায় বাস্তবায়নাধীন একাধিক প্রকল্প সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে তিনি নবনির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনসহ বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের নির্মাণকাজের অগ্রগতি, গুণগত মান ও স্থায়িত্ব যাচাই করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজের মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার নির্দেশনা দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত বিভাগ বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেদ হুসাইন, বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মানিক লাল দাস, পিরোজপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম এবং জেলা সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমানসহ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

পরিদর্শন শেষে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে গণপূর্ত বিভাগের প্রকৌশলী ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান প্রকৌশলী বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে অবকাঠামোগত কাজের মান নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

এসময় হাসপাতাল প্রাঙ্গণকে পরিবেশবান্ধব ও ‘গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরে প্রধান প্রকৌশলী পিরোজপুর গণপূর্ত বিভাগ কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি ফলজ ও একটি বনজ গাছের চারা রোপণ করেন।

বৃক্ষরোপণ শেষে তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি প্রতিষ্ঠানের উন্মুক্ত স্থানে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

কৃষক কার্ড থেকে ফ্রি যন্ত্র—

“জনগণের সরকার জনগণের কল্যাণেই কাজ করছে”—ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৬:১৭ পিএম
“জনগণের সরকার জনগণের কল্যাণেই কাজ করছে”—ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ

কুমিল্লার মুরাদনগরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার কৃষিবান্ধব নীতিতে এগোচ্ছে এবং কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে উপজেলা পরিষদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন কৃষি সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি কৃষকের হাতে বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ দাবি করেন, বর্তমান সরকার ইমাম-মোয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা চালু করেছে এবং ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে। তার ভাষায়, “এই সরকার জনগণের সরকার, জনগণের কল্যাণেই কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম সারোয়ার রাব্বীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) একেএম কামরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী পূর্ণ, মুরাদনগর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন এবং বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি শফিউল আলম।

অনুষ্ঠানে কাজিয়াতল গ্রামের যুব নেতা মো. কামাল উদ্দিন পিন্টু শতাধিক লোক নিয়ে ধর্মমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা অঞ্চলের টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় এ অর্থবছরে মুরাদনগরের ২২টি ইউনিয়নে মোট ১৬৭টি কৃষি উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে বেড প্ল্যান্টার, ধান ও ভূট্টা মাড়াই যন্ত্র, ধান কর্তন যন্ত্র এবং সেচ পাম্প।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন বিজয়ীদের আওয়ামী লীগের অভিনন্দন বার্তা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন বিজয়ীদের আওয়ামী লীগের অভিনন্দন বার্তা

ভারতের West Bengal বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী সকল প্রার্থীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

৮ মে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina-এর পক্ষ থেকে এ অভিনন্দন বার্তা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী সকল প্রার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। একই সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-এর নেতা Suvendu Adhikari-কেও বিশেষভাবে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

এতে পশ্চিমবঙ্গসহ সমগ্র ভারতের জনগণের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
তারিখ: ৮ মে ২০২৬।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

স্বাবলম্বিতার উদ্যোগ

পিরোজপুরে প্রান্তিকদের মাঝে প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ

রেহমান শাহিন, পিরোজপুর প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ৭:৪৭ পিএম
পিরোজপুরে প্রান্তিকদের মাঝে প্রকাশ্যে ঋণ বিতরণ

পিরোজপুরে প্রান্তিক কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও নিম্ন আয়ের মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় প্রকাশ্যে ঋণ ও বিনিয়োগ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পিরোজপুর শহরের পার্টি হাউস কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি পিরোজপুর শাখা ‘লিড ব্যাংক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক-এর ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক হাসান কাজী তৌফিকুর রহমান। তিনি বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় এনে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-পরিচালক মো. ফিরোজ আহমেদ, ইসলামী ব্যাংকের ইভিপি মো. জিল্লুর রহমান পাটোয়ারী এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. মহিউদ্দিন তালুকদার।

ইসলামী ব্যাংক বরিশাল জোনের ইভিপি ও জোনপ্রধান মো. সরোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পিরোজপুর শাখার প্রধান মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে ঋণগ্রহীতাদের পক্ষ থেকে নারী ও পুরুষ প্রতিনিধি ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। পরে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা যোগ্য গ্রাহকদের মাঝে ঋণ ও বিনিয়োগের চেক বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংকের আঞ্চলিক প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারী প্রান্তিক কৃষক, ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের এ স্কিমের আওতায় বিশেষ ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×