বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

‘জুলাই গণহত্যা মামলায় আসামি বেশি, তদন্তে দেরি স্বীকার করলেন উপদেষ্টা’

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ জুন, ২০২৫, ২:৫০ পিএম
‘জুলাই গণহত্যা মামলায় আসামি বেশি, তদন্তে দেরি স্বীকার করলেন উপদেষ্টা’
google news দৈনিক আজকের কথা এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

জুলাই গণহত্যা মামলার আসামির সংখ্যা বেশি হওয়ায় তদন্তে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। জুলাই গণহত্যা মামলার বাদী জনগণ, এবং এক্ষেত্রে আসামির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ফলে নির্দোষদের হয়রানি ঠেকাতে তদন্তের প্রক্রিয়া কিছুটা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে উঠেছে।

জুলাই গণহত্যার মামলায় আসামির সংখ্যা বেশি হওয়ায় তদন্তে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, “আগে পুলিশ বাদী হয়ে ১৫-২০ জনকে আসামি করত। কিন্তু এখন জনগণ নিজেরাই বাদী হয়ে শতাধিক আসামির বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছেন। এতে তদন্ত জটিল হয়ে উঠেছে।”

তিনি আরও বলেন, “এই মামলাগুলোর মধ্যে অনেক নির্দোষ ব্যক্তি রয়েছেন। আমরা দোষী-নির্দোষ আলাদা করে যাতে নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করছি। ফলে সময় বেশি লাগছে।”

মঙ্গলবার (১০ জুন) সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত কিছু নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। এসব ঘটনার মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, পুলিশের সদস্যসহ ক্ষমতাসীন দলের অনেক নেতার নাম উঠে এসেছে। তাই সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত নিয়ে একাধিক ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “পুলিশের সংস্কারের অংশ হিসেবে অনলাইনে মামলা ও জিডি গ্রহণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাচঘর তৈরি হবে, যাতে বাইরে থেকেই দেখা যায়— পুলিশ কীভাবে আচরণ করছে।”

তিনি স্বীকার করেন, “বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা দুর্নীতি। মামলা বাণিজ্য ও পুলিশি দুর্নীতির সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক— কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দুর্নীতি কন্ট্রোলে আনতে পারলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যেত।”

এ সময় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ড. মো. নাজমুল করিম খান এবং জিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই গণহত্যা মামলার তদন্তে সময় নেওয়ার যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, তা জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি করেছে। যখন নিরীহ মানুষ হামলার শিকার হয়ে মামলা করে, তখন দ্রুত বিচার পাওয়ার আশা করে। কিন্তু তদন্ত দীর্ঘায়িত হলে ন্যায়বিচার বিলম্বিত হয়। সরকার হয়তো দোষী-নির্দোষ আলাদা করার কথা বলছে, তবে জনমনে সন্দেহ থেকে যায়, এসব সময়ক্ষেপণের আড়ালে প্রভাবশালীদের রক্ষা করা হচ্ছে না তো? গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এমন মামলায় বিলম্ব শুধু বিচারপ্রার্থী নয়— পুরো বিচারব্যবস্থার উপরই আস্থা কমায়।

‘বাংলাদেশে দুর্নীতি সবচেয়ে বড় সমস্যা’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা দুর্নীতি। মামলা বাণিজ্য ও পুলিশি দুর্নীতির সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক— কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দুর্নীতি কন্ট্রোলে আনতে পারলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যেত।” এটি জুলাই গণহত্যা মামলার তদন্তের দ্রুততায় গভীর প্রভাব ফেলবে, যার ফলে বিচারব্যবস্থায় আরও উন্নতি আসবে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বড় ব্যবধানে সহজ জয় নিশ্চিত

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:৪৭ এএম
গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে

গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু প্রথম কোয়ালিফায়ারে গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ফাইনালে উঠেছে রজত পাতিদার ও বিরাট কোহলির দল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

ধর্মশালায় টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ২৫৪ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে বেঙ্গালুরু। ইনিংসের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ব্যাটাররা। বিরাট কোহলি ২৫ বলে ৪৩ রান করে দলকে ভালো ভিত গড়ে দেন।

দেবদূত পাডিক্কেল ও কোহলি ৩৮ বলে ৭২ রানের জুটি গড়েন। এরপর রজত পাতিদার ও ক্রুনাল পান্ডিয়া ৪৭ বলে ৯৫ রানের ঝড়ো জুটি উপহার দেন।

ক্রুনাল পান্ডিয়া ২৮ বলে ৪৩ রান করেন। তবে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। তিনি ৩৩ বলে ৫ চার ও ৯ ছক্কায় ৯৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে গুজরাট টাইটান্স। ২৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ফিরে যান। দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে দলটি।

জস বাটলার ২৯ রানের ইনিংস খেললেও তা যথেষ্ট হয়নি। ৩৭ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় ধস নামে গুজরাটের ইনিংসে।

রাহুল তেয়াতিয়া ৩৩ বলে ফিফটি তুলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে ১৯ ওভার ৩ বলে ১৬২ রানে অলআউট হয়ে যায় গুজরাট।

শেষ পর্যন্ত গুজরাটকে উড়িয়ে কোহলির বেঙ্গালুরু দাপুটে পারফরম্যান্সে ৯২ রানের বিশাল জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে জায়গা করে নেয়।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

ধানখেতে নির্মম হত্যাকাণ্ডে ধরা

বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

আজকের কথা ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৭ এএম
বগুড়ায় দেবরকে কুপিয়ে হত্যা: ভাবি ও প্রেমিক গ্রেপ্তার

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় রাজমিস্ত্রী শাহ আলম (৩৫) হত্যার ঘটনায় তাঁর ভাবি আরিফা বেগম (৩২) ও একই গ্রামের শাহিন শেখ ওরফে সায়েম (৩২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার সংসারদীঘি গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আরিফা বেগম নিহত শাহ আলমের বড় ভাই আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী।

গত ১৬ মে সকালে সংসারদীঘি গ্রামের বাড়ির পাশের একটি ধানখেত থেকে শাহ আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ১৭ মে নিহতের মামা হারুন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আবু বক্কর কাজের কারণে বাড়ির বাইরে থাকতেন। এ সময় আরিফা বেগমের সঙ্গে একই গ্রামের শাহিন শেখের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে শাহ আলম তাঁদের সম্পর্কের বিরোধিতা করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন জানান, ১৫ মে রাতে শাহিন আরিফার সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান। বিষয়টি টের পেয়ে শাহ আলম হাসুয়া হাতে উঠানে অবস্থান নেন। পরে আরিফা অন্য দরজা দিয়ে শাহিনকে পালাতে সহায়তা করেন।

এরপর শাহ আলম ধাওয়া করলে তিনি ধানখেতে পড়ে যান। এ সময় শাহিন তাঁর কাছ থেকে হাসুয়া কেড়ে নিয়ে মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহ আলমের মৃত্যু হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরও অভিযুক্তরা নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে তাঁদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতের নির্দেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

বাড়ছে পুশব্যাক আতঙ্ক

পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

মোহাম্মদ শরিফুল আলম চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১১:৫২ পিএম
পুলক ঘটকের ক্ষোভ, সীমান্ত সংকটে কেন নীরব মিডিয়া?

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক পুলক ঘটকের স্ট্যাটাস: দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। ছবির গ্রাফিকস : আজকের কথা

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে শত শত মানুষকে জড়ো করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রবীণ সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী পুলক ঘটক। এ ঘটনায় বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমের নীরবতা নিয়েও তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে পুলক ঘটক সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, “ভারতীয় সীমান্তের কোনো কোনো চেকপোস্টে শত শত মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য জড়ো করা হয়েছে। এটা কি পুশব্যাক? বাংলাদেশ কি তাদের স্বেচ্ছায় নিচ্ছে? ব্যাপারটা কী?”
তিনি দাবি করেন, বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কোনো খবর প্রকাশ না হলেও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ভিডিওসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সীমান্তে অবস্থান নেওয়া মানুষের বক্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পুলক ঘটক লেখেন, “এ বিষয়ে বাংলাদেশের মিডিয়ায় কোনো নিউজ নেই… কিন্তু এখানে সবাই চুপচাপ!”

তার এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

অনেকেই সীমান্ত পরিস্থিতি, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ভূমিকা এবং সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
এদিকে সীমান্ত এলাকায় আদৌ পুশব্যাক চলছে কি না, কিংবা জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক কি না—তা নিয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্টে এসব পুশব্যাক নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে দ্রুত স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি।

📊 অনলাইন জরিপ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, এটি একটি ঐতিহাসিক সত্য। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের এই বক্তব্যে আপনি কি একমত?

ফলাফল দেখুন

×